Category: সাতক্ষীরা

  • সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা

    সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা

    স্টাফ রিপোর্টার: সংক্রমণ রোধে সাতক্ষীরায় এক লাখ ৭৭ হাজারের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা দেবে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ দিনব্যাপী চলবে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন। টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু পাবে এ টিকা। জেলার প্রাক-প্রাথমিক ও এর সমমান শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের এবং কমিউনিটি ক্লিনিকে এমআর টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে শিশুদের। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এমআর (হাম-রুবেলা) ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর জেলা সমন্বয় সভায় সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, জেলার ৭টি উপজেলায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৫২ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে। প্রথম আট দিন কমিউনিটি পর্যায় এবং শেষে তিন দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই টিকা দেয়া হবে। ১১ দিনের এ ক্যাম্পেইনে যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে, সেজন্য সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি মাইকিং ও ওয়ার্ডভিত্তিক প্রচারণা চালানো হবে। সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল (বিপিএম)। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রওশনারা জামান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ডা: ফরহাদ জামিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা: রাশেদ উদ্দিন মৃধা, জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট শেখ আবদুল বাকি প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সকল অভিভাবকদেরকে তাদের শিশুকে ইপিআই অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়। আগামী ২০ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর কেন্দ্রে এ টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

  • ১৭ কেন্দ্রে একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা, প্রস্তুত সাতক্ষীরা

    ১৭ কেন্দ্রে একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা, প্রস্তুত সাতক্ষীরা

    সাতক্ষীরা জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হচ্ছে আজ। জেলার সাতটি উপজেলায় মোট ৮ হাজার ৫০২ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি কেন্দ্র। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বালক ৩ হাজার ৩০৫ জন এবং বালিকা ৩ হাজার ৪৮৭ জন। উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে সদর উপজেলায়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ৪৭৫ জন পরীক্ষার্থী দেবহাটায়। আশাশুনি, কলারোয়া, কালিগঞ্জ, তালা ও শ্যামনগর উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এসব উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন্দ্র স্থাপন করে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।

    জেলার ১৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ যেকোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

    নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনে বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি ভালো পরীক্ষা উপহার দিতে পারব। বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আমাদের শিশুরাই লাভবান হবে।” তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার বৃত্তির সংখ্যা ও বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ জোগাবে। এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

  • দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান

    দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান

    স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যার দুর্ভোগ কাটিয়ে নতুন আশার আলো দেখছে সাতক্ষীরার বেতনা নদী তীরবর্তী এলাকা। একসময় বছরের অধিকাংশ সময় পানির নিচে থাকা ফসলি জমিতে এখন দিগন্তজুড়ে দুলছে সবুজ ইরি-বোরো ধান। এতে কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি, বুকভরা আশা নিয়ে তারা অপেক্ষা করছেন ঘরে ধান তোলার। সদর উপজেলার ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর ও ফিংড়ী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা গত ৬ থেকে ৭ বছর ধরে জলাবদ্ধতায় ভুগছিল। ফলে আমন চাষ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের উদ্যোগে বদলে গেছে সেই চিত্র। এক ফসলি জমিতেই এবার বাম্পার ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর। তবে তা ছাড়িয়ে ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার ৪৪২ মেট্রিক টন চাল। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলাতেই ২৩ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জিত হয়েছে ২৩ হাজার ৩১০ হেক্টর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন চাল। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো চাষাবাদ এবং নিয়মিত পরিচর্যার কারণে এবার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা। এ বছর ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-৮৮, ব্রি-৮১, ব্রি-১০১, ব্রি-১০২, ৫০ শুভলতা, এসএল-৮এইচ শক্তি-২, শক্তি-৩, ইস্পাহানী-৯ ও আলোড়ন রেড মিনিকেটসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু জাতের ধান চাষ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পানিতে ডুবে থাকার ফলে জমির আগাছা পচে জৈব সারে পরিণত হয়েছে, যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। এতে ধানের ফলন আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মাছখোলা গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, “এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গতবারের তুলনায় ফলন ভালো হবে।” দামারপোতা গ্রামের কৃষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, “এভাবে আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলন নিশ্চিত।” ধুলিহর এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বাবু জানান, “ঘেরের জমিতে মাছ চাষের পর ধান আবাদ করে এবার দ্বিগুণ লাভের আশা করছি।” সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “ধান ভালো হয়েছে, তবে ঘরে না তোলা পর্যন্ত শঙ্কা থেকেই যায়।” তবে আশার মাঝেও রয়েছে কিছু শঙ্কা। বিশেষ করে ডিজেল সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ কৃষকদের। স্থানীয় কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, “ডিজেল না পেলে সেচ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, এতে ফসল ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, “পরিমিত সার প্রয়োগ, নিয়মিত পরিচর্যা ও সময়মতো পরামর্শ দেওয়ার ফলে রোগবালাই কম হয়েছে। আমরা আশা করছি, এবার বাম্পার ফলন হবে।” সবকিছু অনুকূলে থাকলে বেতনা নদী তীরবর্তী এই অঞ্চলে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের রেকর্ড ফলন হতে পারে, যা বদলে দিতে পারে হাজারো কৃষকের জীবন-জীবিকা।

  • সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। রবিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩ টায় সাতক্ষীরা শহরের আমতলা গণমুখী মাঠে প্রথমে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরে বিক্ষোভ মিছিল করে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত। সমাবেশ থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জনগণের রায় মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। পরে হাজারো নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক- নারকেলতলা মোড়, আসিফ চত্বর, কোর্ট মোড়, নিউমার্কেট মোড় ও পাঁকাপোল অতিক্রম করে নাজমুল স্মরণী হয়ে পুনরায় আমতলা মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। এই গণরায় নিয়ে কোনো ধরনের তালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা আশা করেছিলাম সরকার জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেবে, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে একদলীয় শাসনের দিকে এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের সঙ্গে বেইমানি করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। এই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, নির্বাচনের দুই মাস পার না হতেই সরকার জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে। যে আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেই জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে তারা ভুলে যাচ্ছে। ৭১ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করা মানে জনগণের সঙ্গে বেইমানি করা। সমাবেশে বক্তারা ব্রিটিশ আমলের ‘পচা আইন’ বাতিল করে জুলাই আন্দোলনের চেতনার আলোকে নতুন আইন প্রণয়ন ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, ডা. মাহমুদুল হক, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, এনসিপি নেতা কামরুজ্জামান বুলু, এবি পার্টির জেলা সদস্য সচিব সালাউদ্দিন শাকিল, শহর জামায়াতের আমির মো. জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান, জাতীয় ছাত্র শক্তি’র হাসিবুল রহমান রুম্মানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেন, জনগণের ভোটাধিকার ও জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • ঝুটিতলা বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

    ঝুটিতলা বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

    দেলোয়ার হোসেন: ঝুটিতলা বাজার কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৬০ জন ভোটারের সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতভাগ উপস্থিতির একটি বিরল দৃষ্টান্ত। নির্বাচনের ফলাফলে সভাপতি পদে মোঃ শওকত হোসেন (হরিণ প্রতীক) ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ সিরাজুল ইসলাম (মোরগ প্রতীক) পান ২৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ আলী মোত্তজা খোকন (ফুটবল প্রতীক) ৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ আজিজুর রহমান শিমুল (গোলাপ ফুল প্রতীক) পান ২৫ ভোট। এ পদে একটি ভোট বাতিল হয়। কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ আমিরুল ইসলাম (আনারস প্রতীক) ৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ হাফিজুল ইসলাম পান ২৫ ভোট। এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ শহীদ হাসান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাজার কমিটির উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল হাকিম সানা, মফিজুল ইসলাম খোকন ও ওয়াজেদ আলী। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বাজারের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আধুনিকায়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটাররাও নতুন কমিটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন।

  • ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’র যাত্রা শুরু

    ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’র যাত্রা শুরু

    জাহিদুল হাসান: “আমরাই গড়বো মানবিক সমাজ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে ‘মাছখোলা যুবকল্যাণ পরিষদ’। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক সভায় তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত এ অলাভজনক সংগঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা জানান, বর্তমান সমাজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই প্রেক্ষাপটে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনতেই এ সংগঠন গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন, মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের ভাষ্য, “যুব সমাজের হাতেই একটি মানবিক ও সুন্দর সমাজ গড়ার চাবিকাঠি রয়েছে। আমরা কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী এবং বাস্তব পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” যদিও ২০২৬ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। স্থানীয় প্রশাসন ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেলে এটি একটি মডেল সংগঠনে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং একটি মানবিক সমাজ গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

  • শাখরা–কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রাখলেন আব্দুর রউফ

    শাখরা–কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রাখলেন আব্দুর রউফ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফ পরাজিত হলেও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নির্বাচনের আগে তিনি শাখরা–কোমরপুর সড়কের জরাজীর্ণ ব্রিজটি সংস্কারের অঙ্গীকার করেছিলেন। নির্বাচনে জয়ী না হলেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং ব্রিজ সংস্কারসহ সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস পান। এরই ধারাবাহিকতায় শাখরা–কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারের জন্য ৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা-২ আসনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আব্দুর রউফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে শাখরা–কোমরপুর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আব্দুর রউফ। এ সময় তিনি বলেন, “আমি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছি, কিন্তু আপনাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাইনি। আমি আগে যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে ব্রিজ সংস্কারের কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে ইনশাল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং ধাপে ধাপে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শাহানুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে তারা মুক্তি পাবেন।

  • গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় জোটের গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ

    গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় জোটের গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে সাতক্ষীরা নিউমার্টে চত্বর থেকে তুফান কোম্পানি মোড় সংলগ্ন সড়কের পথচারি ও দোকানদারদের মাঝে গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। অপরদিকে তুফান কোম্পানী মোড় থেকে সুলতানপুর বড় বাজার পর্যন্ত গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান। কর্মসূচিতে অংশ নেন এনসিপির জেলা আহবায়ক কামরুজ্জামান বুলু, বিডিপির সদস্য সচিব, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারী ও মেয়ার প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারী খোরশেদ আলম প্রমুখ। লিফলেট বিতরণকালে জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, অবিলন্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে। তিনি বলেন গণভোট মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দলীয়করণ বন্ধ হবে, একনায়কতন্ত্র বন্ধ হবে, সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠন হবে এজন্যই বিএনপি গণভোট মানে না। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার জন্য রচিত বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তনের জন্য। এজন্যই সংবিধান সংস্কার করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। তিনি বলেন আমাদেরকে জেল-জুলুম, অত্যাচারের ভয় দেখাবেন না। এসব পার করে আমরা আজ এখানে এসেছি। যদি দেশ ভালো চালাতে চান তবে সময় থাকতে গণভোটের রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। কিন্তু আপনারা জনগণের বিপক্ষে গেলে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পক্ষে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
    জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, গণভোট অবৈধ হলে সংসদ নির্বাচনও অবৈধ। বিএনপি সরকার জনগণের বিপক্ষে হাঁটছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের বিপক্ষে কেবলমাত্র ফ্যাসিবাদী সরকার হাঁটে। বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা চলতে পারে না, চলতে দেওয়া হবে না।

  • শ্যামনগরে বিশ্ব পানি দিবস পালিত

    শ্যামনগরে বিশ্ব পানি দিবস পালিত

    এবিএম কাইয়ুম রাজ : “পানির প্রবাহ যেখানে, সমতার হাসি সেখানে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গাবুরা ইউনিয়নের হরিসখালী ঘাটে রূপান্তর গোফরইমপ্যাক্ট কর্মসূচি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ আয়োজনে র‍্যালি, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম মাসুদুল আলম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ভয়েস অব সিটিজেন্সের সভাপতি খাইরুল আলম মিলন, হরিসখালী ঘাটের সদস্যবৃন্দ, মোটর শ্রমিক প্রতিনিধি, স্থানীয় যুবসমাজ, নারী নেত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির কর্মীরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নদী-নালা ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে পানি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই পানির অপচয় রোধ, নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পানি সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

  • সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন

    সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে আজ, ৬ এপ্রিল ২০২৬ সকাল সাড়ে ৮ টায় পালিত হয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস। সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরার ক্রীড়া প্রেমীরা র‌্যালী ও আলোচনা সভার মাধ্যমে দিনটি স্মরণীয় করে তুলেছেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কারপ্রাপ্ত ফিফা রেফারী তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান, সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার রবিউল ইসলাম শিবলু, রাইফেল ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ফুটবল কোচ খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ক্রিকেট কোচ আলতাফ হোসেনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও খেলোয়াড়বৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যা ক্রীড়া চর্চা ও যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহী করার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে রইল।