Category: হোম পেজ লীড নিউজ

  • শ্যামনগরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হ্যাচারীর জমি দখলের অভিযোগ

    শ্যামনগরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হ্যাচারীর জমি দখলের অভিযোগ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বিড়ালাক্ষ্মী গ্রামে রেডিয়েন্ট হ্যাচারীর প্রায় দুই বিঘা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা জি. এমন হাবিবুল্লাহ এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার বিকালে হাবিবুল্লাহ নিজ কর্মী-সমর্থক নিয়ে হ্যাচারীর সীমানা প্রাচীর ভেঙে জমি দখল করে এবং বাঁশ ও নাইলন দিয়ে ঘেরা বানিয়ে নেয়। হ্যাচারীর মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। হ্যাচারীর ম্যানেজার জামাল হোসেন জানান, দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত উক্ত জমি রঞ্জিলা খাতুন নামের এক নারীর জন্য বরাদ্দ ছিল। হাবিবুল্লাহর ১২-১৪ জন সহযোগী ওই জমি দখল করার সময় প্রাচীর ভেঙে নারীর যাতায়াতের সুবিধা রেখেছেন। হাবিবুল্লাহ দাবি করেন, হ্যাচারীর মালিক সফিকুর রহমান তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা দেনা রাখায় ওই জমি ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, “টাকা পরিশোধ করলে জমি ফিরিয়ে দেয়া হবে।” উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক সোলায়মান কবির বলেন, “কেউ টাকা পেলে তার জন্য আইন আছে, কিন্তু এভাবে কারও জায়গা-জমি দখল করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।” স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় উত্তেজনা রয়েছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

  • প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দূরমুজখালি এলাকায় সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে নূরনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিস অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রনজিৎ মন্ডল। স্থানীয়রা জানান, দূরমুজখালি ও পার্শ্ববর্তী কৈখালী ইউনিয়নের সীমানাবর্তী সরকারি খালের অংশে গভীর নলকূপ ও খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে বালি উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মোমরেজ গাজীর ছেলে ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ও ড্রেজার মালিক আব্দুস সালাম এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রনজিৎ মন্ডল জানান, “অবৈধ বালি উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এতে ভূমিধস, ফসলি জমির ক্ষতি ও আশপাশের বসতবাড়ির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত নজরদারি চলবে। এলাকাবাসী প্রশাসনের পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

  • ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগপ্রাপ্ত হলেন সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগপ্রাপ্ত হলেন সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। আইন পেশায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০০০ সালে ঢাকা আইনজীবী সমিতি-এর সদস্য হিসেবে তার আইনজীবী জীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি-এর সদস্যপদ লাভ করেন। শিক্ষাজীবনেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও প্রথম সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আইন সমিতির দপ্তর সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা বার ইউনিটের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ কাটিয়া (মাস্টারপাড়া) গ্রামে জন্মগ্রহণকারী শফিকুল ইসলাম নুরুল ইসলাম ও মরহুমা জাহানারা ইসলামের সন্তান। তার এ নিয়োগে সাতক্ষীরাবাসীর মধ্যে আনন্দের সাড়া পড়েছে। স্থানীয় আইনজীবী ও সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্বে তিনি দক্ষতা, সততা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয়সমূহ সফলভাবে পরিচালনা করবেন।

  • সাতক্ষীরায় বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা

    সাতক্ষীরায় বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা

    আবু সাইদ বিশ্বাসঃ লবণক্ষতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, নদী ও জলাধারে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা, গ্রীষ্মকাল না আসার আগেই লোডশেডিং থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে সাতক্ষীরার বোরো চাষ লক্ষ্যমাত্রা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা চাষিদের। বর্তমানে বোরো আবাদের ধুম পড়েছে। প্রচণ্ড শীত, কুয়াশা, বীজতলা নষ্ট হওয়াসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সকাল থেকে দুপুর অবধি ধান লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রায় ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯২৩ কৃষক পরিবারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগীতায় চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরায় বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছে চাষিরা।

    সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর সাতক্ষীরা জেলায় ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৮০ হাজার ৫৬৮হেক্টর জমিতে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সদর উপজেলার ২৩ হাজার ২৮৫ হেক্টর, কলারোয়ার ১২ হাজার ৭৮০ হেক্টর, তালার ১৯ হাজার ১৫৫ হেক্টর, দেবহাটার ৬ হাজার ১২৫ হেক্টর, কালিগঞ্জের ৬ হাজার ৯৫৫ হেক্টর, আশাশুনির ৯হাজার ৬৯০ হেক্টর ও শ্যামনগর উপজেলার ২ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে চলতি বোরো মৌসুমে ৩ লাখ ৪১ হাজার৪৪২ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৯৭ হাজার ১১৮ মেট্রিক টন, কলারোয়ায় ৫৩ হাজার ৩৭৮মেট্রিক টন, তালায় ৮১ হাজার ৫৫৪ মেট্রিক টন, দেবহাটায় ২৬ হাজার ৭৪১মেট্রিক টন, কালিগঞ্জে ২৮ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন, আশাশুনিতে ৪২ হাজার ৪০১ মেট্রিক টন ও শ্যামনগরে ১১হাজার ৫৩০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার ঘের থেকে মাছ ধরার পর পানি শুকিয়ে বোরা ধানের আবাদ করছেন কৃষকরা। গেল প্রায় দেড় দশক মিঠাপানি ও সল্প লবণাক্ত পানির মাছের ঘেরে ধানের আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন তারা। একই সাথে উৎপাদন হচ্ছে বাড়তি ধান। বিশেষ করে জলাবদ্ধ এলাকায় দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে এই চাষ পদ্ধতি। মাছের ঘেরে ধানের ফলন হয় প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি কোন চাষের প্রয়োজন হয় না। সার ও সেচ খরচও অনেক কম। বর্তমানে মাছের চেয়ে ধানের দাম বেশি হওয়ায় ধান আবাদে ভালো লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। এছাড়া মাছের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে ঘেরের পাড়ে সবজির আবাদ করছেন তারা।
    পানি সেচের সংকট না হলে লোকসান কাটিয়ে ওঠা যাবে উল্লেখ করে শুষ্ক মৌসুমে বিদ্যুতের লোডশেডিং না দেওয়ার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কয়েকজন চাষী। শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের কৃষক দিলীপ তরফদার জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে ২৮ ধান লাগিয়েছেন। প্রয়োজনের সময় অর্থাৎ শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট না হলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে।
    জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চলীয় মিঠা পানির ঘেরের উপর বোরো ধান চাষ করা হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘেরের মাছ উঠিয়ে সেখানে চলে বোরো ধানের চাষ। জেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কুয়াশায় বোরো ধানের পাতার কোনো ক্ষতি হবে না। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবারও ছাড়িয়ে যাবে।
    আবু সাইদ বিশ্বাস
    সাতক্ষীরা
    ১৭/২/২৬

     

  • স্মরণকালের সেরা মিছিল —- পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব

    স্মরণকালের সেরা মিছিল —- পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব

    মো: সাদ্দাম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:- সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় স্মরণকালের সেরা নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভোমরা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের জামায়াত ইসলামীর ৭ নং ওয়ার্ড বাসীর আয়োজনে এ মিছিল বের হয়। এর আগে মিছিল হলোও এমন বৃহৎ মিছিল দেখা যায় নি। মিছিল দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে তাঁরা বলেন, এবার দাঁড়িপাল্লার কোন বিকল্প নেই। মিছিল টি শুরু হয়েছে শ্রীরামপুর ফুটবল মাঠ থেকে। মিছিল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান। তিনি  বলেন, আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা -২ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক কে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে সাতক্ষীরার স্মরণকালের ইতিহাস তৈরি করবো ইনশাল্লাহ। ভোটের মাঠে আমাদের নেতা – কর্মীদের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে এবং ব্যালটে মাধ্যমে আমরা যোগ্য জবাব দেব। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি নাঈমুর রহমান, ইউনিয়ন আমীর আনোয়ার কবির, জামায়াতের ০৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি জুম্মন আলী, ইউনিয়ন বাইতুলমাল সাইফুল ইসলাম, কুলিয়ার ইউনিয়ন সাবেক আমির আনোয়ার হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাসুম চৌধুরী, মিডিয়া বিভাগের সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। মিছিলে ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কার্পযক্রম শেষ হয়।

  • জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা : ঠাকুরগাঁও-(সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, বিএনপির নেতারা এখন কথায় কথায় জামায়াতকে রাজাকারের দল হিসাবে আখ্যা দিচ্ছে। এসব মিথ্যা গল্প বলে জাতিকে বোকা বানানো যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ ইতিহাস জানে। স্বাধীনতার পর সরকার যখন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে বিএনপির রাজাকারের সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। জামায়াতের মাত্র ৩৪ জনের নাম সেই তালিকায় এসেছিল। সুতরাং রাজাকারের দল হলো বিএনপি। তাদের উচিৎ আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া, তারপর ভোট চাইতে আসা। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট ফাজিল মাদরাসা ঈদগাঁ মাঠে আয়োজিত দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    একই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি আপনাকে অত্যন্ত সম্মান করি শ্রদ্ধা করি। আজকে আপনারা যেভাবে মিথ্যাচার করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ কখনোই তা বিশ্বাস করে না। মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে আপনার বাবার নামও রাজাকারের তালিকায় আছে।

    চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ দখলবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী জাতি আশা করেছিল এবার তারা চাঁদাবাজ দখলবাজ টেন্ডারবাজ ও লুটেরাদের হাত থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যেভাবে চাঁদাবাজি দখলবাজি টেন্ডারবাজি লুটতরাজ জুলুম নির্যাতন মামলা বাজি হতো, এখনো সেভাবেই হচ্ছে। শুধুমাত্র হাত বদল হয়েছে আর বাকি সব আগের মতই আছি।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছে যে তারা ক্ষমতায় আসলে এসব এ ধরনের সকল অপকর্ম কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সমাজের আর কোন অসহায় পরিবারের উপর, সংখ্যালঘু ভাই-বোনদের ওপর কোন প্রকার জুলুম নির্যাতন হতে হবে না।

    ভোটারদের কাছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চেয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আপনাদের জন্য একটি আদর্শ ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে। এই এলাকার মানুষ অনেক বেশি অবহেলিত। আমরা স্বাস্থ্য চিকিৎসা শিক্ষা যোগাযোগ কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছি। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইপিজেড স্থাপন করব। স্বল্প খরচে মানুষের সেবা নিশ্চিত করব। সহজেই ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব করার ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকরা ন্যায্য দামে, সার,বীজ, কীটনাশক পাবে এবং তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে। নারীরা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সামাজিক মর্যাদা ফিরে পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে দাঁড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজে অবদান রাখবেন।

    জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ৷ আলমগীর, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় গণমাধ্যম কর্মীসহ এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    মাহবুব আলম, লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা :
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা তো নয়ই কোন একটি কর্মীও চাঁদাবাজি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর দুজন মন্ত্রী ছিলো তাদের বিরুদ্ধে কোন সংস্থা দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। আমাদের বাংলাদেশে বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা নতুন কিছু দিবে না। তারা আবার ক্ষমতায় আসলে জুলুম,চাঁদাবাজি ফিরে আসবে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে নারী শ্রমজীবীদের আট ঘন্টা কাজ করতে হবে না, তারা পাঁচ ঘন্টা কাজ করবে। ৬০ বছরের ওপরে যাদের বয়স তারা ফ্রি চিকিৎসা পাবে। ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাবে। বিগত সময়ে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ফ্যাসিস্ট সরকার পাচার করেছে। এসব টাকা ফিরিয়ে এনে বেকারদের কর্মসংস্থান করা হবে। আমরা তরুনদেরকে বেকার ভাতার পরিবর্তে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে যাকাত চালু করা হবে। তিনি বলেন আপনারা জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী নিজামুল হক নাঈমকে ফুলকপি মার্কায় বিজয়ী করবেন। আগামি দেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের।
    বুধবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) লালমোহন মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ভোলা-৩ আসন (লালমোহন-তজুমদ্দিন) ১১ দলীয় জোটের জামায়াত সমর্থিত ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী নিজামুল হক নাইমের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ১১দলীয় ঐক্যর জামায়াত সমর্থিত ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নিজামুল হক নাইম বলেন,স্বাধীনতার পর বিগত ৫৪ বছর আমরা নিস্পেশিত ছিলাম,আগামি ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আপনারা চাঁদাবাজির কবর রচনা করবেন,আমরা সকল অপশাসনের কবর রচনা করতে চাই। আগামিতে আলোকিত বাংলাদেশকে গড়তে তিনি সকলের কাছে ফুলকপিতে ভোট প্রার্থনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য বিডিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,পতিত স্বৈরাচারের দোসররা বাংলাদেশকে আবার ৫ই আগস্টের আগের অবস্থায় নিয়ে আমাদের জুলাইয়ের লক্ষ্য ধুলিসাৎ করার জন্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনসভায় বিশেষ অতিথি,জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, আগামির ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই। ডা:শফিকুর রহমানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ নতুন করে শপথ নিয়েছে। আপনারা দাঁড়িপাল্লা সমর্থিত ফুলকপিতে ভোট দিবেন। আমরা ন্যায় ইনসাফের সমাজ গড়বো। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৭ বছর নিস্পেশিত হয়েছে। তাঁরা যখন তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে তখনই আয়না ঘর নামক বন্দীশালায় তাদের নির্যাতন করেছে। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যাদের ক্ষমতার সময়ে তিনবার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা আবার কিভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতি মুক্ত করবে। এই জমিনে আর কোনো স্বৈরাচার বরদাশত করব না। যদি আমাদের মা বোনদের উপর হামলা হেনস্তা করা অব্যাহত রাখা হয় তাহলে ইসলামি ছাত্র শিবির এমন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আপনারা পালানোর জায়গা পাবেন না। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফুলকপি মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।
    জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ মোঃ আখতার উল্লাহর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল অঞ্চল টীম প্রধান মাওঃ ফখরুদ্দিন রাজি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট পারভেজ হোসেন, ভোলা জেলা জামায়াত আমীর মাষ্টার জাকির হোসেন, সেক্রেটারি মাও হারুনুর রশীদ,ভোলা- ৪ জামায়াত প্রার্থী মাওঃ মোস্তফা কামাল, জামায়াত সহ এগারো দলীয় জোটের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন……….মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন……….মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    মোঃ হারুন উর রশীদ,কালিগঞ্জ,সাতক্ষীরা।।
    সাতক্ষীরা ৩ (কালিগঞ্জ – আশাশনি) সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাসারের কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা,চাম্পাফুল ও নলতা ইউনিয়নে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও হিন্দু সমাবেশ এবং নির্বাচনীয় জনসভা, অংশগ্রহণ করেন।

    মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ) সকাল থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা বাস স্ট্যান্ড ও রায়পুর বাস স্ট্যান্ডে সংলগ্ন বাজারে গণসংযোগ, বিকালে চাম্পাফুল ইউনিয়নের শ্মশান ঘাটা নামক স্থানে হিন্দু সমাবেশ ও চম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নির্বাচনীয় জনসভা এবং সন্ধ্যায় নলতা ইউনিয়নে কাশিবাটি টাইগার ক্লাব সংলগ্ন বাজারে গণসংযোগ ও ইছাপুরে হিন্দু সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ সংসদীয় আসন (আশাশুনি–কালিগঞ্জ)বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এসময় তিনি বলেন দেশের সার্বভৌমত্ব, উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে সব দল-মত ভুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন। তিনি আরও বলেন আপনারা অতীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সরকারের দুইটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে দেখেছেন। সার্চলাইট দিয়ে খুঁজেও ওই মন্ত্রণালয় দুটিতে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি পাওয়া যায়নি।সংসদে যেতে পারলে সাতক্ষীরা জেলাকে বৈষম্যমুক্ত করে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক , সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল গফফার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জুবায়ের হোসেন ও সেক্রেটারি নাজমুল হাসান,কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুর রউফ, কালিগঞ্জ উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আবু ইসলামসহদলটির উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বশীল,কর্মীও নেতৃবৃন্দ,কৃষক,শ্রমিক,এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।গণসংযোগ ও জনসভায় বক্তারা আগামী নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

  • আশাশুনির বলাবাড়ি ও নাকতাড়ায় জামায়াতের নির্বাচনী পথসভা জনসভায় রুপান্তরিত

    আশাশুনির বলাবাড়ি ও নাকতাড়ায় জামায়াতের নির্বাচনী পথসভা জনসভায় রুপান্তরিত

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান।।সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের দাঁড়িপাল্লার প্রতিকের নির্বাচনী পথসভা জনসভায় রুপান্তরিত হয়েছে।
    সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারী) আশাশুনি সদরে ইউনিয়নের বলাবাড়ি আমজাদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ ও শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    পৃথক পৃথক পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড.আব্দুস সোবহান মুকুল,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারী মুফতি হাফেজ জায়েদ আব্দুল্লাহ,জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক,সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুল গফফার, উপজেলা আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার,নায়েবে আমীর মাওঃ নুরুল আবছার মুর্তাজা,সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওঃ আনওয়ারুল হক,অফিস সেক্রেটারী মাওঃ রুহুল কুদ্দুস,শ্রীউলা ইউনিয়ন আমির চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ লুৎফর রহমান,সাতক্ষীরা শহর শিবির সেক্রেটারি মেহেদী হাসান,সরকারী কলেজ সভাপতি রফিকুল ইসলাম,জাতীয় ছাত্র শক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য এএইস এম রিফাত হোসেন,গদাইপুর আব্দুল লতিফ কলেজের প্রভাষক দীপ্র কুমার মন্ডল,বাবু রামকৃষ্ণ মন্ডল,সাবেক মেম্বার দিলীপ চন্দ্র মন্ডল,ছাত্রনেতা শামীম হোসেন প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,মুসলিম,হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই সবার ধর্ম পালন করবে কিন্তু দেশ গড়ার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা দেশকে গড়ে তুলবো।
    তিনি বলেন,জামায়াত সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ একটি উন্নতদেশে পরিনত হবে,দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অটুট থাকবে,দেশ চাঁদাবাজ মুক্ত হবে,ঘের দখল,বাড়ি দখল মুক্ত হবে। তিনি আশাশুনি তথা দেশের উন্নয়নে দল মত নির্বিশেষে সকলকে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান##
  • সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি রফিকুল, সেক্রেটারি ফাহিম নির্বাচিত

    সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি রফিকুল, সেক্রেটারি ফাহিম নির্বাচিত

    মাসুদ রানা: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেট আপ পর থেকে বিভিন্ন শাখায় সেট আপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।তারই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা কলেজ ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    এতে সকল সাথীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাহিম।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা জেলার মুন্সিপাড়াস্থ অবস্থিত আল আমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এ সেটআপ অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেট আপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মুহা আল মামুন। সেট আপে সকল সাথীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাহিম।

    সেটআপ শেষে প্রধান অতিথি মুহা আল মামুন উপস্থিত সাথী ও কর্মী ভাইদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে বলেন,ছাত্রশিবির শুধু একটি ডাকের নাম নয়—এটি একটি আদর্শ, একটি আমানত। আজকের এই সেট-আপের প্রতিটি কাজ আমাদের সেই আদর্শের সাক্ষ্য বহন করে। মাইক লাগানো, ব্যানার টানানো, চেয়ার সাজানো—সবই ইবাদতের অংশ, যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়।

    তিনি আরো বলেন,আমরা যেন মনে রাখি -শৃঙ্খলা ছাত্রশিবিরের পরিচয়,সময়ানুবর্তিতা ছাত্রশিবিরের সৌন্দর্য,আর ভ্রাতৃত্ব ছাত্রশিবিরের শক্তি।
    কাজ করতে গিয়ে কারও সঙ্গে রূঢ় আচরণ নয়, অহংকার নয়, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়াও নয়। যে কাজ ছোট মনে হয়, সেটিই হয়তো আল্লাহর কাছে বড়। তাই হাসিমুখে,আন্তরিকতার সঙ্গে, দায়িত্বকে সম্মান করে কাজ করাই হলো একজন শিবির কর্মীর প্রকৃত পরিচয়।
    আমরা কথা ও কাজে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করি—যাতে মানুষ ছাত্রশিবিরকে দেখে আদর্শ শিখে, শালীনতা শিখে, দায়িত্ববোধ শিখে।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সেক্রেটারি মেহেদী হাসান ও অর্থ সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ।

    সর্বশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সেট আপ কার্যক্রম সমাপ্তি হয়।