Category: সাতক্ষীরা সদর

  • বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

    বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

    মোঃ হাফিজুল ইসলাম :বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির শহীদ মিনার চত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত চত্বর ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    সংগঠনের জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার।বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। গত ১৭ বছরে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট অন্যতম সক্রিয় ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে বলেও তারা দাবি করেন।

    বক্তারা বলেন, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এ সময় তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে দ্রুত বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, এ স্বীকৃতি পেলে আইনজীবীরা দলীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও সুসংগঠিতভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

    সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। কারও বিরুদ্ধে অর্থ আদায় বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

    বক্তারা সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, মতপার্থক্য থাকলে তা সংগঠনের অভ্যন্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। ব্যক্তিগত বা প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য পরিহার করে সংগঠনের ঐক্য অটুট রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু সাইদ রাজা, অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, অ্যাডভোকেট ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, অ্যাডভোকেট জি. এম. ফিরোজ আহমেদ, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সরদার সাইফ, অ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন শাওন, অ্যাডভোকেট মাকফুর রহমান , অ্যাডভোকেট রেজওয়ান আলী, অ্যাডভোকেট আকরাম আলী, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সোহেল, অ্যাডভোকেট শাহানা ইমরুজ, অ্যাডভোকেট আয়ুব আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াছিন হাবিব, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দীন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ডালিম, অ্যাডভোকেট শাহাজান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট এবাদুল হক, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বাবলু, অ্যাডভোকেট আলামিন আলম, অ্যাডভোকেট শেখ হেলালুজ্জামান হেলাল, অ্যাডভোকেট বখতিয়ার, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ, অ্যাডভোকেট তারিক ইকবাল অপুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শতাধিক আইনজীবী।

  • সাতক্ষীরা-২ আসনে সড়ক ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে আব্দুর রউফের উদ্যোগে বিশেষ বরাদ্দ

    সাতক্ষীরা-২ আসনে সড়ক ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে আব্দুর রউফের উদ্যোগে বিশেষ বরাদ্দ

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে প্রকল্পের তালিকা পাঠানো হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির নেতা আলহাজ মো. আব্দুর রউফের উদ্যোগে এ উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, ভবন সম্প্রসারণ, সংস্কার এবং মাঠ ও সীমানাপ্রাচীর উন্নয়নের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নে চলাচলের অনুপযোগী ছয়টি নতুন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাঁশদহা ইউনিয়নে একটি, বল্লী ইউনিয়নে একটি, ভোমরা ইউনিয়নে দুটি এবং বৈকারী ইউনিয়নে একটি নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে আলিপুর ইউনিয়নের পাঁচটি সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নে তিনটি এবং পারুলিয়া ইউনিয়নে একটি নতুন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    শিক্ষা খাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও ভবন সম্প্রসারণের কাজ হবে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার ১৭টি স্কুল ও কলেজে সংস্কারকাজের পরিকল্পনা রয়েছে।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, ১০টি প্রতিষ্ঠানে ভবন সম্প্রসারণ এবং ১৫টি প্রতিষ্ঠানের ভবন সংস্কার করা হবে।

    অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ বা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জরাজীর্ণ ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও সংস্কারও করা হবে। এ ছাড়া অন্যান্য প্রকল্পের আওতায় আরও ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ বা সম্প্রসারণ এবং ২০টি প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের পরিকল্পনা রয়েছে।

    এ বিষয়ে মো. আব্দুর রউফ বলেন, নির্বাচনী এলাকার সড়ক যোগাযোগ ও শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

  • সাতক্ষীরায় এআই বিষয়ক সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    সাতক্ষীরায় এআই বিষয়ক সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার উদ্যোগে “সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর ব্যবহার ও সম্ভাবনা” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু সাইদ বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এবং পত্রিকাটির প্রকাশক শেখ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, আলোর পরশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক অধাপক ওবায়ল্লাহ, আলোর পরশ পত্রিকার আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, মাওলা হাবিবুর রহমান, আলোর পরশ পত্রিকার মনেজার মাহমুদ হোসেন প্রমুখ। কর্মশালায় সাংবাদিকতায় এআই প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক, তথ্য যাচাই, কনটেন্ট তৈরি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে প্রষিক্ষণ প্রদান করেন, সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাবলু, আব্দুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি উপাধ্যক্ষক শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়ে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাতক্ষীরার মৎস্যসম্পদ, কৃষি ও সম্ভাবনাময় অর্থনীতিকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের অন্যতম দাবি রেললাইন স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সোচ্চার ভূমিকা রাখতে হবে । সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধান অতিথি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। এ পেশায় সত্যনিষ্ঠা, নীতিনৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো ধরনের গুজব, অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করতে হবে। একজন সাংবাদিকের কলম মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। তাই বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, আধুনিক সাংবাদিকতায় এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার গণমাধ্যমকে আরও গতিশীল ও তথ্যসমৃদ্ধ করে তুলবে।

  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসকে রেড ক্রিসেন্ট নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা

    সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসকে রেড ক্রিসেন্ট নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা

    সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাতক্ষীরা ইউনিট। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রশাসকের দপ্তরে গিয়ে রেড ক্রিসেন্টের নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, সেক্রেটারি ওমর ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কালাম বাবলা, ফরিদা আক্তার বিউটি, শফিকুল আলম বাবু, জাহিদুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, শফিকুল ইসলাম ও মনিরুজ্জামান। এ ছাড়া ইউনিট লেভেল অফিসার হাসিবুল ইসলাম সোহান, যুব প্রধান ইকবাল কাদির এবং সাবেক যুব প্রধান ইলিয়াস হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রেড ক্রিসেন্টের নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। তাঁরা হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্টের সদস্য, কর্মকর্তা ও যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের শুভেচ্ছা বিনিময়

    জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের শুভেচ্ছা বিনিময়

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে পৃথকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন জেলা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি সৌজন্য সাক্ষাতে ছাত্রদল নেতারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। প্রথম দফায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস কে এম আবু রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক জেএম দুদায়েভ মাসুদ খান অর্ঘ্যের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সমাজসেবক আলহাজ মো. আব্দুর রউফ। এছাড়া সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হেদায়েত কবির হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক নাইমুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে দুপুর ১টায় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন ইসলামের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধি দল প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব তামিম রশিদ, সিটি কলেজ ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হাসান, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি আকবর হোসেন, আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়ারাজ হোসেন, শহর ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা মো. গোলাম রাব্বি।

    সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল শক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তিনি তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে গঠনমূলক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় ছাত্রদল নেতারা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকা- আরও গতিশীল করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

    সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা পিটিআই (প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) প্রাঙ্গণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এ প্রতিযোগিতায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ আসিফ রহমান, পিটিআই সুপারিটেনডেন্ট মোঃ গোলাম মোস্তফা। এ সময় সহ শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কুইজ ও কাবিং বিষয়ে অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতার পরিচয় দেয়। বক্তারা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং সৃজনশীল চিন্তাশক্তি উন্নয়নে সহায়তা করে। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, আজকের এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রতিযোগী নির্বাচন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত প্রতিযোগীরা পরবর্তী পর্যায়ে জেলার প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে আয়োজকরা জানান।

  • সাতক্ষীরায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

    সাতক্ষীরায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

    গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বয়ারবাতান গ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

    ভুক্তভোগী মোঃ আক্তারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তিনি ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং বিদেশ থেকে পুরাতন গাড়ী ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির করে থাকেন।

    জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদরের বয়ারবাতানে আসেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাত ১টার দিকে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী তার বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তিনি বাড়ীর ছাদের উপর থেকে ভিডিও ও ছবি উঠানোর চেষ্টা করেন।

    ব্যবসায়ী আক্তারুল ইসলাম বলেন- হামলাকারীদের মধ্যে একই এলাকার মৃত মাছুম গাজীর ছেলে শাহারুল গাজী, আজাহারুল গাজী, নজরুল ইসলাম, দাউদ গাজী, মাহমুদ আলী, চাপড়া এলাকার কালাম, তমেজউদ্দীনের ছেলে রবিউল ইসলাম ও জিয়ারুলসহ আরও কয়েকজন নেতৃত্বে ছিলেন। হামলাকারীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ দূর থেকে ইটপাটকেল ছুড়ে বাড়ীর যথেষ্ট ক্ষতি করেন।

    তিনি আরো বলেন- বাড়ীতে আসার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত কোনদিন আমার ব্যবহৃত প্রাইভেট কার গ্যারেজে রাখিনি। কিন্তু গতকাল আমি ‌গ্যারেজে রাখছিলাম। হামলাকারীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করা এবং গাড়িটি নষ্ট করে দেয়া। কেননা, বেশ কিছুদিন আগে তারা আমার একটি মৎস্যঘের তারা দখল করে নিয়েছে।

    আক্তারুল ইসলাম বলেন- আমি তাদের হামলা থেকে প্রাণ বাঁচাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে পৌছালে তারা পালিয়ে যায়। তবে আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে আছি। বাড়ীতে আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতা থাকে। যেকোন সময় সন্ত্রাসীরা আবারো হামলা করতে পারে।

    পরে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান বলে জানান।

    মোঃ আক্তারুল ইসলাম আরও বলেন, অভিযুক্ত শাহারুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। অতীতেও একাধিকবার তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    এ ঘটনায় তিনি সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে জানতে শাহারুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে জিয়ারুল ইসলাম বলেন- আমি হামলার সময় ছিলাম।
    জমিটা আমাদের। আক্তারুল জোরপূর্বক দখলে রেখেছে। তাই আমরা দখল নিতে গিয়েছিলাম।

    জানতে চাইলে ব্রহ্মরাজপুর ভূমি অফিসের নায়েব মোস্তফা মনিরুজ্জামান বলেন, মাত্র সাড়ে ১০ শতক জমির বিষয়ে এডিএমকোর্ট থেকে সরেজমিন প্রতিবেদন চেয়েছে। আমি গিয়েছিলাম কিন্তু একপক্ষ সেখানে উপস্থিত থাকলেও অপরপক্ষ উপস্থিত ছিলেন না।

    জমি বিরোধে একজনের বাড়ীতে রাত ১ টার পরে দলবল নিয়ে প্রবেশ করা এক ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম এ বিষয়ে জানতে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

  • আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

    আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

    মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মো. আব্দুর রউফ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক। স্বাধীনতা রক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তাঁর অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    আলোচনা সভা শেষে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিবন্ধী, দৃষ্টিহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান বাদশা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোখলেসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আহসানুল্লাহ, বিএনপি নেতা ফিরোজ হোসেন খোকন, আনিসুর রহমান, মেম্বার আসাদুল ইসলাম, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুল হামিদ, মতিনুর রহমান মাতিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান পল্টু।

  • ৬২ বছর পর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী

    ৬২ বছর পর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার মাওলানা আবু দাউদ, সাবেক শিক্ষক খলিলুর রহমান, আব্দুল গফুর, মাওলানা আব্দুস সামাদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানের ৬২ বছরের ইতিহাসে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন আয়োজন তাঁদের গর্বিত করেছে। তাঁরা এ ধরনের পুনর্মিলনী প্রতি বছর আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তবে তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় সেটি বকচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে করতে হয়েছে, যা তাঁদের কষ্ট দিয়েছে। ভবিষ্যতে নিজ প্রতিষ্ঠানে এ আয়োজন করার আশা প্রকাশ করেন তাঁরা। পুনর্মিলনীতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আড্ডায় অংশ নেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘ভূমিসেবা কেন্দ্রসমৃদ্ধ’ জেলা সাতক্ষীরা: জেলা প্রশাসক

    দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘ভূমিসেবা কেন্দ্রসমৃদ্ধ’ জেলা সাতক্ষীরা: জেলা প্রশাসক

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা জেলা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রসমৃদ্ধ জেলা হিসেবে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। তিনি বলেন, এ জেলায় বর্তমানে মোট ৪৩টি ভূমিসেবা কেন্দ্র রয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনদিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ প্রেসব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক জানান, ভূমিসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলায় ৭টি উপজেলা ভূমি অফিস, ২টি পৌর ভূমি অফিস এবং ৫৬টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী ১৯ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভূমিসেবা মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় মোট ১৬টি স্টল থাকবে, যেখানে নাগরিকদের সরাসরি ভূমিসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ভূমি সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করে তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন, মেলার দ্বিতীয় দিনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এদিন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ভূমি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় দিন বিকেলে পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ আসিফ রহমানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।