Category: শ্যামনগর

  • উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গ্যাদন খেলা হারিয়ে যাচ্ছে

    উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গ্যাদন খেলা হারিয়ে যাচ্ছে

    আবু সুফিয়ান, উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি:

    উপকূলীয় বাংলাদেশের একসময়ের জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলা গ্যাদন খেলা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। একসময় গ্রামবাংলার শিশু-কিশোরদের আনন্দের অন্যতম উৎস ছিল এই ঐতিহ্যবাহী খেলা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন, প্রযুক্তির বিস্তার এবং খেলার মাঠ কমে যাওয়ায় নতুন প্রজন্মের মধ্যে এর চর্চা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

    গ্রামের প্রবীণদের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্যাদন খেলা শুধু বিনোদনের মাধ্যমই ছিল না; এটি ছিল এক ধরনের শারীরিক ব্যায়ামও। নিয়মিত খেলাধুলার কারণে শিশু-কিশোররা শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল থাকত এবং নানা ধরনের রোগবালাই থেকেও অনেকটা দূরে থাকত।

    স্থানীয়দের মতে, গ্যাদন খেলাটির ইতিহাস বেশ পুরোনো। গ্রামবাংলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় শিশু-কিশোররা দল বেঁধে এই খেলায় অংশ নিত। খেলাটির মাধ্যমে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে উঠত।

    তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। অনেক এলাকায় খেলার মাঠের অভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি স্মার্টফোন ও আধুনিক প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে শিশু-কিশোররা খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। কেউ কেউ মোবাইল গেম কিংবা অন্যান্য অনলাইন বিনোদনের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। ফলে গ্যাদন খেলার মতো গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এই পরিবর্তন শুধু একটি খেলার বিলুপ্তিই নয়; এর সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। তাদের মতে, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম, আর সেই খেলাধুলা যদি নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া থেকে শুরু হয়, তবে তা সমাজ ও সংস্কৃতির জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

    এ অবস্থায় উপকূলীয় অঞ্চলের তরুণদের প্রতি গ্যাদন খেলা পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় উৎসব, গ্রামীণ মেলা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে গ্যাদন খেলার প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে এই খেলাকে আবারও পরিচিত করে তোলার দাবি উঠেছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হলে গ্যাদন খেলা শুধু একটি গ্রামীণ খেলাই নয়, বরং উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আবারও নতুন প্রজন্মের মাঝে স্থান করে নিতে পারবে।

  • মুমিন মুসলমানের দায়িত্ব মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা – শ্যামনগরের নূরনগরে যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল

    মুমিন মুসলমানের দায়িত্ব মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা – শ্যামনগরের নূরনগরে যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল

    নূরনগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

    সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেল ৩টায় নূরনগর তানভীর কনভেনশন সেন্টারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    নূরনগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ডা. আলহাজ্ব মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং যুব বিভাগের সভাপতি হাসানুর বান্নার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, মুমিন মুসলমানের দায়িত্ব হলো মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করা। একই সঙ্গে অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে নিজে বিরত থাকা এবং অন্যদেরও বিরত রাখার চেষ্টা করা।

    তিনি আরও বলেন, কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করতে হবে এবং হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার মাধ্যমে আল্লাহর আজাব থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সাঈদী হাসান বুলবুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা আব্দুল হান্নান, সেক্রেটারি আলহাজ্ব লিয়াকত হোসেন বাবু, সহকারী সেক্রেটারি গাজী আশরাফুল আলম, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন, ইউনিয়ন মিডিয়া প্রধান আবু হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

  • বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্দ্যোগে ইফতার মাহফিল

    বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্দ্যোগে ইফতার মাহফিল

    বুড়িগোয়ালিনী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ০৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে ০৫ মার্চ ( ১৫ ই) রমজান) বৃহস্পতিবার কলবাড়ী বরষা রিসোটে অনুষ্ঠিত হয় ইফতার মাহফিল।

    বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান রানা

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্যামনগর পৌর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, বু্ড়িগোয়ালিনী ইউ/পি সদস্য মোঃ মোঃ রবিউল ইসলাম

    বক্তব্যে কালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি জনাব মোঃ মাষ্টার আব্দুল‍্যাহ আল মামুন ইসলামী ছাত্র শিবিরকে সকল কাজে সঠিক সময়ে সাহসীকতার সাথে এগিয়ে যাওঋআর নিদেশনা দেন আরো বলেন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের সার্থে কাজ করতে হবে।

    সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী ফাহাদ বিন আব্দুর রউফ।

  • দোয়ার প্রতিদান, কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রবীণ ব্যক্তির দোরগোড়ায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

    দোয়ার প্রতিদান, কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রবীণ ব্যক্তির দোরগোড়ায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

    কৈখালী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

    সাতক্ষীরা-৪ আসনের শ্যামনগর উপজেলার মাননীয় এমপি মহোদয় সম্প্রতি ৫নং কৈখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে এক প্রবীণ ব্যক্তির খোঁজখবর নিতে সৌজন্য সাক্ষাতে যান। তিনি বৃদ্ধ ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন, কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া কামনা করেন।

    এ সময় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এমপি মহোদয় বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি এই প্রবীণ ব্যক্তির কাছেই দোয়া নিতে এসেছিলেন। মোনাজাতের মুহূর্তে বৃদ্ধ ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বারবার বলেছিলেন,

    “আপনি প্রথম বিভাগে জয়ী হবেন, ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার বিজয়ের মূল শক্তি। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের আন্তরিক দোয়ায় আমি জয়লাভ করেছি।”

    এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা এমপি মহোদয়ের এ মানবিক ও কৃতজ্ঞতাপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়নে তাঁর ধারাবাহিক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

  • শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

    শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

    এবিএম কাইয়ুম রাজ :

    “টেকসই জীবিকায়নে নারী বান্ধব বাজার গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকালে শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ-এর প্রগতি প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং নারী ও কন্যাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী নেত্রী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নারী অধিকার, সমতা ও নারী বান্ধব বাজার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    পরে রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। একশনএইড বাংলাদেশ প্রগতি প্রকল্পের হাব কো-অর্ডিনেটর মো. আছের আলীর সঞ্চালনায় এবং রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আল-মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জামান কনকের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য দিপালী রানী গায়েন, মো. আব্দুস সালাম, মনোরঞ্জন মিস্ত্রি, রুহুল আমিন, আলহাজ শেখ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি শ্রাবণী রানী মণ্ডল, কৃষি কর্মকর্তা নাজমুস সাকিবসহ একশনএইড বাংলাদেশের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় নারী নেত্রী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস. এম. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজ ও অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান শেখ আল-মামুন বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ ও নারী বান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এতে নারীরা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে পারবেন।

    একশনএইড বাংলাদেশ এলআরপি কো-অর্ডিনেটর মো. আব্দুল কায়ুম বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং নারী বান্ধব সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী নেত্রীরাও মতামত তুলে ধরেন এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় প্রগতি নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে রমজাননগর ইউনিয়নের সোনাখালী বাজারে নারী বান্ধব বিপণন কর্নার স্থাপনের অনুমতির জন্য স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নারী বান্ধব বাজার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।

    আলোচনা সভা শেষে জলবায়ু সহনশীল কৃষি চর্চায় অবদান রাখায় এবং সফল উদ্যোক্তা হিসেবে শিরিনা পারভীন ও রাবেয়া খাতুনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • অবৈধ বালু উত্তোলনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ বালু উত্তোলনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    আবু সুফিয়ান: সাতক্ষীরা জেলার গাবুরা ইউনিয়ন-এর লেবুবুনিয়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাশেদ হোসাইন এবং শ্যামনগর থানা-র অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় একটি বালু উত্তোলনকারী কার্গো ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ৬ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় কয়রা উপজেলার বাসিন্দা বাবু পিং সিরাজুল ইসলাম-কে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাশেদ হোসাইন জানান, বৈধ বালুমহাল ছাড়া অন্য যে কোনো স্থান থেকে বালু উত্তোলন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শ্যামনগর উপজেলায় বর্তমানে কোনো ইজারাকৃত বৈধ বালুমহাল নেই। তাই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • শ্যামনগরে মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    শ্যামনগরে মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    হুসাইন বিন আফতাব: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নূরনগর ইউনিয়ন-এ অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে নূরনগর মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৫০টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) সকাল ১১টায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আল মামুন-এর সভাপতিত্বে প্রতিটি পরিবারের হাতে ছোলা, চিঁড়া, চিনি, সেমাই, সুজি (১ প্যাকেট), টোস্ট, খেজুর, মুড়ি (১ প্যাকেট) ও আলু উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মোবারক হোসেন (লাচ্ছু)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক জিএম মনিরুজ্জামান এবং নূরনগর ক্যাটারিং সার্ভিস-এর পরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন। এছাড়াও ফাউন্ডেশনের সদস্য শুভ সাহা, আরাফাত হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শেখ আল মামুন বলেন, রমজান মাসে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। আজ ৫০টি পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। পুরো রমজান মাসজুড়েই আমাদের এই সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যারা অনুদান ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

  • প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলার প্রতিবাদে শ্যামনগরে মানববন্ধন

    প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলার প্রতিবাদে শ্যামনগরে মানববন্ধন

    হুসাইন বিন আফতাব: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব ভবনে ঢুকে সভাপতির ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় কর্মসূচি থেকে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব ও শ্যামনগর সাংবাদিক সমাজের যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্য আব্দুল আহাদের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, পেশাজীবী সংগঠনের কার্যালয়ে প্রকাশ্যে ঢুকে সভাপতির ওপর হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। তাঁদের অভিযোগ, যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুরের নেতৃত্বে এ হামলা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার আগে পুলিশকে অবহিত করা হলেও সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ আবু কওছার, সিনিয়র সাংবাদিক ইঞ্জিনিয়ার আফজালুর রহমান, সাংবাদিক আবু সাঈদ, আনিসুর রহমান, আব্দুল কাদের, রনজিৎ বর্মন, দৈনিক সংগ্রাম প্রতিনিধি হুসাইন বিন আফতাব, এসএম মিজানুর রহমান, মাহমুদুল ফিরোজ বাবুল, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি বেলাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, সীমান্ত প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুন্নবী ইসলাম ইমন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ রুবেলসহ অনেকে। বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। তাঁরা অবিলম্বে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা শ্যামনগর থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের দাবি, পূর্বে অবহিত করা সত্ত্বেও পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে না পৌঁছানোয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ ঘটনায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। উল্লেখ্য, সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি মিছিল প্রেসক্লাব চত্বরে এসে মানববন্ধন করে। একপর্যায়ে যুবদল সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুরের নেতৃত্বে ২৫–৩০ জন নেতাকর্মী প্রেসক্লাব ভবনে ঢুকে সভাপতি সামিউল ইমাম আযম মনিরের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ স্থানান্তর করা হয়। মানববন্ধন শেষে সাংবাদিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের উত্তর হাজীপুর এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় নূরনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে উত্তর হাজীপুর কারিকারপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান হবির বাসভবনে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতে ইসলামী নূরনগর ইউনিয়ন আমীর ডা. আলহাজ্ব মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি আবু হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মো. গোলাম মোস্তফা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাস্তব জীবনে তাকওয়া অর্জনের জন্যই মানুষের ওপর সিয়াম সাধনা ফরজ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-বাকারাহর ১৮৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন— “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।” তিনি আরও বলেন, মাহে রমজানে যথাযথভাবে সিয়াম ও কিয়াম পালনের মাধ্যমে তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের জন্য সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে এলাকার অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

  • যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা

    যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার প্রেসক্লাব ভবনে ঢুকে সভাপতি সামিউল ইমাম আযম মনিরের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন প্রেসক্লাব চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রেসক্লাবে উপস্থিত সাংবাদিক জুবায়ের মাহমুদ, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা জানান, সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুর ইসলাম আঙ্গুর, যুবদল নেতা মিজান, মফু খাঁসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ‘শ্যামনগরের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি প্রেসক্লাব চত্বরে এসে মানববন্ধনে অংশ নেয়। মানববন্ধনে প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব সামিউল ইমাম আযম মনিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মাদক চোরাচালানের অভিযোগ তোলা হয়। এক পর্যায়ে মানববন্ধন চলাকালে হঠাৎ করে যুবদল সদস্য সচিব আঙ্গুর, বাবলু, মিজান, মতলেবসহ প্রায় ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী প্রেসক্লাব ভবনে ঢুকে পড়েন। এ সময় তারা প্রেসক্লাবে অবস্থানরত সভাপতি সামিউল মনিরের উপর অতর্কিত হামলা চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গেও ধাক্কাধাক্কি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। আহত সামিউল মনিরকে তাৎক্ষণিকভাবে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সমকাল পত্রিকায় সামিউল মনিরের লেখা “যুবলীগ-যুবদল-যুব বিভাগ মিলে খোলপেটুয়া-কপোতাক্ষ নদের বালু লুট” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলার ঘটনায় শ্যামনগরে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা প্রেসক্লাবের মতো পেশাজীবী সংগঠনের কার্যালয়ে ঢুকে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অভিযুক্ত যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলার সচেতন মহলের মতে, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।