Category: সেকেন লীড

  • ডিপোতে সরবরাহ সংকট, পাম্পে রেশনিং

    ডিপোতে সরবরাহ সংকট, পাম্পে রেশনিং

    খুলনা ব্যুরো: খুলনাঞ্চলে জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। ডিপো পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়া, ট্যাংকলরিতে অর্ধেক তেল দেওয়া, ফিলিং স্টেশনগুলোতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু হওয়া এবং গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনের কারণে নগরজুড়ে এক ধরনের অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। নগরীর দৌলতপুর এলাকায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিনটি প্রধান তেল ডিপোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৭টা থেকে সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হলেও চাহিদার তুলনায় তেলের সরবরাহ অনেক কম। ডিপোর সামনে শতাধিক ট্যাংকলরি ও ট্রাক দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছে। অনেক গাড়ি তেল নিয়ে বের হলেও অধিকাংশ চালকের অভিযোগ তাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে না। চালকরা জানান, ৯ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্যাংকলরিতে তারা মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার লিটার তেল পাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে অর্ধেকেরও কম দেওয়া হচ্ছে, আবার কেউ কেউ কোনো তেল না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। এতে করে পরিবহন খরচ ওঠানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। ট্যাংকলরি চালক আমজাদ বলেন, আমরা দূর-দূরান্ত থেকে তেল নিতে আসি। কিন্তু যদি অর্ধেক তেল নিয়ে ফিরে যেতে হয়, তাহলে খরচই উঠে না। এতে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছি। ডিপো সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার সকাল পর্যন্ত মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে প্রায় ৩০টি এবং পদ্মা ডিপো থেকে প্রায় ৪২টি ট্যাংকলরি তেল নিয়ে বিভিন্ন জেলায় গেছে। তবে খুলনা বিভাগসহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের মোট ১৫টি জেলার চাহিদার তুলনায় এই সরবরাহ অত্যন্ত অপ্রতুল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এদিকে ডিপো এলাকায় একটি জাহাজ থেকে ডিজেল খালাস করতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দরে আরও দুটি জাহাজে করে ডিজেল ও অকটেন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব চালান পৌঁছালে বর্তমান সংকট কিছুটা লাঘব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে নগরীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে। অনেক পাম্পে সকাল থেকেই তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল। কিছু পাম্প অল্প সময়ের জন্য খুললেও দ্রুত তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় আবার বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যেসব পাম্প খোলা রয়েছে, সেখানে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। অনেক জায়গায় রেশনিং পদ্ধতিতে তেল দেওয়া হচ্ছে কোথাও ২০০ টাকা, কোথাও ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। মোটরসাইকেল চালক আসাদুল্লাহ বলেন, দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ৩০০ টাকার তেল পেয়েছি। এতে করে দৈনন্দিন কাজ চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে বিপুল সংখ্যক যানবাহন নগরীতে এসে তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় শহরের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে। কোথাও বাকবিতণ্ডা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি এমনকি হামলার ঘটনাও ঘটছে। একাধিক স্থানে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি নড়াইলে একটি ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চালককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে। সংকটের সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তেলের পরিমাপে কারচুপি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষিতে প্রশাসন অভিযান জোরদার করেছে। খুলনা বাইপাস সড়কের খানজাহান আলী এলাকায় আকন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত, র‌্যাব-৬ ও বিএসটিআই এর যৌথ অভিযানে তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে প্রতি ১০ লিটার তেলে প্রায় ৮০০ থেকে ৮২০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছিল। এ অপরাধে সংশ্লিষ্ট পাম্পকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    অভিযানে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হোসেন জানান, গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। নিয়মিত তদারকি চালানো হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে খুলনার তিনটি ডিপো থেকেই খুলনা বিভাগ ও আশপাশের জেলাগুলোতে তেল সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সরবরাহ কম থাকায় পুরো ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। ডিলাররা বলছেন, তারা পর্যাপ্ত তেল না পেলে পাম্পে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব নয়।
    এদিকে কালোবাজারি ঠেকাতে ডিপো থেকে সীমিত তেল দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ডিপো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, নতুন জাহাজে তেল আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তবে ততদিন পর্যন্ত এই সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। খুলনায় জ্বালানি তেলের সংকট এখন বহুমাত্রিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। ডিপো থেকে শুরু করে পাম্প পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এই সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • নলতায় এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ঈদ উপহার বিতরণ

    নলতায় এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ঈদ উপহার বিতরণ

    মোঃ হারুন উর রশীদ( কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা)
    সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের নলতায় রমজানের শেষ সময়ে এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক টুকরো ঈদের আনন্দ বয়ে আনলো মানবাধিকার জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী ও আপনজনদের অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী নলতা ইউনিয়নের আমীর মাস্টার মোঃ আকবর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) নির্বাহী পরিচালক মোঃ আশরাফুল ইসলাম এবং নলতা ইউনিয়ন যুব জামায়াত ইসলামীর দায়িত্বশীল মোঃ আশরাফ হোসেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (এম.জেএফ)এর সাবেক সভাপতি মাসুমা সেরমিজ, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্টাফদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শাহ আলম, আরিফ হোসেন, আবুল কাশেম, আব্দুল্লাহ, রহিমা খাতুন, আবুল হুসাইন প্রমুখ।সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দেবহাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম।এ ধরনের মহতী উদ্যোগ সমাজে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ভালোবাসা ও সহমর্মিতার এক অনন্য উদাহরণ। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে এমজেএফ-এর এই মানবিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান এবং সমাজের বিত্তবান মানুষদের ভবিষ্যতে এমন আরও উদ্যোগ ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
    উপস্থিত শিক্ষার্থীরা উপহার পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয় এবং তাদের হাসিমুখ পুরো আয়োজনকে আরও অর্থবহ করে তোলে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের এমন সহযোগিতা বিশেষ শিশুদের জীবনে আনন্দ ও উৎসবের বার্তা পৌঁছে দেয়, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

  • পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে গণ ইফতার মাহফিল

    পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে গণ ইফতার মাহফিল

    দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে গণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকাল ৫টায় পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ গণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এ গণ ইফতার মাহফিলে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সোহরাব হোসেন’র সভাপতিত্বে সেক্রেটারী হাফেজ রফিকুল ইসলাম’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা অলিউল ইসলাম, সেক্রেটারী এইচ এম ইমদাদুল হক, সহ-সেক্রেটারী সোলায়মান হোসেন, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, টিম সদস্য শেখ মাসুদ রানা, ছাত্রশিবিরের সাবেক উপজেলা সভাপতি হাফেজ ওমর ফারুক, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুব আলম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব, পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মিলন, আলহাজ্ব ফজলুর রহমান, সহ-সেক্রেটারী হাফেজ নাসিরউদ্দিন, আল আমিন, রওশন আলী, আরশাদ আলী সহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।

  • সাতক্ষীরা সদর বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত

    সাতক্ষীরা সদর বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত

    শরিফুল ইসলাম কুশখালী প্রতিনিধি:
    সাতক্ষীরা সদর বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে
    বুধবার(২৬ মার্চ) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা সদর বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে
    এসময় উপস্থিত ছিলেন,বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওহিদ উদ্দিন অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মোঃতোতাউররহমান,মোঃবনিআমিন,মোঃআব্দুুল হামিদ,মোঃসোলাইমান,মোঃ রফিকুল ইসলাম,মোঃ আজহারুল হক,পলাশ কুমার,মনিরুজ্জামান,খাদিজা খাতুন,রাফেজা খাতুন,সবুর হোসেন, ফারজানা খাতুন,আরমান,শরিফুল ইসলাম প্রমুখ

  • দেবহাটায় বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন’র ইফতার মাহফিল

    দেবহাটায় বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন’র ইফতার মাহফিল

    দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুর ৩টায় সখিপুর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এ ইফতার মাহফিলে উপজেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন’র সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন’র সভাপতিত্বে সেক্রেটারী ইসরাইল আশেকে মাগফুর’ র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, আগরদাড়ি আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হাফেজ মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
    তিনি বলেন, শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড আর শিক্ষক হলো জাতি গড়ার কারিগর এজন্য শিক্ষা এমন একটি প্রক্রিয়া যা মানুষের অন্তর্নিহিত সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন করে। আমাদের ইসলামি শিক্ষানীতি চালু করা যার মধ্যে ব্যক্তির দেহ-মন-আত্মার বিকাশ ঘটিয়ে আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। মানসিক বুদ্ধিবৃত্তিক প্রস্ফুটন করে ইন্দ্রিয় জাগ্রত করে। অর্জিত জ্ঞান নিজেকে আত্মপ্রত্যয়ী ও সংস্কারমুক্ত করে তোলে। শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো চরিত্রের বিকাশ, মানবীয় উত্কর্ষ সাধন করা, সুঅভ্যাস গড়ে তোলা, মিথ্যার বিনাশ আর সত্যের সন্ধানে অগ্রসর হওয়া। নৈতিক আচরণের উন্মেষ ঘটিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগরিত করা।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল ওহেদ, মাদ্রাসা শিক্ষক বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইয়াকুব আলী, কলেজ শিক্ষক বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক আকবর হোসেন, কিন্ডারগার্টেন বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষক বিভাগের সভাপতি মাস্টার মনিরুজ্জামান, ইবতেদায়ী শিক্ষক বিভাগের সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলামসহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।

  • কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা

    কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা

    দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (২৪ মার্চ) বিকাল ৫টায় কুলিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এ ইফতার মাহফিলে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল গফফার’র সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা সাদিকুল ইসলাম’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন’র সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি মাও: নুরুল ইসলাম, মাষ্টার মনিরুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারী মাও: মুজাহিদুল আলম, মাও: ইয়াকুব আলী, রফিকুল ইসলাম, টিম সদস্য মাও: আমিনুর রহমান, ক্বারী রুহুল আমীন, আব্দুল হালিম শেখ, হাফেজ আব্দুস সাত্তার, মাও: আবু সাঈদ প্রমূখ।

  • সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলে দেশের স্বার্থে ঐক্য অটুট রাখার প্রত্যয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের

    সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলে দেশের স্বার্থে ঐক্য অটুট রাখার প্রত্যয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ
    দেশের স্বার্থে ঐক্য অটুট রাখার প্রত্যয়ব্যক্ত করে সাতক্ষীরায় জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নেতারা বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ন হবো না। আমরা হবো সহনশীল এবং পরমত সহিষ্ণু। জুলাই বিপ্লবের শহিদদের রক্তের দাগ শুকায়নি। বাংলাদেশের আকাশে আবারো সেই কালো শকুনের ছায়া। এই কালো শকুন যেন আমাদের ছাত্র—জনতার আন্দোলনের স্বাধীনতাকে ভুলুন্ঠিত করতে না পারে। সেজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এদেশকে আমরা সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নিতে চাই। সাতক্ষীরাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। আমাদের এই একতা যেন অটুট থাকে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে সাম্প্রতিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা অক্ষুণ্ণ থাকবে। কেউ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। এজন্য আমাদের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। ১৯৯১ সাল সাল থেকে বিএনপি—জামায়াত জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপি—জামায়াত জোট অতীতে ঐক্যবদ্ধ ছিল এখনো আছে। রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে কিন্তু দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আমরা আপোষহীন আছি এবং ভবিষ্যতে থাকবো।

    সাতক্ষীরায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা শাখার ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপি—জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য অধ্যক্ষ মুহাঃ ইজ্জত উল্লাহ।
    রবিবার (২৩ মার্চ) বিকালে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন পৌর অডিটরিয়ামে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম—আহ্বায়ক তাসকিন আহমেদ চিশতি, আবুল হাসান হাদী, সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, ইসলামি আন্দোলন জেলা শাখার সহ—সভাপতি প্রভাশক ওয়েজ কুরুণী প্রমুখ।
    সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, ডাক্তার মাহমুদুর রহমান, গাজী সুজায়েত আলী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, প্রভাষক ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল আমিন, শহর শাখার আমীর জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মোশারফ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিলে জাতীয় নেতা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, কবি—সাহিত্যিক, ডাক্তার, সাংবাদিক, গবেষক, ব্যবসায়ী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
    এসময় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে জামায়াতে ইসলামীর নেতা—কর্মীদের মধ্যে পারস্পারিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিময় মিলনমেলায় পরিণত হয়। পারস্পারিক আলাপ—আলোচনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পৌর অডিটরিয়াম।
    ইজ্জত উল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লবে যারা প্রাণ দিয়েছেন, আজকের এই দিনে তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলেই আজ আমরা উন্মুক্ত পরিবেশে আপনাদের সাথে বসে ইফতার করতে পারছি। যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর শত শহীদের বিনিময়ে আমরা আবার এক হতে পেরেছি। আমরা কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছি। পেয়েছি স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করার অধিকার। বাংলাদেশের আকাশে আজ কালো মেঘের ঘনঘটা। বাংলাদেশের আকাশে আবারো কালো শকুনের ছায়া। এছায়া যেন আমাদের শান্তি বিনাশের কারণ না হয়। সুযোগ এসেছে স্বাধীনতার সেই সোনার ফসল ঘরে তোলার। আমারা সুখী, সমৃদ্ধশালী, উন্নত এক শান্তিময় বাংলাদেশ কায়েম করতে চাই। যেখানে থাকবে না হিংসা, হানাহানি। থাকবে না কোন বৈষম্য। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।’
    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ বলেন, আমরা ১৯৯১ সাল থেকে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন ও আন্দোলন করে আসছি। এদেশের গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলনে আমরা ঐক্যবদ্ধ। আমাদের এ ঐক্য অটুট থাকবে