ঢাকাFriday , 20 February 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. আশাশুনি
  3. ই-পেপার
  4. কলারোয়া
  5. কালিগঞ্জ
  6. কৃষি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. তালা
  10. দেবহাটা
  11. পরিবেশ ও জলবায়ু
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচ মাস ধরে বন্ধ হরমোন ও ট্রপোনিন-আই পরীক্ষা

news_admin
February 20, 2026 10:03 pm
Link Copied!

খুলনা ব্যুরো: খুলনার সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে প্রায় পাঁচ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোন পরীক্ষা টি-থ্রি , টি-ফোর, টিএসএইচ এবং হৃদরোগ নির্ণয়ের জরুরি পরীক্ষা ট্রপোনিন-আই। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় রিএজেন্টের অভাবে এসব পরীক্ষা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব পরীক্ষা স্বল্প খরচে করা সম্ভব ছিল। যেখানে ট্রপোনিন-আই পরীক্ষা হাসপাতালে করতে খরচ হতো মাত্র ৫০০ টাকা, বাইরে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই পরীক্ষা করাতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১,৮০০ টাকা। একইভাবে টি-থ্রি, টি-ফোর ও টিএসএইচ পরীক্ষার জন্য সরকারি খরচ ছিল প্রায় ৬০০ টাকা, অথচ বাইরে করতে গেলে খরচ পড়ছে প্রায় ১,৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে দুটি পরীক্ষার জন্য রোগীদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪,০০০ টাকার কাছাকাছি, যা অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ। রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে স্বল্প খরচে সেবা পাওয়ার আশায় তারা এখানে আসেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এসব পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরে বেশি খরচে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব আয়ও কমে যাচ্ছে। চিকিৎসক মহল বলছেন, হরমোনজনিত সমস্যা ও হৃদরোগের ক্ষেত্রে এসব পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। দ্রুত পরীক্ষা না হলে সঠিক চিকিৎসা বিলম্বিত হতে পারে, যা রোগীর ঝুঁকি বাড়ায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় রিএজেন্ট সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা, যাতে সাধারণ মানুষ স্বল্প খরচে সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা ফিরে পান। প্যাথলজি বিভাগের ডাক্তার আনন্দ দুত্যি হীরা বলেন, রি-এজেন্ট শেষ হওয়ার কারণে মূলত এই পরীক্ষা দুটি এখন হচ্ছে না, তবে আমরা চাহিদা দিয়েছি নতুন টেন্ডারের রি-এজেন্ট পেলেই আমরা আবার এই পরীক্ষাগুলো চালু করতে পারব। এ ব্যাপারে খুমেক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে রি-এজেন্ড কেনার চেষ্টা করছি, আশা করছি খুব দ্রুত এর সমস্যার সমাধান হবে।