গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ২১১ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একইসাথে এ ঘটনায় জড়িত খুচরা সার ব্যবসায়ী শ্রী মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাত।

page-top-ad
জব্দ করা সারগুলো রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কামারপাড়া বাজার থেকে প্রশাসনের কার্যালয়ে আনা হয়। এসব সারের মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া ৯৪ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা, টিএসপি ১৭ বস্তা, জিপসাম ৬৮ বস্তা ও পটাস ১৩ বস্তা।

page-top-ad
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) কামারপাড়া বাজারের মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুর দোকান থেকে ১৪ বস্তা সার ভ্যানযোগে সুন্দরগঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে এলাকাবাসী টের পেয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। এরপর নান্টুর গুদামে আরো সার মজুত আছে বলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে প্রশাসনের লোকজন এসে ২১১ বস্তা সার জব্দ করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ সার মজুত করে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করছে। তাই অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাতের অফিসিয়াল মোবাইলফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি সিরিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

তবে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন ধরনের ২১১ বস্তা সার জব্দসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সারগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। এগুলো সরকারি দামে কৃষকদের কাছে বিতরণ করা হবে।