Category: সাতক্ষীরা সদর

  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরন

    সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরন

    সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে শুক্রবার (০১ মে) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে এ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। তিনি অতিথিদের সঙ্গে বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল (বিপিএম), জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা ক্রীড়া অফিসার মাহবুবুর রহমান, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, জেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফফার উদ্দিন, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ফাইনাল খেলায় (বালিকা) শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব মিরগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩-০ গোলে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। রানার্স আপ হয় তালা উপজেলার লক্ষণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে বালক বিভাগের ফাইনালে কালিগঞ্জ উপজেলার গনেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-০ গোলে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়। রানার্স আপ হয় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাড়ুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, আর ক্ষুদে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকরা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলে। এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • আশাশুনির মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা নদী ভাঙনে হুমকিতে

    আশাশুনির মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা নদী ভাঙনে হুমকিতে

    এস.এম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি সদর বাজার ও মরিচ্চাপ ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাজকিয়া। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাউবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক, এসডিই রাশেদুল ইসলাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, মরিচ্চাপ নদী খননের পর পানির প্রবাহ বেড়ে গিয়ে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য সিসি ব্লক কাজের প্রস্তাব পাঠানো হবে। স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কারণে বাজার, দোকানপাট, বসতবাড়ি ও মরিচ্চাপ ব্রীজ মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে একটি পাকা বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

  • সাতক্ষীরায় তরুণদের জন্য কারিগরি দক্ষতা মেলা

    সাতক্ষীরায় তরুণদের জন্য কারিগরি দক্ষতা মেলা

    শাহ জাহান আলী মিটন: “দক্ষতায় শক্তি” এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে সাতক্ষীরায় তরুণদের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছে কারিগরি দক্ষতা মেলা। তরুণদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে এ আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো-এর বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় “এরফরটি” প্রকল্পের আওতায় এ ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১৫০ জন তরুণ এতে অংশ নেন এবং তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত হন। সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সাতক্ষীরার অধ্যক্ষ অপু হালদার, অজন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মহুয়া মঞ্জুরী, বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান, মাইটিভি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ফয়জুল হক বাবু এবং উন্নয়ন কর্মী মৃনাল সরকার। আয়োজকরা জানান, এই ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো আগ্রহী তরুণদের চিহ্নিত করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল জীবন গড়ে তোলা।
    টিটিসির অধীনে আইটি সাপোর্ট সার্ভিস, ইলেকট্রিক্যাল, অটোমোবাইল, অটো-ক্যাড, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, গার্মেন্টস, ওয়েল্ডিং, গ্রাফিক্স ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইন, জাপানি ও কোরিয়ান ভাষা কোর্স এবং ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বেসিক কম্পিউটার, মাছ চাষ, হাউজ ওয়্যারিং, রেডিও-টিভি ও ফ্রিজ মেরামত, ব্লক প্রিন্টিং ও হস্তশিল্প, ওয়েল্ডিং, ক্যাটারিং, আধুনিক অফিস ম্যানেজমেন্ট, পোশাক তৈরি, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস, গবাদিপশু পালন এবং হাঁস-মুরগি পালন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী তরুণরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রশিক্ষণে যুক্ত হওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত হন। উপস্থিত অতিথিরা একশনএইড বাংলাদেশ ও সিডো-কে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান।

  • খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধে সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভা

    খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধে সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভা

    ফিরোজ হোসেন: বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের ভূমিকা সংক্রান্ত একটি এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (খাদ্য শিল্প ও উৎপাদন) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। মুখ্য উপস্থাপক হিসেবে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বিএফএসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এডভোকেসি সভার কনসালটেন্ট মুস্তাক হাসান মুহাঃ ইফতেখার। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা দীপংকর দত্ত। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসক ডা. ইসমত জাহান সুমনা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিঞ্চুপদ পাল, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, বাসস জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা, শহর আমীর খোরশেদ আলম, কালেক্টরেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আনিসুর রহমানসহ অনেকে। বক্তারা বলেন, ড্রামে বিক্রিত খোলা ভোজ্যতেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে, এতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশ্রণের আশঙ্কা থাকে এবং উপকারী পুষ্টি উপাদান (যেমন ভিটামিন ‘এ’) পর্যাপ্ত থাকে না। ফলে এসব তেল দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তারা আরও বলেন, জনগণকে সচেতন করে খোলা ভোজ্যতেল পরিহার করে বোতলজাত ও মানসম্মত তেল ব্যবহারে অভ্যস্ত করতে হবে। একইসাথে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া লবণ আয়োডিনসমৃদ্ধ কিনা তা নিশ্চিত না হওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলেও সতর্ক করা হয়। তাই প্যাকেটজাত লবণ ও মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য বাজারজাতকরণে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রোগ্রাম অফিসার ডা. আলিভা হক।

  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ আজ

    সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ আজ

    স্টাফ রিপোর্টার: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরতে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)। আজ (১ মে) বিকেল ৩টায় জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যান্য জেলার মতো সাতক্ষীরাতেও ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে বিভিন্ন উপজেলার চ্যাম্পিয়ন দলগুলো। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত চারটি ম্যাচে বালক ও বালিকা বিভাগে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই দেখা যায়। বালক বিভাগে আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ২-০ গোলে পরাজিত করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাড়ুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অপর ম্যাচে কালিগঞ্জ উপজেলার গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩-১ গোলে তালা উপজেলার লক্ষণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারায়। বালিকা বিভাগে শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব মিরগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪-০ গোলে দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। অন্য ম্যাচে কালিগঞ্জ উপজেলার এন.এন.টি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-০ গোলে তালা উপজেলার লক্ষণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে জয়লাভ করে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন জানান, এ ধরনের টুর্নামেন্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি, সহিষ্ণুতা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, বিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন।

  • সাতক্ষীরা হাসপাতালে সাত বছর পর চালু হলো আধুনিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন

    সাতক্ষীরা হাসপাতালে সাত বছর পর চালু হলো আধুনিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন

    আবু সাইদ বিশ্বাস: দীর্ঘ সাত বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আবারও চালু হয়েছে আধুনিক পদ্ধতিতে (মাইক্রো সার্জারি) পিত্তথলির পাথর অপারেশন। গত ১৯ এপ্রিল থেকে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি (মেশিনের সাহায্যে পিত্তথলির পাথর অপারেশন) পদ্ধতিতে এই অপারেশন শুরু হয়েছে, যা সাতক্ষীরার দরিদ্র-অসহায় ও সাধারণ রোগীদের জন্য স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে। আগে পিত্তথলিতে পাথর হলে পেট কেটে অপারেশন করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে মাইক্রো সার্জারির মাধ্যমে ছোট ছিদ্র করে মেশিনের সাহায্যে নিরাপদ ও কম সময়ে অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে করে রোগীরা মাত্র একদিন হাসপাতালে অবস্থান করে পরেরদিন বাড়িতে চলে যেতে পারেন। এছাড়া এই পদ্ধতিতে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই বললে চলে। তবে সরকারি হাসপাতাল ব্যাহত বাইরের বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে এই চিকিৎসাটা বেশ ব্যয়বহুল। ফলে পিত্তথলির পাথর অপারেশনে দরিদ্র ও সাধারণ রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালই একমাত্র ভরসার স্থল। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে কিছুদিন আগে যোগদানকারী সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আরাফাত ইসলাম এবং ডা. সুব্রত কুমার মন্ডল সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও মঙ্গলবার এই অপারেশন পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি সদর হাসপাতালে বিনামূল্যে এই অপারেশন সেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন রোগীরা। সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আরাফাত ইসলাম জানান, “সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বর্তমানে সপ্তাহে দু’দিন ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে অপারেশন কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং ধীরে ধীরে এর পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।” এখান থেকে সেবা নিয়ে সুস্থ থাকার জন্য তিনি রোগীদেরকে সদর হাসপাতালের সার্জারি বহিঃ বিভাগের ১১৭ ও ১১৮ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সাবেক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ও মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. রুহুল কুদ্দুস জানান, বিগত ২০১১ সালে তিনি সদও হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে ডাঃ শরিফুল ইসলাম ও ডাঃ হাসানুজ্জামানকে সাথে নিয়ে ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি পদ্ধতিতে অপারেশন কার্যক্রম শুরু করেন। তার সময় তিনি সাতক্ষীরার বহু মানুষের ফ্রিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন করেছেন। ২০১৫ সালে তিনি বদলি হয়ে মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পর ডাঃ শরিফুল ইসলাম কিছুদিন এই অপারেশন চালু রেখেছিলেন। পরে ২০১৯ সাল থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎস্যকের অভাবে এই চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, “দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মেশিনের সাহায্যে পিত্তথলির পাথর অপারেশন কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে এখানে এই চিকিৎসা সেবাটি এতদিন বন্ধ ছিল। এখন হাসপাতাল থেকে এই চিকিৎসা সেবা নিতে রোগীর কোনো টাকা খরচ হবে না। যে কেউ এখন থেকে সদর হাসপাতালে এসে পিত্তথলির পাথর অপারেশন কার্যক্রমের সেবা নিতে পারবেন।” তবে অবশ্যই তাকে সিরিয়াল মেইনটেইন করতে হবে বলে জানান সিভিল সার্জন।

  • সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    স্টাফ রিপোর্টার: ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম। রঙিন জার্সি, উচ্ছ্বাস আর প্রতিযোগিতার আগ্রহে ভরপুর শিশুদের উপস্থিতিতে যেন এক উৎসবের আবহ তৈরি হয়। সেই আবহেই শুরু হলো প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। এ সময় মাঠজুড়ে করতালি আর উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, বিপিএম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. নূরুল হুদা, সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মনিরুল ইসলাম মিনি। জেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষে ভরে ওঠে গ্যালারি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে এবার জেলা পর্যায়ের খেলায় অংশ নিচ্ছে বিভিন্ন উপজেলার চ্যাম্পিয়ন দলগুলো। আশাশুনি উপজেলা থেকে বালক বিভাগে আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে সরাপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে। কলারোয়া থেকে বালক বিভাগে কয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বালিকা বিভাগে মেহমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কালিগঞ্জ থেকে বালক বিভাগে গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে এনএনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তালা উপজেলা থেকে বালক ও বালিকা উভয় বিভাগেই অংশ নিচ্ছে লক্ষণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দেবহাটা উপজেলা থেকে বালক বিভাগে টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বালিকা বিভাগে হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শ্যামনগর থেকে বালক বিভাগে হরিণনগর হাটখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে পূর্ব মিরগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সদর উপজেলা থেকে বালক বিভাগে ভাড়ুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নামছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও সহিষ্ণুতা গড়ে তোলে। এ ধরনের আয়োজন তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করে। এই টুর্নামেন্ট শুধু প্রতিযোগিতা নয়—শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। টুর্নামেন্টটি চলবে আগামী ১ মে পর্যন্ত। সেদিন বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। ততদিন মাঠে গড়াবে ছোটদের বড় স্বপ্নের ফুটবল লড়াই।

  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল

    সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল

    স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ এবং সহিষ্ণুতা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও আয়োজন করা হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)। সারা দেশের ন্যায় ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা জেলার ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ের খেলা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা পর্যায়ের টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েল, বিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারের টুর্নামেন্টে জেলার বিভিন্ন উপজেলার চ্যাম্পিয়ন দলগুলো অংশ নিচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন দলসমূহ: আশাশুনি উপজেলা: বালক- আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- সরাপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কলারোয়া উপজেলা: বালক- কয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- মেহমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কালিগঞ্জ উপজেলা: বালক- গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- এন. এন. টি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তালা উপজেলা: বালক ও বালিকা উভয়- লক্ষণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দেবহাটা উপজেলা: বালক- টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শ্যামনগর উপজেলা: বালক- হরিণ নগর হাটখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- পূর্ব মিরগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা: বালক- ভাড়ুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা- ছয়ঘড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আগামী ১ মে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, এ প্রতিযোগিতা জেলার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • ‎সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব‎

    ‎সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব‎

    ‎মাসুদ রানা: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রকাশনা উৎসব ২০২৬ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থানা শাখা। ‎রবিবার (২৬ এপ্রিল) সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মসজিদের সামনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ‎অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ-এর অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হাশেম। তিনি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় মনোনিবেশের আহ্বান জানান এবং বইপড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ‎প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মুহা. মেহেদী হাসান। ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর শাখার সেক্রেটারি মুহা. নুরুন্নবী। ‎এছাড়া অন্যান্য সেক্রেটারিয়েট সদস্যবৃন্দ ও কলেজ শাখার সাবেক সভাপতিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‎কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান ফাইবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। ‎ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকাশনা প্রদর্শন ও বিতরণের পাশাপাশি নববর্ষের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

  • সাতক্ষীরায় ইটভাটাসহ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুশ্রম বন্ধে সচেতনতার বিকল্প নেই

    সাতক্ষীরায় ইটভাটাসহ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুশ্রম বন্ধে সচেতনতার বিকল্প নেই

    শাহ জাহান আলী মিটন: সাতক্ষীরা জেলায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে তৎপরতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, খুলনার যৌথ আয়োজনে এই সভা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহকারী মহা পরিদর্শক মো. শাহিনুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থাটির উপ-মহা পরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ। সভায় বক্তারা বলেন, জেলার ইটভাটাসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ খাতে শিশুশ্রম এখনো উদ্বেগজনক। এটি বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এ জন্য মসজিদ ও মন্দিরভিত্তিক প্রচার কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম টুটুল, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইয়েদুর রহমান মৃধা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাফফর উদ্দীন, সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অপু হালদার, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক গাজী সুজায়েত আলী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের উপপরিচালক জি এম মনিরুজ্জামান, শ্রম পরিদর্শক জুবায়ের এহসান ও জেলা শিশু একাডেমির লাইব্রেরিয়ান রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে শিশুশ্রমে জড়িত শিশুদের পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি দেবহাটা উপজেলায় কর্মরত শিশুদের পুনর্বাসনে ‘সুশীলন’ কাজ করবে। বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম বন্ধে প্রশাসনিক নজরদারির পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগই হতে পারে টেকসই সমাধান।