Category: সাতক্ষীরা সদর

  • কাঁচা আমে চাঙ্গা সাতক্ষীরার বাজার

    কাঁচা আমে চাঙ্গা সাতক্ষীরার বাজার

    আবু সাইদ বিশ্বাস: কাঁচায় দাম বেশি পাকলে কম। তাই বেশি দাম পাওয়ার আশায় সাতক্ষীরার বাজারে এখন হরদম বিক্রি হচ্ছে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন কাঁচা আম। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন শত মণ কাঁচা আম যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব আম পাকলে দাম পাওয়া যায় না। তবে কাঁচা আমের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। কাঁচা আম দিয়ে মূলত বিভিন্ন কোম্পানি আচার, জেলি ও জুস তৈরি হয়। তবে গত বছরের থেকে তুলনামূলক এ বছর বাজারে আম কম আসছে। কারণ হিসেবে চাষিরা বলছেন, এ বছর গাছে আম কম হয়েছে। পুষ্টি বিশেজ্ঞরা বলছেন, কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ থাকে। বিশেষ করে, ওজন কমাতে, বমি ভাব দূর করতে, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, চুল ও ত্বক উজ্জ্বল করতে। এছাড়া ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও একাধিক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যা শ্বেত রক্তকণিকার কার‌্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এদিকে তীব্র দাবদাহে গোটা জেলার মানুষ যেমন বিপর্যস্ত তেমনি ঝড় বৃষ্টি ও প্রচন্ড গরমে আম ঝরে পড়ার পারিমান বাড়ছে। আম চাষিরা বলছেন, কালবৈশাখীসহ উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের শঙ্কা বেশী। তারা যেন লোকসানের মুখে না পড়ে তাই কাঁচা আম বিক্রি করে কিছুটা পুশিয়ে নিচ্ছে। এবারও সাতক্ষীরার আম দেশের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানি করা যাবে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, মাটি, বাতাস ও আবহাওয়া ভালো হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে জেলায় হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রোপালি, মল্লিকা, গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই ও গোপালখাসসহ অন্যান্য জাতের প্রচুর আম উৎপাদন হয়। এবার বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম উৎপাদন এবং রপ্তানির জন্য চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে এ কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “সবকিছু ঠিক থাকলে এবার ইতালি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মানি ও ইংল্যান্ডের শপগুলোতে যাবে সাতক্ষীরার আম।” গতকাল সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড় বাজারে সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা আম কিনছেন। যে আমগুলি কাঁচায় টক, পাকলেও টক, সে আমগুলি বাজারজাত করছেন আম চাষিরা। যেকারণে দামও পাচ্ছেন বেশি। সুলতানপুর বড় বাজারে কাঁচা টক আম মণপ্রতি ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আগাম আম ভাঙ্গা ও বাজারজাত করা বিষয়ে সাতক্ষীরার আম চাষি আব্দুল হাকিম গাজী, লিয়াকত হোসেন জানান, যে আম কাঁচায় টক এবং পাকলেও টক, সেই আমগুলি আমরা পাড়তে শুরু করেছি, এই আম বিক্রি করে আমরা অনেক লাভবান হচ্ছি। সাতক্ষীরা শহরের বড় বাজারের কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁ জানান, এখন বাজারে আসছে কাঁচা টক আম। এই আম পাকা খাওয়া যায় না, টক লাগে। কাঁচা আম ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, চলতি বছর সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। জেলায় সাড়ে ৫ হাজার টি আমবাগান ও ১৩ হাজার আমচাষি রয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আম চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কাঁচা আমের গুণ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদেরা বলেন, ১০০ গ্রাম কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকে ৪৪ ক্যালরি। এ ছাড়া ৫৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ও ২৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে কাঁচা আম খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

  • সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা

    সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা

    স্টাফ রিপোর্টার: সংক্রমণ রোধে সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা দেবে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ দিনব্যাপী চলবে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন। টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু পাবে এ টিকা। জেলার প্রাক-প্রাথমিক ও এর সমমান শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের এবং কমিউনিটি ক্লিনিকে এমআর টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে শিশুদের। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এমআর (হাম-রুবেলা) ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর জেলা সমন্বয় সভায় সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, জেলার ৭টি উপজেলায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৫২ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে। প্রথম আট দিন কমিউনিটি পর্যায় এবং শেষে তিন দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই টিকা দেয়া হবে। ১১ দিনের এ ক্যাম্পেইনে যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে, সেজন্য সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি মাইকিং ও ওয়ার্ডভিত্তিক প্রচারণা চালানো হবে। সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল (বিপিএম)। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রওশনারা জামান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ডা: ফরহাদ জামিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা: রাশেদ উদ্দিন মৃধা, জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট শেখ আবদুল বাকি প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সকল অভিভাবকদেরকে তাদের শিশুকে ইপিআই অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়। আগামী ২০ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর কেন্দ্রে এ টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

  • ১৭ কেন্দ্রে একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা, প্রস্তুত সাতক্ষীরা

    ১৭ কেন্দ্রে একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা, প্রস্তুত সাতক্ষীরা

    সাতক্ষীরা জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হচ্ছে আজ। জেলার সাতটি উপজেলায় মোট ৮ হাজার ৫০২ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি কেন্দ্র। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বালক ৩ হাজার ৩০৫ জন এবং বালিকা ৩ হাজার ৪৮৭ জন। উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে সদর উপজেলায়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ৪৭৫ জন পরীক্ষার্থী দেবহাটায়। আশাশুনি, কলারোয়া, কালিগঞ্জ, তালা ও শ্যামনগর উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এসব উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন্দ্র স্থাপন করে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।

    জেলার ১৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ যেকোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

    নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনে বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি ভালো পরীক্ষা উপহার দিতে পারব। বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আমাদের শিশুরাই লাভবান হবে।” তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার বৃত্তির সংখ্যা ও বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ জোগাবে। এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

    আব্দুর রহমান: সাতক্ষীরা জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান পালিত হয়। সকালে শিক্ষার্থীরা রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের র‌্যালিতে অংশ নেয়। এছাড়া সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। বিদ্যালয়ে বৈশাখী আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা গান, নাচ ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরে। বিদ্যালয়সমূহে চিত্রাংকন, রচনা প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আনন্দ আর প্রাণচাঞ্চল্য। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এসব অনুষ্ঠান আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। বিকেলে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের ঘুড়ি উৎসবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা অংশগ্রহণ করে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে সাহায্য করে।

  • কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ডিজেল জব্দ, জরিমানা

    কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ডিজেল জব্দ, জরিমানা

    কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী। এ ঘটনায় তাকে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইশতিয়াক আহমেদ অপু। অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ লিটার ডিজেল অবৈধভাবে মজুদ করার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত জ্বালানি তেল থানায় জমা দেওয়া হয়। অভিযানকালে সাতক্ষীরা সেনা ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়ল দাবি করেন, চিংড়ি ঘেরে পানি উত্তোলনের সেচ মেশিন ও ভেকু গাড়ি পরিচালনার জন্য তিনি এসব ডিজেল সংরক্ষণ করেছিলেন। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ অপু বলেন, অনুমোদিত সীমার বাইরে জ্বালানি তেল মজুদ রাখার কারণে তাকে জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে।

  • দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান

    দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান

    স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যার দুর্ভোগ কাটিয়ে নতুন আশার আলো দেখছে সাতক্ষীরার বেতনা নদী তীরবর্তী এলাকা। একসময় বছরের অধিকাংশ সময় পানির নিচে থাকা ফসলি জমিতে এখন দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান। এতে কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি, বুকভরা আশা নিয়ে তারা অপেক্ষা করছেন ঘরে ধান তোলার। সদর উপজেলার ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর ও ফিংড়ী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা গত ৬ থেকে ৭ বছর ধরে জলাবদ্ধতায় ভুগছিল। ফলে আমন চাষ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের উদ্যোগে বদলে গেছে সেই চিত্র। এক ফসলি জমিতেই এবার বাম্পার ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর। তবে তা ছাড়িয়ে ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার ৪৪২ মেট্রিক টন চাল। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলাতেই ২৩ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জিত হয়েছে ২৩ হাজার ৩১০ হেক্টর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন চাল। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো চাষাবাদ এবং নিয়মিত পরিচর্যার কারণে এবার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা। এ বছর ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-৮৮, ব্রি-৮১, ব্রি-১০১, ব্রি-১০২, ৫০ শুভলতা, এসএল-৮এইচ শক্তি-২, শক্তি-৩, ইস্পাহানী-৯ ও আলোড়ন রেড মিনিকেটসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু জাতের ধান চাষ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পানিতে ডুবে থাকার ফলে জমির আগাছা পচে জৈব সারে পরিণত হয়েছে, যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। এতে ধানের ফলন আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মাছখোলা গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, “এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গতবারের তুলনায় ফলন ভালো হবে।” দামারপোতা গ্রামের কৃষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, “এভাবে আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলন নিশ্চিত।” ধুলিহর এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বাবু জানান, “ঘেরের জমিতে মাছ চাষের পর ধান আবাদ করে এবার দ্বিগুণ লাভের আশা করছি।” সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “ধান ভালো হয়েছে, তবে ঘরে না তোলা পর্যন্ত শঙ্কা থেকেই যায়।” তবে আশার মাঝেও রয়েছে কিছু শঙ্কা। বিশেষ করে ডিজেল সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ কৃষকদের। স্থানীয় কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, “ডিজেল না পেলে সেচ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, এতে ফসল ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, “পরিমিত সার প্রয়োগ, নিয়মিত পরিচর্যা ও সময়মতো পরামর্শ দেওয়ার ফলে রোগবালাই কম হয়েছে। আমরা আশা করছি, এবার বাম্পার ফলন হবে।” সবকিছু অনুকূলে থাকলে বেতনা নদী তীরবর্তী এই অঞ্চলে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের রেকর্ড ফলন হতে পারে, যা বদলে দিতে পারে হাজারো কৃষকের জীবন-জীবিকা।

  • সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। রবিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩ টায় সাতক্ষীরা শহরের আমতলা গণমুখী মাঠে প্রথমে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরে বিক্ষোভ মিছিল করে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত। সমাবেশ থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জনগণের রায় মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। পরে হাজারো নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক- নারকেলতলা মোড়, আসিফ চত্বর, কোর্ট মোড়, নিউমার্কেট মোড় ও পাঁকাপোল অতিক্রম করে নাজমুল স্মরণী হয়ে পুনরায় আমতলা মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। এই গণরায় নিয়ে কোনো ধরনের তালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা আশা করেছিলাম সরকার জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেবে, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে একদলীয় শাসনের দিকে এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের সঙ্গে বেইমানি করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। এই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, নির্বাচনের দুই মাস পার না হতেই সরকার জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে। যে আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেই জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে তারা ভুলে যাচ্ছে। ৭১ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করা মানে জনগণের সঙ্গে বেইমানি করা। সমাবেশে বক্তারা ব্রিটিশ আমলের ‘পচা আইন’ বাতিল করে জুলাই আন্দোলনের চেতনার আলোকে নতুন আইন প্রণয়ন ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, ডা. মাহমুদুল হক, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, এনসিপি নেতা কামরুজ্জামান বুলু, এবি পার্টির জেলা সদস্য সচিব সালাউদ্দিন শাকিল, শহর জামায়াতের আমির মো. জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান, জাতীয় ছাত্র শক্তি’র হাসিবুল রহমান রুম্মানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেন, জনগণের ভোটাধিকার ও জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • জ্বালানি তেল সরবরাহে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার

    জ্বালানি তেল সরবরাহে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় জেলা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। সভায় জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের মার্চ মাসে জেলায় প্রায় দেড় গুণ বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ হয়েছে। সভায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার, অবৈধ মজুদদারির বিরুদ্ধে অভিযান বৃদ্ধি, যানজট নিরসনে বাস থামার নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিতকরণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে অভিযান বৃদ্ধি এবং সরকারি খাস জমি উদ্ধারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাঃ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস.এম. রাজু আহমেদ, জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝুটিতলা বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

    ঝুটিতলা বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

    দেলোয়ার হোসেন: ঝুটিতলা বাজার কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৬০ জন ভোটারের সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতভাগ উপস্থিতির একটি বিরল দৃষ্টান্ত। নির্বাচনের ফলাফলে সভাপতি পদে মোঃ শওকত হোসেন (হরিণ প্রতীক) ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ সিরাজুল ইসলাম (মোরগ প্রতীক) পান ২৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ আলী মোত্তজা খোকন (ফুটবল প্রতীক) ৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ আজিজুর রহমান শিমুল (গোলাপ ফুল প্রতীক) পান ২৫ ভোট। এ পদে একটি ভোট বাতিল হয়। কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ আমিরুল ইসলাম (আনারস প্রতীক) ৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ হাফিজুল ইসলাম পান ২৫ ভোট। এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ শহীদ হাসান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাজার কমিটির উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল হাকিম সানা, মফিজুল ইসলাম খোকন ও ওয়াজেদ আলী। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বাজারের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আধুনিকায়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটাররাও নতুন কমিটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন।

  • ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’র যাত্রা শুরু

    ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’র যাত্রা শুরু

    জাহিদুল হাসান: “আমরাই গড়বো মানবিক সমাজ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক সভায় তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত এ অলাভজনক সংগঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা জানান, বর্তমান সমাজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই প্রেক্ষাপটে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনতেই এ সংগঠন গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন, মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের ভাষ্য, “যুব সমাজের হাতেই একটি মানবিক ও সুন্দর সমাজ গড়ার চাবিকাঠি রয়েছে। আমরা কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী এবং বাস্তব পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” যদিও ২০২৬ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। স্থানীয় প্রশাসন ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেলে এটি একটি মডেল সংগঠনে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং একটি মানবিক সমাজ গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।