ঢাকাSaturday , 14 March 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. তালা
  10. দেবহাটা
  11. পরিবেশ ও জলবায়ু
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরায় বিএনপির ইফতার মাহফিলে সাবেক এমপি হাবিবের বিতর্কিত বক্তব্যে উত্তেজনা

news_admin
March 14, 2026 12:15 am
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব অভিযোগ করেছেন, খুলনা বিভাগের নির্বাচনে ২৫টি আসন বিশেষ দলের জন্য “হাইজ্যাক” করা হয়েছে। তিনি বলেন, “মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদের পরিকল্পনায় খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৫টি আসন পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক নেত্রী হিসেবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে ৪টি আসনে বিএনপিকে হারিয়েছে।” হাবিব আরও বলেন, “নির্বাচনের সময়ে সাবেক ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, জেলা প্রশাসক, তালা ও কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার একটি বিশেষ দলের হয়ে কাজ করেছেন। নির্বাচনের পর ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যাহার হয়েছে। সেই ব্যক্তি সাতক্ষীরার মাটিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা উচিত। ডিসিকে অবিলম্বে সাতক্ষীরা ছাড়তে হবে।” তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। তাই আগামী উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচনে সকল নির্বাচনী যুদ্ধে আমাদের জয় নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।” শুক্রবার বিকালে শহরের লেকভিউ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে এধরনের আক্রশমূলক বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তার এই বক্তব্যে বিভিন্ন গনমাধ্যমের ফেসবুক পেজ এ নিম্নলিখিত কমেন্ট দেখা গেছে। কলারোয়া স্পিস-এ রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২ শতাধিক জন নেচিবাচক কমেন্ট করেন। এরমধ্যে একজন কমেন্ট করেছেন- ‘ আসল কথা এটা যে টাকা খরচ করে হাবিব নির্বাচন করছে সে টাকা তুলে নিবে এবং চাঁদাবাজি করবে, চাঁদাবাজি ভাগ নিতে পারছে না তাই তাদের অপসারণের জন্য বলছে। এটাই বাস্তব’। হাসিবুজ্জামান নামে একজন লিখেছেন, পাগল হয়ে গেছে মনে হচ্ছে, কেউ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। নজরুল ইসলাম লিখেছেন, মাথা খারাপ হয়ে গেছে। সাইফুল ইসলাম লেখেন, চাচা এটা ইফতার মাহফিল, মাথা ঠিক আছে তো?
বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দদের দাওয়াত করে এধরনের অশোভনীয় বক্তব্য প্রদানে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝেও সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান, তাছকিন আহমেদ চিশতি, বিএনপি নেতা কামুল ইসলাম ফারুক, নাসিম ফারুক খান মিঠু প্রমুখ। সভা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য, ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথি জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল বলেন, সাতক্ষীরার উন্নয়নে মন্ত্রী পরিষদের সাবেক সচিব আব্দুর রশীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণসহ জেলাকে এ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করায় সাতক্ষীরাবাসী তার কাছে কৃতজ্ঞ। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে বিএনপি-জামায়াত একসাথে কাজ করা দরকার। এই বক্তব্যের পর পরই ক্ষেপে যান বিএনপির সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। পরে তার বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এরপর ইফতার তিনি ইফতার শুরু করেন। কিন্তু তখনও ইফতারের কয়েক মিনিট সময় বাকি ছিল।