স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে শহরের আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জেলা আকরাম পরিষদের সদস্য ও সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, কেবল আল্লাহর গোলামি করার মাধ্যমেই প্রকৃত ঈদের স্বার্থকতা অর্জিত হয়। তিনি বলেন, “ঈদ শুধু নতুন পোশাক বা বাহ্যিক আনন্দের জন্য নয়; বরং মানুষের অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করে কুরআন-সুন্নাহর সৌন্দর্য সমাজে প্রতিষ্ঠার জন্যই ঈদের আগমন।” তিনি আরও বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর বিধান উপেক্ষা করে মানবসৃষ্ট আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হলে প্রকৃত ঈদের আনন্দ প্রতিষ্ঠিত হয় না। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি। তিনি বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য উপলক্ষ। এ ধরনের পুনর্মিলনী সামাজিক ঐক্য ও সহমর্মিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা আমির অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, প্রভাষক ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গনি প্রমুখ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শহীদ হাসান, মানিকগঞ্জ পৌর আমির হুমায়ুন কবীর, উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজাদুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সবুর, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির মাধ্যমে শেষ হয়।
Author: news_admin
-

সাতক্ষীরায় রাতের আঁধারে গোপনে বিক্রি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
মুহা: জিললুর রহমান: সাতক্ষীরা জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গত দুইদিন ধরে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প থেকে তেল না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, কিছু অসাধু পাম্প মালিক ও কর্মচারীরা রাতের আঁধারে গোপনে অতিরিক্ত দামে তেল বাইরে বিক্রি করছেন। কিন্তু পাম্প মালিদের অভিযোগ সাতক্ষীরাতে চাহিদা অনুযায়ি অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল ডিপো থেকে সরবরহ না থাকায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে পাম্পে তেল নিতে আসা গাড়ীর মালিকদের অভিযোগ ড্রামে ভরে ভ্যানে করে এসব তেল পাচার করা হচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু বাইকে ট্রাংকি ফুল করে স্বজনপ্রীতি করার দৃশ্য দেখা গেছে। ফলে জ্বালানি তেলের সংকট ও অবৈধ বিক্রির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, জেলার কোন পাম্পে তেল পাওয়া না গেলেও বাইরের দোকানে অনেক সময় তেল পাওয়া যাচ্ছে। এসব তেল গোপানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে প্রতি লিটার পেট্রোল ২০০ এবং অকটেন ২২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সাধারণ ক্রেতারা পাম্পে তেল না পেয়ে অনেকে চড়া দাম দিয়ে বাইরের দোকান থেকে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে অল্প সংখ্যাক গ্রাহকদেরেকে সামান্য তেল দিয়ে বাকিটা মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, যাতে পরে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা যায়। পরে গভীর রাতে ওই তেল ড্রামে ভরে ভ্যান করে পাচার করা হচ্ছে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশি দামে কিনছেন খুচরা দোকানীরা। পরে ওই তেল এক লিটারের বোতলে ভরে প্রায় দ্বিগুন দামে বিক্রি করা হচ্ছে গ্রাহকদের কাছে। যা সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের এবি খান প্রেট্রোল পাম্প ও সংগ্রাম ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি পাম্পে গিয়ে দেখা গেছে তেল বিক্রির মেশিনের গায়ে সাদা কাগজে লেখা তেল নেই। দূরদূরান্ত থেকে মটর সাইকেলে তেল নেওয়ার জন্য গ্রাহকরা এসে ফিরে যাচ্ছে। এসব ফিলিং স্টেশনে কর্মরত কর্মচারীরা কখন থেকে তেল দিবে তাও বলতে পারছেন না। একই অবস্থা শহরের প্রায় সব পাম্পেই।
আশাশুনি উপজেলার বুড়িয়া গ্রামের আব্দুল্লাহ জানান, সকালে শহরের এসেছিলাম মটর সাইকেলে তেল নেওয়ার জন্য। এসে দেখি পাম্পে কোন তেল নেই। শহর থেবে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আমার বাড়ি। মটর সাইকেলে যে তেল আছে তাতে আমি বাড়ি পর্যন্ত পৌছাতে পারবো না। এখন মটর সাইকেল শহরে রেখে যাওয়া ছাড়া কোন গতি নেই।
এবি খান প্রেট্রোল পাম্প তেল নিতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক জানান, দুই/তিনদিন ধরে পাম্পে আসছি তেল নিতে। কিন্ত কোন তেলা পাই না। বাধ্য হয়ে গতকাল (রোববার) শহরের কুখরালী এলাকার একটি মুদি দোকান থেকে ২০০ টাকা দিয়ে এক লিটার তেল কিনেছিলাম, যা প্রায় শেষের পথে। আজ তেল না পেলে মটর সাইকলে ঘরে উঠিয়ে রাখতে হবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শহরের কোন পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু শহরে ও এর আাশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় মুদি দোকানে গোপনে চড়া দামে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে। পাম্প বন্ধ থাকায় গাড়িতে তেল ভরতে অনেকেই চড়া দামে বাইরে থেকে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তিনি কালো বাজারে জ্বালানী তেল বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানান।
আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মো. হুসাইন আলী জানান, ঈদের আগে তিনি একটি জিক্সার মটর সাইকেল কিনেছেন। কিন্তু তেলের অভাবে নতুন মটরসাইকেল চালাতে পারছে না। বাড়ি থেকে সাতক্ষীরায় আসার পথে স্থানীয় বুধহাটা বাজারে এসে গাড়ির তেল ফুরিয়ে যায়। ফলে সেখানেই মটর সাইকেল রেখে তিনি তেল নেওয়ার জন্য পট নিয়ে শহরে চলে আসেন।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা শহরের ৫টি পাম্প ঘুরে তেল না পেয়ে তিনি বাসে চড়ে যশোরে চলে যান। সেখানে আরো ৭টি পাম্প ঘুরে পরে একটি বন্ধ পাম্পের পিছন থেকে ৫লিটার তেল কিনে আনেন। তারা আমার সমস্যার কথা শুনে পটে আমাকে ৫লিটার পেট্রোল দেয়। তেল নিয়ে সোমবার ভোর রাত ২টার দিকে তিনি সাতক্ষীরায় আসেন। ওই ৫লিটার পেট্রোল কিনতে তার প্রায় ২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি।
শহরের সংগ্রাম পাম্পের ম্যানেজার জানান, গোপনে রাতে তেল বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার পাম্পের কোন লোক এধরনের অবৈধ কাজের সাথে জড়িত নয়। আমার পাম্পে যতক্ষন তেল থাকে আমি বিক্রি করি। ঈদের পরে এখনো নতুন কোন চালান না আসায় কিছুটা সংকট তৈরী হয়েছে। তেল আসলে আবার গ্রাহকরা আমার পাম্প থেকে তেল পাবেন বলে জানান তিনি।
শ্যামনগর ফিলিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্দিকুল ইসলাম বকুল বলেন , আমরা পাম্প মালিকরা ডিপো থেকে চাহিদা আনুযায়ী ডিডি করছি কিন্তু ডিপো খেকে পেট্রোল অকটেন ও ডিজেল না দেয়ায় যে গাড়ীতে করে আমরা থ্যামনগরে তেল এনে বিক্রি করছি তাতে গাড়ীর ভাড়ার টাকা উঠছে না। আমাদের চাহিদা পেট্রোল ৬ হাজার লিটার অকটেন ৩ হাজার লিটার ও ডিজেল ৫ হাজার লিটার সেখানে আমরা ডিপো থেকে পাচ্ছি পেট্রোল ১/২ হাজার লিটার অকটেন নাই ডিজেল ৩ হাজার লিটার।
এদিকে খবর পেয়ে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শহরের লস্কর ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে যান। এসময় সেখানে উপস্থিত গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, পাম্প থেকে তেল দিচ্ছে না, অথচ বাইরের দোকানে ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় এক লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে । পাম্পে তেল না থাকলে তারা তেল পাচ্ছে কিভাবে? প্রশ্ন রাখেন গ্রাহকরা। সংসদ সদস্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সাতক্ষীরায় তেল সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার জানান, জ্বালানী তেল নিয়ে যে কোন ধরনের অনিয়ম দূর করতে আমার ভিজিলেন্স টিম সব সময় মাঠে কাজ করছে। সুনিদিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে সাথে সাথে সংশ্লিষ্ঠদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলায় জ্বালানী তেলের সংকট সমাধানে কালো বাজারে বিক্রি বন্ধে আজ থেকে অভিযান আরো জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরায় পরিকল্পিতভাবে জ্বালানী তেলের সংকট সৃষ্টি করে কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রির ঘটনা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। -

ঈদের ছটিতে ভাই-বোনসহ ৪ জনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোটার: সাতক্ষীরায় ঈদে নানাবাড়ি বেড়াতে এসে ঘেরের পানিতে ডুবে আপন দুই খালাতো ভাই বোনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) বিকাল তিনটার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের সন্ন্যাসীরচক গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পানিতে ডুবে মৃত দুই শিশু হলেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের সন্ন্যাসীরচক গ্রামের মো. ফারুক গাজীর ছেলে মো. জাকারিয়া হোসেন (১৩) ও নলতা কাশিমপুর গ্রামের মো. আহসান আলী খা’র মেয়ে জান্নাতুল (১০)। প্রত্যক্ষদর্শী দক্ষিণ নলতা গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী জানান, জাকারিয়া ও জান্নাতুল আপন দুই খালাতো ভাই বোন। ঈদে তারা নলতা ইউনিয়নের সন্ন্যাসীরচক গ্রামের নানা আব্দুল মজিদ ঢালীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে তারা দুই ভাই-বোন একসাথে নানার মাছের ঘেরে বেড়াতে যায়। ঘেরের বাঁধের উপর দিয়ে হাঁটার সময় এক পর্যায়ে তারা দুইজনেই পা পিছলে পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় পর জাকারিয়া পানির উপরে ভেসে ওঠে। এ সময় গ্রামবাসী তাকে উদ্ধারের পাশাপাশি পানির মধ্য থেকে খুঁজে জান্নাতুলের মরদেহ উদ্ধার করে। কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে পেট্রোল পাম্প থেকে তেল নেওয়ার জন্য সিরিয়াল দিতে যাওয়ার পথে নির্মাণাধীন একটি কালভার্টের মধ্যে পড়ে এক যুবক নিহত হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দেবহাটা উপজেলাধীন সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের কুলিয়া খাসখামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম ফরহাদ হোসেন (১৬)। তিনি দেবহাটা উপজেলার সেকেন্দ্রা গ্রামের মো. সিদ্দিক হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফরহাদ হোসেন মোটর সাইকেলে তেল নিতে আগে থেকে সিরিয়াল দেয়ার জন্য পেট্রোল পাম্পে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দেবহাটা উপজেলাধীন সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের কুলিয়া খাসখামার এলাকায় পৌঁছালে সড়কে নির্মাণাধীন একটি কালভার্টের ভিতরে ১৫ ফিট উপর থেকে পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা: মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পুষ্পকাটি ইটভাটা এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মো. ফরহাদ হোসেন (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুষ্পকাটি ইটভাটা সংলগ্ন কালভার্ট সংস্কার কাজ চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফরহাদ হোসেন সেকেন্দ্রা গ্রামের সিদ্দিক সরদারের বড় ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পুষ্পকাটি এলাকায় সংস্কারাধীন কালভার্টের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারান ফরহাদ। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের বড় সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
-

বৃষ্টির মধ্যেও উৎসব মুখর পরিবেশে সাতক্ষীরায় ঈদ উদযাপন
স্টাফ রিপোটার: প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে শনিবার (২১ মার্চ) যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় সাতক্ষীরায় মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। ভোর রাত থেকে টানা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে এবার জেলার অধিকাংশ স্থানে ঈদগাহের পরিবর্তে পার্শ্ববর্তী মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মুসল্লিদের নামাজে অংশ গ্রহণের সুবিধার্থে প্রায় প্রতিটি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে। সাতক্ষীরায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায় শহরের মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশে অবস্থিত একাডেমি মসজিদে। একই সাথে মসজিদের মধ্যে পর্দার ভিতর মহিলাদের ঈদের জামাতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মিস্ আফরোজা আখতার। নামাজে ইমামতি করেন ইসলামী বক্তা হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মমিন। বয়ান শেষে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, জেলা জামায়াতের আমির উপধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলাসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্বোধন কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মুসলিম জনসাধারণ। এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক তার বক্তব্য বলেন, ইসলামের পরিপূর্ণ বিধান মেনে সমাজে যাকাত ব্যবস্থা কায়েম করতে হবে। পবিত্র এই দিনে আজ থেকে আমরা সকলেই শপথ গ্রহণ করি ভালো মানুষ হিসেবে ইসলামের নির্দেশনা মেনে সত্য কথা বলব, সুদ, ঘুস ও অন্যের হক ফাঁকি দিবো না এবং আমানতদারি ও ভাই বোনের হক পূরণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ সবকিছু দেখেন মনের ভিতরে একথা ধারণ করে আল্লাহর প্রতি ভয় রেখে তাকওয়া ভিত্তিক জীবন গঠন করতে হবে। রমজানের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর মাধ্যমে সমাজ, জাতি ও দেশের জন্য কাজ করতে হবে। এসময় জেলা প্রশাসক মিস্ আফরোজা আখতার-এর পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। পরবর্তীতে বৃষ্টি কিছুটা কমলে সাতক্ষীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়। এখানে ঈদুল ফিতরের নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মুফতি মাছুম বিল্লাহ। এছাড়া সাতক্ষীরায় ঈদেও প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সদর থানা জামে মসজিদে সকাল ৭টা ১০ মিনিটে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নতুন পোশাকে সজ্জিত হয়ে মসজিদে ঈদের নামাজে অংশ নেন। এতে উৎসবের আমেজ কিছুটা ম্লান হলেও ঈদের আনন্দে কোনো ঘাটতি ছিল না। নামাজ পূর্ববর্তী আলোচনায় ইমাম বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই শুদ্ধতার জয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের এই খুশির দিন উপহার দিয়েছেন। আবহাওয়ার বৈরিতায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও আল্লাহর ঘরে সমবেত হতে পেরে আমরা কৃতজ্ঞ। এই আনন্দ সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্ব শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করেন।
-

কলারোয়ায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি ইজ্জত উল্লাহ
কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহকে সংবর্ধনা জানিয়ে কলারোয়ার যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার গাজনা-ওফাপুর ফুটবল মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মাঠটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. আব্দুল মান্নান সানার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল লতিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওসমান গনী, জেলা শুরা সদস্য মাওলানা মো. ওমর আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. কামারুজ্জামান, নায়েবে আমির মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ এবং সেক্রেটারি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম আসাদ, জামায়াত নেতা মাওলানা আমানুল্লাহ আমান, নজরুল ইসলাম, ক্বারী রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাস্তবায়ন করা গেলে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের মধ্যে ইফতার পরিবেশন করা হয়।
-

তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে পাম্প পরিদর্শনে এমপি বরিউল বাশার
আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে দুটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। তাঁর পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট পাম্পগুলোতে তেল বিক্রি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে তিনি প্রথমে বুধহাটা এলাকার রহমান ফিলিং স্টেশন এবং পরে মহেশ্বরকাটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে এলাকার কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিক্রি সীমিত রাখা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এতে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। মহেশ্বরকাটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনের সময় সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অকটেন মজুত থাকার তথ্য পান সংসদ সদস্য। তবে ক্রেতাদের তেল না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনি পাম্প কর্তৃপক্ষকে ভোক্তাদের হয়রানি না করার নির্দেশ দেন এবং মজুত তেল বিক্রির ব্যবস্থা করতে বলেন। পরে পাম্পে তেল বিক্রি শুরু হলে কয়েক দিন ধরে অপেক্ষায় থাকা ভোক্তারা তেল পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এন এ এম মুরতাজা আলী, বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সাতক্ষীরা জেলা জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম এবং সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
-

গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টার: পাটকেলঘাটা থানার কাশিপুর দাশপাড়া গ্রামে মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলাকে কেন্দ্র করে কারিনার দাশ (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে- এমন অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে মরদেহ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন নিহত গৃহবধূর স্বজন ও এলাকাবাসী। নিহত কারিনার দাশ সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামের সঞ্জয় দাশের মেয়ে এবং পাটকেলঘাটার কাশিপুর দাশপাড়া গ্রামের সুজিত দাশের স্ত্রী। মানববন্ধনে কারিনার মা চপলা দাশ বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়ের ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতেন। অনেক সময় দুপুরে খাবারও দেওয়া হতো না এবং বাবার বাড়ির কারও সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হতো না। তিনি বলেন, ‘আমরা মেয়েকে বাড়িতে আনতে চাইলে পাঠাত না। অনেক সময় মেয়েটা লুকিয়ে আমাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলত।’ তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে কারিনার লুকিয়ে তাঁর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। পরে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, কারিনার মারা গেছেন। চপলা দাশের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী সুজিত দাশ, শ্বশুর তপন দাশ, শাশুড়ি লিপি দাশ, ভাশুর শ্যামাপদ দাশ, দেবর অজিত দাশ ও মামা মানিক দাস পরিকল্পিতভাবে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়। মানববন্ধনে ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, প্রতিবেশী রবিন সরকার, শঙ্কর কুমার দাশ, অরুনা দাশীসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন। প্রতিবেশী রবিন সরকার বলেন, কারিনার খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তিনি শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা ছিল। তাঁর দাবি, কারিনার আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে নন; তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ। এ বিষয়ে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল কবীর বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

কুলিয়ায় এমপি আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সাতক্ষীরা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল চারটায় কুলিয়া ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এ গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল গফফারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সাদিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, সেক্রেটারি এইচ এম ইমদাদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি সোলায়মান হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, টিম সদস্য মাওলানা আব্দুল কাদের ও মাসুম খান চৌধুরী। এ ছাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি মাস্টার মনিরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব আলী, মাওলানা মোজাহিদুল আলমসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া পরিচালনা করা হয় এবং উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।




