নিউজ অনলাইন: পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বৈঠকে আয়রন, রয়েল ব্লু, ডিপখাকি, ডিপব্লু, জলপাইসহ কয়েকটি রংয়ের পোশাকের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা আলাদা রংয়ের পোশাক চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাকের রং হচ্ছে ‘আয়রন’। র্যাবের পোশাক হচ্ছে জলপাই বা অলিভ রংয়ের এবং আনসারের পোশাকের রং হচ্ছে ‘গোল্ডেন হুইট’।
এর আগে, বিভিন্ন স্যাম্পলের পোশাক উপস্থাপন করা হয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া, পরিবেশ, বিদ্যুৎ জ্বালানি, শিল্পসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন রঙয়ের পোশাক পরিয়ে বৈঠকে উপস্থিত করা হয়। সেখান থেকে এক এক বাহিনী নিজেদের জন্য এক এক রঙয়ের পোশাক নির্ধারণ করে নেয়। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পুলিশ, র্যাব ও আনসারের নতুন পোশাক।
Category: শ্যামনগর
-

পাল্টে যাচ্ছে পুলিশ, র্যাব, আনসারের পোশাক
-

বিজিবির শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধে বাধ্য হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিউজ অনলাইন: বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এই কথা বলেন।
সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় ভারত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিজিবি এবং স্থানীয় মানুষের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত ওই সব স্থানে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারত সীমান্তে কিছু অসম কাজ করেছে, যেগুলো ভারতের করা উচিত হয়নি। কিন্তু আমাদের আগের সরকার সেই সুযোগ দিয়েছে। -

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পিএসের পরিদর্শন
আশিকুর রহমান, শ্যামনগরঃ শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা, খাদ্য, সেবা ও সরঞ্জামাদিসহ সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও খোঁজখবর নিতে শনিবার সকাল ১১টায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ডা. মাহমুদুল হাসান পরিদর্শনে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিনি চিকিৎসক, নার্স, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রোগী এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি হাসপাতালের রোগীদের খাদ্যের মান, ভবন, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত বিষয় পরিদর্শন করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ জন রোগীর সেবা দেয়। জরুরি বিভাগে প্রতিদিন ৮০ জনের বেশি রোগী আসেন এবং ইনডোরে গড়ে ৪০ জনের বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। প্রশাসনিক ভবনের করিডোরে শিশুদের জন্য ৬টি বেড নির্ধারিত থাকলেও প্রতিদিন ১৫-২০ জন শিশু রোগী ভর্তি হন। প্রতি মাসে ৩০-৪০ জন প্রসূতির সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রয়োজন হলেও অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞের অভাবে বর্তমানে কোনো অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে না।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মেসবাহ কামাল মুন্না ও ডা. মনিরুজ্জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, গাজী আব্দুল হামিদ, ডা. ইমাম হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় জনগণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক সেবার মান উন্নয়নে দায়িত্বশীলদের কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। -

আশাশুনির সাবেক ওসি বিশ্বজিৎ এর নির্দেশে ইন্সপেক্টর রফিকুলের নেতৃত্বে নবীর কটুক্তিকারী প্রতিবাদী মিছিলে বাধা দেন পুলিশ
স্টাফ রিপোর্টার: আশাশুনির মিত্র তেতুলিয়া কাদাকাটি ইউনিয়নের মন্টু অধিকারীর পুত্র রাকেশ অধিকারী ফেসবুকে মুসলিম জাহানের হৃদয়ের স্পন্দন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি করায় কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্র তেতুলিয়া ইউনিয়নসহ আশাশুনি উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রতিবাদী মিছিল বের করেন এ সময় আশাশুনি থানার সাবেক ওসি বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারীর নির্দেশে সাবেক তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এস আই শাহিনুর রহমান ও আশাশুনি থানার সঙ্গীয় ফোর্সসহ ডিবি পুলিশ বাজারে অবস্থান করেন । আসর নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মিছিলে যুক্ত হয়ে মেইন রোডে উঠার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, এস আই শাহিনুর রহমান ও সাথে থাকা ডিবি পুলিশ শান্তিপূর্ণ ওই মিছিলে বাধা প্রদান করেন । পুলিশের ভয়ে এতদিন মুখ না খুললেও গণঅভ্যুত্থানের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর এলাকাবাসী ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একের পর এক মুখ খুলতে শুরু করেছে । তেতুলিয়া বাজার জামে মসজিদের ইমাম রমজান আলী বলেন ২৪ মে ২০২৪ বাদ জুম্মা রোজ শুক্রবার আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আসরের নামাজের পূর্বে সাবেক তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলাম আমার মসজিদে এসে আমাকে বললেন মিছিল করা যাবে না, আমি বললাম কেন করা যাবে না তারপর তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলাম আমাকে ধমক দিয়ে বলেন বললাম না করা যাবে না । এবং মিছিল প্রত্যাহারের মাইকে ঘোষণা দিতে বাধ্য করেন । তেতুলিয়া চর মসজিদের আরেক ইমাম মাওলানা হোসাইন আহমদ জানান তদন্ত ওসি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ আমাদের মিছিলে বাধা দেন ও এস আই শরিফুল ইসলাম আমার উপর চড় উঠিয়ে মারতে আসে আমি এর বিচার চাই ।
আশাশুনি থানার পুলিশ পরিদর্শক সাবেক ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও প্রতিবাদী মিছিলে বাধা দেওয়া এবং গ্রেফতারের হুমকির বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেন ।
বড়দল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাফেজ রুহুল আমিন বলেন সেদিন আশাশুনি থানার সাবেক ওসি বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারীর নির্দেশে পুলিশ আমাদের গ্রেফতার করার হুমকি ও মিছিলে বাঁধা প্রদান করে ।
আমি বাদী হয়ে রাকেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেছিলাম কিন্তু আশানরূপ কোন ফল পাইনি ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধি একে ইউসুফ বলেন স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পুলিশ ছিল অন্যতম হাতিয়ার । আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কটুক্তি কারীকে প্রকাশ্যে ও গোপনে যে সকল প্রশাসন সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে চাকরি থেকে অপসারণ করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি । -

শ্যামনগরে সুন্দরবনের গরান জ্বালানী কাঠ কাটার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হুসাইন বিন আফতাব, শ্যামনগর প্রতিনিধি:
পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরী খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের সীমিত পরিসরে গরান কাঠ কাটার দাবী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ জানুয়ারী (শনিবার) শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে লিখিত সংবাদ সম্মেলন পাঠ করেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,পূর্ব-পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরী খুলনা রেঞ্জে সুন্দরবনের দীর্য ১৭ বছর যাবৎ গরান কাঠ কাটা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। ফলে গরান জ্বালানী আহরন বন্ধ রয়েছে। এতে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার জ্বালানী সংকট ও বনজীবিরা কর্মসংস্থানের অভাবে দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করছেন। সুন্দরবনের গরান গাছের ছায়ার কারনে বড় বড় প্রজাতির গাছ গুলো বেড়ে উঠতে পারছেনা এবং নতুন করে গাছ জন্মাচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাচ্ছে।
গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের বনজীবি -বাওয়ালীদের দাবীর প্রেক্ষিতে খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তারা সীমিত পরিসরে গরান জ্বালানী কাঠ আহরন সম্ভব মর্মে প্রতিবেদন দেন। তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড.আবু নাসের মোহসিন হোসেন খুলনা বিভাগের ২ রেঞ্জ থেকে ৫০ হাজার মণ গরাণ জ্বালানি আহরণের স্বপক্ষে মতামত দিয়ে প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করেন। সুন্দরবনে ব্যাপক হারে গরান বৃদ্ধি পাওয়া সুন্দরী, বাইন, ধুন্দল, পশুর সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বংশবৃদ্ধি করতে পারছে না।
রাজস্ব বৃদ্ধিতে সুন্দরবন বনজীবি বাওয়ালীরা সীমিত আকারে গরান জ্বালানী কাঠ আহরনের অনুমতির জন্য বনবিভাগ সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সুন্দরবন বনজীবি ব্যবসায়ী বাওয়ালী মালিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুজ্জামান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলি, বাওয়ালী আব্দুল হাই, নুর মোহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম ও মফিদুল ইসলাম প্রমূখ। -

জাতীয় সমাজসেবা দিবসে শ্যামনগরে ওয়াকাথন ও মুক্ত আড্ডা
আশিকুর রহমান, শ্যামনগর: শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে ওয়াকাথন ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে মুক্ত আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, গীতা পাঠ ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরিফুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: রনী খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। সভাপতির বক্তব্যে আরিফুজ্জামান সমাজসেবার বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদি কেউ ১৮ বছরের নিচে কোনো অপরাধ করে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাকে জেলে প্রেরণ করা যাবে না। তার জন্য শিশু সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, শ্যামনগর সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনে ৪৪টি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর আওতায় প্রতি বছর ৩৪,৭৫৩ জন মানুষকে বিভিন্ন ভাতা বাবদ ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শ্যামনগরের বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। -

শ্যামনগরে জামায়াতে যুব বিভাগের কমিটি গঠন
এবিএম কাইয়ুম রাজ, শ্যামনগর সাতক্ষীরা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলায় যুব বিভাগের ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা জামায়াত অফিস কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সাঈদী হাসান বুলবুলের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।
সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে সাঈদী হাসান বুলবুলকে পুনরায় যুব বিভাগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং মুহিত মুন্নাকে সেক্রেটারি পদে মনোনীত করা হয়। এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে ডাঃ শেখ ইমাম হাসান, সহকারী সেক্রেটারি পদে মোঃ আশিকুর রহমান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক পদে মোমিনুর রহমান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে মোঃ রমিজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক পদে আবু মুসা এবং ক্রিড়া সম্পাদক পদে সাইফুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে। সভায় বক্তারা সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে নতুন কমিটির প্রতি সহযোগিতা ও একাগ্রতার আহ্বান জানান। -

মাস্টার হাফিজুর রহমানের শ্বশুরের ইন্তেকাল, জানাযা সম্পন্ন
শফিকুল ইসলাম, লাঙ্গলঝাড়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার হাফিজুর রহমানের শ্বশুর মাস্টার আব্দুল আজিজ (৮০) ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রজিউন। বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় বার্ধক্য জনিত কারণে নিজ বাড়ি কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়ায় ইন্তেকাল করেন।
জানাযা পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা ওমর আলী, মাস্টার হাফিজুর রহমান, লাঙ্গল ঝড়া জামে মসজিদের ইমাম আজহারুল ইসলাম, মরহুমের ছোট ছেলে অধ্যাপক মহসিন রেজা পিন্টু প্রমুখ।
-

সাতক্ষীরায় ঐতিহাসিক কর্মী সম্মেলন জীবন দিবো দেশের এক ইঞ্চি মাটি দিবো না ——————————————————— ডা. শফিকুর রহমান
আবু সাঈদ বিশ^াস, শাহজান, মুজাহিদ: জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে সবকিছুর উর্ধ্বে উঠে ইস্পাত কঠিন ঐক্য চাইলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন দেশের আকাশে কালো মেঘ জমেছে। দেশের আাকাশে কালো শকুন দেখা যাচ্ছে। তাদেরকে কোনরকম সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
গতকাল শনিবার সাতক্ষীরা জেলার ঐতিহাসিন কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা সদরের সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোরআনের কথা বলতে গিয়ে, আল্লাহর দ্বীনের কথা বলতে গিয়ে সত্য কথা গিয়ে বাংলাদেশের কোন জেলা এতো জীবন এবং রক্ত উপহার দেয়নি। সাতক্ষীরার মতো বাংলাদেশের কোন জেলা সাতক্ষীরার মতো এত রক্ত উপহার দেয়নি। এজন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাছে সাতক্ষীরা মর্যাদা অনন্য উচ্চতায়। আল্লাহ যেন এই জেলার মর্যাদা যেন ক্রমাগত বৃদ্ধি করে দেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় জন্মভূমি। আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানি। দুনিয়ের খুব কম জায়গাতেই এমন দেশ রয়েছে। আমরা এমন একটি দেশ পেয়েছি; মাটির উপর অফুরন্ত সম্পদ। মাটির গর্ভে অফুরন্ত সম্পদ, সমুদ্রেও অফুরন্ত সম্পদ। কিন্তু আমাদের সম্পদগুলো জনগণের উপকারে আসছে না। যারা জনগণের কর্তা হয়ে ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন সময় দেশ শাসন করেছেন; তারা জনগনের সম্পদ সুকৌশলে চুরি করে লুন্ঠন করে পকেটে ঢুকিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশের জনগণ তাদের হিস্যা পায়নি।
আমীরে জামায়াত উল্লেখ করেন ২০১৫ সালে শহীদ পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছিলাম। সকাল ৯/১০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত আমি দেখেছি এই জেলার রাস্তাঘাট ভাঙ্গাচুরা দেখেছি। মোটর সাইকেলে করে সারা জেলা ঘুরার চেষ্টা করেছি। তাদের জিজ্ঞেস করেছিলাম——— উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসছে ? জোয়ারের সামান্য ছিটেফোটা কি এখানে আসে না ?তারা জানায়না আসে না। তারা জানায় বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী সাতক্ষীরাকে বাংলাদেশের অংশ মনে করে না। আপনাদের ওপর তারা জুলুম করেছে।
তারা জনগণের অধিকার দেয়নি। সাতকীরার ওপর জুলুম করেছে। খুন—গুম করেছে। ইজ্জতের ওপর হাত দিয়েছে। সম্পদ লুন্ঠন করেছে মানুষকে তারা দাসে পরিণত করেছে। সবচেয়ে খারাপ করেছে সাতক্ষীরায়।শুধু দ্বীনের পক্ষ নেওয়ায় যদি এই অবস্থা হয় তাহলে হে আল্লাহ দুনিয়া এবং আখেরাতে এই জেলার মর্যাদা বাড়িয়ে দেওয়ার প্রার্থনা করেন।
ডা. শফিকুর রহমান ওয়াদা করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের মানুষের কাছে ওয়াদাবদ্ধ। আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। সুষম উন্নয়ন দিতে চাই। কেউ চাইলেও. না চাইলেও তার অধিকার পাবে। লক্ষ যুবক বেকার থাকবে না। শিক্ষা সমাপনির সাথে সাথে কাজ ধরিয়ে দেওয়া হবে। নৈতিক এবং জাগিতিক শিক্ষার সমন্বয় হবে।
তিনি বলেন আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে মাবোনেরা ঘরে এবং বাইরে নিরাপদে থাকবে। তারা কর্মস্থল এবং রাস্তাঘাটে সুরক্ষা পাবেন. নিরাপদে থাকবেন। দক্ষতা দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। নবী যুদ্ধক্ষেত্রেও নারীদের যুক্ত করেছেন।
তিনি ইতিহাস টেনে বলেন. বিশেষ করে বদরের যুদ্ধের কঠিন দিনে তিনি নারীকে যুক্ত করেছেন। যখন কাফেররা খুব কাছাকাছি চলে এসেছিল হত্যা করার জন্য। যখন পরুষযোদ্ধারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখন একজন নারী আল্লাহর রাসুল (সা) কে ঘুরে ঘুরে সুরক্ষা দিয়েছিলেন। তার শরীরে ৩৭ তীর ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। রাসুল সা. বলেছেন যখনই শক্র আমার প্রতি তীর নিক্ষেপ করেছেন তখনই ওই নারী তীর আমার শরীরে লাগতে দেননি। যখনই তীর এসেছে ওই নারী ঘুরে ঘুরে তিনি নবীকে সেফ করেছেন। তিনি হলেন মুসাইবা (রা :)। রাছুল যদি নারীকে যুদ্ধ ক্ষেত্রে নারীকে কর্ম দিয়ে থাকেন তাহলে আমরা কে ? যে তাদের হাত বন্ধ করার।
আমাদের ব্যাপারে ইসলামের প্রতিপক্ষ শত্রুরা অপপ্রচার চালায়, জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় গেলে মহিলাদের ঘর থেকে বের হতে দিবে না। আর যদি দেয়ও তাদের জোর করে একটা বোরকা পরিয়ে দিবে।
জামায়াতের আমীর নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, জামায়াতে ক্ষমতায় গেলে কারো ওপর জোর খাটানো হবে না। যখন ইসলাম কায়েম হবে তখন মা বোনেরা আনন্দের সাথে ইজ্জত রক্ষার জর্য পর্দা পালন করবে। এরপরও যদি কোন মা বোন পোশাকের ক্ষেত্রে আপত্তি থাকে তাদের কোন রকম বাধ্য করা হবে না। এদেশে অন্য ধর্মের মানুষ বসবাস করে। অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্ম গ্রহন করতে বাধ্য করা হবে না। মন্দির গির্জা পাহারা লাগবে না।
বাগানে মাঝে মাঝে হুতুম পেঁচা ঢুকে পড়ে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আশরাফুর মাখলুকাত হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হবে না। পরিচ্ছন্ন কর্মীরাও আমাদের কাছে ভিআইপি। রিকশাওয়ালাকে স্যালুট জানাই। তাদের কাজের মর্যাদা দেওয়া হবে। কৃষক আপমর জনতা মর্যাদা এবঙ দায়িত্বের সাথে কাজ করবে।
চমৎকার সাম্প্রদায়িক দেশ আমাদের। কিন্তু আমাদের বাগানে মাঝে মধ্যে হুতুম পেঁচা ঢু ক পরে। হুতুম পেচাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সম্পৃতি নষ্ট হতে দিবো না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই; সব মানুষকে কাজের মর্যাদা দিবো। আমরা যদি এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই তাহলে সবাই কাজ করতে হবে। আমরা চাই, জাতীয় স্বার্থে সবকিছুর উর্ধ্বে উঠে ইস্পাত কঠিন ঐক্য চাই।
তিনি বলেন, এই যে ২৪ এর স্বাধীনতা এমনি এমনিতে আসেনি। ২০০৬ সালে ২৮অক্টোবর প্রকাশ্যে দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে হত্যা করে আমার সন্তানদের ওপর খুনিরা লাফালাফি করেছে। সেইদিন বাংলাদেশপথ হারিয়েছিল। সেই পথহারা বাংলাদেশ দীর্ঘ পথ পরিক্রমার পর ২০২৪ সালে আবার তার পথে ফিরে এসেছে। এরমাঝে অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসারকে খুন করা হয়েছে। এরপর জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দকে খুন করা হয়েছে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারের নামে জুলুম করে হত্যা করা হয়েছে।
এছাড়া আপনাদের পাশ^র্বর্তী জেলা ঝিনাইদাহ খুনের তান্ডব চালানো হয়েছে। সবশেষ ২০২৪ পর্যন্ত খুনের রক্তে ভাসতে হয়েছে। এসব অভিযোগে ছাত্র—জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিল। ছাত্রদের হাতে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ছিল না। এমনকি তাদের হাতে কোনইট পাথরও ছিল না। কোটা সংস্কারের জন্য; কোটা বাতিলের জন্যও না। তারা বলেছিল কোটার নামে জাতির সাথে মেধার সাথে তামাশা করবেন তা আমরা মানবো না।
কিন্তু সরকার একদিকে তাদের বাহিনীকে নামিয়ে দিলো; আরেকদিকে সরকার তাদের স্বশস্ত্র গোন্ডাদের নামিয়ে দিলো। এতে দেড় হাজারের বেশি আমাদের সন্তান ছোট সময়ের মধ্যে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোর থেকে ২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত জালিমদের অত্যাচারে যারা বিদায় নিয়েছেন, আমরা আল্লার দরবারে দোয়া করি তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন।
তিনি বলেন, আসার পথে দেখলাম রাস্তাঘাটে উপচেপড়া মানুষ। বাঙলাদেশকে প্রাণ উজার করে ভালবাসি। জুলুম করা হলেও দেশ থেকে পালিয়ে যাইনি। যারা দেশকে ভালবাসে তারা পালিয়ে যেতে পারে না। এখানে বাঁচতে চাই। লড়াই করতে চাই। এবং এই দেশকে দুনিয়ার একটি শ্রেষ্ঠ দেশে পরিণত করতে চাই।
তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দেন আপনারা প্রস্তুত? লাখো কন্ঠে জবাব আসে জি¦ পৃস্তুত। সারাদেশে আওয়াজ উঠেছে। জীবন দিবো দেশের এক ইঞ্চি মাটি দিবো না। যারা বুক চিতিয়ে দিয়েছে তাদের নূর দা¦রা পরিপূর্ণ করে দাও। মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। যুবসমাজের হাতে তুলে দিতে চাই্। যারা বয়স্করা কি বেজার হয়েছেন। না। ছেলের কৃতিত্ব বাবার কাছে অটোমেটিক হয়ে যাবে।
গরে ঘরে আওয়াজ ছড়িয়ে দিন। পৃথিবীর শ্রেষ্ট দেশ গড়তে চাই। শকৃনকে মাটিতে নামতে দেওয়া যাবে না। কেউ কেউ সুরসুরি দেয়। প্রতিপক্ষ বলে ৫ লাখ লোক হত্যা করা হবে বলা হয়েছিল। হত্যা করা কি হয়েছে? না।
উস্কানি দেওয়া হলেও পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। দেশে বিদেশে সমান তালে লড়াই করেছে। বিদেশে যারা আছেন তাদের অভিবাদন জানাই। তাদের আত্মীয় স্বজনকে হয়রাণি করা হয়েছে।
এরা পশু। পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট। ঐজাত থেকে চিরমুক্তি চাই। এরা যেন ফিরে না আসতে পারে। এক টুকরা কোরআনের বাংলাদেশ কবুল করুন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, ইনসাফপূর্ণ সমাজের জন্য গণঅভ্যুত্থান সফল করতে হলে সৎ নেতৃত্বে কায়েমের বিকল্প নাই। সকল পর্যায়ের নেতৃত্বে ,সৎ মানুষের সমাহার ঘটাতে হবে। নইলে আমরা প্রতারিত হতে হবে। ৪৭ সালে ৭১ সালে এবং ২৪ স্বাধীনতায় আমরা স্বাধীন হতে পারেনি। আমরা কাঙ্খিত সমাজ পেতে সাতক্ষীরা জেলার ৪টি আসন সহ সবখানে যোগ্য মানুষের নেতৃত্ব যেন কায়েম করি।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের মৃত্যুর ভয় দেখাতে চেয়েছিল। কিন্তু মাওলানা নিজামী প্রমাণ করেছেন যে আমরা মৃত্যুকে ভয় করি না। তারা মূলত বাঘের লেজে পা দিয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলার সাবেক আমীর ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন— জালিম সরকার বিচারিক হত্যা করেছে। মিথ্যা মামলায় হয়রাণি করেছে। বার বার নেতার পরিবর্তন হলেও নীতির পরিবর্তন হয়নি। স্বাধীনতা এখনো বাকী রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরাতে আমাদের ৪৬ জন ভাইকে শহীদ করেছে। কিন্তু আমাদের নরম করতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলনের জন্য সাতক্ষীরা দেশের মডেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাবেক এমপি ও জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করেছিল এই দেশ থেকে জামায়াত শিবির উৎখাত করবে। কিন্তু তারা নিজেরাই উৎখাত হয়ে গেছে।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেদ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জেলা নায়েবে আমীর নুরুল হুদা, ডা. মাহমুদুর হক, খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান, খুলনা মহানগর আমীর অধ্যাপক মাফুজুর রহমান,বাগের হাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম প্রমূখ।
কর্মী সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলার আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল।
জেলা সেক্রেটারি আজিজুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ তিনবার ভোট চুরি ডাকাতি এবং প্রশাসনের লোকজনকে দিয়ে করিয়েছে। দেশের মানুষের অধিকার হরণ করেছে। তিনি বলেন নতুন বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ।
কর্মী সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সহকারী সেক্রেটারি গাজী সুজাআত আলীম অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা ওসমানগণি, সাতক্ষীরা শহর শাখা সভাপতি আল—মামুন ও জেলা শাখা শিবিরের সভাপতি ইমামুল ইসলাম প্রমূখ।
বেলা তিনটায় ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনের সভামঞ্চে আসেন। ততক্ষণে কর্মী সম্মেলনের মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের অলিগলি মানুষে মানুষে সয়লাব হয়ে যায়। শহরের অলিগলি পেরিয়ে বাসাবাড়ীর ছাদে ওঠেও কর্মী সম্মেলনের ভাষণ শোনার চেষ্টা করেন। এসময় পুরো সাতক্ষীরা শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।
এদিকে এর আগে জেলা শহরের পল্লীমঙ্গল হাইস্কুল মাঠে রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। সেখাানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ। ##
-

আর কোন ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মেনে নিবে নাঃ রুকন সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান
হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, যাদের হাতে বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ নয় সে ধরনের কোন সংস্থা দেশের মানুষ দেখতে চাই না। তাদের বিয়য়ে রাষ্ট্র সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন এমনটাই আশা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তিনি বলেন রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র যে ভাবেই হোক না কেন তাদেরকে কুপকাত করবে দেশের জনগন।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা পল্লিমঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাতক্ষীরা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে ও সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিসদষদ সদস্য মোবারক হোসেন, অধ্যক্ষ মুহাঃ ইজ্জতউল্লাহ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সেক্রেটারী মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, শুরা সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য শফিকুল আলম, খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।
সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, ডা,মাহমুদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি প্রফেসর ওবায়দুল্লাহ, প্রফেসর ওমর ফারুক, মাহবুবুল আলম, মাওলানা ওসমান গণি, সহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ। প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, শহীদরা আমাদের সম্পদ, তাদের আদর্শ অনুপ্রেরনা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।