Category: সারাদেশ

  • বংশীপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ

    বংশীপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণ এবং সড়কে টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাতভর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি ব্যানার এবং কয়েকটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ড. ইউনুস ও জামাত বিএনপি’র অবৈধ্য পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল’। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনায় জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

     

  • প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দূরমুজখালি এলাকায় সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে নূরনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিস অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রনজিৎ মন্ডল। স্থানীয়রা জানান, দূরমুজখালি ও পার্শ্ববর্তী কৈখালী ইউনিয়নের সীমানাবর্তী সরকারি খালের অংশে গভীর নলকূপ ও খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে বালি উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মোমরেজ গাজীর ছেলে ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ও ড্রেজার মালিক আব্দুস সালাম এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রনজিৎ মন্ডল জানান, “অবৈধ বালি উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এতে ভূমিধস, ফসলি জমির ক্ষতি ও আশপাশের বসতবাড়ির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত নজরদারি চলবে। এলাকাবাসী প্রশাসনের পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

  • কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে স্মার্ট টিসিবি পণ্য বিতরণ

    কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে স্মার্ট টিসিবি পণ্য বিতরণ

    কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ৪নং দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৬৩০ জন উপকারভোগীর মাঝে স্মার্ট টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় দক্ষিণ শ্রীপুর বাজারে মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্স মার্কেট সংলগ্ন স্থানে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। স্মার্ট টিসিবির অনুমোদিত ডিলার মোঃ আবুবকর সিদ্দীকের সহযোগিতায় বিতরণকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল চিনি, ছোলা, ডাল, চাল ও সয়াবিন তেল। প্রতিটি প্যাকেজের মোট মূল্য ৬০০ টাকা, যেখানে চিনি প্রতি কেজি ৭০ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, ডাল ৬০ টাকা, চাল ৩০ টাকা ও সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা দরে সরবরাহ করা হয়েছে। উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শ্মশান কুমার মন্ডল কার্যক্রম পরিদর্শনকালে বলেন, “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্মার্ট কার্ডভিত্তিক এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা নির্ধারিত মূল্যে পণ্য পেতে পারেন।” স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য বড় সহায়তা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে রমজান মাসে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রাপ্তি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয়ভার কিছুটা হ্রাস করছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রমজান মাসজুড়ে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের অন্যান্য ওয়ার্ডেও স্মার্ট টিসিবি পণ্য বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

     

  • জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা : ঠাকুরগাঁও-(সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, বিএনপির নেতারা এখন কথায় কথায় জামায়াতকে রাজাকারের দল হিসাবে আখ্যা দিচ্ছে। এসব মিথ্যা গল্প বলে জাতিকে বোকা বানানো যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ ইতিহাস জানে। স্বাধীনতার পর সরকার যখন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে বিএনপির রাজাকারের সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। জামায়াতের মাত্র ৩৪ জনের নাম সেই তালিকায় এসেছিল। সুতরাং রাজাকারের দল হলো বিএনপি। তাদের উচিৎ আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া, তারপর ভোট চাইতে আসা। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট ফাজিল মাদরাসা ঈদগাঁ মাঠে আয়োজিত দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    একই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি আপনাকে অত্যন্ত সম্মান করি শ্রদ্ধা করি। আজকে আপনারা যেভাবে মিথ্যাচার করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ কখনোই তা বিশ্বাস করে না। মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে আপনার বাবার নামও রাজাকারের তালিকায় আছে।

    চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ দখলবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী জাতি আশা করেছিল এবার তারা চাঁদাবাজ দখলবাজ টেন্ডারবাজ ও লুটেরাদের হাত থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যেভাবে চাঁদাবাজি দখলবাজি টেন্ডারবাজি লুটতরাজ জুলুম নির্যাতন মামলা বাজি হতো, এখনো সেভাবেই হচ্ছে। শুধুমাত্র হাত বদল হয়েছে আর বাকি সব আগের মতই আছি।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছে যে তারা ক্ষমতায় আসলে এসব এ ধরনের সকল অপকর্ম কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সমাজের আর কোন অসহায় পরিবারের উপর, সংখ্যালঘু ভাই-বোনদের ওপর কোন প্রকার জুলুম নির্যাতন হতে হবে না।

    ভোটারদের কাছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চেয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আপনাদের জন্য একটি আদর্শ ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে। এই এলাকার মানুষ অনেক বেশি অবহেলিত। আমরা স্বাস্থ্য চিকিৎসা শিক্ষা যোগাযোগ কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছি। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইপিজেড স্থাপন করব। স্বল্প খরচে মানুষের সেবা নিশ্চিত করব। সহজেই ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব করার ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকরা ন্যায্য দামে, সার,বীজ, কীটনাশক পাবে এবং তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে। নারীরা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সামাজিক মর্যাদা ফিরে পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে দাঁড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজে অবদান রাখবেন।

    জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ৷ আলমগীর, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় গণমাধ্যম কর্মীসহ এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    মাহবুব আলম, লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা :
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা তো নয়ই কোন একটি কর্মীও চাঁদাবাজি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর দুজন মন্ত্রী ছিলো তাদের বিরুদ্ধে কোন সংস্থা দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। আমাদের বাংলাদেশে বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা নতুন কিছু দিবে না। তারা আবার ক্ষমতায় আসলে জুলুম,চাঁদাবাজি ফিরে আসবে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে নারী শ্রমজীবীদের আট ঘন্টা কাজ করতে হবে না, তারা পাঁচ ঘন্টা কাজ করবে। ৬০ বছরের ওপরে যাদের বয়স তারা ফ্রি চিকিৎসা পাবে। ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাবে। বিগত সময়ে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ফ্যাসিস্ট সরকার পাচার করেছে। এসব টাকা ফিরিয়ে এনে বেকারদের কর্মসংস্থান করা হবে। আমরা তরুনদেরকে বেকার ভাতার পরিবর্তে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে যাকাত চালু করা হবে। তিনি বলেন আপনারা জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী নিজামুল হক নাঈমকে ফুলকপি মার্কায় বিজয়ী করবেন। আগামি দেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের।
    বুধবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) লালমোহন মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ভোলা-৩ আসন (লালমোহন-তজুমদ্দিন) ১১ দলীয় জোটের জামায়াত সমর্থিত ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী নিজামুল হক নাইমের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ১১দলীয় ঐক্যর জামায়াত সমর্থিত ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নিজামুল হক নাইম বলেন,স্বাধীনতার পর বিগত ৫৪ বছর আমরা নিস্পেশিত ছিলাম,আগামি ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আপনারা চাঁদাবাজির কবর রচনা করবেন,আমরা সকল অপশাসনের কবর রচনা করতে চাই। আগামিতে আলোকিত বাংলাদেশকে গড়তে তিনি সকলের কাছে ফুলকপিতে ভোট প্রার্থনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য বিডিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,পতিত স্বৈরাচারের দোসররা বাংলাদেশকে আবার ৫ই আগস্টের আগের অবস্থায় নিয়ে আমাদের জুলাইয়ের লক্ষ্য ধুলিসাৎ করার জন্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনসভায় বিশেষ অতিথি,জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, আগামির ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই। ডা:শফিকুর রহমানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ নতুন করে শপথ নিয়েছে। আপনারা দাঁড়িপাল্লা সমর্থিত ফুলকপিতে ভোট দিবেন। আমরা ন্যায় ইনসাফের সমাজ গড়বো। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৭ বছর নিস্পেশিত হয়েছে। তাঁরা যখন তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে তখনই আয়না ঘর নামক বন্দীশালায় তাদের নির্যাতন করেছে। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যাদের ক্ষমতার সময়ে তিনবার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা আবার কিভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতি মুক্ত করবে। এই জমিনে আর কোনো স্বৈরাচার বরদাশত করব না। যদি আমাদের মা বোনদের উপর হামলা হেনস্তা করা অব্যাহত রাখা হয় তাহলে ইসলামি ছাত্র শিবির এমন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আপনারা পালানোর জায়গা পাবেন না। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফুলকপি মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।
    জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ মোঃ আখতার উল্লাহর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল অঞ্চল টীম প্রধান মাওঃ ফখরুদ্দিন রাজি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট পারভেজ হোসেন, ভোলা জেলা জামায়াত আমীর মাষ্টার জাকির হোসেন, সেক্রেটারি মাও হারুনুর রশীদ,ভোলা- ৪ জামায়াত প্রার্থী মাওঃ মোস্তফা কামাল, জামায়াত সহ এগারো দলীয় জোটের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • বগুড়া সান্তাহারে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিছিল ও গণসংযোগ

    বগুড়া সান্তাহারে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিছিল ও গণসংযোগ

    সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি: ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌর শহরে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও মিছিল করেছে বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার বিকালে বগুড়ার সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে পৌর শহরের রেলগেট, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, হাটখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে এই গণসংযোগ ও মিছিল করা হয়। গণসংযোগে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। তিনি বলেন, ‘বিএনপি ছাড়া বগুড়ার উন্নয়ন কেউ করেনি। উন্নয়ন চাইলে অবশ্যই বিএনপি এবং জিয়া পরিবারের পক্ষে থাকতে হবে। ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ এবং তারেক রহমানের ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ধানের শীষের বিকল্প নেই। বিএনপি সরকার গঠন করলে আমাদের তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশাল্লাহ। এজন্য অতীতের আন্তরদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে সকলে মিলে আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মান্নান, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুল হক টিকন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আখতারুজ্জামান মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন, সাবেক কাউন্সিলর ওয়াহেদুল, মমতাজ, খোকন, বিএনপি নেতা তাজ উদ্দীন, রায়হান, সুজন, জেলা যুবদলের সদস্য মিজানুর রহমান তালুকদার জিকো, চপল, যুবদল নেতা মিনহাজুল, সিহাব, মাহমুদুল আলম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রুহুল, রাজ্জাক, মানিক, লিয়ন, ছাত্রদল নেতা শাকিব, জাহিদ, সোহাগ, সোহান, রাহুল, ফাহমিদ প্রমুখ।

  • দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত

    দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত

    মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর:
    দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় দিনাজপুর জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুলের নেতৃত্বে মিছিলটি পার্টি অফিস থেকে বের হয়ে মডার্ন মোড়, কোতোয়ালি থানা মোড়, মালদাহ পট্টি, নিমতলা, বুটিবাবুর মোড়, বাহাদুরবাজার, স্টেশনরোড ও লিলির মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক আক্তার, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ কচি, পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম।
    আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুজার রহমান সেতু, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরনবী ইসলাম শুভ, কোতোয়ালি থানা বিএনপি, মহিলা দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও পৌর বিএনপির ১২টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
    পথসভায় বক্তব্য রাখেন সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুল।

  • শিবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হাফেজ মনির হোসেনের কবর জিয়ারত করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

    শিবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হাফেজ মনির হোসেনের কবর জিয়ারত করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

    মোঃ তৌফিক আল হাসান:
    সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মোঃ রজব আলী সাহেবের সুযোগ্য সন্তান হাফেজ মনির হোসেনের মর্মান্তিক ইন্তেকালে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। গত কয়েক দিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
    (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
    মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কবর জিয়ারত করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের  সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, জননন্দিত আলেম মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাহেব।
    কবর জিয়ারতের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য  মাওলানা শাহাদাত হুসাইন , আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কবির হোসেন (মিলন) ও শিবপুর ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের মুসল্লি ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। জিয়ারত শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত, জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ধৈর্য ও সান্ত্বনা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
    এ সময় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাহেব বলেন, “হাফেজ মনির হোসেন ছিলেন একজন ভদ্র, দ্বীনদার ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন ব্যক্তি। তাঁর অকাল মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, গোটা এলাকার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।”
    স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
    আল্লাহ তায়ালা মরহুম হাফেজ মনির হোসেনকে জান্নাতবাসী করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এ শোক সইবার তাওফিক দান করুন—আমিন।
  • গাজীপুরের কালীগঞ্জে চলন্ত ট্রেনের দুই বগি বিচ্ছিন্ন

    গাজীপুরের কালীগঞ্জে চলন্ত ট্রেনের দুই বগি বিচ্ছিন্ন

    মো: সাজ্জাত হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
    গাজীপুরের কালীগঞ্জে ঢাকাগামী চলন্ত এগারোসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনের পেছনের দুটি বগি (কোচ) হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার (৫ই জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১০টার দিকে টঙ্গী-ভৈরব রেল লাইনে এই ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    রেলওয়ে সূত্র জানায়, সোমবার (৫ই জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১০টার দিকে টঙ্গী-ভৈরব রেল লাইনের দড়িপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় ঢাকাগামী চলন্ত এগারোসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনের পেছনের দুটি বগির সংযোগস্থল বা জয়েন্টের হুক খুলে গেলে বগি দুটি মূল ট্রেন থেকে আলাদা হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই রেলওয়ে কর্মীরা বগি দুটি পুনরায় সংযুক্ত করেন। এরপর ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। টঙ্গী-ভৈরব রেলপথটি ডাবল লাইন হওয়ায় সে সময় বিকল্প লাইন ব্যবহার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়। ফলে ওই রুটে ট্রেন চলাচলে বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন বলেন- বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • কেবল পোশাক নয়, পুলিশের মানসিকতায়ও পরিবর্তন আনা দরকার

    কেবল পোশাক নয়, পুলিশের মানসিকতায়ও পরিবর্তন আনা দরকার

    রাসেল আহমেদ: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের প্রাণ ঝরার পর থেকেই ইমেজ সংকটে বাহিনীটি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ বাহিনীতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। গঠন করা হয়েছে পুলিশ কমিশন। বাহ্যিক পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আইজিপি থেকে কনস্টেবল— সবার একই ধরনের পোশাক পরিধান এবং মনোগ্রাম ও ক্যাপ থেকে নৌকা চিহ্ন সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
    তবে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, কেবল পোশাকে পরিবর্তন নয়, দরকার মানসিকতায় পরিবর্তন। না হলে কেবল অর্থের অপচয় হবে। তারা মনে করিয়ে দেন, বর্তমানেও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত সদস্যদের পোশাক প্রায় একই।
    পুলিশের সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান বলেন, ব্যাটালিয়ন পুলিশ, জেলা পুলিশ ও মেট্রোপলিটন পুলিশ—তিনটা আইন দ্বারা পরিচালিত, যদি এক করে ফেলা হয় তাহলে মানুষ তো বিভ্রান্ত হবে। রাস্তায় পুলিশ দেখলে ভাববে যে তার হয়তো দরকার ব্যাটালিয়ন পুলিশের, সে ভেবে ফেলতে পারে এটা জেলা পুলিশ। সেজন্য পুলিশের সব ব্রাঞ্চকে বিশেষ করে তিনটা ব্রাঞ্চের সবাইকে একই পোশাকে নিয়ে আসলে পরে বোধহয় এ নিয়ে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে।
    সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সবার আগে পরিবর্তন আনতে হবে বাহিনীর মানসিকতায়। সাধারণ মানুষের প্রতি বদলাতে হবে পুলিশের আচরণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, পোশাক পরিবর্তন করলে পুলিশের সবাই যে ভালো হয়ে যাবে এর কোনো নিশ্চয়তা নাই। সুতরাং যে জায়গা থেকে প্রত্যাশিত পুলিশিং ব্যবস্থার সৃষ্টি হতে পারে সেটি প্রশিক্ষণ, তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে আসা, তার কমকাণ্ডের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
    বিদ্যমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বড় বাজেটের প্রকল্পের চেয়ে সেবামুলক পরিবর্তনে জোর দেয়ার পরামর্শ তাদের।