ঢাকাSaturday , 18 April 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জুলাই শহীদ
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পরিবেশ ও জলবায়ু
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

আশাশুনিতে ১০ গ্রামের একমাত্র সাঁকো নদীতে ভেসে গেছে, এমপির পরিদর্শন

news_admin
April 18, 2026 9:33 pm
Link Copied!

এস.এম মোস্তাফিজুর রহমান: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা-এর শোভনালী ইউনিয়নে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র কাঠের সাঁকো জোয়ারের পানিতে ভেসে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, শোভনালী ইউনিয়নের বাঁকড়া ও বুধহাটা ইউনিয়নের কুন্দুড়িয়া গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত মরিচ্চাপ নদী-র ওপর নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সাঁকোটি শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রবল স্রোতের মুখে ধসে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে ভেসে যায়। এর আগে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এখানে একটি কংক্রিট সেতু নির্মাণ করা হলেও নদী খননের ফলে প্রায় ৩-৪ বছর আগে সেটি ভেঙে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়, যা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, শিক্ষার্থী এবং পণ্যবাহী সাইকেল-মোটরসাইকেল চলাচল করত। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বুধহাটা, পাইথালী, ব্যাংদহা, গাজীরমাঠ ও কামালকাটি হাট-বাজারসহ আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ৪-৫টি স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান, এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাপ্পী কুমান দাশ, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এলাকাবাসী। পরিদর্শনকালে এমপি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন এবং দ্রুত বিকল্প পারাপার ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাময়িকভাবে নতুন করে কাঠের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এদিকে ২-৩ দিনের মধ্যে সাঁকো নির্মাণের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ ও স্টিমেট প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিও জানিয়েছেন।