ঢাকাWednesday , 11 March 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. তালা
  10. দেবহাটা
  11. পরিবেশ ও জলবায়ু
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরার বাজারে রড সিমেন্টের দাম বৃদ্ধি: সংকটে আবাসন খাত

news_admin
March 11, 2026 12:00 am
Link Copied!

আবু সাইদ বিশ্বাস: সাতক্ষীরার বাজারে হঠাৎ করেই আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে রড ও সিমেন্টের দাম। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেজি প্রতি রডের দাম প্রায় ২০ টাকা ও বস্তাপ্রতি সিমেন্টর দাম ১৫-২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন আবাসন ও অবকাঠামো খাতের ব্যবসায়ীরা। নির্মাণসামগ্রীর এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক দিন আগেও যে রড প্রতি টন ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, গতকাল মঙ্গলবার তা একলাফে ৯০ থেকে ১০০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। ঢাকার বাজারে আনোয়ার ইস্পাত ও আকিজ: ৯১,০০০ টাকা (টনপ্রতি), কেএসআরএম: ৯১,০০০ টাকা, সিএসআরএম: ৮৪,০০০ টাকা, রহিম স্টিল: ৮৭,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সাতক্ষীরার বাজারে টনপ্রতি আরো ১০ হাজার টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। আবাসন ব্যবসায়ীদের দাবি, ইরান যুদ্ধকে পুঁজি করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কৃত্রিমভাবে দাম বাড়াচ্ছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, “যুদ্ধে প্রভাব রড উৎপাদনে আরও পরে পড়ার কথা। এই মুহূর্তে দাম বাড়ার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই।” পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি সরকারকে বাজার মনিটরিং করার দাবী জানান। অন্যদিকে, রি-রোলিং মিল মালিকরা সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজ কোম্পানিগুলো বীমা সুবিধা দিচ্ছে না এবং পণ্য পরিবহন খরচ (ফ্রেইট কস্ট) ১৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এছাড়া ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং স্ক্র্যাপের মূল্যবৃদ্ধিও স্থানীয় বাজারে প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি নিয়ে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকার জনস্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “যে রড বর্তমানে বাজারে আছে, তাতে যুদ্ধের প্রভাব পড়ার কথা নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।” বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রড ও সিমেন্টের এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আবাসন খাতে বড় ধরনের ধীরগতি বা মন্দা দেখা দিতে পারে, যা এই খাতের সাথে জড়িত প্রায় এক কোটি শ্রমিকের জীবিকাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।