Category: সাতক্ষীরা সদর

  • শিখন ঘাটতি পূরণে খুলল প্রাথমিক বিদ্যালয়

    শিখন ঘাটতি পূরণে খুলল প্রাথমিক বিদ্যালয়

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর শনিবার দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে পড়াশোনা শুরু করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরের বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা ও সিলেবাস শেষ করতে আগামী আরও ৯টি শনিবারেও নিয়মিত পাঠদান অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকাল থেকেই সাতক্ষীরা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আজকের উপস্থিতি ৮৫ শতাংশের ওপরে। তবে শ্যামনগর উপজেলায় বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে ক্লাস পরিচালনায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজ নিশ্চিত করেছেন, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিচ্ছে। প্রথম দিন কিছুটা কম শিক্ষার্থী আসলেও আমরা শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্লাসে অংশগ্রহণ করিয়েছি। দক্ষিণ ফিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকিয়া সুলতানা জানান, অভিভাবকরা শনিবারের এই বাড়তি শ্রেণি কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তবে গরমের কারণে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিন বলেন, “কোনো শিক্ষার্থীর গুরুতর অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অনেকের বাড়িতে ছোট ভাইবোনরা সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।” উল্লেখ্য, প্রাথমিক স্তরে শনিবারের ক্লাস চালু হলেও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে ক্লাস শুরু হওয়ায় ঝিমিয়ে পড়া শিক্ষাকার্যক্রম পুনরায় গতিশীল হবে।

  • শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতি বাড়াতে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে মিড-ডে মিল

    শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতি বাড়াতে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে মিড-ডে মিল

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ চালু রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজের উদ্যোগে পারিবারিক অর্থায়নে ভর্তি ও উপস্থিতিতি বাড়াতে নিয়মিতভাবে মিড-ডে মিল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মিড-ডে মিলের মেনু ছিল সিদ্ধ ডিম ও বন রুটি। এছাড়াও সবজি খিচুড়ি, খিচুড়ি ডিম, মাংস, কলা, পাউরুটি ও সিদ্ধ ডিম দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা বানু, শামসুন্নাহার, ছাবিরা আক্তার, জামিলা খাতুন, হাফিজা খাতুন এবং দপ্তরী কাম প্রহরী আলামিন ইসলাম। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মিড-ডে মিল চালু হওয়ার আগে গড় উপস্থিতি ছিল ৬০-৬৫ শতাংশ, এখন তা বেড়ে ৯০ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে ঝরে পড়ার হারও কমেছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ১৬০ জন শিশু পড়াশোনা করছে। তাদের মধ্যে অনেকের পরিবার আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান নয়। আগে অনেক শিশু নিয়মিত স্কুলে আসত না। প্রধান শিক্ষকের এই উদ্যোগে এখন শিশুরা পুষ্টিকর খাবারের জন্যও নিয়মিত স্কুলে আসে, পড়াশোনায় মনোযোগও বেড়েছে। প্রধান শিক্ষকের বড় ভাই ডা. মেহেদী নেওয়াজ, অর্থোপেডিক সার্জন এবং প্রাক্তন উপাধাক্ষ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মরত, বর্তমানে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বে আছেন। তিনি মিড-ডে মিল কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন। এছাড়া উনার ছোট বোন নাহ রুমা শাহতাজ ও এ বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন। বিদ্যালয়ের অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন অভিভাবক বলেন, “আগে বাচ্চারা স্কুলে যেতে চাইতো না, এখন খাবারের জন্য হলেও নিয়মিত যায়। পড়াশোনাতেও আগ্রহ বাড়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা জানান, মিড-ডে মিল কার্যক্রম শুধু পুষ্টি নয়, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও অংশগ্রহণও বাড়াচ্ছে। প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টি দেওয়া নয়। আমরা চাই, তারা নিয়মিত স্কুলে আসুক, পড়াশোনায় আগ্রহী হোক এবং স্বাস্থ্যবান হোক। এই ছোট্ট উদ্যোগ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে। ভবিষ্যতে আরও পুষ্টিকর এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।” দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছিলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, পরবর্তী পর্যায়ে তা দেশের সব সরকারি স্কুলে বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করছে না, বরং পড়াশোনার মানও উন্নত করছে এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিতি বাড়াচ্ছে।

  • সাতক্ষীরায় সামাজিক সংহতি জোরদারে প্রচারাভিযান

    সাতক্ষীরায় সামাজিক সংহতি জোরদারে প্রচারাভিযান

    শাহ জাহান আলী মিটন: সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতা ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় চালতেতলা মিশন (ক্যাথলিক চার্চ) হলরুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো, একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায়। সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমান, পুরোহিত তৃপ্তি রঞ্জন চক্রবর্তী, ফাদার ডমিনিক সরকার, পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম, সাবেক কাউন্সিলর শফিকউদ-দৌলা সাগর ও ফরিদা আক্তার বিউটিসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, আন্তঃসম্প্রদায় ও আন্তঃপ্রজন্ম সমন্বয় সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ধর্মীয় নেতা ও তরুণদের যৌথ উদ্যোগে সমাজে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব। আলোচনায় সামাজিক সম্প্রীতি নষ্টের কারণ চিহ্নিত করা, সমাধান নির্ধারণ এবং ধর্মীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তরুণদের সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং স্থানীয় শান্তি-সম্প্রীতি কমিটিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব হোসেন।

  • সাতক্ষীরায় জামায়াতের অগ্রসর কর্মী শিক্ষা শিবির

    সাতক্ষীরায় জামায়াতের অগ্রসর কর্মী শিক্ষা শিবির

    আশরাফুজ্জামান: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় অগ্রসর কর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলা জামায়াত অফিস মিলনায়তনে এ শিবির হয়। উপজেলা আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ড. রুহুল আমিন ও মাওলানা শাহাদাত হোসাইন। এছাড়া উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজাদুর ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান, মুহাদ্দিস আলাউদ্দিন আল আজাদ ও শহিদ হাসানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা কর্মীদের ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও ত্যাগের মনোভাব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শেষে দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

  • খড়িবিলায় কেপিএল নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

    খড়িবিলায় কেপিএল নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার খড়িবিলায় শুরু হয়েছে ‘খড়িবিলা প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল) নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ফ্লাডলাইটের আলোয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। খেলা দেখতে মাঠে ভিড় করেন শত শত দর্শক। উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বকুল, ওয়ার্ড আমির হাফেজ মাও. নুরুল হক ও সেক্রেটারি মাও. আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা। শর্ট পিস ফরম্যাটের এ টুর্নামেন্টে ব্যতিক্রমী নিয়ম রাখা হয়েছে। কোনো ব্যাটসম্যান ছক্কা মারলে আউট হিসেবে গণ্য হবেন, তবে চার মারলে রান যোগ হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে টিম আমিনুর টিম রাদিতকে হারিয়ে জয় পায়। বক্তারা বলেন, খেলাধুলা তরুণদের শৃঙ্খলা ও দলগত চেতনা গড়ে তোলে। মাদক ও অনলাইন গেমের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্থানীয়রা এ আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে তরুণরা ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে এবং এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

  • বক্তব্য ভাইরাল: সাতক্ষীরার সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয়: মন্ত্রীকে আব্দুর রউফ

    বক্তব্য ভাইরাল: সাতক্ষীরার সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয়: মন্ত্রীকে আব্দুর রউফ

    স্টাফ রিপোটার: সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে বিপুল ভোটে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী আলহাজ¦ আব্দুর রউফের একটি বক্তব্য আবারও ভাইরাল হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সাথে সাতক্ষীরা বিএনপির নেতাদের মতবিনিময় সভায় আব্দুর রউফকে বলতে শোনা যায়, সাতক্ষীরায় বিএনপির পরাজিত ৪ এমপির পক্ষে প্রতিমন্ত্রীর কাছে দাবি, সরকারি সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয় নইলে দল টিকিয়ে রাখা যাবে না। ১ মার্চ বিকেলে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক, রহমতউল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদীসহ জেলার সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির পরাজিত প্রার্থী আলহাজ¦ আব্দুর রউফের এমন মন্তব্যে পর সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্টরা ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন। সরদার রহমান লেখেন, “ভালো প্রস্তাব। না হলে নেতা কর্মীরা খাবে কি? গচ তো চাঁদাবাজি করতে দিবে না। প্রকল্প গুলা তাদের হাতে দিলে কাজ হোক বা না হোক পকেট তো ভারি হবে।” ডালিম হোসেন লেখেন, “এদের নূন্যতম লজ্জা নেই, দেড় লাখ ভোটে পরাজিত, আবার ওদের দিয়ে কাজ করাতে হবে। আবার কখন নাক মুখ বাষ্ট করে দেবে।”মুস্তাফিজুর রহমান লেখেন,“ তাহলে নির্বাচন দেয়ার দরকার কি তোমরাই ক্ষমতা নিয়ে নিতে,অপেক্ষা করো সময় হয়ে আসছে।” আব্দুল্লাহ লেখেন, “তাহলে এক কাজ করা হোক যেখানে জামাতের এমপি জিতেছে সেখানে বিএনপির পরাজিত প্রার্থীর হাতে কাজ দেওয়া হোক এবং যেখানে বিএনপি জিতেছে সেখানে পরাজিত জামাতের প্রার্থীর হাতে কাজ দেওয়া হোক।”রাসেল লেখেন, “নির্বাচনে অনেক খরচ হয়েছে ফেল তো করেছি, খরচ তো উঠাইতে হবে উন্নয়ন বাজেট চাই।” মনির লেখেন, “চুরি আর দুর্নীতি করার ধান্দা।”সোহেল লেখেন,“এনসিপি এবং জামাত যে আসনে জয় পেয়েছে সে সব আসনে দুর্নীতি হবার সম্ভাবনা নাই।”

  • সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল সংকটে হুমকির মুখে প্রাণিসেবা কার্যক্রম

    সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল সংকটে হুমকির মুখে প্রাণিসেবা কার্যক্রম

    মুহা: জিললুর রহমান: সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে প্রাণিসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে এবং জরুরি পশু চিকিৎসা সেবা সময়মতো পৌঁছে দিতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খামারিরা। জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত পল্লী প্রাণী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় দূরবর্তী গ্রামাঞ্চলে গিয়ে কৃত্রিম প্রজননসহ নিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে গবাদিপশুর উৎপাদনশীলতা ও প্রজনন ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে নেতিবাচক প্রভাব। এদিকে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অসুস্থ গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় খামারিরা। জরুরি চিকিৎসার জন্য ডাক পেলেও যানবাহনে জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে, এতে রোগাক্রান্ত পশুর অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়ছে। খামারিদের অভিযোগ, নিয়মিত কৃত্রিম প্রজনন ও চিকিৎসা সেবা ব্যহত হওয়ায় দুধ, মাংসসহ প্রাণিসম্পদভিত্তিক উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। প্রাণী চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট দ্রুত সমাধান না হলে জেলার সামগ্রিক প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে ভ্যাকসিন প্রদান ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও ব্যহত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত প্রাণী চিকিৎসকদের জন্য জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে জরুরি চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজননসহ সব সেবা স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা সম্ভব হয়।

  • সাতক্ষীরায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে গ্রাহক

    সাতক্ষীরায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে গ্রাহক

    স্টাফ রিপোর্টার: ভোক্তাপর্যায়ে দাম নির্ধারণের একদিন আগে থেকেই সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি শুরু হয়েছে ১২ কেজি ওজনের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার। হঠাৎ করে এক লাফে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অতিরিক্ত বাড়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জানা যায়, এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকা থেকে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) যা এদিন সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এর আগে মার্চ মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়। এদিকে বিইআরসি কর্তৃক এপ্রিল মাসে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করার আগেই বুধবার (১এপ্রিল) বিকাল থেকে সাতক্ষীরা শহরের প্রায় সবগুলো ডিলার পয়েন্টে দাম বৃদ্ধির ঘোষনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ি ৩১ মার্চে বিক্রি হওয়া ১৪৫০ টাকার সিলিন্ডার বুধবার বিকাল থেকে বিক্রি হয় সাড়ে ১৮ শ’ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিকালে নতুন মূল্য নির্ধারণের পর তা বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়। তবে ডিলারদের দাবি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কোম্পানি দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় তাদেরকেও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করতে হচ্ছে। জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নুর খান বাবুল জানান, বিইআরসি সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া সত্ত্বেও সাতক্ষীরার বাজারে বরাবরই নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। কিন্তু গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ কিছুটা সংকট চলছে। এই অজুহাতে প্রতি সিলিন্ডারে ২৭২ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। কোন কারণ ছাড়া হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। তিনি বাজারে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান। সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর একটি ডিলার পয়েন্টে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা সদর উপজেলার লবসা গ্রামের এক গৃহিণী আসমা আক্তার বলেন, প্রতি মাসে গ্যাস কিনতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা ৩০০ টাকা বেশি দরে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায়। আরেক ভোক্তা সিরাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দাম বাড়ানোর আগেই ডিলাররা মিলে সিন্ডিকেট করে প্রতিটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা প্রায় ৩০০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তারা ভোক্তাদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছে। শহরের মুনজিতপুর এলাকার গৃহবধূ শারিমন একরাম বলেন, আজ সকালেও ১৯০০ টাকা দিয়ে একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছি। গত মাসে ১৪৫০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। সরকার নির্ধারিত দামে কোনোদিন সিলিন্ডার কিনতে পারি না। সব সময় আড়াই’শ থেকে ৩শ’ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়। তাহলে সরকারিভাবে দাম নির্ধারণের দরকার কী! যুমনা কোম্পানির ডিলার মো. রাশেদুজ্জামান জানান, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এরই মধ্যে দুই দফায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। বুধবার কোম্পানি থেকে প্রতিটি সিলিন্ডার ১৭৮৫ টাকা দুরে কিনতে হবে বলে আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক টাকা পাঠিয়ে আমাদেরকে সিলিন্ডার বুকিং দিতে হচ্ছে। এর সাথে আছে পরিবহন ও লেবারসহ অন্যান্য খরচ। কাজেই বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার ২০ থেকে ৩০ টাকা লাভে ১৯০০ টাকা দরে বিক্রি করা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। তবে খুচরা এই দাম আরো বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি। তবে এ বিষয়ে একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, তারা ডিলারদের কাছ থেকেই বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। ফলে বাধ্য হয়েই তাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি সমন্বয়হীনতা ও নজরদারি ঘাটতির ফল। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ডিলার গ্যাস মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বলেন, বাজারে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাস্তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

  • মধ্য মাছখোলায় শামালী সরদারের জানাজা সম্পন্ন

    মধ্য মাছখোলায় শামালী সরদারের জানাজা সম্পন্ন

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার মধ্য মাছখোলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শামালী সরদার (৬৮) আর নেই। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের জানাজা নামাজ একই দিন আসর নামাজের পর মধ্য মাছখোলা জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে জানাজা অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি মরহুমের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, “শামালী সরদার একজন সৎ, পরোপকারী ও সমাজসেবামূলক কাজে নিবেদিত মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যু এলাকায় অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।” এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক সহিদুর রহমান, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম এবং মরহুমের ছোট ভাই মোঃ রুহুল কুদ্দুছ। বক্তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা রওশন আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা শাহিনুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামীম রেজা, অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লী। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ সাইফুল ইসলাম। নামাজ শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম

    ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মেসার্স প্লাটিনাম ইউরেকা ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনে আজ ৩০০০ লিটার পেট্রোল সরবরাহ করা হয়েছে। সরবরাহ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও সারিবদ্ধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ট্যাগ অফিসারকে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে দেখা যায়। এছাড়াও, সরবরাহকৃত জ্বালানি তেল জনসাধারণকে সঠিক ওজনে প্রদান করা হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা হয়েছে।