Category: শ্যামনগর

  • মানবিক সেবায় উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীক এস এম শাকির হোসেন

    মানবিক সেবায় উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীক এস এম শাকির হোসেন

    এবিএম কাইয়ুম রাজ, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা: উপকূলীয় শ্যামনগরের মানুষের কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই চিকিৎসার প্রধান ভরসা। এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ২০০৮ সাল থেকে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত এস এম শাকির হোসেন। দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

    কালিগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সন্তান এস এম শাকির হোসেন তৎকালীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল (বর্তমান শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ) থেকে ডিএমএফ সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দাপ্তরিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি জরুরি বিভাগের সেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত কাজ করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন, ভবঘুরে ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যাতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন।

    সহকর্মীদের মতে, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে পরিচিত। হাসপাতালের সেবার পরিবেশ উন্নয়ন এবং অনিয়ম প্রতিরোধেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

    হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিষপানজনিত ১৩২ জন রোগী এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহযোগিতায় সাপে কাটা, কুকুরে কামড়ানো এবং বিষপানকারী রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, এস এম শাকির হোসেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মানবিক উদ্যোগ হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম তরিকুল ইসলাম বলেন, রোগীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি বিভাগের সেবাকে আরও কার্যকর করেছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা গেলে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম হবে।

  • লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।

    লিডার্সের উদ্যোগে শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।

    আবু সুফিয়ান :

    সাতক্ষীরার শ্যামনগরে লবণাক্ততা, খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহনশীল, স্মার্ট ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। লিডার্স এর “ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল (কল) ” প্রকল্পের উদ্যোগে শ্যামনগর উপজেলার ১ নং ভুরুলিয়া ইউনিয়নের দেউলিয়া গ্রামে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তন উপলক্ষে এক প্রাণবন্ত, অংশগ্রহণমূলক ও তথ্যসমৃদ্ধ কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জলবায়ু সহনশীল কৃষি, জৈব কৃষি প্রযুক্তি ও সাসটেইনেবল খাদ্য উৎপাদনের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃগাজীয়ার রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব মহিউদ্দিন । বিশেষ অতিথি জনাবা, আইরুননেছাদ, নারী উদ্যোক্তা এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইয়ুথ ক্লাইমেট জাস্টিস গ্রুপের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন

    মাঠ দিবসে জলবায়ু সহনশীল, লবণাক্ততা ও খরা সহিঞ্চু কৃষি প্রযুক্তি, স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থাপনা, পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ এবং সাসটেইনেবল কৃষি উন্নয়ন নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কমলা সুন্দরী মিষ্টি আলুর সম্ভাবনা ও পুষ্টিগুণ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান চাষে মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন কৃষাক মোঃ মশিউর রহমান । তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেলেও ব্রি-৯৯ জাতের ধান কৃষকদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠছে।

    এসময় বায়োফর্টিফাইড জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-১০২ ধান নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন রেক্সোনা পারভীন । অন্যদিকে সবজি চাষ, জৈব সার ব্যবহার, পারিবারিক পুষ্টি বাগান ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বক্তব্য দেন মাসুদ রানা । বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জৈব কৃষি প্রযুক্তি, পানি সংরক্ষণ, বহুমুখী ফসল চাষ এবং আধুনিক স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও খরার ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষকদের লবণসহনশীল ধান, ভুট্টা, সূর্যমুখীসহ বিকল্প ফসল চাষে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পানি সাশ্রয়ী এডব্লিউডি (AWD) পদ্ধতি, খাল ও পুকুর খনন এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।” তিনি কৃষিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে জলবায়ু সহনশীল কৃষি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব, মোঃ মহিউদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অনুপ কুমার মন্ডল এবং সার্বিক সহোযোগিতা করেন মোঃ,কানিজুর রহমান, সালমা খাতুন কল প্রকল্প, লিডার্স।

    মাঠ দিবসে বিপুল সংখ্যক কৃষক কৃষানীর অংশগ্রহণ স্থানীয় পর্যায়ে স্মার্ট, জৈব ও সাসটেইনেবল কৃষি প্রযুক্তির বিস্তারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে বলে আয়োজকরা জানান। কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল GAIN⁠ এবং বাস্তবায়নে ছিল LEDARS⁠।

  • ফসিল ফ্রি ভবিষ্যতের দাবিতে শ্যামনগরে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক

    ফসিল ফ্রি ভবিষ্যতের দাবিতে শ্যামনগরে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক

    এবিএম কাইয়ুম রাজ : জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যতের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বিড়ালক্ষী খোলপেটুয়া নদীর তীরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে উপকূলীয় যুব সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিম। কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে এ্যাকশনএইড বাংলাদেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলের অর্ধশতাধিক তরুণ-তরুণী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এতে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেয় সুন্দরবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম ও এক্টিভিস্টা বাংলাদেশ। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী উপকূলীয় জনগোষ্ঠী হলেও এ সংকট তৈরিতে তাদের ভূমিকা নেই বললেই চলে। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বিশ্বকে দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। শরুব ইয়ুথ টিমের নির্বাহী পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম বলেন, উপকূলের মানুষ প্রতিনিয়ত লবণাক্ততা, পানির সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করছে। অথচ জলবায়ু সংকট সৃষ্টিতে তাদের অবদান খুবই সামান্য। তাই ফসিল ফ্রি ভবিষ্যতের দাবিতে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা হচ্ছে। এস ওয়াই এস টি’র সভাপতি সাইদুল ইসলাম বলেন, যুবসমাজ এখন আর নীরব নয়। ভবিষ্যৎ রক্ষায় কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসতে হবে। শরুব ইয়ুথ টিমের কমিউনিকেশন ফোকাল জেবা তাসনিয়া বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তরুণদের আরও সংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। উপকূলের বাস্তবতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন শরুব ইয়ুথ টিমের ফাইন্যান্স ফোকাল এস এম রাশিদুল ইসলাম, মাসুদ রানা, রবিউল ইসলাম, শামীম হোসেন, নাহিদা সুলতানা, সালাম ও রাজীবসহ অন্যান্যরা।

  • স্বাদে-গন্ধে অনন্য সাতক্ষীরার আম, দেশজুড়ে বাড়ছে চাহিদা

    স্বাদে-গন্ধে অনন্য সাতক্ষীরার আম, দেশজুড়ে বাড়ছে চাহিদা

    এবিএম কাইয়ুম রাজ: নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরা একসময় সুন্দরবন, নদী ও চিংড়ি শিল্পের জন্য বেশি পরিচিত থাকলেও বর্তমানে গাছপাকা সুস্বাদু আমের জন্যও দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। গ্রীষ্ম মৌসুম এলেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিশেষ করে শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, দেবহাটা, তালা, আশাশুনি ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় দেখা যায় আমের সমারোহ। ছোট-বড় অসংখ্য বাগানে ঝুলতে থাকে নানা জাতের আম, আর সেই আমকে ঘিরেই শুরু হয় কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের ব্যস্ততা। সাতক্ষীরার আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে এখানকার আমে পাওয়া যায় আলাদা স্বাদ ও ঘ্রাণ। বিশেষ করে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও ফজলি জাতের আম স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেক চাষি এখন রাসায়নিক ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে আম উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে নিরাপদ ও গাছপাকা আমের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাগানে চলছে আম সংগ্রহ, বাছাই ও প্যাকেটজাত করার কাজ। মৌসুমি এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে অস্থায়ী কর্মসংস্থানও। অনেক শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষ মৌসুমজুড়ে আম বাগানে কাজ করে অতিরিক্ত আয় করছেন। এছাড়া পরিবহন, প্যাকেজিং ও অনলাইন ডেলিভারি খাতেও বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া এলাকার আম বাগান মালিক হাবিবুর মোড়ল বলেন, “আমরা চেষ্টা করি সম্পূর্ণ গাছপাকা ও নিরাপদ আম ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দিতে। সাতক্ষীরার আমের স্বাদ একবার যারা খায়, তারা প্রতিবছর আবারও অর্ডার করে।” কালিগঞ্জ উপজেলার আমচাষি হাফিজুর রহমান জানান, “এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় আমের ফলনও ভালো হয়েছে। তবে ঝড়-বৃষ্টি না হলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারবেন।” স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক বছর আগেও সাতক্ষীরার আম দেশের বড় বাজারে তেমন পরিচিত ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা, অনলাইন অর্ডার ও কুরিয়ার সার্ভিস সহজ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সরাসরি সাতক্ষীরার আমের চাহিদা বাড়ছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় যাচ্ছে শত শত কেজি গাছপাকা আম। তবে আমচাষিদের দুশ্চিন্তাও কম নয়। বৈরী আবহাওয়া, ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে অনেক সময় বাগানে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কথাও জানিয়েছেন তারা। কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা ও সহজ ঋণ সুবিধা বাড়ানো হলে আমচাষ আরও সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সাতক্ষীরায় প্রতিবছর আম চাষের পরিধি বাড়ছে। কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ ফল উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সাতক্ষীরার আমকে একটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ চলছে  সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক মানের বিপণন নিশ্চিত করা গেলে খুব শিগগিরই সাতক্ষীরার গাছপাকা আম দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশের বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

  • অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর শ্যামনগরে পশু চিকিৎসক উদ্ধার

    অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর শ্যামনগরে পশু চিকিৎসক উদ্ধার

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর নিখোঁজ পশু চিকিৎসক অনিমেষ পরামান্যকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কৃষকদলের এক ওয়ার্ড সভাপতি, যুবদলের এক নেতা ও আরও একজনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২ মে) সকালে মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গরুর চিকিৎসার কথা বলে অনিমেষ পরামান্যকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে চাপের মুখে অপহরণকারীরা তাকে সুন্দরবনের গহীন এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এক জেলের সহায়তায় তিনি লোকালয়ে ফিরে আসেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের সভাপতি জব্বার (৩৫), যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান (৩২) এবং শাহিনুর গাজী (৩০)। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে টেংরাখালী দমদমা এলাকার আশরাফ ঢালীর নাম পাওয়া গেছে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া চিকিৎসক অনিমেষ পরামান্য বর্তমানে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। শ্যামনগর থানার ওসি মো. খালেদুর রহমান বলেন, “ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল হোতা গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

  • শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চর দখলের অভিযোগ

    শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চর দখলের অভিযোগ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়ন-এর ঝাপালী এলাকায় খোলপেটুয়া নদী-এর চর দখল ও ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকাশ্যে নদীর ভেতরে বাঁধ দিয়ে প্রায় ৬০০ ফুটের বেশি জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঝাপালী খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় ১৫-১৬ জন শ্রমিক নদীর ভেতরে বাঁধ নির্মাণ ও ভরাট কাজ করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই স্থানে বালুর আড়ৎ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, রিকাত সরদার, আয়জুল সরদার ও পলাশ হোসেন নামের কয়েকজন মিলে এ কাজ পরিচালনা করছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আহাদ অভিযোগ করে বলেন, “ভূমি অফিস ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে অর্থ দিয়ে এই কাজ চালানো হচ্ছে।” আরেক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আয়জুল সরদার বলেন, তিনি নদী ভরাটের সঙ্গে জড়িত নন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এলাকায় আরও স্থাপনা হচ্ছে, শুধু একটি কাজকে টার্গেট করা হচ্ছে। অন্যদিকে পলাশ হোসেন বলেন, সেখানে কবরস্থান করার উদ্দেশ্যে ভরাট কাজ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন রায় বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাশিমাড়ি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুরজাহান কনক বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি জেনেছি, খতিয়ে দেখা হবে।” স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে নদী ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, পাশাপাশি নৌপথের স্বাভাবিক প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

  • সুমাইয়া বন্যা জামায়াতের কেউ নন

    সুমাইয়া বন্যা জামায়াতের কেউ নন

    শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন
    হুসাইন বিন আফতাব, শ্যামনগর: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল এক নারীকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন মাহমুদ, সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, সাইদী হাসান, শহিদুল ইসলাম ও ডা. ইমাম হাসান প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “সুমাইয়া বন্যা” নামে এক নারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে আরও বলা হয়, ওই নারীর সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সাংগঠনিক বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। অতীতেও তিনি দলের কোনো পর্যায়ের সদস্য ছিলেন না এবং বর্তমানে তার সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার দায় রাজনৈতিকভাবে জামায়াতের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী। বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করছে। এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাম্প্রতিক মিছিলে জামায়াতের বিরুদ্ধে অশালীন স্লোগান দেওয়ারও নিন্দা জানানো হয়।

  • শ্যামনগরে স্বামীর ওপর হামলার অভিযোগে স্ত্রী আটক

    শ্যামনগরে স্বামীর ওপর হামলার অভিযোগে স্ত্রী আটক

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর ওপর হামলার অভিযোগে এক নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত স্বামী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের সিরাজপুর এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের খাবার শেষে ইসমাইল গাজী (৪১) তার স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩২)-এর সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্ত্রী নিজেই আহত স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয়দের ভাষ্য, দাম্পত্য বিরোধ ও পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।

  • শ্যামনগরে বিশ্ব পানি দিবস পালিত

    শ্যামনগরে বিশ্ব পানি দিবস পালিত

    এবিএম কাইয়ুম রাজ : “পানির প্রবাহ যেখানে, সমতার হাসি সেখানে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গাবুরা ইউনিয়নের হরিসখালী ঘাটে রূপান্তর গোফরইমপ্যাক্ট কর্মসূচি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ আয়োজনে র‍্যালি, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম মাসুদুল আলম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ভয়েস অব সিটিজেন্সের সভাপতি খাইরুল আলম মিলন, হরিসখালী ঘাটের সদস্যবৃন্দ, মোটর শ্রমিক প্রতিনিধি, স্থানীয় যুবসমাজ, নারী নেত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির কর্মীরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নদী-নালা ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে পানি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই পানির অপচয় রোধ, নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পানি সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

  • সুন্দরবনে বনদস্যুর গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহত

    সুন্দরবনে বনদস্যুর গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহত

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সুন্দরবন-এর সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কলাগাছিয়া মুল্লি খালের ভারানির মুখ এলাকায় বনদস্যুদের গুলিতে আতিয়ার রহমান (৬৫) নামে এক কাঁকড়া শিকারি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত আতিয়ার রহমান বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো তিনি সকালে সুন্দরবনের নির্ধারিত এলাকায় কাঁকড়া আহরণ করতে যান। এ সময় হঠাৎ বনদস্যুদের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে জেলেদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। সহযোগী জেলেরা তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী বন স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আতিয়ার রহমান বন বিভাগের অফিসে আসেন। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি শ্যামনগর থানা পুলিশ ও কৈখালী কোস্ট গার্ডকে অবহিত করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে প্রায়ই বনদস্যুদের তৎপরতা দেখা যায়, যার ফলে জেলে ও বনজীবীদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।