Category: হোম পেজ লীড নিউজ

  • একুশের প্রথম প্রহরে শ্যামনগরে ভাষা শহীদদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর শ্রদ্ধা

    একুশের প্রথম প্রহরে শ্যামনগরে ভাষা শহীদদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর শ্রদ্ধা

    মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখা। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালনের লক্ষ্যে উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় নেতৃবৃন্দ শ্যামনগর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা নীরবতা পালন করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। তাঁদের এই আত্মদান পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে শক্তিশালী করেছে। নেতারা আরও বলেন, ভাষা শহীদদের আদর্শ ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও জাতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মাতৃভাষার সঠিক চর্চা ও সংরক্ষণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

  • গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    এফএনএস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই দিনে, আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের এদিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাঁদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরো মজবুত ও সুদৃঢ়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। তারেক রহমান বলেন, আমরা ভাষা শহীদ এবং ৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪-এর স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবতকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। আজকের এই দিনে বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষাসমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন, আমরা দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করি, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করি। সকল ভাষা শহীদের মাগফেরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

  • সাতক্ষীরায় কৃষিক্ষেত্রে সূর্যমুখী চাষ নতুন দিগন্তের সূচনা:  আবাদ বেড়েছে দ্বিগুণ

    সাতক্ষীরায় কৃষিক্ষেত্রে সূর্যমুখী চাষ নতুন দিগন্তের সূচনা: আবাদ বেড়েছে দ্বিগুণ

    আবু সাইদ বিশ্বাস, সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার লবণাক্ত পতিত জমি ও তালার নিম্ন এলাকার জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষে সফলতা এসেছে। ফলে উৎকৃষ্টমানের তেলের চাহিদা পূরণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কম সময় ও অর্থ ব্যয় করে সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এতে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক। তালা পাটকেলঘাটার কপোতাক্ষ পাড়ে ভারশার মাঠগুলোতে দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বিশাল আকারের হলুদগালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কাছে গেলে চোখে পড়ে হাজারো সূর্যমুখী ফুল। বাতাসে দোল খেয়ে ফুলগুলো যেন আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। চলতি মৌসুমে জেলাতে ২২৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে যা যে কোন বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার ও বীজে প্রণোদনা দেয়ায় সাধারণ কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
    সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ২২৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২৭ হেক্টর, কলারোয়ায় উপজেলায় ২২ হেক্টর, তালা উপজেলায় ৬৩ হেক্টর, দেবহাটা উপজেলায় ৭ হেক্টর, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৩৪ হেক্টর, আশাশুনি উপজেলায় ১৫ হেক্টর ও শ্যামনগর উপজেলায় ৬০ হেক্টর। তবে গেল বছর জেলায় এ ফসলটি চাষ হয়েছিল ১০৯ হেক্টর জমিতে। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি মৌসুমে জেলায় সুর্যমুখির আবাদ বেড়েছে ১১৯ হেক্টর পরিমান।
    সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারশা গ্রামে ও উপজেলার বিভিন্ন সূর্যমুখী চাষ করা জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ফুটে থাকা সূর্যমুখী ফুলের সমাহারে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের মনমাতানো ঘ্রাণ আর মৌমাছিরা ছুটছেন এক ফুল থেকে অন্য ফুলে তাতে মুখরিত হয়ে উঠেছে কৃষকের জমি। এটি যেন ফসলি জমি নয়, এ এক দৃষ্টিনন্দন বাগান।
    ভারশা গ্রামের সূর্যমুখি চাষি মো: আকবর হোসেন জানান, সূর্যমুখী ফুল চাষের লক্ষ্য নিছক বিনোদন নয়। মূলত ভোজ্যতেল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা মেটাতে এ চাষ করা হচ্ছে। তাই অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তিনি জানান, সূর্যমুখী ফুলের চাষ করলে ফুল থেকে তেল, খৈল ও জ্বালানি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তৈল উৎপাদন সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ১০ মণ বীজ উৎপাদন হয়। তেল উৎপাদন হবে প্রতি বিঘায় ১৪০ থেকে ২০০ লিটার পর্যন্ত। প্রতি লিটার তেলের সর্বনিম্ন বাজার মূল্য ২৫০ টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে ভোজ্যতেলের আকাশছোঁয়া দাম হওয়ার কারণে চাহিদা বেড়েছে সরিষা ও সূর্যমুখী তেলের।
    সাতক্ষীরা সদর কৃষি কর্মকর্তা মনির জানান, সূর্যমুখী চাষের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। ‘কৃষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে সার, বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে সূর্যমুখীর আবাদ ভালো হলে কৃষিক্ষেত্রে তা নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।’
    সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, উৎপাদন বাড়াতে চলতি রবি মৌসুমে জেলাতে ৬০০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে জন প্রতি এক কেজি করে টিএসএফ জাতের সুর্যমুখি বীজ দেয়া হয়েছে। সঙ্গে দুই প্রকার ১০+১০=২০ কেজি করে সারও দেয়া হয়েছে এসব কৃষককে। বীজ ও সার মিলে মোট ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনা দেয়া হয়েছে এসব সুর্যমুখি চাষীদের।

    আবু সাইদ বিশ্বাস
    সাতক্ষীরা
    ১৯/২/২৬
    ০১৭১২৩৩৩২৯৯

     

     

  • ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

    ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের অবহিত করেন। সভা শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের বলেন, দেশের হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বিধবা এবং পশ্চাৎপদ প্রায় পাঁচ কোটি পরিবারকে আমরা ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু করব। তিনি বলেন, গতকাল ও আজ (গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার) মিলিয়ে ইতোমধ্যেই প্রতিশ্রুতির বেশ কিছু কাজে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা হাত দিতে পেরেছি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্মব্যস্ত দিন অতিবাহিত করছেন। আমরা মন্ত্রিপরিষদের সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাসহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্তভাবে নির্দেশ পেয়েছি। আপনারা জানেন যে আমাদের বহুল প্রচারিত প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড, আমরা ইনশাআল্লাহ এই মাস থেকেই ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বন্টনের কাজ বাস্তবায়ন শুরু করব। ফলে গতকাল ও আজ (গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার) মিলিয়ে প্রতিশ্রুতির বেশ কিছু কাজে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা হাত দিতে পেরেছি। জাতির কাছে আমরা এই কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে দোয়া চাই এবং আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। তিনি বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য পর্যায়ক্রমে এই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এছাড়াও আজ আমরা অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন বাহিনীর প্রধানও দেখা করেছেন। তিনি গতকাল (গত বুধবার) সচিবদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দুপুর ২টার সময় বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে। কোন কোন এলাকায় অগ্রাধিকার দিয়ে কার্ডগুলো দেওয়া হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার জন্য একটি ছোট কমিটি গঠন করা হবে, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে। তারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা এবং দিকনির্দেশনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে কত টাকা দেওয়া হবে এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে-এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা টাকার পরিমাণ এই মুহূর্তে নির্ধারণ করিনি। তবে যেহেতু আমরা পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি ফ্যামিলিকে ফ্যামিলি কার্ড দেব, তাই সেটাকে মাথায় রেখে বাস্তবায়নযোগ্যভাবে শুরু করব। মূলত টাকার পরিমাণের চাইতেও সমস্ত নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের নেটওয়ার্কের মধ্যে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। পর্যায়ক্রমে এটিকে আরও উন্নত করা যাবে।

  • দুর্নীতি বন্ধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    দুর্নীতি বন্ধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে বেরিয়ে একথা জানান অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব অঙ্গীকার দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে সর্বাত্মক চেষ্টা করতে। এই যে সর্বাত্মক চেষ্টা- এটা এমনভাবে তিনি উপস্থাপন করেছেন, এটা আসলে কেবল একটা কথার কথা নয়। মানে অপ্রয়োজনীয় সময় যাতে ব্যয় না হয়, এবং মূল কাজগুলো যাতে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা আরম্বর ধরনের কর্মসূচি যথাসম্ভব পাশে সরিয়ে- মূল যে কাজগুলো বিশেষত নির্বাচনি অঙ্গীকার ইশতেহার আছে, সেগুলো পালনে সচেষ্ট হতে হবে, ভূমিকা রাখতে হবে। সাকি বলেন, দ্বিতীয়ত, দুর্নীতির বিষয়ে উনি খুব স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন এবং তার সরকারের যে একটা ‘ক্লিন গভর্নমেন্ট’ হিসেবে তিনি তার যে অবস্থানটা রাখতে চান, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছেন। যেকোনো মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রিপরিষদের সদস্য কেউ যাতে ক্ষমতা ব্যবহার করে কোনোভাবেই দুর্নীতির কোন জায়গায় যেতে না পারেন, সেটা খুবই কঠোরতার সঙ্গে তিনি তার অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি জানান, মূলত আজকে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তার মধ্যে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে রমজান শুরু হচ্ছে, মানুষকে কিভাবে স্বস্তিতে রাখা যায়, দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা, অন্যান্য সব পরিবেশ যাতে ঠিক রাখা যায়, সে বিষয়টা এখন সবারই প্রায়োরিটি, সবার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী, দীর্ঘমেয়াদী যে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জায়গাতে পৌঁছানোর বিষয় রয়েছে। কিছু বিষয় যেমন- নির্বাচনি অঙ্গীকারে ছিল কৃষকের ফ্যামিলি কার্ড, সঙ্গে ইমাম সাহেবসহ অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদেরকে বিশেষ ভাতা দেওয়া, সেটাও কিভাবে এই রোজার মধ্যে শুরু করা যায়- সেসব বিষয় নিয়েও তিনি আলাপ-আলোচনা তুলেছেন। সবাই তাদের মতামত দিয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনের বিষয় নিয়েও বৈঠকে উঠেছে, কত দ্রুততম সময় স্থানীয় নির্বাচনের দিকে যাওয়া যায়। তো এই বিষয়েগুলোতে খুব দ্রুতই হয়তো সিদ্ধান্ত আসবে। প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মোট ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তাদের মধ্যে তিনজন টেকনোক্র্যাট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বও পালন করবেন তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নতি রাখা, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, সরবরাহ চেইন কঠোরভাবে মনিটর করার কথা বৈঠকে বলেছেন। আমরা এবার ১৮০ দিনের একটা অগ্রাধিকার পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার কথা বলেছি, সেটা পরে জানানো হবে। প্রাথমিক অগ্রাধিকারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ চেইন এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে যাতে কোনো সমস্যা তৈরি না হয়। এছাড়া সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জনগণ আমাদের ইশতেহারের ওপর ম্যান্ডেট দিয়েছেন। সুতরাং, জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে। সংবিধান, আইন এবং রুল অব বিজনেস অনুযায়ী সেগুলো বাস্তবায়নের নির্দেশ তিনি দিয়েছেন। সভায় বলা হয়েছে, কে কোন দলের আমরা দেখবো না, আমরা মেরিট ভিত্তিতে যাচাই করবো। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে শ্রম প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের যে এত বিপুল জনসমর্থন-সেটার জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জনগণ আমাদের কাছ থেকে যে সুশাসন এবং জবাবদিহি চায়, সেক্ষেত্রে আমরা স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের যারা দায়িত্বে আছি, তারা যেন যেকোনো ধরনের প্রভাব এবং স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করি এবং বিশেষ করে দুর্নীতির প্রশ্নে যেন আমাদের একটা শক্ত অবস্থান থাকে। নূর বলেন, আগামীতে যে রমজান শুরু হচ্ছে, এই রমজানকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা, প্লাস সেহরি, ইফতার, তারাবির সময়টা যেন বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন থাকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং সরকারের যে কমিটমেন্ট, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় জনসভায় যে বিষয়গুলো বলেছেন- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, সেগুলো কীভাবে ইমিডিয়েটলি আসলে কিছু দৃশ্যমান কাজ করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়েও তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আলোচনা করেছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘোষণা ছিল যে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে সরকারের একটি উদ্যোগ থাকবে। সেটি নিয়েও তিনি আলোচনা করেছেন- ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কী করা যায়। সামগ্রিকভাবেই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আমি দুটো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, আমাদের জায়গা থেকে আমরা একটা বিষয় তার দৃষ্টিতে আনার চেষ্টা করেছি- আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশ মিডল ইস্ট-বেজড। মিডল ইস্টের সঙ্গে কিন্তু শ্রমবাজার ওপেনের ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় সেটার একটা ধারাবাহিকতা ছিল। কিন্তু মাঝখানে নানাবিধ কারণে সেটার একটা ছন্দপতন হয়েছে, বন্ধ হয়েছে অনেক জায়গার শ্রমবাজার। সেখানে শ্রমবাজার ওপেন করার জন্য যদি প্রধানমন্ত্রী একটি সফর দেন মিডল ইস্টে, সেটা আমাদের জন্য একটা সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। আমাদের জায়গা থেকে এটিও বলেছি, তার জায়গা থেকেও আরও কিছু পরামর্শ আমাদের দিয়েছেন যেগুলো কাজের ক্ষেত্রে আমরা মেনে চলব।

  • জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে অবজ্ঞা করেছে সরকারি দল, শহীদদের সম্মানেই মন্ত্রীদের শপথে যাইনি: জামায়াত আমির

    জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে অবজ্ঞা করেছে সরকারি দল, শহীদদের সম্মানেই মন্ত্রীদের শপথে যাইনি: জামায়াত আমির

    ন্যাশনাল ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না।’ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক বক্তব্যে তিনি নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং শপথ গ্রহণ নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেন। শপথের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদেরকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সেখানে দুটি শপথের কথা বলা হয়েছিল। সংসদ সদস্যদের পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গণভোটের শপথ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রুমে প্রবেশ করার পর সচিব জানালেন সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আমরা দুটো নিলাম।’ ২০২৬ সালের এই নির্বাচনের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের কারণে এই নির্বাচন হয়েছে। শপথের বিষয়ে আমরা হয়তো ভিন্ন চিন্তা করতে পারতাম। কারণ জুলাইয়ের আকাঙ্খা ও গণভোটের রায়কে আমরা দায়িত্ব বলে গণ্য করেছি। আমরা গণভোটের রায় ও জুলাই এর আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করেছি।’ সরকারি দলের অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘’সরকারি দল ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। এটা জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে তাদের অবস্থান। সংস্কারের বিপরীতে তাদের এই অবস্থান স্পষ্ট। যদিও তারা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। যদি তারা জুলাইকে সম্মান করেন, সংষ্কারকে ধারণ করেন তাহলে তারা সেই শপথ নেবেন। যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনিও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চেয়েছেন।’’ শপথের বৈধতা ও জুলাই বিপ্লবের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘কার কাছে শপথ নেবে সেটা তারা তাদের পছন্দমতো ব্যক্তির কাছে নিতে পারেন। কিন্তু আমরা দেখতে চাই জুলাই সম্মানিত হয়েছে, স্বীকৃতি পেয়েছে। জুলাইকে অসম্মান, অশ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি না দিয়ে ২৬ এর এই পার্লামেন্ট গৌরবের আসনে বসতে পারবে না।’ কেন জামায়াত মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি, তার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না। যার কারণে শত ইচ্ছা থাকলেও আমরা শপথে যেতে পারলাম না। এজন্য আফসোস থাকল।’

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমানের শপথ গ্রহণ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমানের শপথ গ্রহণ

    স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। উপনেতা হচ্ছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ১১-দলীয় জোটের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হবে। এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জামায়াতের সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। পরে শপথ নেন এনসিপির সংসদ সদস্যরা। সংসদ সদস্যের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদেরও শপথ নেন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্যরা।

     

  • জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু: সারজিস

    জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু: সারজিস

    ডেক্স রিপোর্ট: জুলাই সনদ ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই কথা বলেন। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম হেরেছেন। মূলত, সংসদ ভবনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলীয় এমপিদের উদ্দেশে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিচ্ছেন না। সালাহউদ্দিন আহমদ সাদা ও নীল রংয়ের দুটি ফরম হাতে নিয়ে বলেন, আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটা ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে। এমন ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হওয়ার পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলেছি। আশা করি সামনের দিনেও চলবো, বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমি মাননীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওনার উপস্থিতিতে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত জানালাম।

  • গণভোটের ফল স্থগিত রিটের বিপক্ষে লড়বেন শিশির মনির

    গণভোটের ফল স্থগিত রিটের বিপক্ষে লড়বেন শিশির মনির

    স্টাফ রিপোর্টার: গণভোটের ফলাফলের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান। শিশির মনির বলেন, গণভোটের ফলাফলের কার্যকারিতার ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দায়ের করা রিট মামলা আমরা আদালতে মোকাবিলা করবো ইনশাআল্লাহ। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন মন্ত্রণালয় সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এ গণভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। অন্যদিকে, বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।

     

     

  • বংশীপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ

    বংশীপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণ এবং সড়কে টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাতভর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি ব্যানার এবং কয়েকটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ড. ইউনুস ও জামাত বিএনপি’র অবৈধ্য পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল’। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনায় জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।