স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় চলমান জ্বালানি তেলের সংকটে স্কুল-কলেজ শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন কোম্পানি-প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র চাকরিজীবীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করা ও পেশাগত দায়িত্ব পালন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা গেছে, জরুরি সেবা পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা হলেও সাধারণ মানুষ এখনও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, কিছু অসাধু বাইকার ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করে গ্রামে বেশি দামে বিক্রি করছেন। জ্বালানি তেল সংকটের কারণে শিক্ষকরা সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছেন না, সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকরা বিলম্ব করছেন এবং সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভরা তাদের নির্ধারিত কাজে অনিয়মিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক জিএম আমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, জরুরি ও জনসেবামূলক পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করা উচিত। বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগের একটি নোটিশেও এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, সাতক্ষীরাতেও সংকটের সময় জরুরি পেশাজীবীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি বা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভোগান্তি অনেক কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি ও তেলের কালোবাজারি বন্ধ করতে জেলা প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
