Category: আশাশুনি

  • আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল

    আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল

    আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা) ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে বালিকা বিভাগে শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শ্রীকলস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মুখোমুখি হয়। খেলায় শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বালক বিভাগে আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কামালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। এতে আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দুটি দল জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় আশাশুনি উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করবে। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ট্রফি বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। খেলা পরিচালনা করেন ক্রীড়া শিক্ষক আনিছুর রহমান।

  • আশাশুনিতে রাতের আঁধারে লোনাপানি উত্তোলনে তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত

    আশাশুনিতে রাতের আঁধারে লোনাপানি উত্তোলনে তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত

    এসএম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি উপজেলায় রাতের আঁধারে স্লুইসগেট খুলে দেওয়ায় কপোতাক্ষ নদ থেকে লোনাপানি ঢুকে হাজারো বিঘা ধানক্ষেত তলিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে কয়েকটি গ্রামের কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালকির স্লুইসগেটের পাট খুলে দেওয়ায় খালপথে লোনা পানি প্রবেশ করে খাজরা ইউনিয়নের গজুয়াকাটি, রাউতাড়া, গোয়ালডাঙ্গা, পিরোজপুর, খালিয়া, ফটিকখালীসহ বড়দল ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইনতলা ও পাঁচপোতা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমির ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গজুয়াকাটি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শিবপ্রসাদ মণ্ডল বলেন, “রাতের অন্ধকারে স্লুইসগেট খুলে দেওয়ার পর থেকে আমাদের শত শত বিঘা জমি লোনাপানিতে তলিয়ে গেছে।” কৃষক সতীশ চন্দ্র বৈদ্য বলেন, “ধান কাটার আগেই জমিতে লোনা পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ফসলের পাশাপাশি পানীয় জলেরও সংকট দেখা দিয়েছে।” স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাছ ধরার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে স্লুইসগেট খুলে দিয়েছে। এতে কৃষি জমির পাশাপাশি পুকুর, গবাদিপশু ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ইউপি সদস্য রামপদ সানা বলেন, গত ১৫ দিন ধরে লোনা পানি প্রবেশ করছে। এতে অনেক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং ভবিষ্যৎ আবাদ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, ঘটনাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ক্ষতি কমাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে চলতি মৌসুমে কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

  • আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীরগতি, পাঠদান ব্যাহত

    আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীরগতি, পাঠদান ব্যাহত

    জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা
    বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ দীর্ঘসূত্রতায় পড়ায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরম ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। উপজেলার ৯৫নং দক্ষিণ কাদাকাটি কালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া এক আবেদনে এ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, বাকি রয়েছে ৪০ শতাংশ। অভিযোগে বলা হয়, নির্মাণকাজে শ্রমিকসংখ্যা কম এবং কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। অনেক সময় শ্রমিকরা নিয়মিত কাজও করেন না। এদিকে তীব্র দাবদাহ ও লোডশেডিংয়ের মধ্যে টিনশেডের নিচু কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস নিতে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অফিস কক্ষের সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাধ্য হয়ে ২০২৪ সাল থেকে মাসিক দুই হাজার টাকা ভাড়ায় একটি কক্ষ নেওয়া হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। এছাড়া টয়লেট সুবিধা না থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার পাশাপাশি আপাতত শিক্ষার্থীদের স্বার্থে মর্নিং স্কুল চালুর অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “বর্তমান তাপপ্রবাহের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবে মর্নিং স্কুল চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমানো যায়।”

  • আশাশুনিতে ১০ গ্রামের একমাত্র সাঁকো নদীতে ভেসে গেছে, এমপির পরিদর্শন

    আশাশুনিতে ১০ গ্রামের একমাত্র সাঁকো নদীতে ভেসে গেছে, এমপির পরিদর্শন

    এস.এম মোস্তাফিজুর রহমান: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা-এর শোভনালী ইউনিয়নে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র কাঠের সাঁকো জোয়ারের পানিতে ভেসে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, শোভনালী ইউনিয়নের বাঁকড়া ও বুধহাটা ইউনিয়নের কুন্দুড়িয়া গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত মরিচ্চাপ নদী-র ওপর নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সাঁকোটি শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রবল স্রোতের মুখে ধসে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে ভেসে যায়। এর আগে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এখানে একটি কংক্রিট সেতু নির্মাণ করা হলেও নদী খননের ফলে প্রায় ৩-৪ বছর আগে সেটি ভেঙে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়, যা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, শিক্ষার্থী এবং পণ্যবাহী সাইকেল-মোটরসাইকেল চলাচল করত। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বুধহাটা, পাইথালী, ব্যাংদহা, গাজীরমাঠ ও কামালকাটি হাট-বাজারসহ আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ৪-৫টি স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান, এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাপ্পী কুমান দাশ, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এলাকাবাসী। পরিদর্শনকালে এমপি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন এবং দ্রুত বিকল্প পারাপার ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাময়িকভাবে নতুন করে কাঠের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এদিকে ২-৩ দিনের মধ্যে সাঁকো নির্মাণের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ ও স্টিমেট প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিও জানিয়েছেন।

  • গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আশাশুনিতে গণসংযোগ

    গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আশাশুনিতে গণসংযোগ

    আশাশুনি প্রতিনিধি: জাতীয় সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আশাশুনি উপজেলায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছে জামায়াত। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে আশাশুনি বাজারে পথচারী ও দোকানদারদের মধ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর উদ্বোধন করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার। তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে দলীয়করণ ও একনায়কতন্ত্র বন্ধ হবে এবং সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠনের পথ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সংবিধান সংস্কার প্রয়োজন। এ সময় উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হক, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ, এ.বি.এম. আলমগীর পিন্টু, মাওলানা আব্দুল হাই, এস.এম. শহিদুজ্জামান বাবলু ও ডা. রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আশাশুনি সদর ইউনিয়নে জামায়াতের দিনব্যাপী দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির

    আশাশুনি সদর ইউনিয়নে জামায়াতের দিনব্যাপী দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির

    আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিক্ষাশিবিরের শুরুতে দারসুল কুরআন পেশ করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হক। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ। দিনব্যাপী বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আনুগত্য, পরামর্শ ও মোহাসাবা বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের ত্যাগ ও কুরবানি বিষয়ে বক্তব্য দেন জেলা অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমীন। এছাড়া ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ বিষয়ে আলোচনা করেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর এবং বার্ষিক পরিকল্পনার আলোকে করণীয় তুলে ধরেন উপজেলা আমীর ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আবছার মুরতাজা। ইউনিটের মাসিক রিপোর্ট সংরক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ে আলোচনা করেন উপজেলা অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুস এবং বায়তুলমালের আয়-ব্যয়ের বিষয় তুলে ধরেন এ.বি.এম. আলমগীর পিন্টু। ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হাইয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সেক্রেটারি শহিদুজ্জামান বাবলু, বেলাল হোসেন, মাওলানা যুবায়েরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও ডা. রবিউল ইসলাম রবি।

  • আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন

    আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন

    আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে হাজার হাজার মানুষ ভাঙন আতঙ্কে ভুগছে। কাকবাসিয়া খেয়াঘাটের কাছে বাঁধটি কয়েকদিন ধরে ফাটল ধরে এবং রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টায় খোলপেটুয়া নদীর প্রবল স্রোতের চাপে সবুর গাজীর বাড়ির কাছে প্রায় ১০০ হাত বাঁধ নদীতে ধ্বসে গেছে। ভাঙ্গন ক্রিয়া এখনও অব্যাহত, এবং বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণে কয়েকটি পয়েন্ট বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ বলেন, “গত বছরের ঈদে বাঁধ ভেঙ্গে ১৫ হাজার মানুষ প্লাবিত হয়েছিল। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ বছরও বিশাল ক্ষতি হতে পারে।” তিনি জেলা প্রশাসক ও পাউবো কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

  • খাজরায় চেয়ারম্যান বাচ্চুর অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

    খাজরায় চেয়ারম্যান বাচ্চুর অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

    আরিফুল ইসলাম: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও সরকারি ত্রাণ ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে এলাকায় উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় কাসন্ডা বাজার ব্রিজে তাঁর অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বাচ্চুকে ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ আখ্যায়িত করে জানান, তিনি বিধি লঙ্ঘন করে সরকারি কার্ড নিজের পরিবারের নামে বরাদ্দ দিয়েছেন। এছাড়া জেলে না হওয়া সচ্ছল ব্যক্তিদের মৎস্যজীবী কার্ড এবং বয়স্ক ও বিধবা ভাতার কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, সাধারণ মানুষকে সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তোলা হয়। বক্তারা আরও বলেন, ঈদুল ফিতরের বরাদ্দকৃত ১০ কেজি চালের পরিবর্তে মাত্র ৫ কেজি বিতরণ করা হয়েছে এবং শীতের কম্বল দরিদ্রদের না দিয়ে সচ্ছলদের দেওয়া হয়েছে। রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকার প্রকল্পেও নামমাত্র কাজ দেখিয়ে অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। মানববন্ধনে বক্তারা সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা দাবি করেন, অবিলম্বে বাচ্চুর অপসারণ ও শাস্তি এবং ইউনিয়নে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। মানববন্ধন শেষে কাসন্ডা বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল। এলাকাবাসী হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত ব্যবস্থা না হলে আরও কঠোর আন্দোলন হবে। বক্তব্য রাখেন খাজরা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশিদ, ইউপি সদস্য রামপদ সানা, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি লুৎফর রহমান, সমাজসেবক ছাদেক হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন, নুরুজ্জামান, মহিউদ্দীন গাজী, মজনু সরদার, এবাদুল গাজী, স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সেক্রেটারি প্রীতিশ রায়, শেখ সোহরাব হোসেন, জাহঙ্গীর হোসেন ও ফরিদা রহমান।

  • আশাশুনিতে ত্রাণ আত্মসাতের তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে সাংবাদিকদের বাগবিতণ্ডা

    আশাশুনিতে ত্রাণ আত্মসাতের তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে সাংবাদিকদের বাগবিতণ্ডা

    বিশেষ প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ত্রাণ ও ফিতরার চাল আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ অপু। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি অনুযায়ী ত্রাণসামগ্রী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে বিতরণের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চু তা নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে বিতরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তিনি অবশিষ্ট ত্রাণসামগ্রী পুনরায় পরিষদে নিয়ে আসেন। তদন্তকালে ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে ৩ বস্তা ফিতরার চাল (প্রায় ৯০ কেজি) এবং শীতকালীন ৬টি কম্বল পাওয়া যায়। তবে এসব মালামাল জব্দ না করে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের জিম্মায় রেখে যান সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট। ঈদুল ফিতরের ২১ দিন পরও ফিতরার চাল বিতরণ না হওয়া এবং গরমের মধ্যে কম্বল গুদামে পড়ে থাকার বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। অভিযান চলাকালে প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে পরিষদে পাওয়া যায়নি। পরে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় কক্ষের তালা খুলে মজুদ ত্রাণসামগ্রী দেখা হয়। এ সময় তদন্তের অগ্রগতি ও আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণে আপত্তি জানান এবং তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এ ঘটনায় এলাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, স্পষ্ট অনিয়মের পরও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারা বিষয়টির উচ্চতর তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • আশাশুনিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবক আটক

    আশাশুনিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবক আটক

    আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি থানা পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছোট ভাই, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইসমাইল হোসেনকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ৩টায় আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খানের নেতৃত্বে এএসআই সেলিম ও পিএসআই দীপ্তিষ ঢালীর নেতৃত্বে পুলিশের সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কালীবাড়ি রেডিয়েন্স ক্লাব থেকে ইসমাইল হোসেনকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাকে গ্রেফতার করার সময় ধস্তাধস্তি হয়। স্থানীয়দের মতে, ইসমাইল হোসেন একজন দীর্ঘদিনের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।