শ্যামনগর প্রতনিধিি: সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজলোর রতনপুর ইউনয়িনরে পীরগাজন গ্রামে দুলাবালা ফাতমিাতুয যাহরা (রাঃ) মহলিা মাদ্রাসার শক্ষিা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রশ্ন উঠছেে স্থানীয়দরে মধ্যে। তাঁদরে দাবি, প্রায় চার মাস ধরে মাদ্রাসার ভবন তালাবদ্ধ। এদকিে ভবনসংকটে পাশরে মসজদিরে বারান্দায় শতাধকি শশিুকে পাঠদান করছনে চার শক্ষিক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে প্রতষ্ঠিতি মাদ্রাসাটতিে একসময় উল্লখেযোগ্যসংখ্যক শর্ক্ষিাথী ছলি। তবে গত দুই বছর ধরে শর্ক্ষিাথী কমতে থাকে। কখনো পাঁচ থকেে সাতজন শর্ক্ষিাথীকে দখো গলেেও গত চার মাস ধরে ভবনটি তালাবদ্ধ রয়ছেে বলে স্থানীয়দরে দাবি। সরজেমনিে দখো যায়, মাদ্রাসার নীল রঙরে ভাঙা সাইনর্বোডটি ভবনরে পরর্বিতে পাশরে একটি গাছরে ডালে ঝুলছে। শ্রণেকিক্ষ ও অফসিকক্ষরে দরজায় তালা। ভবনরে দয়োলে শ্যাওলা জমছেে, টনিরে চালও জরার্জীণ। চারপাশে ঝোপঝাড় গজয়িছেে। কক্ষরে ভতেরে মাকড়সার জাল দখো যায়। স্থানীয় বাসন্দিা হালমিা বলনে, মাদ্রাসাটি দুই থকেে তনি বছর ধরে প্রায় বন্ধ। আগে কয়কেজন শর্ক্ষিাথী থাকত, তাদরে জন্য রান্নার ব্যবস্থাও ছলি। এখন আর কেউ আসে না। মাদ্রাসাটতিে নজিরে সন্তানকে পড়ানোর অভজ্ঞিতা জানয়িে স্থানীয় বাসন্দিা মনরিুজ্জামান বাবু বলনে, শুরুতে প্রতষ্ঠিানটি ভালো চলত এবং অনকে শর্ক্ষিাথী ছলি। কন্তিু গত দুই বছর ধরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধরে পথে। আগে মাঝমধ্যেে পাঁচ থকেে সাতজন শর্ক্ষিাথী দখো গলেেও গত তনি-চার মাস ধরে ভবনটি তালাবদ্ধ। শক্ষিক ও জমদিাতাদরে মধ্যে বরিোধরে কথাও শুনছেনে বলে জানান তনিি। স্থানীয় বাসন্দিা মো. আমজাদ সরদার বলনে, নজিদেরে মধ্যে বরিোধ ও একে অপররে বরিুদ্ধে অভযিোগরে কারণে প্রতষ্ঠিানটরি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গছেে বলে তাঁর ধারণা। মাদ্রাসার জন্য জমি দানকারী ব্যক্তদিরে অভযিোগ, র্ধমীয় ও মানবকি উদ্দশ্যেে তাঁরা জমি দয়িছেলিনে। সখোনে নূরানি, হফিজ ও কতিাব বভিাগ চালু এবং এতমি শশিুদরে পড়াশোনার সুযোগ তরৈরি প্রত্যাশা ছলি তাঁদরে। তাঁদরে দাবি, প্রতষ্ঠিার সময় মাদ্রাসার নাম ছলি ফাতমিাতুয যাহরা (রাঃ) মহলিা মাদ্রাসা নয়, বরং দুলাবালা গ্রামরে ফাতমিাতুয যাহরা (রাঃ) মাদ্রাসা। তাঁদরে অবগত না করে প্রায় দুই বছর আগে মুহতামমি মাওলানা আবু বক্কর সদ্দিকি নাম পরর্বিতন করে মহলিা মাদ্রাসা হসিবেে সাইনর্বোড স্থাপন করনে। জমদিাতাদরে ভাষ্য, অল্পসংখ্যক ছাত্রী নয়িে কয়কে দফায় কার্যক্রম চালু করা হলেও তা বশেদিনি স্থায়ী হয়নি। একপর্যায়ে আবারও প্রতষ্ঠিানটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে তাঁদরে দাবি, মাদ্রাসার নূরানি বভিাগরে কার্যক্রম এখনো চলছে। ভবনসংকটরে কারণে পাশরে মসজদিরে বারান্দায় চার শক্ষিক শতাধকি শশিুকে পড়াচ্ছনে। বন্ধ থাকা মাদ্রাসা ভবনে এই কার্যক্রম পরচিালনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও মুহতামমি তা সম্ভব নয় বলে জানয়িছেনে বলে অভযিোগ জমদিাতাদরে। মাদ্রাসার শক্ষিা কার্যক্রম চালুর দাবি জানয়িছেনে জমদিাতারা। তাঁদরে বক্তব্য, প্রতষ্ঠিানটি চালু রাখা সম্ভব না হলে জমি ফরেত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মাদ্রাসা ও লল্লিাহ র্বোডিংয়রে নামে এ পর্যন্ত কী পরমিাণ চাল ও অর্থ সংগ্রহ করা হয়ছেে, তার হসিাব প্রকাশরে দাবি জানয়িছেনে তাঁরা। স্থানীয়দরে প্রশ্ন, গত দুই বছর ধরে নয়িমতি শর্ক্ষিাথী না থাকলে আবাসকি-অনাবাসকি লল্লিাহ র্বোডিংয়রে নামে সরকারি বা বসেরকারি অনুদান, যাকাত কিংবা ফতিরার চাল সংগ্রহ করা হয়ছেে কি না। বষিয়টি তদন্ত করে দখোর দাবি জানয়িছেনে তাঁরা। তবে এ ধরনরে অনুদান সংগ্রহে অনয়িম হয়ছেেÑএমন কোনো তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বষিয়ে সাতক্ষীরা জলো প্রশাসক, কালীগঞ্জ উপজলো র্নবিাহী র্কমর্কতা (ইউএনও) ও উপজলো সমাজসবো র্কমর্কতার হস্তক্ষপে কামনা করছেনে স্থানীয়রা। তাঁদরে দাবি, সরজেমনিে তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা র্নধিারণ, প্রতষ্ঠিানটি চালু করা এবং অনয়িমরে প্রমাণ পাওয়া গলেে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অভযিোগরে বষিয়ে জানতে মাদ্রাসার মুহতামমি মাওলানা আবু বক্কর সদ্দিকিরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তনিি জানান, তনিি পাশরে নূরনগরে আছনে এবং জরুরি কাজ থাকায় তখন মাদ্রাসায় আসতে পারবনে না। মাদ্রাসা বন্ধ থাকার বষিয়টি স্বীকার করে তনিি বলনে, বাইররে সীমানায় পুরুষ বভিাগরে জন্য নতুন ভবন র্নমিাণ করা হবে। এ কারণে মাদ্রাসা বন্ধ রয়ছেে। তনিি আরও জানান, প্রায় দুই বছর ধরে তনিি সখোনে সহায়ক দায়ত্বি পালন করছনে।
চার মাস ধরে তালাবদ্ধ মাদ্রাসা
মসজদিরে বারান্দায় শতাধকি শশিুর পাঠদান




