সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. আনিসুর রহমান। প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মতামত শোনেন। পরে কলারোয়া উপজেলার খদ্দের বাজারে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, “আমরা এবার আনিসুর রহমান ভাইকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।” একই ধরনের বক্তব্য দেন বিএনপির কর্মী কামরুল ইসলাম ও আব্দুল হামিদসহ অন্য নেতাকর্মীরা। তারা দলের কাছে আনিসুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও ক্রীড়া কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন। মতবিনিময় সভায় আনিসুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং সাবেক ছাত্রদল ও যুবদলের ত্যাগী নেতা হিসেবে কাজ করেছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে থাকব। ১১ নং দেয়াড়া ইউনিয়নকে দুর্নীতিমুক্ত, সুশাসনভিত্তিক ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।”
Category: কলারোয়া
-

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।
-

কলারোয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
কলারোয়া ব্যুরো: কলারোয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। রবিবার (২৬ এপ্রিল) আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহিন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদুর রহমান, কলারোয়া ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি মীর রফিক, পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ডা. ইউনুছ আলী বাবু ও পৌর সেক্রেটারি মাওলানা আলমগীর হোসাইন প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহায়ক হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। খেলা উপভোগ করতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
-

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বাইরে বসেই রোগী দেখছেন কলারোয়ার চিকিৎসকরা
স্টাফ রিপোর্টার: কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ফলে চিকিৎসকরা হাসপাতালের ভেতরের পরিবর্তে বাইরে বসে রোগীদের সেবা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাসপাতালে পর্যাপ্ত আলো ও শীতল পরিবেশ না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় জরুরি সেবা কার্যক্রম কিছুটা চালু থাকলেও রোগী ও চিকিৎসকদের ভোগান্তি বেড়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীরা জানান, গরম ও অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
-

কলারোয়ায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে মরণোত্তর ভাতা প্রদান
স্টাফ রিপোর্টার: কলারোয়ায় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মৃত শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে মরণোত্তর ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে ভাতা বিতরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি মোঃ আব্দুস সামাদ। তিনি শ্রমিকদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ মামুনুর রশীদ এবং তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শেখ মোঃ সামরুল ইসলাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাছুম বিল্লাহ, সহ-সভাপতি মনিরুল আলম টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শিমুল মোড়ল, সড়ক সম্পাদক মোঃ বদিউজ্জামান বাবু, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ফেরদৌস হোসেন ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম। মরণোত্তর ভাতা পাওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। শেষে মৃত শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি মতিউর রহমান। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক শেখ শাহাজাহান আলী (শাহিন)।
-

কলারোয়ায় বাড়ির গেটে বোমা সদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামে একটি বাড়ির গেট, রান্নাঘরের দরজা ও উঠানে ঝুলিয়ে রাখা তিনটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে কে বা কারা বাড়ির বিভিন্ন স্থানে এসব বোমা সদৃশ বস্তু বেঁধে রেখে যায়। সকালে বাড়ির সদস্য ও আশপাশের লোকজন বস্তুগুলো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানালে কলারোয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাড়ির সামনে তিনটা সন্দেহজনক বস্তু ঝুলছে। আমরা ভয় পেয়ে যাই, কেউ কাছে যাইনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে তারা কোনো কিছু টের পাননি। সকালে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। কলারোয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলোকে হাতবোমা বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পুরো বাড়ি ঘিরে রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর বোমা নিস্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
-

নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় গড়ে তোলার আহবান এমপি ইজ্জত উল্লাহর
কলারোয়া ব্যুরো: কলারোয়া উপজেলার মরহুম আছির উদ্দিন শায়েদা অডিটোরিয়ামে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষক সমাবেশ। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাবেশটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মোঃ কামারুজ্জামান। তিনি শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি উন্নত ও আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষক সমাজের ভূমিকা অপরিসীম। আদর্শ শিক্ষক পরিষদ, কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উন্নয়ন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও সমাবেশে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা শেষে ভবিষ্যতে শিক্ষক সমাজের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সমগ্র আয়োজনের দায়িত্বে ছিল আদর্শ শিক্ষক পরিষদ, কলারোয়া উপজেলা শাখা।
-

কলারোয়ায় সিভিল সার্জনের অভিযানে পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়ে পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছেন। বিভিন্ন অনিয়ম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কলারোয়ার গয়ড়া বাজারের ডাক্তার রমজান আলীর আছিয়া মেমোরিয়াল ক্লিনিক, ডাক্তার কবিরুল ইসলামের মায়ের হাসি ক্লিনিক, কলারোয়া পৌর সদরের জনসেবা ক্লিনিক এবং গরু হাটখোলা মোড়ের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স ও কাগজপত্র যাচাই বাণিজ্যিক নিয়ম মেনে হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জনের এই পদক্ষেপের পর এলাকার সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি।
-

কলারোয়ায় ইউএনও’র সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলামের সঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান সাংবাদিকেরা। এ সময় ইউএনও সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ইউএনও পৃথকভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। পরে উপজেলা জামায়াত নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে সভায় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন, সহকারী প্রোগ্রামার মো. মোতাহার হোসেন, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ এ সাজেদ, কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মো. মোস্তাক আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আসাদুজ্জামান ফারুকীসহ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। সভায় সাংবাদিকেরা উপজেলার নানা সমস্যা তুলে ধরেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেল সংকটজনিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি তথ্য আদান-প্রদান সহজ করতে সাংবাদিকদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ওসির তত্ত্বাবধানে পৃথক একটি গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দেন। ইউএনও মো. আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
-

বসন্তপুর মাদ্রাসায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
জয়নগর প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার বসন্তপুর আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। সংবর্ধনার আয়োজন করেন মাদ্রাসার সাবেক সফল সভাপতি ও তরুণ সমাজসেবক মোঃ আসাদুল ইসলাম আসাদ। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসার দাবিদার হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মো. কামারুজ্জামান, সুপারেনটেনডেন্ট নুরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ। মোঃ আসাদুল ইসলাম আসাদ অনুষ্ঠানে বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে তারা আরও ভালো ফলাফল অর্জনে উদ্বুদ্ধ হবে। শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।” অতিথিরা তার এই মহৎ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে আসা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা হলেন— জি.এম. নাবিল, শাহারা তাসনিম, ঋতু এবং মো. ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে তাদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
