খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার খালিশপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নগরীর খালিশপুরের ক্রিসেন্ট জুট মিলস গেট সংলগ্ন এলাকায় এ সহায়তা বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, জামায়াত সবসময় দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। সংগঠনের চার দফা কর্মসূচির অন্যতম হলো সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কার। মানুষের কল্যাণে কাজ করাকে তারা ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো দুর্যোগ ও বিপদে জামায়াতে ইসলামী মানুষের পাশে থাকে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। গত ৮ এপ্রিল রাতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে ওই এলাকায় কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় অটোচালক মোহাম্মদ রিপন, ভ্যানচালক মোহাম্মদ বাবু ও বাসের হেলপার মোহাম্মদ সাকিব ক্ষতিগ্রস্ত হন। সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, খালিশপুর থানা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সেক্রেটারি আব্দুল আউয়ালসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
Category: খুলনা
-

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ‘হামের প্রাদুর্ভাব’
খুলনা ব্যুরো: খুলনা বিভাগে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নতুন করে হামের প্রাদুর্ভাব। গত কয়েকদিনে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্যখাতে। ইতোমধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ শিশু গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া বিভাগের ১০ জেলায় ৭৮ শিশু চিকিৎসাধীন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা জোরদার করার পাশাপাশি শিশুদের টিকাদানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তিনজন শিশু গুরুতর অবস্থায় আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে। এদের ৮ মাস, ৭ মাস এবং ৫ মাস বয়সি এই তিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফেইল করায় তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সৈয়দা রুখসানা পারভীন। এছাড়া খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে কুষ্টিয়ায়। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ১৩ এবং কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে আরও ৫০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া যশোরে ৬, সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহ ও মাগুরায় ২ জন করে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছে নবজাতক থেকে ৬ মাসের মধ্যে। ৬ মাসের কম বয়সি ৪ জন, ৬ থেকে ৯ মাস বয়সি ৭ জন, ৯ থেকে ১১ মাস ৪ জন, ১ বছর থেকে ৪ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫ বছর থেকে ৯ বছর এর মধ্যে ২ জন, এছাড়া ২০ বছরের নীচে ৩ জনের শরীরে এই হাম আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশুর বয়স ৬ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে উচ্চ জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিচ্ছে, যার কারণে কিছু শিশুকে আইসোলেশন ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সৈয়েদা রুখসানা পারভীন বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। একজন আক্রান্ত শিশু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যে-সব শিশু নিয়মিত টিকা পায়নি বা অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের ঝুঁকি বেশি। তিনি আরও বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ অন্যান্য হাসপাতালে হামসহ সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের ভর্তি করা হয় না। কিন্তু এই রোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ও খুলনায় যে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি রয়েছে, তার সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের এখানে (খুমেক হাসপাতলে) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করে সেখানে তিনটি শিশুকে রাখা হয়েছে। কিন্তু তিনটি শিশুর অবস্থাই খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই মুহূর্তে সরকারের ব্যাপকভাবে একটি ভ্যাকসিনেশন ব্যবস্থা চালু করা দরকার।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে সন্দেহজনক হামের রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। হামের চিকিৎসার জন্য বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের পাশে পৃথক ‘হাম কর্ণার’ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চারজন শিশুকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি থাকা শিশুদের মধ্যে তিনজনের বয়স এক বছরের কম এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, আক্রান্ত শিশুদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন রোগী এলে প্রয়োজন অনুযায়ী মীরের ডাঙ্গা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পেলে হাম থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব। তাই অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। -

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচ মাস ধরে বন্ধ হরমোন ও ট্রপোনিন-আই পরীক্ষা
খুলনা ব্যুরো: খুলনার সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে প্রায় পাঁচ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোন পরীক্ষা টি-থ্রি , টি-ফোর, টিএসএইচ এবং হৃদরোগ নির্ণয়ের জরুরি পরীক্ষা ট্রপোনিন-আই। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় রিএজেন্টের অভাবে এসব পরীক্ষা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব পরীক্ষা স্বল্প খরচে করা সম্ভব ছিল। যেখানে ট্রপোনিন-আই পরীক্ষা হাসপাতালে করতে খরচ হতো মাত্র ৫০০ টাকা, বাইরে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই পরীক্ষা করাতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১,৮০০ টাকা। একইভাবে টি-থ্রি, টি-ফোর ও টিএসএইচ পরীক্ষার জন্য সরকারি খরচ ছিল প্রায় ৬০০ টাকা, অথচ বাইরে করতে গেলে খরচ পড়ছে প্রায় ১,৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে দুটি পরীক্ষার জন্য রোগীদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪,০০০ টাকার কাছাকাছি, যা অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ। রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে স্বল্প খরচে সেবা পাওয়ার আশায় তারা এখানে আসেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এসব পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরে বেশি খরচে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব আয়ও কমে যাচ্ছে। চিকিৎসক মহল বলছেন, হরমোনজনিত সমস্যা ও হৃদরোগের ক্ষেত্রে এসব পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। দ্রুত পরীক্ষা না হলে সঠিক চিকিৎসা বিলম্বিত হতে পারে, যা রোগীর ঝুঁকি বাড়ায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় রিএজেন্ট সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা, যাতে সাধারণ মানুষ স্বল্প খরচে সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা ফিরে পান। প্যাথলজি বিভাগের ডাক্তার আনন্দ দুত্যি হীরা বলেন, রি-এজেন্ট শেষ হওয়ার কারণে মূলত এই পরীক্ষা দুটি এখন হচ্ছে না, তবে আমরা চাহিদা দিয়েছি নতুন টেন্ডারের রি-এজেন্ট পেলেই আমরা আবার এই পরীক্ষাগুলো চালু করতে পারব। এ ব্যাপারে খুমেক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে রি-এজেন্ড কেনার চেষ্টা করছি, আশা করছি খুব দ্রুত এর সমস্যার সমাধান হবে।
-

আশাশুনিতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী
আশাশুনি প্রতিনিধি।। আশাশুনিতে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর-২০০৬ পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় উপজেলার আশাশুনি সদর,বুধহাটা, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে পৃথক পৃথক ভাবে দিবসটি পালিত হয়েছে। আশাশুনি সদর ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আব্দুল হাই এর পরিচালনায় আশাশুনি বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, বিএনপির আহবায়ক স,ম হেদায়েতুল ইসলাম,জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোশারফ হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক উপজেলা আমীর ডাক্তার নুরুল আমিন, বিএনপির সেক্রেটারী মশিউল হুদা তুহিন,জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এবিএম আলমগীর পিন্টু, মাওলানা আব্দুর রশিদ, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা জিয়াউল ইসলাম,সাবেক ছাত্র শিবির সভাপতি বেলাল হোসেন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বায়ক ওমর ফারুক,শহীদ জাবিদের পুত্র হাফেজ ওসমান গনি প্রমুখ। বুধহাটা ইউনিয়: উপজেলার বুধহাটা করিম সুপার মার্কেটে যুব বিভাগ সেক্রেটারী আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডাক্তার রোকনুজ্জামান,ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ। প্রতাপনগর ইউনিয়ন: প্রতাপনগর তালতলা বাজারে ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আল আমিন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মান্নান,উপজেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা রিয়াছাত আলী,উপজেলা সহকারী সেক্রেটারী শাহ ওহিদুজ্জামান শাহীন, মাওলানা অহিদুজ্জামান,মাওলানা শফিকুল ইসলাম,ছাত্রশিবির সভাপতি মুহিবুল্লাহ প্রমুখ। শ্রীউল্লা ইউনিয়ন: ইউনিয়নের নাকতলা কালীবাড়ি বাজারে ইউনিয়ন আমির মাওলানা লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল কুদ্দুস।অন্যান্যের মধ্যে শাহিনুর রহমান,মাওলানা আব্দুল হাকিম,আব্দুর রহমান প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা। অবিলম্বে ২৮ শে অক্টোবরের খুনিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পুনরা সচল করে খুনিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।আলোচনা সভা শেষে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর২০০৬ এর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
-

তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশনের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত
তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার দিনব্যাপি সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা হল রুমে মুয়াল্লিম (শিক্ষক) প্রক্ষিণ কোর্স ’১৬১২ সমাপনী ২০২৪’ এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আজিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মাওলানা ওসমান গণি, ড. মুহাঃ রুহুল আমিন, মুহাদ্দিস সিরাজুল ইসলাম, কারী আনিচুর রহমান, কারী রবিউল ইসলাম প্রমুখ্য।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন কোরআন এসেছে মানুষকে সকল অন্যায় থেকে বিরত রেখে আলোর পথ দেখাতে। দুনিয়াতে শান্তি আখিরাতে মুক্তির জন্য সবাইকে কোরআনের ছায়াতলে আসার আহ্বান জানান।
