Category: শ্যামনগর

  •   সব স্রোত মিশেছে জামায়াতের কমীর্ সম্মেলনে, লোকে লোকারন্য

      সব স্রোত মিশেছে জামায়াতের কমীর্ সম্মেলনে, লোকে লোকারন্য

    সাতক্ষীরা শহর গতকাল ছিল লোকে লোকারন্য, জনস্রোত, মানুষ আর মানুষ, শহরের সীমানা পেরিয়ে জনস্রোত এর । সুবিশালতা ছড়িয়ে পড়ে কদমতলা, বিনেরপোতা আর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা। বিস্মিত, হতভম্ব, শহরবাসি, হাজার ছাড়িয়ে লাখ এবং লাখের মধ্যে কেবল সীমাবদ্ধ ছিল না জনসাগর। কয়েক লক্ষ  লোকের সরব, স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নারায়ে তাগবীর, আল্লাহু আকবর ধ্বনি প্রতিধ্বনি সাতক্ষীরার আকাশ বাতাশকে প্রকম্পিত করছিল। সব জনস্রোত ছিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠমুখি। আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমানের সাতক্ষীরায় আগা উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরাবাসীর সাথে যে আবেগ, আগ্রহ, উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে জেলার ইতিহাসে এমন আগ্রহময় জনস্রোত দেখা যায়নি এমনটি বলেছেন জায়ায়াতের কর্মী সম্মেলনে। আগতদের অনেকে। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, চিকিৎসা বিদ্যায় পাদদর্শী ডাঃ শফিকুর রহমান বিগত পতিত সরকারের সময়গুলোতে যেভাবে নির্যাতিত নিষ্পেষিত এবং জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন তা নজিরবিহীন। দিনের পর দিন মাসের পর মাস ফ্যাসিস্ট এর কারাগারে অন্তরীণ থেকেছেন যে কারণে দেশবাসির কাছে তিনি মজলুম নেতা হিসেবে কেউ আমাদের জন্য হুমকি হোক এটা প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েও সরকারি উচ্চ জামায়াত শিবিরের কর্মী সমর্থকরাই সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল গতকালের জনস্রোতের । শত সহস্র মহিলারা শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়িতে অবস্থান নিয়ে কর্মী সম্মেলনে। কর্মী সম্মেলনের উপস্থিত  অনেককে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে আমীরে জামাতকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ না পাওয়াতে। কোন উত্তেজনাকর বা বেহিসেবী (নিবক্তৃতা নয়, অত্যন্ত ধীরস্থির ভাবে, হৃদয়ঙ্গম বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি শান্তির বার্তা দিয়ে গেলেন সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধিক মানুষকে। হানাহানী, নৈরাজ্য নয় এদেশ আমাদের সব ধর্মের, বর্ণের। আগামীর বাংলাদেশ হবে শান্তির। এ দেশে ইসলামের পতাকা উড়বে। আমীরে জাময়াতের প্রতিটি শব্দ চয়ন ছিল অনন্য অসাধারণ। সাতক্ষীরার মাটি ৩৬ জামায়াত শিবিরের কর্মীর রক্তে রঞ্জিত। এই সে জমিন শহীদদের জমিন। গতকালে জনস্রোতের মহা উপস্থিতিতে শহীদ পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। শহরের প্রতিটি সড়কে ছিল লোকে লোকারণ্য। যে যেভাবে পেরেছে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুনেছে। অনেকে বিদ্যালয় কর্মী সম্মেলন খুলে উপস্থিত হতে পারেনি। যে কেবল জনস্রোতে ছিলো তা নয় বিপুল সংখ্যক বিশেষ ভাবে লক্ষ্যণীয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের অংশে।

    দুপুর দুইটায় কর্মী সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর বারটার পূর্বেই লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটে সম্মেলন স্থলে। পুরো শহরে যানযটের চিত্র ছিল  না। অথচ সর্বকালের বৃহত্তম লোকসমাগম। জামায়াতের নিজস্ব জনবল স্বেচ্ছাসেবকের  দায়িত্ব পালন করে কোথাও সামান্যতম যানযট হতে দেয়নি। শহরের যতদূর চোখে দেখা  যায় ততদূরেই ছিল মানুষ আর মানুষ। সাতক্ষীরার মানুষ মনে রাখবে এমন জনস্রোত

     

  • সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পন্য ও ৬ টি হনুমান আটক

    সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পন্য ও ৬ টি হনুমান আটক

    শাহ জাহান আলী মিটন, সাতক্ষীরা :
    সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ প্রায় এগারো লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল ও ৬ টি হনুমান জব্দ করেছে বিজিবি।

    বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধিনস্থ ভোমরা, বৈকারী, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও চান্দুরিয়া বিওপির সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ভারতীয় মালামাল ও ৬ টি মুখপোড়া হনুমান আটক করে বিজিবি।

    সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ আশরাফুল হক বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।

    বিজিবি অধিনায়ক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ী নামক স্থান হতে ২৪ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩ বোতল ভারতীয় মদ ও ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ী আটক করে। বৈকারী বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ০৬ টি বন্যপ্রানী (মুখপোড়া হনুমান) ভারতে পাচারকালে আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক তিনটি বিশেষ আভিযানিক দল সদর থানার কেড়াগাছি এবং রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান হতে ৩৭ বোতল ভারতীয় মদ ও ৭ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া থানার রাজপুর নামক স্থান হতে ১৫ বোতল ভারতীয় মদ ও ২ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির বিশেষ দল গোয়ালপাড়া নামক স্থান হতে ০৮ বোতল ভারতীয় মদ আটক করে। যার সর্বমোট সিজার মূল্য ১০ লাখ ৪৪ হাজার ১শত টাকা।

    বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান, সাতক্ষীরা সদরের সাতানী নামকস্থান দিয়ে বাংলাদেশ হতে ভারতে বন্যপ্রানী পাচার করবে এমন গোপন সংবাদ প্রাপ্তির পর বৈকারী বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি চৌকষ আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় গোপনে অবস্থান নেয়। এ সময় চোরাকারবারীরা বিজিবি’র উপস্থিতি বুঝতে পেরে ০৬টি হনুমান খাঁচাসহ সাতানী পাকা রাস্তার উপরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত প্রতিটি হনুমানের মূল্য ৪০ হাজার টাকা হারে সর্বমোট ৬ টি হনুমানের মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

    বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা ও মাদকদ্রব্য সমূহ সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করতঃ পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের নিমিত্তে ষ্টোরে জমা এবং উদ্ধারকৃত বন্যপ্রানীর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।

    উল্লেখ্য, চোরাকারবারী কর্তৃক উক্ত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করে বিজিবি। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারনে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

  • সদরের শাল্যে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করলেন সদর থানার ওসি সামিনুল হক

    সদরের শাল্যে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করলেন সদর থানার ওসি সামিনুল হক

    শাহ জাহান আলী মিটন,সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড শাল্যে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন সদর থানার ওসি সামিনুল হক। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শাল্যে গ্রামের পশ্চিম পাড়া মার্কেট চত্বরে বিভিন্ন ধর্মের ও পেশার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। মো. শাহিনুর রহমান শাহীন’র সঞ্চালনায় ও ইউপি সদস্য নূরুল হুদা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানার সেকেন্ড অফিসার (এস আই) এস এম শামীম আক্তার,শাল্যে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ অহিদুজ্জামান অহিদ, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম সানা, শাল্যে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির হোসেন, মাস্টার সাজ্জাদ হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, আকরামুজ্জামান লিটন, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, কামরুজ্জামান খোকন, ডা. দেলোয়ার হোসেন, মোঃ সলিমুল্লাহ সুজন, হাফেজ আসাদুজ্জামান মনা, আল মুজাহিদ , মোঃ বিল্লাল হোসেন রিপন,মোঃ বজলুর রহমান, শাজাহান আলী বাবু, ইনজামামুল হক রানা, শ্রী আনন্দ মন্ডল, পুরোহিত দিনু ঠাকুর, আশুতোষ মন্ডল,গোবিন্দ,প্রকাশ সরকার, বিষ্ণুসহ এলাকাবাসী।
    সদর থানার ওসি সামিনুল হক এলাকাবাসীর মতবিনিময়কালে বলেন, আপনাদের এলাকায় কোন প্রকার মাদকদ্রব্য ক্রয়- বিক্রয় ও সেবন করলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরকে ইনফরমেশন দেবেন আমরা তাদের ব্যাপারে আইনানক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও বলেন এলাকায় জুয়া, চুরি বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। এ সময় তিনি অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জরুরী সেবার নাম্বার ৯৯৯,নিজের ও সদর থানার ডিউটি অফিসারের মোবাইল নাম্বার প্রদান করেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এর এমন পদক্ষেপ দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন জানিয়েছে ।

  • দেবহাটার যুবলীগের সভাপতি মিন্নু জেল হাজতে

    দেবহাটার যুবলীগের সভাপতি মিন্নু জেল হাজতে

    স্টাফ রিপোর্টার: দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও দুর্ধর্ষ ক্যাডার মিজানুর রহমান মিন্নুর (৪৭) কে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত দীন আলী গাজীর ছেলে। জানা গেছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকে জামায়াত-বিএনপি নেতা কর্মী ও নিরীহ মানুষকে দমন নিপীড়নের লক্ষে ব্যাপক তান্ডব চালাতে থাকে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে দেবহাটার নাংলা গ্রামের জামায়াতকর্মী আনারুল ইসলামকে মৎস্যঘের থেকে তুলে নিয়ে কথিত বন্দুক যুদ্ধ দেখিয়ে বিচার বহির্ভূত হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট নিহতের ভাই একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলা সহ আরো দুটি মামলায় অভিযুক্ত করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। আরো জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মিন্নুরের নেতৃত্বে পারুলিয়া এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে ওঠে। এই বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে জমি দখল, মৎস্যঘের দখল, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দখল, ভাংচুর, লুটপাট, মানুষের উপর হামলা, চোরা ঘাট, মাদক পাচার সহ বিভিন্ন অপকর্ম চলে আসছিল। এমনকি নিরীহ মানুষ, সংবাদকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে চাঁদাবাজী, হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুথানে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা পালিয়ে গেলে মিন্নুরও আত্নগোপনে চলে যান। এদিকে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাসহ আরও দুইটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। পারুলিয়ার এক যুবক জানায়, ২০২৩ সালে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী মারা যাওয়ার পরের দিন ১৫ আগস্ট দুপুরে বাড়ি থেকে মিন্নুরের অফিসে ডেকে নিয়ে তাকে মিথ্যা নাশকতা মামলায় পুলিশের কাছে তুলে দেয়। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। তার মত অসংখ্য মানুষকে মিথ্যা ভাবে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে মিন্নুর। সাম্প্রতিক দেবহাটায় ৫ সংবাদ কর্মীকে জড়িয়ে একটি মিথ্যা মামলার ইন্ধন দেয় যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিন্নুর। তার এক সহযোগীকে দিয়ে এ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করলে তার তদন্ত করে সিআইডি পুলিশ। পরে তদন্ত কর্মকর্তাদের নানা ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে মিন্নুর সহ আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে মামলাটি মিথ্যা হওয়ায় আদালত তা খারিজ করেছেন বিজ্ঞ বিচারক। এদিকে গ্রেফতার মিন্নুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বাহিনীর কাছে থাকা অস্ত্র সহ বিভিন্ন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মানে করেন অনেকে। দেবহাটা থানার ওসি মো. হযরত আলী জানান, জামায়াত কর্মী আনারুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিন্নুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া তিনি ২০১৯ সালের আরও দুটি মামলায় অভিযুক্ত। বুধবার তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

  • ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    হুসাইন বিন আফতাব, শ্যামনগর উপজেলা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বিকেল ৩টায় শ্যামনগর মাইক্রোস্ট্যান্ডে আয়োজিত এ সমাবেশে পল্টন ট্র্যাজেডির শহীদদের স্মরণে তাদের ত্যাগ ও সংগ্রামের চেতনাকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বক্তারা।

    সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও জেলা কার্যকরী পরিষদের সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

    বক্তব্য রাখেন জেলা ইউনিট সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল, নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম বারী, মাওলানা মইনুদ্দীন মাহমুদ ও অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুর রহমান ও মাস্টার রেজাউল ইসলাম, মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা অহিদুজ্জামান, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা আ. মজিদ।

    এছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন অফিস সম্পাদক মাওলানা মহসিন আলম, যুব বিভাগের সভাপতি সাঈদী হাসান বুলবুল, সমাজকল্যাণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আমীররা। ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে পূর্ব শাখার সভাপতি রাশিদুল ইসলাম ও পশ্চিম শাখার সভাপতি আব্দুস সামাদ বক্তব্য রাখেন। শ্রমিকদের পক্ষে বক্তব্য দেন শ্রমিক সভাপতি মাস্টার আব্দুর রশিদ।

    সমাবেশে পৌর সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীরা শহীদি সংগীত পরিবেশন করে অনুষ্ঠানে ভাবগাম্ভীর্য যুক্ত করেন।

    বক্তারা বলেন, “পল্টন ট্র্যাজেডি আমাদের ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রাম থেমে থাকে না।” বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের আদর্শকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের মাঝে এই চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

    সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে শ্যামনগরের ১২টি ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে প্রায় ২০/৩০ হাজার জামায়াত, যুব ও শিবির নেতা কর্মী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোফাচ্ছেরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সুযোগ্য পুত্র আলহাজ্ব শামীম সাঈদী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের সভাপতি সাইদ হাসান বুলবুল ও মোঃ মহসিন আলমের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর শূরা সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি -জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক মোঃ ওমর ফারুক, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাঈনুদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী গোলাম মোস্তফা, উপজেলা জামায়াতে ইসলাম এর অন্যতম সদস্য সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক,ইটালী প্রবাসী আলহাজ্জ মোস্তফা আবু বকর, ইউনিয়ন আমীরগণ, মাওঃ আঃ মজিদ, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম,সহকারী অধ্যাপক আব্দুল জলিল, সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, ছাত্র শিবিরের তিন শাখা সভাপতি হাফেজ আমিনুর রহমান,রাশিদুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ,ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, যুব বিভাগের কে. এম আবু মুসা, মোঃ আশিকুর রহমান, মোঃ মমিনুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মোঃ রমিজুল ইসলাম, মুহিত মুন্না, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি মাছুম বিল্লাহ সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও যুব বিভাগের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন ভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমাদের সকলে মিলে এই স্বাধীনতা কে রক্ষা করতে হবে। এদেশে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকলেই আমরা বাংলাদেশী। সকল ভেদাভেদ ভুলে এ দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। আমাদের দ্বারা কোন মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সকলের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    অনুষ্ঠানে বিহঙ্গ, আলোর পরশ, প্রগতি শিল্পীদের সমন্বয় গঠিত সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীবৃন্দ বিশেষ সংগীত পরিবেশন করে আগত নেতাকর্মীদের মুগ্ধ করেন।

  • শ্যামনগরে ছাত্র সমন্বয়কের উপর যুবদল কর্মীর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ

    শ্যামনগরে ছাত্র সমন্বয়কের উপর যুবদল কর্মীর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে শরিফুল ইসলাম (২৪)নামে স্থানীয় এক ছাত্র সমন্বয়কের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শ্যামনগর সদর যুবদলের সক্রিয় কর্মী হাফিজুল ইসালামের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে নকিপুর বাজারে ঘটনাটি ঘটে। এসময় শরিফুলকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তার ভাই ফরিদ হোসেন ও ভাইপো নাজমুল হামলাকারীদের হাতে মারধরের শিকার হয়। আহত তিনজনেক রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
    খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় শ্যামনগর থানা পুলিশ কামাল হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শ্যামনগর উপজেলা ছাত্র সমন্বয় কমিটির সদস্য শরিফুল চন্ডিপুর গ্রামের ওয়েজকুরুনী গাজীর ছেলে। কালিগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সে।
    শরিফুল ইসলাম জানান তার পিতা নিজের মালিকানাধীন দোকানের ভাড়াটিয়া যুবলীগ কর্মী কামাল হোসেনের কাছে বকেয়া বিদ্যুতের বিল চাইতে যায়। এসময় বিল না দিয়ে বরং অপমান করে তার পিতাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছানো মাত্র কামালের ভাড়াটে লাঠিয়াল হিসেবে আগে থেকে সেখানে অবস্থানরতরা ক্রিকেটের স্ট্যাম্প ও লোহার রড নিয়ে তার উপর চড়াও হয়। যুবদলকর্মী হাফিজুল ছাড়াও কামাল, জাকির, সাইফুল, আব্দুল্লাহ ও হাফিজুরসহ ১২/১৪ জন তাকে পিটিয়ে রক্তাত্ত্ব করে।
    এবিষয়ে জানতে হাফিজুলের সাথে যোগযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুটোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কামাল হোসেন জানান দু’জনের হাতাহাতির সময় হাফিজুল কেন সংঘর্ষে জড়িয়েছিল বিষয়টি তার জানা নেই।
    শ্যামনগর থানার ওসি (তদন্ত) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, ছাত্র সমন্বয়কের উপর হামলার ঘটনায় তার পিতা পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত সাত/আট জনের বিরুদ্ধে মামলা (যার নং-১২)করেছে। ইতোমধ্যে অন্যতম আসামী কামালকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

  • শ্যামনগর জলবায়ু পরিবর্তনের যুবকদের নিয়ে সংলাপ

    শ্যামনগর জলবায়ু পরিবর্তনের যুবকদের নিয়ে সংলাপ

    সাতক্ষীরা শ্যামনগর জলবায়ু পরিবর্তনের যুবকদের নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ আগস্ট সকাল ১১টার সময় শ্যামনগর সংস্থার প্রকল্প অফিস ১৮-৩৫ বছর বয়সী ২০জন যুব ও নারীরের নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন মৃত্তিকা সমাজ উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম অফিসার আম্বিয়া খাতুন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মরিউম খাতুন, আসমা পারভীন, দীপ্ত রানী, শামসুন্নাহার পারভীন, পলি রানী, বলরাম মন্ডল, পরমিতা রানী ফাহমিদা সুরতানা, মনিরা আক্তার, অরপিতা রানী, আসমা খাতুন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মৃত্তিকা ইয়ুথ বলরাম মন্ডল। প্রেসবিজ্ঞপ্তি