ঢাকাMonday , 9 March 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. তালা
  10. দেবহাটা
  11. পরিবেশ ও জলবায়ু
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উপকূলের মানুষের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব: এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

news_admin
March 9, 2026 11:02 pm
Link Copied!

হুসাইন বিন আফতাব, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা): উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অভিযোজন অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাটসংলগ্ন পাইকের মোড় বিলে গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বারসিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় ১৩টি স্টলের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, স্থানীয় জ্ঞান ও অভিযোজন কৌশল তুলে ধরা হয়। স্টলগুলোতে উপকূলীয় কৃষি যন্ত্র ও আগাছা ব্যবস্থাপনা, মাছ ধরার ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, স্থানীয় অভিযোজন চর্চা, বিলুপ্তপ্রায় সামগ্রী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও বনজীবীদের ব্যবহার্য উপকরণ, পরিবেশবান্ধব চুলা, স্থানীয় জাতের বীজ, ধান-চাল, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্র, শুকনা খাবার এবং হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে উপকূলের সংকট ও প্রাণবৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। মেলায় জারি-সারি গান, চিত্রাঙ্কন ও দেয়ালিকা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় মানুষ, শিক্ষার্থী, নারী সংগঠক, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বারসিকের পরিচালক ও প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, শংকর ম্রং, শ্যামনগর গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, সদস্য রণজিৎ বর্মন, নেত্রকোনার আল্পনা নাফাক, কামনা হাজং, বনজীবী শেফালী বিবি ও যুব স্বেচ্ছাসেবক সাইদুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে জাতীয় নীতি প্রণয়নে গুরুত্ব দিলে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব। এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় জ্ঞানকে সামনে এনে নীতিনির্ধারক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সংযোগ তৈরি করতে সহায়ক। তাঁরা বলেন, উপকূল ও হাওর অঞ্চলে জলবায়ু সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। দেশীয় বীজ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও স্থানীয় অভিযোজন কৌশল ব্যবহার করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী টিকে থাকার চেষ্টা করছে। স্থানীয় অভিযোজন কৌশলকে শক্তিশালী করতে জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানো এবং স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সবার জন্য জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করার দাবিও জানান বক্তারা।