স্টাফ রিপোর্টার: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের অবহিত করেন। সভা শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের বলেন, দেশের হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বিধবা এবং পশ্চাৎপদ প্রায় পাঁচ কোটি পরিবারকে আমরা ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু করব। তিনি বলেন, গতকাল ও আজ (গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার) মিলিয়ে ইতোমধ্যেই প্রতিশ্রুতির বেশ কিছু কাজে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা হাত দিতে পেরেছি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্মব্যস্ত দিন অতিবাহিত করছেন। আমরা মন্ত্রিপরিষদের সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাসহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্তভাবে নির্দেশ পেয়েছি। আপনারা জানেন যে আমাদের বহুল প্রচারিত প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড, আমরা ইনশাআল্লাহ এই মাস থেকেই ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বন্টনের কাজ বাস্তবায়ন শুরু করব। ফলে গতকাল ও আজ (গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার) মিলিয়ে প্রতিশ্রুতির বেশ কিছু কাজে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা হাত দিতে পেরেছি। জাতির কাছে আমরা এই কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে দোয়া চাই এবং আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। তিনি বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য পর্যায়ক্রমে এই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এছাড়াও আজ আমরা অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন বাহিনীর প্রধানও দেখা করেছেন। তিনি গতকাল (গত বুধবার) সচিবদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দুপুর ২টার সময় বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে। কোন কোন এলাকায় অগ্রাধিকার দিয়ে কার্ডগুলো দেওয়া হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার জন্য একটি ছোট কমিটি গঠন করা হবে, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে। তারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা এবং দিকনির্দেশনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে কত টাকা দেওয়া হবে এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে-এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা টাকার পরিমাণ এই মুহূর্তে নির্ধারণ করিনি। তবে যেহেতু আমরা পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি ফ্যামিলিকে ফ্যামিলি কার্ড দেব, তাই সেটাকে মাথায় রেখে বাস্তবায়নযোগ্যভাবে শুরু করব। মূলত টাকার পরিমাণের চাইতেও সমস্ত নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের নেটওয়ার্কের মধ্যে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। পর্যায়ক্রমে এটিকে আরও উন্নত করা যাবে।
