Author: news_admin

  • প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন সাতক্ষীরার ২৮শ নারী

    প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন সাতক্ষীরার ২৮শ নারী

    আবু সাইদ বিশ্বাস: সমালোচনার মুখে সাতক্ষীরার ৪টি আসনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন ২ হাজার ৮শ নারী। রোববার (১৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব সংসদীয় এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাবেন। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা ১,২,৩, ও ৪ আসনে পৃথক ভাবে ৭০০ পিস করে সিনথেটিক কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো সাতক্ষীরা জেলাতে এসে পৌঁছালে বন্টন করা হবে বলে সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা জানান। এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ জানিয়ে সাতক্ষীরা ১ তালা কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য মুহা: ইজ্জত উল্লাহ (১৫ মার্চ) তার ফেসবুকে লেখেন, “সমালোচনার পর হলেও বাকি আসনগুলোতেও আসন্ন ঈদ উল ফিতর- ২০২৬ উপলক্ষে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা। তবে পূর্বে ঘোষিত আসনগুলোতে শাড়ি, থ্রি-পিস ও রুমালের কথা থাকলেও বাকি আসনগুলোতে শুধুমাত্র শাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা কিছুটা বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়। আশা করি ভবিষ্যতে সহায়তা কার্যক্রমে সবার প্রয়োজন সমানভাবে বিবেচনা করা হবে।”
    সাতক্ষীরা ৪ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে লেখেন, “প্রিয় শ্যামনগরবাসী! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল হতে তার দলীয় এমপিদের ঈদ উপহারস্বরূপ বস্ত্রসহ প্রায় পাঁচ প্রকারের ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন। এটা অবশ্যই বৈষম্য মূলক আচরণ। বিরোধী এমপিদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ উঠলে তিনি পুনরায় প্রত্যেক বিরোধী দলীয় এমপিদের জন্য শুধু কেবল ৭০০ পিস করে সিনথেটিক কাপড় বরাদ্দ দেন। সে আলোকে আমাদের শ্যামনগরের জন্য ৭শ’ পিস সিন্থেটিক কাপড় বরাদ্দ পাওয়ার কথা। বিষয়টিআমার শ্যামনগরের জনগণের অবগতির জন্য জানানো হলো। ধন্যবাদ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-২ এসএম পারভেজ স্বাক্ষরিত একটি বরাদ্দপত্রে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার ২১৫ নির্বাচনী এলাকায় ৭০০ করে সিনথেটিক শাড়ি, ১০০ করে থ্রি-পিস ও ৫০টি করে হাজী রুমাল বরাদ্দ প্রদান হয়। ২১৫ নির্বাচনী এলাকা ঘেঁটে দেখা যায়, এসব আসন সরকারি দলের (বিএনপি ও জোট) সংসদ সদস্যদের। এখানে জামায়েত ইসলামী-এনসিপি জোটসহ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ রাখা হয়নি। বরাদ্দপত্রের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল- বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রী (শাড়ি, থ্রি-পিস ও হাজী রুমাল) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা থেকে সংগ্রহপূর্বক নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অসহায়, গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে বিতরণ ও হিসাব সংরক্ষণ করবেন; বিশেষ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকদের পক্ষে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে বিলম্বের আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যগণ নিজ দায়িত্বে ত্রাণসামগ্রী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা হতে তা সংগ্রহপূর্বক সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণ করতে পারবেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি রয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে শাড়ি, থ্রি-পিস ও হাজী রুমাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২১৫টি সংসদীয় এলাকায়। এই সহায়তা শুধুমাত্র সরকারি দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোটভুক্ত সংসদ সদস্যদের এলাকায় দেওয়া হয়। সংসদের বাকি আসনগুলোতে থাকা জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোনো বরাদ্দ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।
    শনিবার (১৪ মার্চ) সাতক্ষীরার চার এমপি ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানান। জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন।
    সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য বঅধ্যক্ষ মুহা: ইজ্জত উল্লাহ ফেসবুকে লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে শুধুমাত্র সরকার দলীয় এমপি গণের নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উপহার হিসেবে কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধীদলীয় এমপিগণের নির্বাচনী এলাকায় সেই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কেন এই বৈষম্য? সরকার কি দেশের জন্য নাকি দলের জন্য?
    সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র অসহায় মানুষদের জন্য কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র সরকার-দলীয় এমপিদের নির্বাচনী এলাকায়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল মূলত দেশের সকল অসহায় মানুষের জন্য। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তোলে তেমনি দেশের অন্য সব এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষের সাথে তামাশার শামিল। এর মাধ্যমে দেশে আবারও বৈষম্যের একটি চিত্র ফুটে উঠেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছি।
    সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, আমরা কি তাহলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘সবার আগে বিএনপি নীতিতে’ যাচ্ছি। স্লোগান কি শুধু রেটরিক? প্রধানমন্ত্রী কি শুধু ৫০% লোকের? আমাদের এলাকার মানুষ মনে হয় ট্যাক্স ভ্যাট দেয় না? জাতি এই বৈষম্য মনে রাখবে।
    প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনো দলীয় তহবিল নয় মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাতক্ষীরা ৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই বরাদ্দ শুধুমাত্র সরকার-দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় প্রদান করা হয়েছে; বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনো দলীয় তহবিল নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি মানবিক সহায়তা তহবিল, যা দেশের সকল নাগরিকের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং এ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি করা সমীচীন নয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী সমগ্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়।
    দেশের সব জনগণ সমানভাবে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। তিনি আরও লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন পরিহার করে দেশের সকল নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য সমানভাবে বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। দেশের মানুষ আর এ ধরনের বৈষম্য দেখতে চায় না।

  • বল্লীতে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ইফতার মাহফিল

    বল্লীতে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ইফতার মাহফিল

    ফিরোজ শাহ, বল্লী প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ১নং আমতলা ওয়ার্ড যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) আমতলা বাসাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব বিভাগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি প্রভাষক আশরাফুজ্জামান। প্রধান অতিথি মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন, মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাসে ইবাদত ও দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। তিনি যুব সমাজকে ইসলামের আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রভাষক আশরাফুজ্জামান বলেন, রমজান কেবল রোজার মাস নয়; এটি আত্মসংযম, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের মাস। যুব সমাজ কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠন সম্ভব। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব বিভাগের সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা, সেক্রেটারি আহকামুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যুবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আমতলা ছিদ্দিকিয়া বরকতিয়া এতিমখানা ও হেফজখানার বড় হুজুর হাফেজ আহমাদ আলী।

  • সংসদে ‘বাঘ বিধবা’দের জন্য বিশেষ ভাতার দাবি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের

    সংসদে ‘বাঘ বিধবা’দের জন্য বিশেষ ভাতার দাবি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের

    স্টাফ রিপোর্টার: সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার অসহায় ‘বাঘ বিধবা’দের মানবেতর জীবনের চিত্র তুলে ধরে তাদের জন্য বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা চালুর দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই মানবিক দাবিটি উত্থাপন করেন। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা সুন্দরবন কেন্দ্রিক হওয়ায় বহু মানুষ মধু সংগ্রহ, মাছ ধরা ও কাঠ সংগ্রহের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গভীর জঙ্গলে যান। সেখানে বাঘের আক্রমণে প্রতি বছর অনেক উপার্জনক্ষম মানুষ প্রাণ হারান। সংসদ সদস্য জানান, বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো এই নারীদের স্থানীয়ভাবে ‘বাঘ বিধবা’ বলা হয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এই নারীরা সমাজ ও পরিবারে চরম অবহেলা এবং আর্থিক অনটনের শিকার হন। সন্তানদের পড়াশোনা ও জীবিকা নির্বাহের কোনো পথ না থাকায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই নারীদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন। গাজী নজরুল ইসলাম বিগত দিনের একটি উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন বাঘের আক্রমণে নিহতদের পরিবারের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। ওই প্রকল্পের আওতায় বাঘ বিধবাদের ভাতা প্রদান, তাদের সন্তানদের শিক্ষা এবং পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের কাজও প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই মহতী উদ্যোগ আর আলোর মুখ দেখেনি। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, উপকূলীয় এলাকার এই বিশেষ সমস্যাটি বিবেচনায় নিয়ে বাঘ বিধবাদের জন্য দ্রুত আলাদা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বা বিশেষ ভাতা চালু করা হোক। পাশাপাশি স্থগিত হওয়া সেই প্রকল্পটি পুনরায় চালু করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সন্তানদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান তিনি। সংসদ সদস্যের এই প্রস্তাবটি অধিবেশনে উপস্থিত অন্য সদস্যদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উপকূলীয় মানুষের জীবনের ঝুঁকি ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার এই দাবি বিবেচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল

    কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল

    কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে কলারোয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন করা হয়। উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহমাদ আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপু, কলারোয়া পৌরসভা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বারিক, পৌরসভা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকিম বিল্লাহ, কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন ও কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির। এ ছাড়া ছাত্রনেতা হাসান আল বান্না ও ফুয়াদ আল আবরারসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মশিউল আজম।

  • কালিগঞ্জে নারী দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    কালিগঞ্জে নারী দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) সকালে কালিগঞ্জ অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে অগ্রগতি সংস্থার উদ্যোগে এ সভা হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রশমন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস বাচ্চুর সভাপতিত্বে এবং অগ্রগতি সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার আবু আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু। বিশেষ অতিথি ছিলেন রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি নিয়াজ কাওছার তুহিন, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কালিগঞ্জ শাখার সভাপতি এম. হাফিজুর রহমান শিমুল এবং প্রভাষক সেলিম শাহরিয়ার। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

  • প্রতাপনগরে জামায়াতের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    প্রতাপনগরে জামায়াতের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে প্রতাপনগর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে এ কর্মসূচি হয়। ইউনিয়ন আমির মাওলানা অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আল-আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি বলেন, ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নূরুল আবছার মুরতাজা, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হক, সহসেক্রেটারি প্রভাষক শাহজাহান আলী, চেয়ারম্যান আলহাজ আবু দাউদ ঢালী, প্রতাপনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলী, সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মান্নান, অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা কামরুজ্জামান টুকু ও ছাত্রশিবির সভাপতি মহিববুল্লাহ। ইফতার মাহফিলে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • ধুলিহরে অসহায় ও এতিমদের মাঝে পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    ধুলিহরে অসহায় ও এতিমদের মাঝে পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    ধুলিহর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর- ধুলিহর ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে অসহায় ও এতিমদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে ব্রহ্মরাজপুর বাজারের শামছুদ্দিন স্মৃতি মার্কেটে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুইজন অসহায় বৃদ্ধ ও নয়জন এতিম শিশুসহ মোট ১১টি পরিবারের মাঝে এসব সহায়তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ক্যাশিয়ার ও ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী, ধুলিহর আবুবক্কর সিদ্দিক ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম, শামীম সানা, মোকলেছুর রহমান, আবু দাউদ ও মাওলানা মহিব্বুল্লাহ। এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের লক্ষ্য। ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে নতুন পোশাকের পাশাপাশি ডাল, ছোলা, ভোজ্য তেল, আলু, সেমাই, চিনি, বয়লার মুরগি ও খেজুরসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

  • কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও ককটেলসহ আটক ৭

    কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও ককটেলসহ আটক ৭

    খুলনা ব্যুরো: খুলনা জেলার দিঘলিয়ায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ককটেলসহ সন্ত্রাসী খবির মোল্লা গ্রুপের সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। আটক ব্যক্তিরা হলেনÑ মো. সিরাজ মোল্লা (৫৫), মো. মিজানুর ফকির (৫৫), তুহিন মোল্লা (২৪), ইমরান মোল্লা (২৩), আশিক মোল্লা (২০), নাছিম শেখ (২১) এবং জনি মোল্লা (৩৭)। তাদের সবার বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া থানায়। কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন রূপসা কর্তৃক খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানার গাজীরহাট এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং একটি ককটেলসহ খবির মোল্লা গ্রুপের সাত সদস্যকে আটক করা হয়। আরও জানা যায়, জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।