স্টাফ রিপোর্টার: একটি কেক, কিছু হাসি আর ভাগাভাগি করা ভালোবাসা- এভাবেই সাতক্ষীরায় উদযাপিত হলো যমুনা টেলিভিশনের একযুগ পূর্তি। উৎসবের এই দিনটি ছড়িয়ে দেয় মানবিকতার আলো; এতিম শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি, আর পথের শ্রমজীবী মানুষের হাতে পৌঁছে যায় ভালোবাসার খাবার। রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টায় সরকারি শিশু পরিবারে এতিম শিশুদের নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। শিশুদের উচ্ছ্বাস আর প্রাণবন্ত উপস্থিতি মুহূর্তেই অনুষ্ঠানটিকে করে তোলে উৎসবমুখর। এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আবুল কাশেম। বক্তব্য দেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ, কল্যাণ ব্যানার্জী, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, সরকারি শিশু পরিবারের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন, স্বাগত বক্তব্যে যমুনা টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলাম বলেন, “মানুষের পাশে থেকে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের পথচলার মূল শক্তি।” অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক হোসেন আলী। আলোচনা শেষে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম বাবুলের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সকল কলাকুশলীদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ইউনুচ আলী। পরে এই মানবিক আয়োজন ছড়িয়ে পড়ে শহরের পথে। দরিদ্র ভ্যানচালকদের মাঝে ফুড প্যাকেজ বিতরণ করা হলে তাদের মুখেও ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি। একযুগের এই পথচলা শুধু একটি গণমাধ্যমের সাফল্যের গল্প নয়-এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার এক নিরন্তর অঙ্গীকার।
