Category: সাতক্ষীরা

  • জ্বালানি সংকটে কৈখালীতে তরমুজের বাম্পার ফলনেও ন্যায্য দাম নেই

    জ্বালানি সংকটে কৈখালীতে তরমুজের বাম্পার ফলনেও ন্যায্য দাম নেই

    এবিএম কাইয়ুম রাজ: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বৃষ্টি এবং কৃষকদের পরিশ্রমে শুরুতে আশাবাদী ছিলেন চাষিরা। তবে বৃষ্টির অনিয়মিততা কিছু জমিতে ফসলের ক্ষতি ঘটায়। এরপর জ্বালানি সংকটের কারণে পাইকারি ক্রেতারা বাইরের জেলা থেকে আসতে না পারায় পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে উঠেছে। ফলে শতাধিক চাষি আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কৈখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও আবাদি জমিতে এ বছর ব্যাপক পরিসরে তরমুজ চাষ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হওয়ায় মাঠজুড়ে সারি সারি তরমুজ থাকলেও বাজারজাতকরণে কৃষকরা চরম সংকটে রয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তরমুজ পড়ে থাকছে, সময়মতো বিক্রি না হলে তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করতে বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকসহ বিপুল খরচ হয়েছে। অনেকে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। মৌসুম শুরুর দিকে ভালো দামের আশা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আশা ভেস্তে গেছে। কৈখালী ইউনিয়নের চাষি আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, “প্রতি বছরই বাইরের পাইকাররা এসে ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যেত। কিন্তু এবার জ্বালানি সংকটের কারণে কেউ আসতে পারছে না। ফলে আমরা কম দামে বিক্রি করছি, এতে লাভ তো দূরের কথা খরচই ওঠে না।” আরেক চাষি আব্দুল গনি মোড়ল বলেন, “এত ভালো ফলন জীবনে কমই দেখেছি। কিন্তু বিক্রি করতে না পারায় অনেকেই হতাশ। ক্ষেতেই তরমুজ পড়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।” চাষি মোমিন আলি কারিকর জানান, “পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। নিজেরা ভাড়া করে পণ্য পাঠানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আবার ক্রেতাও নেই। দুই দিক থেকেই ক্ষতির মধ্যে আছি।” কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, “কৃষকরা খুব কষ্ট করে তরমুজ চাষ করেছেন। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে বাইরের ক্রেতারা আসতে পারছেন না। এতে কৃষকরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং দ্রুত সমাধানের জন্য অনুরোধ করেছি।” উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ জানান, “এ বছর তরমুজের ফলন অত্যন্ত ভালো হয়েছে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনায় কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যার অন্যতম কারণ জ্বালানি সংকট। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি এবং বিকল্প বাজার ব্যবস্থার বিষয়েও কাজ করছি। ”স্থানীয় সমাধান প্রস্তাব সচেতন মহল মনে করছেন- দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা, কৃষিপণ্য পরিবহনে বিশেষ সুবিধা প্রদান, অস্থায়ী হাট বা সংগ্রহ কেন্দ্র চালু করা সরকারি পর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়, চাষিরা দাবি করেছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এবারের বাম্পার ফলনই তাদের জন্য বড় লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন

    এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন

    স্টাফ রিপোর্টার: একটি কেক, কিছু হাসি আর ভাগাভাগি করা ভালোবাসা- এভাবেই সাতক্ষীরায় উদযাপিত হলো যমুনা টেলিভিশনের একযুগ পূর্তি। উৎসবের এই দিনটি ছড়িয়ে দেয় মানবিকতার আলো; এতিম শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি, আর পথের শ্রমজীবী মানুষের হাতে পৌঁছে যায় ভালোবাসার খাবার। রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টায় সরকারি শিশু পরিবারে এতিম শিশুদের নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। শিশুদের উচ্ছ্বাস আর প্রাণবন্ত উপস্থিতি মুহূর্তেই অনুষ্ঠানটিকে করে তোলে উৎসবমুখর। এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক আবুল কাশেম। বক্তব্য দেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ, কল্যাণ ব্যানার্জী, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, সরকারি শিশু পরিবারের উপ-পরিচালক আয়েশা খাতুন, স্বাগত বক্তব্যে যমুনা টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলাম বলেন, “মানুষের পাশে থেকে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের পথচলার মূল শক্তি।” অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক হোসেন আলী। আলোচনা শেষে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম বাবুলের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সকল কলাকুশলীদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ইউনুচ আলী। পরে এই মানবিক আয়োজন ছড়িয়ে পড়ে শহরের পথে। দরিদ্র ভ্যানচালকদের মাঝে ফুড প্যাকেজ বিতরণ করা হলে তাদের মুখেও ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি। একযুগের এই পথচলা শুধু একটি গণমাধ্যমের সাফল্যের গল্প নয়-এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার এক নিরন্তর অঙ্গীকার।

  • বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৬১তম বার্ষিক মাহফিল সম্পন্ন

    বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৬১তম বার্ষিক মাহফিল সম্পন্ন

    বিশেষ প্রতিনিধি: বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৬১তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শনিবার (৪ এপ্রিল) সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বাদ আসরের পর বকচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম বিপ্লবী। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাওঃ আফছার উদ্দীন, খানপুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওঃ শফিকুল ইসলাম চিকরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাওঃ শাহাদাৎ হোসাইন, মাওঃ মোশারফ হোসেন, মোঃ কবির হোসেন (মিলন), মোঃ আফতাবুজ্জামান (আফতাব) এবং মুফতি মাওঃ এম. এ. আবুল খায়ের। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবুল হামান, যা ধর্মীয় শিক্ষার আলোয় উপস্থিত দর্শক ও শিক্ষার্থীদের মননশীলতার উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।

  • তীব্র দাবদাহে জনজীবনে স্থবিরতা

    তীব্র দাবদাহে জনজীবনে স্থবিরতা

    স্টাফ রিপোর্টার: ভোর হতেই সূর্যের উত্তাপ জানান দিচ্ছে দিনটি কতটা অসহনীয় হতে চলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাতক্ষীরার আকাশ যেন আগুনের গোলার মতো জ্বলছে। গত তিন দিন ধরে তীব্র দাবদাহে দিশেহারা হয়ে পড়েছে জেলাটির জনজীবন। গাছপালা ঝিমিয়ে পড়ছে, মাঠঘাট ফেটে চৌচির, আর মানুষ ও প্রাণিকুল হাঁসফাঁস করছে একটু স্বস্তির খোঁজে। একদিকে অসহনীয় গরম, অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দোসর-সব মিলিয়ে জনজীবন এখন এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিন ধরে সাতক্ষীরার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। শনিবার আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকলেও তাপমাত্রার পারদ ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে অবস্থান করছে। এর ওপর বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গরমের তীব্রতা অনুভব হচ্ছে আরও বেশি। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। যারা বের হতে বাধ্য হচ্ছেন, তারা তীব্র রোদ আর ধুলোবালি থেকে বাঁচতে ছাতা, হ্যাট বা স্কার্ফ ব্যবহার করছেন। সাতক্ষীরা শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় কথা হয় ভ্যানচালক রফিকুল ইসলামের সাথে। পেশার তাগিদে এই তীব্র রোদেও রাস্তায় বের হতে হয়েছে তাকে। তিনি জানান, “গত তিন দিন ধরে ভ্যান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। শরীর দিয়ে ঘাম বের হচ্ছে না, শুধু জ্বালাপোড়া করছে। দুপুরের দিকে রাস্তা দিয়ে তাকালে মনে হয় রাস্তা থেকে ধোঁয়া উঠছে। এই সময়ে এমন গরম গত কয়েক বছরে খুব একটা দেখা যায়নি।” সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান সহকারী জুলফিকার আলি রিপন বলেন, শুক্রবার বিকাল ৩টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দুপুর আড়াইটায় তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রির একটু বেশি। এ অবস্থা আরও দুই-একদিন থাকতে পারে। এদিকে তীব্র গরমের সরাসরি প্রভাব পড়েছে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে হিটস্ট্রোকের ভয়ে বা গরমে অসুস্থ হয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার খাওয়ার জন্য।সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, গত তিন দিনে প্রচুর সংখ্যক মানুষ জ্বর, মাথাব্যথা, পানিশূন্যতা এবং হিট-ক্র্যাম্পের সমস্যা নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, “তীব্র দাবদাহের সময় বাইরের কাজ এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে ভালো। যদি বাইরে বের হতেই হয়, তবে ছাতা ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। স্যালাইন বা ডাবের পানি পান করাও শরীরের জন্য এখন খুবই প্রয়োজন।” দাবদাহের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি খাত। সাতক্ষীরার মাঠগুলোতে এখন ধান পাকার সময়। দিনের বেলা শ্রমিকরা মাঠে কাজ করতে পারছেন না। মাঠের মাটি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে, যার ফলে সেচ ব্যবস্থা সচল রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমের মুকুল ও গুটির ওপরও এই তাপপ্রবাহের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।বাগানিরা বলছেন, তাপমাত্রা যদি আরও কয়েক দিন এমন থাকে এবং ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয় তবে আমের বড় ধরনের ক্ষতি হবে। গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত পানি পৌঁছাতে না পারলে ফলের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে এবং ঝরে পড়ার হার বেড়ে যাবে। শুধু মানুষ নয়, গৃহপালিত পশু ও পাখিরাও এই দাবদাহ থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ছায়াঘেরা জায়গার সন্ধানে প্রাণীরা ছোটাছুটি করছে। গবাদি পশুর খামারিরা জানিয়েছেন, গরমে গরুর দুধ উৎপাদন কমে গেছে। তাদের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে খামারিরা সারাদিন ফ্যান চালানো বা গবাদি পশুকে পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়ার মতো বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।প্রকৃতি যেন বৃষ্টির জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। খাল-বিল, পুকুর ও নদীগুলোর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় চারপাশের গাছপালা মলিন হয়ে গেছে। সবুজের ওপর ধূসর আস্তরণ জমেছে যেন। তবে আশার কথা হলো, আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৬ এপ্রিল থেকে কিছুটা স্বস্তির বাতাস বইতে পারে। সেদিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা এই দীর্ঘ দাবদাহের অবসান ঘটাতে পারে। তীব্র গরমে শহরের কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি ও শরবত বিতরণ করতে দেখা গেছে। অসহনীয় এই পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে পথচারীদের। তবুও, সামগ্রিক পরিস্থিতিতে নাগরিক জনজীবন এখন এক ধরনের ক্লান্তিতে ডুবে আছে। প্রকৃতির এই রুদ্রমূর্তি মানুষের সীমাবদ্ধতাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানো ও সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে সাতক্ষীরার বাসিন্দারা এখন কেবলই আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন, এক পশলা বৃষ্টির প্রতীক্ষায়। বৃষ্টির কোমল স্পর্শে পৃথিবী আবার সজীব হয়ে উঠবে-এই কামনাই এখন সাতক্ষীরাবাসীর কণ্ঠে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে সচেতন মহল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও সাধারণ মানুষকে রোদের তীব্রতা থেকে সতর্ক থাকতে নিয়মিত নির্দেশনা প্রচার করছে। আশা করা যায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং জনজীবনে স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে আসবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও গরমের তীব্রতা বজায় থাকবে। পরবর্তী ২-৩ দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলা বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • শিখন ঘাটতি পূরণে খুলল প্রাথমিক বিদ্যালয়

    শিখন ঘাটতি পূরণে খুলল প্রাথমিক বিদ্যালয়

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর শনিবার দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে পড়াশোনা শুরু করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরের বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা ও সিলেবাস শেষ করতে আগামী আরও ৯টি শনিবারেও নিয়মিত পাঠদান অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকাল থেকেই সাতক্ষীরা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আজকের উপস্থিতি ৮৫ শতাংশের ওপরে। তবে শ্যামনগর উপজেলায় বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে ক্লাস পরিচালনায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজ নিশ্চিত করেছেন, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিচ্ছে। প্রথম দিন কিছুটা কম শিক্ষার্থী আসলেও আমরা শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্লাসে অংশগ্রহণ করিয়েছি। দক্ষিণ ফিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকিয়া সুলতানা জানান, অভিভাবকরা শনিবারের এই বাড়তি শ্রেণি কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তবে গরমের কারণে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিন বলেন, “কোনো শিক্ষার্থীর গুরুতর অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অনেকের বাড়িতে ছোট ভাইবোনরা সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।” উল্লেখ্য, প্রাথমিক স্তরে শনিবারের ক্লাস চালু হলেও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে ক্লাস শুরু হওয়ায় ঝিমিয়ে পড়া শিক্ষাকার্যক্রম পুনরায় গতিশীল হবে।

  • শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতি বাড়াতে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে মিড-ডে মিল

    শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতি বাড়াতে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে মিড-ডে মিল

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ চালু রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজের উদ্যোগে পারিবারিক অর্থায়নে ভর্তি ও উপস্থিতিতি বাড়াতে নিয়মিতভাবে মিড-ডে মিল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মিড-ডে মিলের মেনু ছিল সিদ্ধ ডিম ও বন রুটি। এছাড়াও সবজি খিচুড়ি, খিচুড়ি ডিম, মাংস, কলা, পাউরুটি ও সিদ্ধ ডিম দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা বানু, শামসুন্নাহার, ছাবিরা আক্তার, জামিলা খাতুন, হাফিজা খাতুন এবং দপ্তরী কাম প্রহরী আলামিন ইসলাম। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মিড-ডে মিল চালু হওয়ার আগে গড় উপস্থিতি ছিল ৬০-৬৫ শতাংশ, এখন তা বেড়ে ৯০ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে ঝরে পড়ার হারও কমেছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ১৬০ জন শিশু পড়াশোনা করছে। তাদের মধ্যে অনেকের পরিবার আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান নয়। আগে অনেক শিশু নিয়মিত স্কুলে আসত না। প্রধান শিক্ষকের এই উদ্যোগে এখন শিশুরা পুষ্টিকর খাবারের জন্যও নিয়মিত স্কুলে আসে, পড়াশোনায় মনোযোগও বেড়েছে। প্রধান শিক্ষকের বড় ভাই ডা. মেহেদী নেওয়াজ, অর্থোপেডিক সার্জন এবং প্রাক্তন উপাধাক্ষ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মরত, বর্তমানে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বে আছেন। তিনি মিড-ডে মিল কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন। এছাড়া উনার ছোট বোন নাহ রুমা শাহতাজ ও এ বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন। বিদ্যালয়ের অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন অভিভাবক বলেন, “আগে বাচ্চারা স্কুলে যেতে চাইতো না, এখন খাবারের জন্য হলেও নিয়মিত যায়। পড়াশোনাতেও আগ্রহ বাড়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা জানান, মিড-ডে মিল কার্যক্রম শুধু পুষ্টি নয়, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও অংশগ্রহণও বাড়াচ্ছে। প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টি দেওয়া নয়। আমরা চাই, তারা নিয়মিত স্কুলে আসুক, পড়াশোনায় আগ্রহী হোক এবং স্বাস্থ্যবান হোক। এই ছোট্ট উদ্যোগ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে। ভবিষ্যতে আরও পুষ্টিকর এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।” দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছিলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, পরবর্তী পর্যায়ে তা দেশের সব সরকারি স্কুলে বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করছে না, বরং পড়াশোনার মানও উন্নত করছে এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিতি বাড়াচ্ছে।

  • সাতক্ষীরায় সামাজিক সংহতি জোরদারে প্রচারাভিযান

    সাতক্ষীরায় সামাজিক সংহতি জোরদারে প্রচারাভিযান

    শাহ জাহান আলী মিটন: সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতা ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় চালতেতলা মিশন (ক্যাথলিক চার্চ) হলরুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো, একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায়। সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমান, পুরোহিত তৃপ্তি রঞ্জন চক্রবর্তী, ফাদার ডমিনিক সরকার, পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম, সাবেক কাউন্সিলর শফিকউদ-দৌলা সাগর ও ফরিদা আক্তার বিউটিসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, আন্তঃসম্প্রদায় ও আন্তঃপ্রজন্ম সমন্বয় সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ধর্মীয় নেতা ও তরুণদের যৌথ উদ্যোগে সমাজে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব। আলোচনায় সামাজিক সম্প্রীতি নষ্টের কারণ চিহ্নিত করা, সমাধান নির্ধারণ এবং ধর্মীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তরুণদের সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং স্থানীয় শান্তি-সম্প্রীতি কমিটিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব হোসেন।

  • সাতক্ষীরায় জামায়াতের অগ্রসর কর্মী শিক্ষা শিবির

    সাতক্ষীরায় জামায়াতের অগ্রসর কর্মী শিক্ষা শিবির

    আশরাফুজ্জামান: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় অগ্রসর কর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলা জামায়াত অফিস মিলনায়তনে এ শিবির হয়। উপজেলা আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ড. রুহুল আমিন ও মাওলানা শাহাদাত হোসাইন। এছাড়া উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজাদুর ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান, মুহাদ্দিস আলাউদ্দিন আল আজাদ ও শহিদ হাসানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা কর্মীদের ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও ত্যাগের মনোভাব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শেষে দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

  • খড়িবিলায় কেপিএল নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

    খড়িবিলায় কেপিএল নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার খড়িবিলায় শুরু হয়েছে ‘খড়িবিলা প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল) নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ফ্লাডলাইটের আলোয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। খেলা দেখতে মাঠে ভিড় করেন শত শত দর্শক। উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বকুল, ওয়ার্ড আমির হাফেজ মাও. নুরুল হক ও সেক্রেটারি মাও. আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা। শর্ট পিস ফরম্যাটের এ টুর্নামেন্টে ব্যতিক্রমী নিয়ম রাখা হয়েছে। কোনো ব্যাটসম্যান ছক্কা মারলে আউট হিসেবে গণ্য হবেন, তবে চার মারলে রান যোগ হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে টিম আমিনুর টিম রাদিতকে হারিয়ে জয় পায়। বক্তারা বলেন, খেলাধুলা তরুণদের শৃঙ্খলা ও দলগত চেতনা গড়ে তোলে। মাদক ও অনলাইন গেমের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্থানীয়রা এ আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে তরুণরা ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে এবং এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

  • বক্তব্য ভাইরাল: সাতক্ষীরার সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয়: মন্ত্রীকে আব্দুর রউফ

    বক্তব্য ভাইরাল: সাতক্ষীরার সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয়: মন্ত্রীকে আব্দুর রউফ

    স্টাফ রিপোটার: সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে বিপুল ভোটে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী আলহাজ¦ আব্দুর রউফের একটি বক্তব্য আবারও ভাইরাল হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সাথে সাতক্ষীরা বিএনপির নেতাদের মতবিনিময় সভায় আব্দুর রউফকে বলতে শোনা যায়, সাতক্ষীরায় বিএনপির পরাজিত ৪ এমপির পক্ষে প্রতিমন্ত্রীর কাছে দাবি, সরকারি সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন তাদের মাধ্যমে করা হয় নইলে দল টিকিয়ে রাখা যাবে না। ১ মার্চ বিকেলে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক, রহমতউল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদীসহ জেলার সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির পরাজিত প্রার্থী আলহাজ¦ আব্দুর রউফের এমন মন্তব্যে পর সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্টরা ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন। সরদার রহমান লেখেন, “ভালো প্রস্তাব। না হলে নেতা কর্মীরা খাবে কি? গচ তো চাঁদাবাজি করতে দিবে না। প্রকল্প গুলা তাদের হাতে দিলে কাজ হোক বা না হোক পকেট তো ভারি হবে।” ডালিম হোসেন লেখেন, “এদের নূন্যতম লজ্জা নেই, দেড় লাখ ভোটে পরাজিত, আবার ওদের দিয়ে কাজ করাতে হবে। আবার কখন নাক মুখ বাষ্ট করে দেবে।”মুস্তাফিজুর রহমান লেখেন,“ তাহলে নির্বাচন দেয়ার দরকার কি তোমরাই ক্ষমতা নিয়ে নিতে,অপেক্ষা করো সময় হয়ে আসছে।” আব্দুল্লাহ লেখেন, “তাহলে এক কাজ করা হোক যেখানে জামাতের এমপি জিতেছে সেখানে বিএনপির পরাজিত প্রার্থীর হাতে কাজ দেওয়া হোক এবং যেখানে বিএনপি জিতেছে সেখানে পরাজিত জামাতের প্রার্থীর হাতে কাজ দেওয়া হোক।”রাসেল লেখেন, “নির্বাচনে অনেক খরচ হয়েছে ফেল তো করেছি, খরচ তো উঠাইতে হবে উন্নয়ন বাজেট চাই।” মনির লেখেন, “চুরি আর দুর্নীতি করার ধান্দা।”সোহেল লেখেন,“এনসিপি এবং জামাত যে আসনে জয় পেয়েছে সে সব আসনে দুর্নীতি হবার সম্ভাবনা নাই।”