Category: পরিবেশ ও জলবায়ু

  • প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দূরমুজখালি এলাকায় সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে নূরনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিস অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রনজিৎ মন্ডল। স্থানীয়রা জানান, দূরমুজখালি ও পার্শ্ববর্তী কৈখালী ইউনিয়নের সীমানাবর্তী সরকারি খালের অংশে গভীর নলকূপ ও খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে বালি উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মোমরেজ গাজীর ছেলে ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ও ড্রেজার মালিক আব্দুস সালাম এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রনজিৎ মন্ডল জানান, “অবৈধ বালি উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এতে ভূমিধস, ফসলি জমির ক্ষতি ও আশপাশের বসতবাড়ির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত নজরদারি চলবে। এলাকাবাসী প্রশাসনের পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

  • সাতক্ষীরায় বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা

    সাতক্ষীরায় বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা

    আবু সাইদ বিশ্বাসঃ লবণক্ষতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, নদী ও জলাধারে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা, গ্রীষ্মকাল না আসার আগেই লোডশেডিং থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে সাতক্ষীরার বোরো চাষ লক্ষ্যমাত্রা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা চাষিদের। বর্তমানে বোরো আবাদের ধুম পড়েছে। প্রচণ্ড শীত, কুয়াশা, বীজতলা নষ্ট হওয়াসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সকাল থেকে দুপুর অবধি ধান লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রায় ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯২৩ কৃষক পরিবারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগীতায় চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরায় বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছে চাষিরা।

    সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর সাতক্ষীরা জেলায় ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৮০ হাজার ৫৬৮হেক্টর জমিতে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সদর উপজেলার ২৩ হাজার ২৮৫ হেক্টর, কলারোয়ার ১২ হাজার ৭৮০ হেক্টর, তালার ১৯ হাজার ১৫৫ হেক্টর, দেবহাটার ৬ হাজার ১২৫ হেক্টর, কালিগঞ্জের ৬ হাজার ৯৫৫ হেক্টর, আশাশুনির ৯হাজার ৬৯০ হেক্টর ও শ্যামনগর উপজেলার ২ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে চলতি বোরো মৌসুমে ৩ লাখ ৪১ হাজার৪৪২ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৯৭ হাজার ১১৮ মেট্রিক টন, কলারোয়ায় ৫৩ হাজার ৩৭৮মেট্রিক টন, তালায় ৮১ হাজার ৫৫৪ মেট্রিক টন, দেবহাটায় ২৬ হাজার ৭৪১মেট্রিক টন, কালিগঞ্জে ২৮ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন, আশাশুনিতে ৪২ হাজার ৪০১ মেট্রিক টন ও শ্যামনগরে ১১হাজার ৫৩০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার ঘের থেকে মাছ ধরার পর পানি শুকিয়ে বোরা ধানের আবাদ করছেন কৃষকরা। গেল প্রায় দেড় দশক মিঠাপানি ও সল্প লবণাক্ত পানির মাছের ঘেরে ধানের আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন তারা। একই সাথে উৎপাদন হচ্ছে বাড়তি ধান। বিশেষ করে জলাবদ্ধ এলাকায় দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে এই চাষ পদ্ধতি। মাছের ঘেরে ধানের ফলন হয় প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি কোন চাষের প্রয়োজন হয় না। সার ও সেচ খরচও অনেক কম। বর্তমানে মাছের চেয়ে ধানের দাম বেশি হওয়ায় ধান আবাদে ভালো লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। এছাড়া মাছের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে ঘেরের পাড়ে সবজির আবাদ করছেন তারা।
    পানি সেচের সংকট না হলে লোকসান কাটিয়ে ওঠা যাবে উল্লেখ করে শুষ্ক মৌসুমে বিদ্যুতের লোডশেডিং না দেওয়ার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কয়েকজন চাষী। শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের কৃষক দিলীপ তরফদার জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে ২৮ ধান লাগিয়েছেন। প্রয়োজনের সময় অর্থাৎ শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট না হলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে।
    জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চলীয় মিঠা পানির ঘেরের উপর বোরো ধান চাষ করা হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘেরের মাছ উঠিয়ে সেখানে চলে বোরো ধানের চাষ। জেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কুয়াশায় বোরো ধানের পাতার কোনো ক্ষতি হবে না। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবারও ছাড়িয়ে যাবে।
    আবু সাইদ বিশ্বাস
    সাতক্ষীরা
    ১৭/২/২৬

     

  • পপ তারকার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি: ইরানের বিচার বিভাগ

    পপ তারকার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি: ইরানের বিচার বিভাগ

    নিউজ অনলাইন: রাষ্ট্র পরিচালিত একটি মিডিয়ায় প্রচারিত পপ তারকা তাতালুর মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের বিচার বিভাগ।
    আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যশনাল। এর আগে, রোববার (১৯ জানুয়ারি) তাতালুর মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জামে জাম। তবে বিচার বিভাগের গণমাধ্যম অফিস এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাতালুর চূড়ান্ত রায় এখনও দেয়া হয়নি।
    মিডিয়াটি দাবি করেছিল, নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে ‘তাতালু’ নামে পরিচিত বিতর্কিত গায়ক আমির হোসেন মাগসুদলুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।
    ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, সম্প্রতি এই গায়ক ‘আইনি ধারায় ছাড়পত্র পাওয়ার যোগ্য’ হয়ে উঠেছেন। ফৌজদারি আদালতের নবম শাখার রায়ে প্রসিকিউটর আপত্তি জানানোর পর তার বিরুদ্ধে ওঠা একটি অভিযোগ খারিজ করা হয়। এরপর মামলা অন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
    ২০১৮ সাল থেকে ইস্তাম্বুলে বসবাস করছিলেন ৩৭ বছর বয়সী তাতালু। এরপর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তুর্কি কর্তৃপক্ষ তাকে ইরানে ফেরত পাঠায়। তাকে ‘পতিতাবৃত্তি প্রচার’, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ‘প্রচার’ এবং ‘অশ্লীল বিষয়বস্তু’ প্রকাশের অভিযোগসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
    ২০১৭ সালে অতি-রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে টেলিভিশনে একটি বৈঠকেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মাগসুদলু তার ট্যাটু ও পপ সঙ্গীতের জন্য ভক্তদের কাছে বেশি পরিচিত। ২০১৫ সালে তাতালু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সমর্থনে একটি গানও প্রকাশ করেন।

    /এএম

  • পাল্টে যাচ্ছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসারের পোশাক

    পাল্টে যাচ্ছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসারের পোশাক

    নিউজ অনলাইন: পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
    জানা গেছে, বৈঠকে আয়রন, রয়েল ব্লু, ডিপখাকি, ডিপব্লু, জলপাইসহ কয়েকটি রংয়ের পোশাকের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা আলাদা রংয়ের পোশাক চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাকের রং হচ্ছে ‘আয়রন’। র‌্যাবের পোশাক হচ্ছে জলপাই বা অলিভ রংয়ের এবং আনসারের পোশাকের রং হচ্ছে ‘গোল্ডেন হুইট’।
    এর আগে, বিভিন্ন স্যাম্পলের পোশাক উপস্থাপন করা হয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া, পরিবেশ, বিদ্যুৎ জ্বালানি, শিল্পসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন রঙয়ের পোশাক পরিয়ে বৈঠকে উপস্থিত করা হয়। সেখান থেকে এক এক বাহিনী নিজেদের জন্য এক এক রঙয়ের পোশাক নির্ধারণ করে নেয়। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারের নতুন পোশাক।

  • বিজিবির শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধে বাধ্য হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    বিজিবির শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধে বাধ্য হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নিউজ অনলাইন: বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
    আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এই কথা বলেন।
    সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় ভারত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিজিবি এবং স্থানীয় মানুষের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত ওই সব স্থানে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
    তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারত সীমান্তে কিছু অসম কাজ করেছে, যেগুলো ভারতের করা উচিত হয়নি। কিন্তু আমাদের আগের সরকার সেই সুযোগ দিয়েছে।

  • যুবকদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ তুলে দিতে চায় দেশবাসী : জামায়াতে আমীর

    যুবকদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ তুলে দিতে চায় দেশবাসী : জামায়াতে আমীর

    অনলাইন: যুবকদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ তুলে দিতে চায় দেশবাসী মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘যে যুবকেরা আগামীর বাংলাদেশ তৈরি করার জন্য আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে বুক পেতে দিয়ে বলেছে, ‘বুকের ভিতর তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।’ সেই যুবকদেরকে সম্মানিত করতে শুধু জামায়াত না, তাদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ তুলে দিতে চায় দেশবাসীও।
    সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বাদ মাগরিব চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরের এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
    জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই, যে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষ মিলেমিশে সমান অধিকারের ভিত্তিতে বসবাস করবে। সর্বক্ষেত্রে দেশাত্ববোধের মাধ্যমে দেশকে উন্নত করতে সচেষ্ট থাকবে। কোনো চাঁদাবাজ, দুষ্কৃতিকারী, দুর্নীতিবাজ থাকবে না। কেউ কোনোভাবে অন্যায়ের শিকার হবে না।’
    তিনি বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সাড়ে ১৫ বছরে দেশের ২৬ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আমরা রাজনৈতিক দলগুলো মিলে আন্দোলন করে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে পারিনি। তার পতন ঘটিয়ে যে সন্তানেরা আজ আমাদের স্বাধীনতা এনে দিল, এদেশের মানুষকে মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে দিল তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।’
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চিরিরবন্দর উপজেলা শাখা আয়োজিত পথসভায় উপজেলা আমির মো: রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।
    এছাড়া সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মমতাজউদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য মাহাবুবুর রহমান বেলাল, দিনাজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, ঢাকা মহানগরী মোহাম্মদপুর (দক্ষিণ) থানা আমির শাখাওয়াত হোসেন, সাবেক জেলা আমির ও সাবেক চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফতাবউদ্দীন মোল্লা, জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রাজিবুর রহমান পলাশ ও সাইদুল ইসলাম সৈকত, জামায়াতের জেলা কর্মপরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, জেলা ইউনিট সদস্য মাওলানা লুৎফর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
    এ সময় খানসামা উপজেলা জামায়াতের আমির আনিছুর রহমান, চিরিরবন্দর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল মমিন, পার্বতীপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো: আবু সায়েদ, খানসামা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আতাউর রহমান, খানসামা ওলামা বিভাগের সভাপতি মনিরুজ্জামান নিয়াজী, চিরিরবন্দর উপজেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহসিন আলী, পেশাজীবী সংগঠনের সভাপতি মো: রাজিউল ইসলাম, খানসামা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল কাফি, উপজেলা ছাত্রশিবিরের (উত্তর) সভাপতি মো: হারুনুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রশিবিরের (দক্ষিণ) সভাপতি হেলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • মাস্টার হাফিজুর রহমানের শ্বশুরের ইন্তেকাল, জানাযা সম্পন্ন

    মাস্টার হাফিজুর রহমানের শ্বশুরের ইন্তেকাল, জানাযা সম্পন্ন

    শফিকুল ইসলাম, লাঙ্গলঝাড়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার হাফিজুর রহমানের শ্বশুর মাস্টার আব্দুল আজিজ (৮০) ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রজিউন। বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় বার্ধক্য জনিত কারণে নিজ বাড়ি কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়ায় ইন্তেকাল করেন।

    জানাযা পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা ওমর আলী, মাস্টার হাফিজুর রহমান, লাঙ্গল ঝড়া জামে মসজিদের ইমাম আজহারুল ইসলাম, মরহুমের ছোট ছেলে অধ্যাপক মহসিন রেজা পিন্টু প্রমুখ।

  • সাতক্ষীরায় আমনের বাম্পার ফলন

    সাতক্ষীরায় আমনের বাম্পার ফলন

    আবু সাইদ বিশ^াস, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় ২০২৪—২০২৫ মওসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আশানুরূপ ফলন পেয়েছেন চাষীরা। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ ভাগের বেশি ধান কাটা শেষ হয়েছে। জলাবদ্ধতা থাকার পরও লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে অতিরিক্ত ধান উৎপাদন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। চলতি মওসুমে আমন ফসলের উৎপাদিত ধানের বাজার মূল্য প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় তিন ৫৮ হাজার ৫৫০ লাখ চাষী পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২ লাখ চাষী পরিবার আমন চাষে যুক্ত। চলতি বছর জেলায় ৭৮ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অর্জন হয়েছে প্রায় ৮৩ হাজার ৪৯৫ হেক্টর। যা গত মৌসুমের তুলনায় ৪২৭ হেক্টর জমি বেশি।

    কয়েকদিন পূর্বে ও সাতক্ষীরার মাঠ ছিল সবুজের সমারোহের বেড়াজালে। তারপর হলুদাভাব, স্নিগ্ধ হওয়ায় মন মাতানো উদাসী দোলায় মাঠময় ঝিকিরমিকির এক অন্য প্রকৃতি দেখতে দেখতে সবুজ, আর হলুদাভাবের সেই গোছায় গোছা ধান গাছ পাকা ধানে পরিপূর্ণতা পেয়ে বর্তমানে তা কৃষকের ঘরে যেতে চলেছে। পাকা ধান কাটার শুরু হয়েছে মহাউৎসব, এ দৃশ্য সাতক্ষীরার দিগন্ত বিস্তৃ মাঠে। শস্য ভান্ডার সাতক্ষীরার কৃষকরা তাদের স্বপ্ন সাধ পুরনে ব্যস্ত, অবিরাম, ক্লান্তহীন ভাবে কেটে চলেছে আমন ধান। সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরোদমে চলছে ধানকাটা, গোছানো। মহা ব্যস্ততায় কৃষকরা। কাকডাকা ভোরে আবার কেউ কেউ সকালে গাতার খেয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কেটেই চলেছে দৃশ্যতঃ সাতক্ষীরার গ্রামীন অর্থনীতিতে আমন ধান নির্ভর অর্থনীতির সুবাতাস বইছে। কৃষক এবং কৃষি কাজের সাথে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ধান কাটা, বাছা, গোছানো এবং মাড়াই করার কাজে নিয়োজিত। উৎপাদনের ঘাটতি নেই, বলা চলে এবার সাতক্ষীরায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু ধানের দাম কিছুটা কম এমন হতাশা ময় কথা বললেন কৃষক সুলাইমান। তিনি জানান বীজ সার কিছুটা কৃষি দপ্তর হতে বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও শ্রমিক মজুরী সহ অপরাপর খরচ পরবর্তি খুববেশী লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমান সময়ে আমন ধান ওঠা শুরু হওয়ায় ধানের বাজার কিছুটা নিন্মমুখি, কোন কোন এলাকায় বস্তা প্রতি পনেরশত। কৃষকরা ধানের পাশাপাশি বিচুলী বিক্রয়ে অর্থ পাচ্ছে। সাতক্ষীরার বিভিন্ন ধানকাটা মাঠ পরিদর্শনে দেখা গেছে ক্ষেতে মধ্যেই কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে মেশিনের সাহায্যে ধান মাড়াই করে সেখান থেকেই চিক্রি করছে। তবে এমন দৃশ্য খুব কম, অধিকাংশ কৃষক ধান কেটে বাগের সাহায্যে ছাড়াও ভ্যান, ঠেলাগাড়ী সহ বিভিন্ন যানবাহনে বাড়ীতে নিচ্ছে। আমন ধানের সোদা গন্ধে গ্রামের মেঠো পথ হতে শুরু করে কৃষকের বাড়ী পর্যন্ত মৌ মৌ সুসভিত গন্ধে ভরপুর। কৃষকের পাশাপাশি কৃষাণীরাও মহাব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে। ধান সিদ্ধ, শুকানো এবং মাড়াই করার জন্য প্রস্তুত করতে কৃষাণীরা গভীর রাতে উঠছে সূর্য উঠতে না উঠতে ধান সিদ্ধ শেষ করে দৌড়ে শুকাচ্ছে। ধান, সিদ্ধ, রৌদ্রে শুকানো, মাড়াই করা সব মিলে গ্রামীন জনপদ এক ধরনের কমংযজ্ঞে চিত্র চিত্রায়িত হচ্ছে। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে তাদের অনেকে মহাজন সহ বিভিন্ন এনজিও হতে ঋন গ্রহন করে ধান চাষে নেমেছে। আমন ধান ঘরে তুলেছে কিন্তু ঘরে থাকার সুযোগ কই? ধান বিক্রি করে ঋন পরিশোধ করছে এবং বাদ বাকি ধান সারা বছরের খোরাকির জন্য রাখতে হচ্ছে। আমন ধানের চালের আটার মেহমানদারী এবং আথিথেয়তা হবে। শীত পড়তে শুরু করেছে। গ্রামীন জনপদে শীতের সময় গুলোতে পিঠা পায়েস তৈরীর ধুম পড়ে এই ধানের উপস্থিতি পিঠা পায়েসের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। সবমিলে কৃষক খুশি, লাভ লোকসান বড় কথা নয়, নতুন ধান উঠেছে তাই সর্বত্র বইছে আনন্দ স্রোত। ধান চাষে লাভবানই হচ্ছে কৃষকরা, তবে আরও বেশী লাভবান হতেন যদি না প্রনোদনা এবং বিনা সুদে কৃষি ধানের ব্যবস্থা করা হতো।

    সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ—পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে জেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে, যা গত মৌসুমে ছিল ৭৮ হাজার ৬৮ হেক্টর জমি। তাদের সার্বিক সহযোগীতার কারণে এবার আমনে বাম্পার ফলন পেয়েছে চাষিরা।

  •   সব স্রোত মিশেছে জামায়াতের কমীর্ সম্মেলনে, লোকে লোকারন্য

      সব স্রোত মিশেছে জামায়াতের কমীর্ সম্মেলনে, লোকে লোকারন্য

    সাতক্ষীরা শহর গতকাল ছিল লোকে লোকারন্য, জনস্রোত, মানুষ আর মানুষ, শহরের সীমানা পেরিয়ে জনস্রোত এর । সুবিশালতা ছড়িয়ে পড়ে কদমতলা, বিনেরপোতা আর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা। বিস্মিত, হতভম্ব, শহরবাসি, হাজার ছাড়িয়ে লাখ এবং লাখের মধ্যে কেবল সীমাবদ্ধ ছিল না জনসাগর। কয়েক লক্ষ  লোকের সরব, স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নারায়ে তাগবীর, আল্লাহু আকবর ধ্বনি প্রতিধ্বনি সাতক্ষীরার আকাশ বাতাশকে প্রকম্পিত করছিল। সব জনস্রোত ছিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠমুখি। আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমানের সাতক্ষীরায় আগা উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরাবাসীর সাথে যে আবেগ, আগ্রহ, উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে জেলার ইতিহাসে এমন আগ্রহময় জনস্রোত দেখা যায়নি এমনটি বলেছেন জায়ায়াতের কর্মী সম্মেলনে। আগতদের অনেকে। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, চিকিৎসা বিদ্যায় পাদদর্শী ডাঃ শফিকুর রহমান বিগত পতিত সরকারের সময়গুলোতে যেভাবে নির্যাতিত নিষ্পেষিত এবং জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন তা নজিরবিহীন। দিনের পর দিন মাসের পর মাস ফ্যাসিস্ট এর কারাগারে অন্তরীণ থেকেছেন যে কারণে দেশবাসির কাছে তিনি মজলুম নেতা হিসেবে কেউ আমাদের জন্য হুমকি হোক এটা প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েও সরকারি উচ্চ জামায়াত শিবিরের কর্মী সমর্থকরাই সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল গতকালের জনস্রোতের । শত সহস্র মহিলারা শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়িতে অবস্থান নিয়ে কর্মী সম্মেলনে। কর্মী সম্মেলনের উপস্থিত  অনেককে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে আমীরে জামাতকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ না পাওয়াতে। কোন উত্তেজনাকর বা বেহিসেবী (নিবক্তৃতা নয়, অত্যন্ত ধীরস্থির ভাবে, হৃদয়ঙ্গম বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি শান্তির বার্তা দিয়ে গেলেন সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধিক মানুষকে। হানাহানী, নৈরাজ্য নয় এদেশ আমাদের সব ধর্মের, বর্ণের। আগামীর বাংলাদেশ হবে শান্তির। এ দেশে ইসলামের পতাকা উড়বে। আমীরে জাময়াতের প্রতিটি শব্দ চয়ন ছিল অনন্য অসাধারণ। সাতক্ষীরার মাটি ৩৬ জামায়াত শিবিরের কর্মীর রক্তে রঞ্জিত। এই সে জমিন শহীদদের জমিন। গতকালে জনস্রোতের মহা উপস্থিতিতে শহীদ পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। শহরের প্রতিটি সড়কে ছিল লোকে লোকারণ্য। যে যেভাবে পেরেছে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুনেছে। অনেকে বিদ্যালয় কর্মী সম্মেলন খুলে উপস্থিত হতে পারেনি। যে কেবল জনস্রোতে ছিলো তা নয় বিপুল সংখ্যক বিশেষ ভাবে লক্ষ্যণীয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের অংশে।

    দুপুর দুইটায় কর্মী সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর বারটার পূর্বেই লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটে সম্মেলন স্থলে। পুরো শহরে যানযটের চিত্র ছিল  না। অথচ সর্বকালের বৃহত্তম লোকসমাগম। জামায়াতের নিজস্ব জনবল স্বেচ্ছাসেবকের  দায়িত্ব পালন করে কোথাও সামান্যতম যানযট হতে দেয়নি। শহরের যতদূর চোখে দেখা  যায় ততদূরেই ছিল মানুষ আর মানুষ। সাতক্ষীরার মানুষ মনে রাখবে এমন জনস্রোত

     

  • সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পন্য ও ৬ টি হনুমান আটক

    সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পন্য ও ৬ টি হনুমান আটক

    শাহ জাহান আলী মিটন, সাতক্ষীরা :
    সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ প্রায় এগারো লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল ও ৬ টি হনুমান জব্দ করেছে বিজিবি।

    বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধিনস্থ ভোমরা, বৈকারী, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও চান্দুরিয়া বিওপির সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ভারতীয় মালামাল ও ৬ টি মুখপোড়া হনুমান আটক করে বিজিবি।

    সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ আশরাফুল হক বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

    বিজিবি অধিনায়ক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ী নামক স্থান হতে ২৪ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩ বোতল ভারতীয় মদ ও ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ী আটক করে। বৈকারী বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ০৬ টি বন্যপ্রানী (মুখপোড়া হনুমান) ভারতে পাচারকালে আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক তিনটি বিশেষ আভিযানিক দল সদর থানার কেড়াগাছি এবং রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান হতে ৩৭ বোতল ভারতীয় মদ ও ৭ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া থানার রাজপুর নামক স্থান হতে ১৫ বোতল ভারতীয় মদ ও ২ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির বিশেষ দল গোয়ালপাড়া নামক স্থান হতে ০৮ বোতল ভারতীয় মদ আটক করে। যার সর্বমোট সিজার মূল্য ১০ লাখ ৪৪ হাজার ১শত টাকা।

    বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান, সাতক্ষীরা সদরের সাতানী নামকস্থান দিয়ে বাংলাদেশ হতে ভারতে বন্যপ্রানী পাচার করবে এমন গোপন সংবাদ প্রাপ্তির পর বৈকারী বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি চৌকষ আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় গোপনে অবস্থান নেয়। এ সময় চোরাকারবারীরা বিজিবি’র উপস্থিতি বুঝতে পেরে ০৬টি হনুমান খাঁচাসহ সাতানী পাকা রাস্তার উপরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত প্রতিটি হনুমানের মূল্য ৪০ হাজার টাকা হারে সর্বমোট ৬ টি হনুমানের মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

    বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা ও মাদকদ্রব্য সমূহ সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করতঃ পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের নিমিত্তে ষ্টোরে জমা এবং উদ্ধারকৃত বন্যপ্রানীর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।

    উল্লেখ্য, চোরাকারবারী কর্তৃক উক্ত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করে বিজিবি। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারনে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।