Category: আশাশুনি

  • আশাশুনিতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী

    আশাশুনিতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী

    আশাশুনি প্রতিনিধি।। আশাশুনিতে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর-২০০৬ পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় উপজেলার আশাশুনি সদর,বুধহাটা, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে পৃথক পৃথক ভাবে দিবসটি পালিত হয়েছে। আশাশুনি সদর ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আব্দুল হাই এর পরিচালনায় আশাশুনি বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, বিএনপির আহবায়ক স,ম হেদায়েতুল ইসলাম,জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোশারফ হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক উপজেলা আমীর ডাক্তার নুরুল আমিন, বিএনপির সেক্রেটারী মশিউল হুদা তুহিন,জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এবিএম আলমগীর পিন্টু, মাওলানা আব্দুর রশিদ, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা জিয়াউল ইসলাম,সাবেক ছাত্র শিবির সভাপতি বেলাল হোসেন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বায়ক ওমর ফারুক,শহীদ জাবিদের পুত্র হাফেজ ওসমান গনি প্রমুখ। বুধহাটা ইউনিয়: উপজেলার বুধহাটা করিম সুপার মার্কেটে যুব বিভাগ সেক্রেটারী আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডাক্তার রোকনুজ্জামান,ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ। প্রতাপনগর ইউনিয়ন: প্রতাপনগর তালতলা বাজারে ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আল আমিন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মান্নান,উপজেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা রিয়াছাত আলী,উপজেলা সহকারী সেক্রেটারী শাহ ওহিদুজ্জামান শাহীন, মাওলানা অহিদুজ্জামান,মাওলানা শফিকুল ইসলাম,ছাত্রশিবির সভাপতি মুহিবুল্লাহ প্রমুখ। শ্রীউল্লা ইউনিয়ন: ইউনিয়নের নাকতলা কালীবাড়ি বাজারে ইউনিয়ন আমির মাওলানা লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল কুদ্দুস।অন্যান্যের মধ্যে শাহিনুর রহমান,মাওলানা আব্দুল হাকিম,আব্দুর রহমান প্রমুখ।সভায় বক্তারা বলেন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা। অবিলম্বে ২৮ শে অক্টোবরের খুনিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পুনরা সচল করে খুনিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।আলোচনা সভা শেষে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর২০০৬ এর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

  • আশাশুনিতে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আশাশুনিতে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি(সাতক্ষীরা)।।আশাশুনিতে শিক্ষক সম্মেলন-২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় আশাশুনি মহিলা কলেজ হলরুমে আশাশুনি উপজেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন এ সম্মেলনের আয়োজন করে। উপজেলা কলেজ শিক্ষক পরিষদ এর সভাপতি ও আশাশুনি সরকারি কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে ও আশাশুনি আদর্শ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও আগরদাঁড়ি কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য- রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল,উপদেষ্টা ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবান মুকুল,উপদেষ্টা আবু মছা তারিকুজ্জামান তুষার, মাওলানা নুরুল আফসার মুর্তজা, সাতক্ষীরা জেলা আদর্শ শিক্ষক পরিষদের ‌ ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি প্রফেসর মাওলানা আব্দুল ওয়ারেছ, মাধ্যমিক শিক্ষক পরিষদের জেলা সভাপতি ও শরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া, ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ, প্রতাপনগর এ পি এস ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা অহিদুজ্জামান, আশাশুনি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ নেতা মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, কাকবাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু দাউদ, ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক পরিষদের উপজেলা সভাপতি মাওলানা গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। সভায় আশাশুনি উপজেলা কলেজ শিক্ষক পরিষদ,মাধ্যমিক শিক্ষক পরিষদ, মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ, ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ, কারিগরি শিক্ষক পরিষদ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ ও কিন্টার গার্ডেন শিক্ষক পরিষদের উপজেলা আংশিক কমিটির গঠন করা হয়।

  • আশাশুনিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু

    আশাশুনিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি প্রতিনিধি।। আশাশুনিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম গোলাম হোসেন(৪৫)। মঙ্গলবার(১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
    প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে,রাজাপুর গ্রামের রবিউল সরদারের ছেলে গোলাম হোসেন বাড়িতে বিদ্যুৎ লাইনের কাজ করছিলেন। মেইন লাইনে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় মিটারের সার্ভিস তারের সংযোগের লাইনে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ বিদ্যুৎ লাইন চালু হলে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। বাড়ির লোকজন তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার চেষ্টা করলেও সার্ভিস তারে পুরো শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বুধবার সকালে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
    তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসী শোকাহত।

  • প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    আশাশুনি ব্যুরো।। আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর আবু বক্কার সিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওঃ শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন দূর্নীতির প্রতিকারের দাবীতে ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় প্রতাপনগর তালতলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধন চলাকালে প্রতাপনগর গ্রামের ভুক্তভোগি বিলকিস নাহার বলেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রতাপনগর গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের পুত্র মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বাড়িতে এসে আমার কন্যা দিলরুবা ইয়াসমিনকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমার সরলতার সুযোগে তিনি বিভিন্ন সময় ৫ কিস্তিতে ৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নেয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরবি প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন। তার ইনডেক্স নম্বর ২১১২৪৫২। তিনি চাকরিও দেননি, টাকাও দেননি, ফোন করলে ধরেন না। বর্তমান তিনি পলাতক আছেন। আমি সুদে ও লাভে টাকা নিয়ে তাকে  দিয়েছি। বর্তমান আমার পরিবার নিঃস্ব প্রায়।
    একই গ্রামের মনজুরুল সানা জানান, আমার কন্যা নাতাশা পারভীনকে স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেয়। টাকা চাইলে তালবাহানা করে।
    আব্দুর রহিম ঢালী জানান, শহিদুল্লাহ আমার পুত্র সাকিবকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের জাকিরুল ইসলাম জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে আয়া পদে চাকরি দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ৫ হাজার টাকা নেন। ভুক্তভোগী সাকিব জানায়, শহীদুল্লাহ আমার পিতা আব্দুর রহিম ঢালীর নিকট থেকে আমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। টাকা ফেরত চাইলে আমাকে ১০০ বার সময় দিয়েও ভঙ্গ করেন। গত ৫ আগস্ট এর পর থেকে তিনি পলাতক। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজসহ প্রমাণ আছে। তামিম হোসেন রুবেল জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বোনকে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে টাকা নিয়েছিল কিন্তু টাকাও ফেরত দেননি চাকরিও দেননি। আমরা প্রতারকের বিচার চাই। বিষয়টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদ, তালতলা বাজার ব্যবসায়ী কমিটি ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছিল কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।
    প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ জানান, বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। মাদ্রাসার তৎকালীন সভাপতি ছিলেন চেয়ারম্যান মরহুম জাকির হোসেন। শহিদুল্লাহ এবং চেয়ারম্যান জাকির মিলে লেনদেন করতেন। মাওলানা শহিদুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করতে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার মাওলানা শহীদুল্লাহকে গ্রেফতার পূর্বক শাস্তি ও তাদের টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    আশাশুনি প্রতিনিধি।।আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম ও ক্রাইম বার্তা’র আশাশুনি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান ও রেকসনা পারভীন’এর বড় কন্যা এবং আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা(সাথী)’র ১৪তম জন্মদিন আজ।
    ২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সুন্দর এই পৃথিবীতে তার আবির্ভাব হয়। সাথী’র ভবিষ্যৎ জীবনে বয়ে আনুক পবিত্রময় অনাবিল সুখ ও শান্তি।
    সেই কামনায়- আব্বু-আম্মু, চাচা-চাচি, ফুফু- ফুফা, নানা-নানী, মামা-মামি,ভাই-বোন, বান্ধবীগন ও সকল আত্মীয়স্বজনেরা। জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। (ছবি-১২ বছর আগের)

  • বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রতিনিধি।। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বুধহাটা বাজার (আশাশুনি) আউটলেটে গ্রাহক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় শাখা কার্যালয়ে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
    বুধহাটা আউটলেটের প্রোপাইটার নূরুল আফছার মুর্তজার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এইচওবি সাতক্ষীরা মোঃ সাদেক আলী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বুধহাটা আউটলেট ইনচার্জ ফয়সাল আহমেদ, সাতক্ষীরা শাখার পিও এবং ইনচার্জ বিনিয়োগ মোঃ মাহবুবুল আলম মুতাছির বিল্লাহ, সিনিয়র অফিসার বেলাল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, সহ পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন, গ্রাহকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এ্যাড. শহিদুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসকে হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিভাস দেবনাথ, শিক্ষক আরিফুল ইসলাম, মাওঃ আঃ ওহাব, মাওঃ আঃ ওয়াজেদ, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ বিলাল হোসেন। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করে শিশু শিল্পী তাজরিয়ান আহমদ। সবশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন, বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ রহমত উল্লাহ।

  • সরকারি ইজারাকৃত আশাশুনির হাড়িয়াখাল জলমহাল দখলের অভিযোগ

    সরকারি ইজারাকৃত আশাশুনির হাড়িয়াখাল জলমহাল দখলের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি ইজারাকৃত আশাশুনির হাড়িয়াখাল জলমহাল দখল করে রীতিমত রামরাজত্ব পরিচালনা করছে রহমত আলীগং। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুবাদে ইজারাদারকে হটিয়ে সুযোগ বুঝে জলমহালটি দখল করেছেন তিনি। প্রতিনিয়ত ভাড়াটে দুর্বৃত্তদের দিয়ে জলমহালে অবস্থান ও ইজারা গ্রহীতার মৎস্য ঘের থেকে বাগদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য লুটপাট করছেন তারা।
    সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা মৌজার ১নং খাস খতিয়ানে হাড়িয়া খাল জলমহালের ৩২৪, ৩২৬, ৩২৮, ৪১৯, ৫৬৫/৬৬৬ ও ৫৬৭ দাগে ১১.৮২ একর জমি সরকারের কাছ থেকে বিল নাটানা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি সঞ্জয় মন্ডল ১৪২৯-১৪৩১ সন পর্যন্ত ইজারা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি উক্ত জলমহাল পরিচালনার জন্য আশাশুনি উপজেলার আদালতপুর গ্রামের মৃত করিম শেখের পুত্র মো. নজিরউদ্দীন শেখকে কেয়ারটেকার নিয়োগ করেন। এছাড়া স্থানীয় নীলরতন রায়ের পুত্র কালিপদ রায়ের রেকর্ডীয় প্রায় ৮ বিঘা সম্পত্তি ভাঙনের ফলে উক্ত জলমহালের অভ্যন্তরে চলে গেছে। যে ৮বিঘা জমির হারি জমির মালিক কালিপদ রায়কে বাৎসরিক চুক্তিতে প্রদান করছেন নজিরউদ্দীন শেখ। সেখান থেকে নজিরউদ্দীন শেখ উক্ত জলমহালে নেটপাটা স্থাপন, পাহারাগৃহ নির্মাণ করে মৎস্য চাষ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন। বিগত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ বুঝে কোদন্ডা গ্রামের মান্দার গাজীর পুত্র রহমত আলী গাজী গত ১০আগস্ট উক্ত জলমহালের মালিকানা দাবি করে ভাড়াটে দুবৃৃত্তদের নিয়ে নজির উদ্দীন শেখের সত্ত্ব দখলীয় মৎস্য ঘেরটি দখলে নিয়ে প্রতিদিন মাছ ধরে লুটপাট করছেন।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নজির উদ্দীন শেখ জানান, হাড়িয়া খাল জলমহালটি সরকারের ১নং খাস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত। সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ‘বিল নাটানা মৎস্য জীবি সমবায় সমিতির সভাপতি সঞ্জয় মন্ডল ১৪২৯-১৪৩১ সন পর্যন্ত ইজারা গ্রহণ করেন। যার মেয়াদ এখনো বলবৎ আছে। তিনি উক্ত জলমহাল পরিচালনার জন্য আমাকে কেয়ারটেকার নিযুক্ত করেন। আমি সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য চাষ করে ভোগ করে আসছিলাম। কিন্তু গত ১০আগস্ট রহমত আলী তার পুত্র ও জামাতার সহযোগীতায় সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে মৎস্য ঘেরটি দখলে নিয়েছেন। তাঁরা সার্বক্ষণিক ঘেরের বাসায় অবস্থান সহ মহড়া দিচ্ছে। আমরা উক্ত ঘেরে গেলে বা আইন আদালতের আশ্রয় নিলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকী দিচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে আমি ও আমার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। রহমত আলীর নেতৃত্বে দূর্বিত্তরা অদ্যবদি প্রায় ২লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়ে গেছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার মৎস্য ঘের পুনঃরুদ্ধার ও ক্ষতিপূরণ চাই।
    এ বিষয়ে জানতে চাইলে রহমত আলীর জামাতা জানান, ‘আমার শ্বশুর উক্ত জমির প্রকৃত মালিক। আমাদের কাছে সব কাগজপত্র আছে। আগে উনি উক্ত ঘের ভোগদখল করতেন। কিন্তু উনার দুর্বলতার সুযোগে নজিরউদ্দীন জোর করে উনাকে তাড়িয়ে দিয়ে ঘেরটি দখল করে। এখন আমরা আমার শ্বশুরের ঘের পুনরায় দখলে নিয়েছি।
    স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, কালিপদ রায় (৭৫) বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখছি জলমহালটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। ওটা কখনো ব্যক্তি মালিকানায় ছিল না। নজিরউদ্দীন শেখ উক্ত জলমহালে দীর্ঘদিন মৎস্য চাষ করে। এমনকি জলমহালের মধ্যে আমার ৮বিঘা রেকর্ডীয় সম্পত্তি আছে যা আমি নজিরউদ্দীন শেখের কাছে হারি দিয়েছি।
    উল্লেখ্য, রহমত আলী ইসলামকাটি সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের গত ৭-৭-১৯৬৩ ও ২৭-০৬-১৯৬৩ তারিখের দুটি দলিল দেখিয়ে উক্ত জলমহালের মালিকানা দাবি করেন। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী রহমত আলীর জন্ম তারিখ ২০-০৮-১৯৫৫ খ্রি.। সুতরাং দলিল রেজিষ্ট্রির সময় তার বয়স হওয়ার কথা সর্বসাকুল্যে ৮ বছর। ৮বছরের নাবালক সরাসারি দলিল গ্রহীতা হতে পারে কিনা বা দলিলে নাবালক কথাটি লেখা না থাকায় এলাকায় উক্ত দলিল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শোনা যায়। এছাড়া উক্ত দলিল দুটির দাতা যথাক্রমে পাইকগাছার কাটিপাড়ার মধুসূদন চট্টোপাধ্যয়ের পুত্র শ্রী জোতিষ চন্দ্র চট্টোপাধ্যয় ও একই উপজেলার হরিঢালী গ্রামের শরদাচন্দ্রর পুত্র গোপাল চন্দ্র উল্লেখ থাকলেও আদৌ উক্ত ঠিকানায় দলিল দাতাদের কোন হদিস নেই। এছাড়া দেওয়ানী ৩৭৫/৭২ ও ৩৫৪/৭২নং মামলার ডিক্রিমূলে হাড়িয়াখাল জলমহালের ২০০ বিঘা সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে রহমত আলী। যে ডিক্রির নকল উত্তোলন করা হয় যথাক্রমে ১৫-০২-৯০ ও ২০-০২-৮৩ তারিখে। সরকারের পক্ষে খুলনা জজকোর্টের আইনজীবী রামপ্রসাদ সরকার খুলনা জেলা জজ আদালতের মহাফেজ খানা ও সাতক্ষীরা ২য় মুনসেফ আদালতে উক্ত ডিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে গত ১২-০২-২৪ তারিখে খুলনা জেলা জজ আদালতের মহাফেজ খানার নথি রক্ষক স্বাক্ষরিত সরকারি ফরমে বলা হয় ‘অত্র মামলার নিষ্পত্তির তারিখ উল্লেখ্যে অত্র মামলা না থাকায় সঠিক তথ্য সরবরাহ করা হইল না।’
    উল্লেখিত বিষয়ে এলাকার একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, ‘রহমত আলী বিভিন্ন সময় জাল দলিল ও জাল ডিক্রি করে উক্ত জলমহালের মালিকানা দাবি করেন যা ভিত্তিহীন। এলাকার সচেতন মহল উক্ত সরকারি জমি যাতে কেউ জবরদখল করতে না পারে। তার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।