স্টাফ রিপোর্টার: দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও দুর্ধর্ষ ক্যাডার মিজানুর রহমান মিন্নুর (৪৭) কে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত দীন আলী গাজীর ছেলে। জানা গেছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকে জামায়াত-বিএনপি নেতা কর্মী ও নিরীহ মানুষকে দমন নিপীড়নের লক্ষে ব্যাপক তান্ডব চালাতে থাকে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে দেবহাটার নাংলা গ্রামের জামায়াতকর্মী আনারুল ইসলামকে মৎস্যঘের থেকে তুলে নিয়ে কথিত বন্দুক যুদ্ধ দেখিয়ে বিচার বহির্ভূত হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট নিহতের ভাই একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলা সহ আরো দুটি মামলায় অভিযুক্ত করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। আরো জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মিন্নুরের নেতৃত্বে পারুলিয়া এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে ওঠে। এই বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে জমি দখল, মৎস্যঘের দখল, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দখল, ভাংচুর, লুটপাট, মানুষের উপর হামলা, চোরা ঘাট, মাদক পাচার সহ বিভিন্ন অপকর্ম চলে আসছিল। এমনকি নিরীহ মানুষ, সংবাদকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে চাঁদাবাজী, হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুথানে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা পালিয়ে গেলে মিন্নুরও আত্নগোপনে চলে যান। এদিকে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাসহ আরও দুইটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। পারুলিয়ার এক যুবক জানায়, ২০২৩ সালে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী মারা যাওয়ার পরের দিন ১৫ আগস্ট দুপুরে বাড়ি থেকে মিন্নুরের অফিসে ডেকে নিয়ে তাকে মিথ্যা নাশকতা মামলায় পুলিশের কাছে তুলে দেয়। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। তার মত অসংখ্য মানুষকে মিথ্যা ভাবে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে মিন্নুর। সাম্প্রতিক দেবহাটায় ৫ সংবাদ কর্মীকে জড়িয়ে একটি মিথ্যা মামলার ইন্ধন দেয় যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিন্নুর। তার এক সহযোগীকে দিয়ে এ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করলে তার তদন্ত করে সিআইডি পুলিশ। পরে তদন্ত কর্মকর্তাদের নানা ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে মিন্নুর সহ আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে মামলাটি মিথ্যা হওয়ায় আদালত তা খারিজ করেছেন বিজ্ঞ বিচারক। এদিকে গ্রেফতার মিন্নুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বাহিনীর কাছে থাকা অস্ত্র সহ বিভিন্ন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মানে করেন অনেকে। দেবহাটা থানার ওসি মো. হযরত আলী জানান, জামায়াত কর্মী আনারুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিন্নুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া তিনি ২০১৯ সালের আরও দুটি মামলায় অভিযুক্ত। বুধবার তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
Category: সারাদেশ
-

কাজী আলাউদ্দিন ডিগ্রী কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান
স্টাফ রিপোটারঃ কালীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কাজী আলাউদ্দিন ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উৎসাহ উদ্দীপনা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবীন বরণ ও নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল ৩০ অক্টোবর ২০২৪ রোজ বুধবার সকাল ১১ টায় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যম অত্র কলেজের নবনির্বাচিত সভাপতি সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান ও নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয় কলেজ কতৃপক্ষ। উক্ত কলেজ আইটি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মোঃ ইসরাফিল হোসেনের সঞ্চালনায় অধ্যক্ষ আরিফ বিল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও নবনির্বাচিত কাজী আলাউদ্দিন ডিগ্রী কলেজের সভাপতি মাওলানা আজিজুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও উপজেলা নায়েবে আমির আলহাজ্ব মাওলানা লিয়াকত আলী ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ । অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবু ইসলাম সাবেক জি.বি সদস্য, আবু বকর সিদ্দিক সাবেক জি. বি সদস্য, মো:শামসুদ্দিন সানা, সাবেক জি.বি সদস্য, মো: মাষ্টার আব্দুল ওয়াজেদ, সাবেক জি.বি সদস্য, কাজী আলাউদ্দিন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আরিফ বিল্লাহ, তারালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, চাম্পাফুল ইউনিয়ন আমির নূরুল ইসলাম, ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ ইব্রাহীম প্রমুখ ।
-

আওয়ামী খুনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে কালিগঞ্জে জামাতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্টন হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের খুনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা।
সেই ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে সোমবার(২৮ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ সেতুর দক্ষিন পাশ্বে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জামাতের উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ পরবর্তি প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মুজাহিদুল আলম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, নায়েবে আমীর মাওলানা লিয়াকত আলী, সহকারী সেক্রেটারী মোশাররফ হোসাইন চৌধুরী, আবু ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম, বায়তুল মাল সেক্রেটারী আবু রাসেল আসকারী, তা’লিমুল কুরআন বিভাগীয় সভাপতি মাওলানা নুরুজ্জামান হাবীবী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাস্টার সালাউদ্দীন, জামায়াতের উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান, মাষ্টার ইউসুফ আলী, জামায়াতের চাম্পাফুল ইউনিয়ন আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম, নলতা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার আকবার হুসাইন, রতনপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আমীর মোঃ ইব্রাহিম বাহারি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কালিগঞ্জ পূর্ব আদর্শ শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ জামাল ফারুক, পশ্চিম আদর্শ শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আজগার আলী, কালিগঞ্জ পূর্ব আদর্শ শাখার সভাপতি আজহারুল ইসলাম, পশ্চিম আদর্শ শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম, কালিগঞ্জ উত্তর সাথী শাখার সেক্রেটারী মোঃ মারুফ বিল্লাহ, শহীদ মোস্তফা আরিফুজ্জামানের পিতা শেখ আফতাব উদ্দীন, শহীদ আলী মোস্তফার ভাই মোঃ শাহ্ সিদ্দীক, শহীদ রুহুল আমিনের পিতা নূর ইসলাম গাজী প্রমুখ। -

আশাশুনিতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী
আশাশুনি প্রতিনিধি।। আশাশুনিতে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর-২০০৬ পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় উপজেলার আশাশুনি সদর,বুধহাটা, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে পৃথক পৃথক ভাবে দিবসটি পালিত হয়েছে। আশাশুনি সদর ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আব্দুল হাই এর পরিচালনায় আশাশুনি বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, বিএনপির আহবায়ক স,ম হেদায়েতুল ইসলাম,জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোশারফ হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক উপজেলা আমীর ডাক্তার নুরুল আমিন, বিএনপির সেক্রেটারী মশিউল হুদা তুহিন,জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এবিএম আলমগীর পিন্টু, মাওলানা আব্দুর রশিদ, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা জিয়াউল ইসলাম,সাবেক ছাত্র শিবির সভাপতি বেলাল হোসেন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বায়ক ওমর ফারুক,শহীদ জাবিদের পুত্র হাফেজ ওসমান গনি প্রমুখ। বুধহাটা ইউনিয়: উপজেলার বুধহাটা করিম সুপার মার্কেটে যুব বিভাগ সেক্রেটারী আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডাক্তার রোকনুজ্জামান,ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ। প্রতাপনগর ইউনিয়ন: প্রতাপনগর তালতলা বাজারে ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আল আমিন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মান্নান,উপজেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা রিয়াছাত আলী,উপজেলা সহকারী সেক্রেটারী শাহ ওহিদুজ্জামান শাহীন, মাওলানা অহিদুজ্জামান,মাওলানা শফিকুল ইসলাম,ছাত্রশিবির সভাপতি মুহিবুল্লাহ প্রমুখ। শ্রীউল্লা ইউনিয়ন: ইউনিয়নের নাকতলা কালীবাড়ি বাজারে ইউনিয়ন আমির মাওলানা লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল কুদ্দুস।অন্যান্যের মধ্যে শাহিনুর রহমান,মাওলানা আব্দুল হাকিম,আব্দুর রহমান প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা। অবিলম্বে ২৮ শে অক্টোবরের খুনিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পুনরা সচল করে খুনিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।আলোচনা সভা শেষে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর২০০৬ এর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
-

দেবহাটা জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী
রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবরে লগি-বৈঠার তাণ্ডব: আজ দেবহাটা জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
দেবহাটা সখিপুর প্রতিনিধি: রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর আজ। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা ও লাশের উপর নৃত্য করার প্রতিবাদ ও খুনিদের বিচারের দাবিতে এবং শহীদদের স্মরণে পারুলিয়া প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেবহাটা উপজেলা শাখা।
আজ ২৮ অক্টোবর (সোমবার) বিকাল ৩ টায় পারুলিয়া বাস স্ট্যান্ড জামায়াত অফিস চত্ত্বরের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও শহীদদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম’র সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এইচ এম ইমদাদুল হকের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সাতক্ষীরা জেলার সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, জেলা অফিস সম্পাদক রুহুল আমিন, জেলার অন্যতম সদস্য মোস্তফা আছাদুজ্জামান মুকুল, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি সোলায়মান হোসাইন,ও আব্দুল গফুর সরদার, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল অহেদ, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ইসরাইল হোসেন, উপজেলা উত্তর ছাত্রশিবির সভাপতি রোকনুজ্জামান, উপজেলা সদস্য জিয়াউর রহমান, উপজেলা সদস্য মাওলানা সামছুল আরিফ, উপজেলা জামায়াতের মিডিয়া বিভাগের সভাপতি রাজু আহমেদ,সাবেক সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ময়নুদ্দীন ময়না, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আনারুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু ইউসুফ, সখিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইয়াকুব আলী সরদার, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাহবুবুল আলম, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। -

দৈনিক সংগ্রামের চিফ রিপোর্টার হলেন সামছুল আরেফীন
সিনিয়র রিপোর্টার সামছুল আরেফীনকে দৈনিক সংগ্রাম- এর চিফ রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়।
সামছুল আরেফীন দুই যুগের বেশি সময় ধরে দৈনিক সংগ্রামে রিপোর্টিং বিভাগে কাজ করে আসছেন । সামছুল আরেফীন ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টার হিসেবে দৈনিক সংগ্রামে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সাল থেকে তিনি স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।
সম্প্রতি দৈনিক সংগ্রামের বিশেষ প্রতিনিধি ও চিফ রিপোর্টার বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ইন্তেকাল করেন। এরপর কর্তৃপক্ষ সামছুল আরেফীনকে চিফ রিপোর্টার হিসেবে তার শূন্য পদে নিয়োগ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান, বার্তা সম্পাদক (চলতি দায়িত্ব) সাদাত হোসাইন, সিনিয়র সাব এডিটর আশরাফুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবু ইউসুফ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম এবং সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনে সামছুল আরেফীন এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
কর্মক্ষেত্রে শুভাকাঙ্ক্ষী ও কলাকুশলীদের দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন নবনিযুক্ত চিফ রিপোর্টার সামছুল আরেফীন।
-

কোন গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আব্দুল খালেক
১৬ বছর পর সাতক্ষীরায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন
কোন গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আব্দুল খালেকআগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত: আবুল কালাম আজাদ
ছবি আছে,সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে ১৬ বছর পর প্রকাশ্যে রুকন সম্মেলন ও শিক্ষা বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা।
শুক্রুবার (২০ সেপ্টেম্বর ) সকাল থেকে সাতক্ষীরা আলামিন ট্রাস্টে সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমান অডিটোরিয়ামে এই শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
কর্মশালায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনা রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর, উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। রুকন সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর, শেখ নুরুল হুদা,সহকারী সেক্রেটারী প্রফে. ওবায়দুল্লাহ, প্রফে. ওমর ফারুক, মাহবুবল আলম, জেলা কর্মপরিষদ এ্যাড.আব্দুস সুবহান মুকুল, ডা.মাহমুদুল হক, জামশেদ আলম, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, মাওলানা ওসমান গনি, অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেস, শহর আমির জাহিদুল ইসলাম, সেক্রটারী খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, সদর আমীর মাওলানা শাহাদাত হোসেন, শহর ছাত্র শিবিরের সভাপতি আল মামুন, জেলা ছাত্র শিবরের সভাপতি ইমামুল হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এ বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে দল-মত-নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় রুকনদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সকল পর্যায়ে দায়িত্বশীল মানুষ তৈরি করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এখন দেশটাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।বিশেষ অতিথি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা মানুষের মর্যাদা দেয়নি, বরং আমাদের ক্ষেত্রে সব সময় শূন্য সহনশীলতা দেখানো হয়েছে। আমাদের ওপর অঘোষিতভাবে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ আগে থেকেই ছিল। এমন কোনো জুলুম-নির্যাতন নেই, যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। প্রথমসারির সকল নেতাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই রোধ করতে পারেনি।
বরং শত শাহাদাত ও জুলুম-নির্যাতনের পথ ধরেই জামায়াত কাক্সিক্ষত গন্তব্যে সফলভাবেই অগ্রসর হচ্ছে। আগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। -

আশাশুনিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু
এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি প্রতিনিধি।। আশাশুনিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম গোলাম হোসেন(৪৫)। মঙ্গলবার(১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে,রাজাপুর গ্রামের রবিউল সরদারের ছেলে গোলাম হোসেন বাড়িতে বিদ্যুৎ লাইনের কাজ করছিলেন। মেইন লাইনে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় মিটারের সার্ভিস তারের সংযোগের লাইনে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ বিদ্যুৎ লাইন চালু হলে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। বাড়ির লোকজন তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার চেষ্টা করলেও সার্ভিস তারে পুরো শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বুধবার সকালে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসী শোকাহত। -

সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ‘গ্রাহক আস্থায় ফিরবে দিন দেশ গড়ায় অংশ নিন’ স্লোগানে ০১-৩০ সেপ্টেম্বর-২৪ গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে ১৮ই সেপ্টম্বর ২০২৪ বিকেল ৫ টায় গ্রাহকদের সাথে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সাতক্ষীরা শাখার কর্মকর্তাদের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় শাখা প্রধান ও এভিপি মোহাম্মদ সাদেক আলীর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র অফিসার শেখ বেলাল হোসেনর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জোনালের ইভিপি কামরুল বারী ইমামী। অনুষ্ঠটানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার আমানুল্লাহ আল হাদী, আগরদাড়ি কালিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ব্যবসায়ি, মাহবুর আলম, সানি আব্দুল খালেক, শাখা ম্যানেজার অপারেশানস সৈয়েদ শামসুল ইসলাম, ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহক।
উপস্থিতিদের উদ্দেশ্য ইসলামি ব্যাংকের কর্মরত বক্তারা বলেন, সুদমুক্ত ব্যাংকিংয়ের কল্যাণমুখী অভিযাত্রায় সব সময় আমরা আপনাদের পেয়েছি সহযাত্রী হিসেবে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রতি আপনাদের পাহাড়সম আস্থা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাদের চলার পথকে করেছে সাবলীল এবং গতিময়। আগামীতে সর্বোচ্চ ও দ্রুত গ্রাহক সেবা দেয়ার আশ্বস্ত করেন। -

প্রতিবন্ধী হত্যা: ঘাতকসহ তার পরিবারের সদস্যদের গণধোলাই
তৃতীয় শ্রেণীর এক শারীরিক প্রতিবন্ধি ছাত্রীকে মাথায় হাতুড়ি মেরে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক, তার বাবা ও মাকে আটক করে করেছে।
নিহত প্রতিবন্ধির নাম চুমকি খাতুন (২০)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের রেজাউল ইসলামের মেয়ে ও সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী।
ঘাতকের নাম ইলিয়াস হোসেন। সে একই গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। গণধোলাইয়ের শিকার ইলিয়াসকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের শহীদুল ইসলামের স্ত্রী ছখিনা খাতুন জানান, থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির পাশে তিন রাস্তা মোড়ে শনিবার সকাল ৯টা থেকে মাহফিল শুরুর কথা ছিল। সে কারণে সকাল পৌনে ৯টার দিকে তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধি বোন চুমকি ওই মাহফিল অনুষ্ঠানে খাবার কিনতে যাচ্ছিল।
৯টার দিকে সে মাধব স্বর্ণকারের দোকানের সামনে পৌঁছাতেই পিছন দিক থেকে তারে বাড়ির পাশের ইলিয়াস হোসেন হাতুড়ি দিয়ে বোন চুমকির মাথায় সজোরে আঘাত করে।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চুমকি মারা যায়। চুমকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইলিয়াস, তার বাবা আকরাম হোসেন, মা মনোয়ারা খাতুন, বোন নার্গিস ও ভগ্নিপতি লিটন, ভাগ্নে শান্ত ও শাওনকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর র্যাব সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।
ছখিনা খাতুন আরো জানান, ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত যুবক। তার বাবা এক সময় ঢাকাগামি পরিবহনের চালক ছিল। ইলিয়াস সম্প্রতি পরিবহন চালকের সহায়তাকারি হিসেবে কাজ করতো। মাদকাসক্তির কারণে ইলিয়াস ইতিপূর্বে নিজের মাকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে। এমনকি তার (ছখিনা) ভাগ্নে আল আমিনসহ কয়েকজনকে মারপিট করে ইলিয়াস। উৎপাত সহ্য করতে না পেরে পরিবারের লোকজন তাকে ধরে পুলিশের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। সম্প্রত তার মা মনোয়ারা ও বোন নার্গিস তাকে জামিনে মুক্ত করে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মমতাজ মুজিবর জানান, ভারী জিনিস দিয়ে চুমকির মাথায় আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ জনিত কারণে সে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা গেছে।
সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, চুমকি তার বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। ঘাতক ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত।
সাতক্ষীরা সদরন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তারা কাউকে আটক করেননি। তবে র্যাব কাউকে আটক করতে পারে।
খুলনা র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ ফয়সাল তারভির জানান, থানাঘাটায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি ঘাতকসহ তার পরিবারের কয়েকজনকে ধরে রাখলে র্যাব যেয়ে তাদেরকে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।
