এফএনএস: তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরদেহের পরনে ছিল কাবলি ধরনের পায়জামা-পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবির পকেট থেকে উদ্ধার করা হয় একটি আইফোন। ওই ফোনের মাধ্যমেই তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, লাশটি তেমন পচনশীল ছিল না। পরনে ছিল কাবলি ধরনের পায়জামা-পাঞ্জাবি। পায়জামার পকেটে তার আইফোনটি পাওয়া যায়। ফোনটি মোটামুটি চালু ছিল। পরে ফোনটি প্রস্তুত করার পর একটি কল আসে। কলটি রিসিভ করার পরই তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, রাজধানীর উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে গত বুধবার বিকেলে বিমানবাহিনীর সাবেক ওই কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নৌ পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মরদেহের শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নৌ পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে তুরাগ নদে একটি লাশ ভাসতে থাকার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারের সময় লাশটির পরনে সাদা পায়জামা ও কালো জামা ছিল। তার হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তুরাগ থেকে উদ্ধার লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন নেই
তুরাগ থেকে উদ্ধার লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন নেই




