ঢাকাSaturday , 7 March 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. তালা
  10. দেবহাটা
  11. পরিবেশ ও জলবায়ু
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইসলামি শক্তিকে পরাজিত করার নীল নকশা অব্যাহত থাকলে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে মোকাবেলা করা হবে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি

news_admin
March 7, 2026 10:45 pm
Link Copied!

খুলনা ব্যুরো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি বলেছেন, ১৭ রমযান ৩১৩ জন মুজাহিদ এক হাজার কাফিরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বদরের ইতিহাস রচনা করেছিলেন। সেই বদরের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান বিশ্বেও যেন মুসলিম মিল্লাতের বিজয় আসে সে জন্য মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে সকলের দোয়া করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, ইরানের বিজয়ের মধ্যদিয়ে মুসলিম মিল্লাত যেন বিশ্বব্যাপী মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেজন্য বিশ্ব মুসলিমকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি রমযানের শেষ দশকে মুসলিম মিল্লাতের নাজাতের জন্য সকলকে দোয়া করার আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামি শক্তিকে পরাজিত করার নীল নকশা হলেও শুধুমাত্র দেশের স্বাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফলাফল মেনে নিয়েছে। কিন্তু এ চক্রান্ত এখনও অব্যাহত থাকলে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে সবক ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করা হবে। শনিবার (৭ মার্চ) খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে হোটেল সিটি ইন এ অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, নায়েবে অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও আজিজুল ইসলাম ফারাজী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, অফিস সেক্রেটারি মিম মিরাজ হোসাইন, মহানগরী কমৃপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা আলমগীর হোসেন, অধ্যাপক আবু রুবাবা, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক জুলফিকার আলী, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম লিটন, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, মহানগরী সভাপতি রাকিব হাসান, দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার গিফারী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সাইফ নেওয়াজ, খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, মহানগর সভাপতি এফ এম হারুন অর রশীদ, খুলনা আলিয়া মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি আব্দুর রহিম, জিপি এডভোকেট ড. মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি আবু তৈয়ব, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এইচ এম আলাউদ্দিন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, খুলনা খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের কোষাধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের খুলনা জেলা সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল. বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এডভোকেট আব্দুল মালেক, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক এডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু ও সদস্য সচিব এডভোকেট নুরুল হাসান রুবা, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট খান মনিরুজ্জামান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, এনডিএফ খুলনা মহানগরীর সভাপতি ডা. আসাদুল্লাহিল গালিব, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপারিন্টেন্ডেন্ট আবু সাইদ মুহাম্মাদ মামুন শাহিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, সাংবাদিক নেতা হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, আমিরুল ইসলাম, কাজী শামীম আহমেদ, মো. নূরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান মুন্না, সাইফুল ইসলাম বাবলু, শেখ শামসুদ্দিন দোহা, বশির হোসেন, নুরুল আমিন নূর, রামীম চৌধুরী, এম এ আজিম, ইমরান হোসেন, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুৃও রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর জি এম শহিদুল ইসলাম, খালিশপুর থানা আমীর আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৌলতপুর থানা আমীর মোশাররফ আনসারী, মোনাওয়ার আনাসারী, আব্দুস সালাম, জাহিদুর রহমান নাঈম, আব্দুল আওয়ালসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। কুরআন তেলাওয়াত করেন খুলনা মহানগরী ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি হযরত মাওলানা আবু বকর সিদ্দীক। ইফতার মাহফিলে মুসলিম উম্মাহ ও দেশ জাতির কল্যাণ সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, মাহে রমযানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত আমলকে আরো সুন্দর করতে হবে। খুলনা মহানগরীর প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দিতে হবে। সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে হবে। কুরআনের সমাজ কায়েমের জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, নেক কাজের তৌফিক দেন, সকল প্রকার খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ়তা দেন। আমাদের ঈমানকে মজবুত করার সুযোগ দেন।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে রমযান হলো পূর্বের সকল গুনাহর জন্য ক্ষমা চেয়ে সাচ্চা মুসলমান হয়ে জীবনযাপনের প্রতিজ্ঞা করার মাস। এ মাসের সময়গুলো খুব বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করা উচিত। ফরয নামায ও রোযা, ফরয নামাযের পাশাপাশি তারাবিহ পড়া, সেহরির আগে তাহাজ্জুদ পড়া, যথাসম্ভব জিকির ও কুরআন মাজীদ তেলাওয়াত করে সময় কাটানো উচিত। সেই সাথে যথাসম্ভব দান সদকা করা, আশেপাশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হক আদায় করা বাঞ্ছনীয়। অশ্লীলতা, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, অন্যের হক খাওয়া, সুদ ও জুয়াসহ সকল প্রকার হারাম কাজ থেকে তো সারা বছরই বেঁচে থাকা ফরয, রমযান মাসে এর অপরিহার্যতা আরও বেড়ে যায়। কারণ, বরকতপূর্ণ সময়ের গুনাহর কাজ অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক হয়ে পড়তে পারে। তাই আমরা সবসময় প্রার্থনা করি আমাদের সবার জীবনে যেন রমযানের গুরুত্ব ও ফজিলত সমান ভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের যেসব মানুষ, মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করে শহীদ হয়েছেন, আহত হয়ে পঙ্গু হয়েছেন, জেলে গিয়েছেন, তাদের সকলের ত্যাগ আল্লাহ পাক কবুল করুন এবং সবাইকে উপযুক্ত যাযা দান করুন। মুক্তি অর্জন করতে হলে অবশ্যই সংগ্রাম করতে হবে। বিনা সংগ্রামে কখনো মুক্তি আসে না। এ জন্য তিনি জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনে সকলকে ভুমিকা রাখার আহবান জানান।