ঢাকাThursday , 30 April 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জুলাই শহীদ
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পরিবেশ ও জলবায়ু
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরা হাসপাতালে সাত বছর পর চালু হলো আধুনিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন

news_admin
April 30, 2026 10:21 pm
Link Copied!

আবু সাইদ বিশ্বাস: দীর্ঘ সাত বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আবারও চালু হয়েছে আধুনিক পদ্ধতিতে (মাইক্রো সার্জারি) পিত্তথলির পাথর অপারেশন। গত ১৯ এপ্রিল থেকে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি (মেশিনের সাহায্যে পিত্তথলির পাথর অপারেশন) পদ্ধতিতে এই অপারেশন শুরু হয়েছে, যা সাতক্ষীরার দরিদ্র-অসহায় ও সাধারণ রোগীদের জন্য স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে। আগে পিত্তথলিতে পাথর হলে পেট কেটে অপারেশন করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে মাইক্রো সার্জারির মাধ্যমে ছোট ছিদ্র করে মেশিনের সাহায্যে নিরাপদ ও কম সময়ে অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে করে রোগীরা মাত্র একদিন হাসপাতালে অবস্থান করে পরেরদিন বাড়িতে চলে যেতে পারেন। এছাড়া এই পদ্ধতিতে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই বললে চলে। তবে সরকারি হাসপাতাল ব্যাহত বাইরের বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে এই চিকিৎসাটা বেশ ব্যয়বহুল। ফলে পিত্তথলির পাথর অপারেশনে দরিদ্র ও সাধারণ রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালই একমাত্র ভরসার স্থল। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে কিছুদিন আগে যোগদানকারী সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আরাফাত ইসলাম এবং ডা. সুব্রত কুমার মন্ডল সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও মঙ্গলবার এই অপারেশন পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে এই অপারেশন সেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন রোগীরা। সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আরাফাত ইসলাম জানান, “সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বর্তমানে সপ্তাহে দু’দিন ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে অপারেশন কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং ধীরে ধীরে এর পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।” এখান থেকে সেবা নিয়ে সুস্থ থাকার জন্য তিনি রোগীদেরকে সদর হাসপাতালের সার্জারি বহিঃ বিভাগের ১১৭ ও ১১৮ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সাবেক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ও মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. রুহুল কুদ্দুস জানান, বিগত ২০১১ সালে তিনি সদও হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে ডাঃ শরিফুল ইসলাম ও ডাঃ হাসানুজ্জামানকে সাথে নিয়ে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে অপারেশন কার্যক্রম শুরু করেন। তার সময় তিনি সাতক্ষীরার বহু মানুষের ফ্রিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন করেছেন। ২০১৫ সালে তিনি বদলি হয়ে মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পর ডাঃ শরিফুল ইসলাম কিছুদিন এই অপারেশন চালু রেখেছিলেন। পরে ২০১৯ সাল থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎস্যকের অভাবে এই চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, “দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মেশিনের সাহায্যে পিত্তথলির পাথর অপারেশন কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে এখানে এই চিকিৎসা সেবাটি এতদিন বন্ধ ছিল। এখন হাসপাতাল থেকে এই চিকিৎসা সেবা নিতে রোগীর কোনো টাকা খরচ হবে না। যে কেউ এখন থেকে সদর হাসপাতালে এসে পিত্তথলির পাথর অপারেশন কার্যক্রমের সেবা নিতে পারবেন।” তবে অবশ্যই তাকে সিরিয়াল মেইনটেইন করতে হবে বলে জানান সিভিল সার্জন।