Blog

  • দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    দেবহাটা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার বিকাল ৪টায় দেবহাটা উপজেলায় এক বিশাল র‌্যালি বের হয়। উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে পারুলিয়া বাসষ্ট্যান্ডে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    ছাত্রশিবিরের দেবহাটা উত্তর শাখার সভাপতি রোকনুজ্জান রোকন’র সভাপতিত্বে ও দেবহাটা দক্ষিণ শাখার সভাপতি আবু সাঈদ’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারী মো. নাজমুল ইসলাম।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর দেবহাটা উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগরীর সাবেক অফিস সম্পাদক মাওলানা মোজাহিদুল আলম, ছাত্রশিবিরের দেবহাটা উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ মাসুদ রানা, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রহমান, আশিকুজ্জামান আশিক, ছাত্রশিবিরের দেবহাটা উপজেলার সাবেক দায়িত্বশীল জাহাঙ্গীর আলম মিলন, দেবহাটা দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারী মারুফ হোসেন, দেবহাটা উত্তর শাখার সেক্রেটারী সাফায়াত হোসেন প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশের সকল ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ছাত্রশিবির কে আরো বেশী করে কাজ করতে হবে। ছাত্রসমাজের আশা-আকাঙ্খার প্রতীকে পরিণত হতে হবে। কল্যাণ মূলক কাজের মাধ্যমেই ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। সকল প্রকার আধিপত্যবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের আপসহীন সংগ্রাম অতীতের ন্যায় আগামীতেও জারি রাখতে হবে।
    তিনি আরো বলেন, শত জুলুম নির্যাতন হত্যা করে ছাত্রশিবিরের আদর্শকে স্তব্ধ করা যাবেনা। বরং শাহাদাতের রক্তে রঞ্জিত হয়েই এই কাফেলা আজ আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংহত হয়ে কাজ করছে। তিনি শহীদ আবু সাঈদ, আবরার ফাহাদ এবং ওসমান হাদীর আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তাদের হত্যার যথাযথ বিচার দাবি করেন।

  • জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ভোট চাওয়া উচিৎ বিএনপির – দেলাওয়ার হোসেন

    ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা : ঠাকুরগাঁও-(সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, বিএনপির নেতারা এখন কথায় কথায় জামায়াতকে রাজাকারের দল হিসাবে আখ্যা দিচ্ছে। এসব মিথ্যা গল্প বলে জাতিকে বোকা বানানো যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ ইতিহাস জানে। স্বাধীনতার পর সরকার যখন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে বিএনপির রাজাকারের সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজার। জামায়াতের মাত্র ৩৪ জনের নাম সেই তালিকায় এসেছিল। সুতরাং রাজাকারের দল হলো বিএনপি। তাদের উচিৎ আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া, তারপর ভোট চাইতে আসা। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট ফাজিল মাদরাসা ঈদগাঁ মাঠে আয়োজিত দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    একই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি আপনাকে অত্যন্ত সম্মান করি শ্রদ্ধা করি। আজকে আপনারা যেভাবে মিথ্যাচার করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ কখনোই তা বিশ্বাস করে না। মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে আপনার বাবার নামও রাজাকারের তালিকায় আছে।

    চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ দখলবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী জাতি আশা করেছিল এবার তারা চাঁদাবাজ দখলবাজ টেন্ডারবাজ ও লুটেরাদের হাত থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যেভাবে চাঁদাবাজি দখলবাজি টেন্ডারবাজি লুটতরাজ জুলুম নির্যাতন মামলা বাজি হতো, এখনো সেভাবেই হচ্ছে। শুধুমাত্র হাত বদল হয়েছে আর বাকি সব আগের মতই আছি।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছে যে তারা ক্ষমতায় আসলে এসব এ ধরনের সকল অপকর্ম কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সমাজের আর কোন অসহায় পরিবারের উপর, সংখ্যালঘু ভাই-বোনদের ওপর কোন প্রকার জুলুম নির্যাতন হতে হবে না।

    ভোটারদের কাছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চেয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আপনাদের জন্য একটি আদর্শ ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে। এই এলাকার মানুষ অনেক বেশি অবহেলিত। আমরা স্বাস্থ্য চিকিৎসা শিক্ষা যোগাযোগ কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছি। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইপিজেড স্থাপন করব। স্বল্প খরচে মানুষের সেবা নিশ্চিত করব। সহজেই ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব করার ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকরা ন্যায্য দামে, সার,বীজ, কীটনাশক পাবে এবং তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে। নারীরা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সামাজিক মর্যাদা ফিরে পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে দাঁড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমাজে অবদান রাখবেন।

    জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ৷ আলমগীর, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় গণমাধ্যম কর্মীসহ এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

    মাহবুব আলম, লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা :
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা তো নয়ই কোন একটি কর্মীও চাঁদাবাজি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর দুজন মন্ত্রী ছিলো তাদের বিরুদ্ধে কোন সংস্থা দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। আমাদের বাংলাদেশে বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা নতুন কিছু দিবে না। তারা আবার ক্ষমতায় আসলে জুলুম,চাঁদাবাজি ফিরে আসবে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে নারী শ্রমজীবীদের আট ঘন্টা কাজ করতে হবে না, তারা পাঁচ ঘন্টা কাজ করবে। ৬০ বছরের ওপরে যাদের বয়স তারা ফ্রি চিকিৎসা পাবে। ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাবে। বিগত সময়ে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ফ্যাসিস্ট সরকার পাচার করেছে। এসব টাকা ফিরিয়ে এনে বেকারদের কর্মসংস্থান করা হবে। আমরা তরুনদেরকে বেকার ভাতার পরিবর্তে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে যাকাত চালু করা হবে। তিনি বলেন আপনারা জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী নিজামুল হক নাঈমকে ফুলকপি মার্কায় বিজয়ী করবেন। আগামি দেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের।
    বুধবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) লালমোহন মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ভোলা-৩ আসন (লালমোহন-তজুমদ্দিন) ১১ দলীয় জোটের জামায়াত সমর্থিত ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী নিজামুল হক নাইমের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ১১দলীয় ঐক্যর জামায়াত সমর্থিত ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নিজামুল হক নাইম বলেন,স্বাধীনতার পর বিগত ৫৪ বছর আমরা নিস্পেশিত ছিলাম,আগামি ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আপনারা চাঁদাবাজির কবর রচনা করবেন,আমরা সকল অপশাসনের কবর রচনা করতে চাই। আগামিতে আলোকিত বাংলাদেশকে গড়তে তিনি সকলের কাছে ফুলকপিতে ভোট প্রার্থনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য বিডিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,পতিত স্বৈরাচারের দোসররা বাংলাদেশকে আবার ৫ই আগস্টের আগের অবস্থায় নিয়ে আমাদের জুলাইয়ের লক্ষ্য ধুলিসাৎ করার জন্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনসভায় বিশেষ অতিথি,জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, আগামির ১২ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই। ডা:শফিকুর রহমানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ নতুন করে শপথ নিয়েছে। আপনারা দাঁড়িপাল্লা সমর্থিত ফুলকপিতে ভোট দিবেন। আমরা ন্যায় ইনসাফের সমাজ গড়বো। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৭ বছর নিস্পেশিত হয়েছে। তাঁরা যখন তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে তখনই আয়না ঘর নামক বন্দীশালায় তাদের নির্যাতন করেছে। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যাদের ক্ষমতার সময়ে তিনবার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা আবার কিভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতি মুক্ত করবে। এই জমিনে আর কোনো স্বৈরাচার বরদাশত করব না। যদি আমাদের মা বোনদের উপর হামলা হেনস্তা করা অব্যাহত রাখা হয় তাহলে ইসলামি ছাত্র শিবির এমন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আপনারা পালানোর জায়গা পাবেন না। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফুলকপি মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।
    জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ মোঃ আখতার উল্লাহর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল অঞ্চল টীম প্রধান মাওঃ ফখরুদ্দিন রাজি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট পারভেজ হোসেন, ভোলা জেলা জামায়াত আমীর মাষ্টার জাকির হোসেন, সেক্রেটারি মাও হারুনুর রশীদ,ভোলা- ৪ জামায়াত প্রার্থী মাওঃ মোস্তফা কামাল, জামায়াত সহ এগারো দলীয় জোটের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • বগুড়া সান্তাহারে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিছিল ও গণসংযোগ

    বগুড়া সান্তাহারে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিছিল ও গণসংযোগ

    সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি: ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌর শহরে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও মিছিল করেছে বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার বিকালে বগুড়ার সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে পৌর শহরের রেলগেট, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, হাটখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে এই গণসংযোগ ও মিছিল করা হয়। গণসংযোগে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। তিনি বলেন, ‘বিএনপি ছাড়া বগুড়ার উন্নয়ন কেউ করেনি। উন্নয়ন চাইলে অবশ্যই বিএনপি এবং জিয়া পরিবারের পক্ষে থাকতে হবে। ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ এবং তারেক রহমানের ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ধানের শীষের বিকল্প নেই। বিএনপি সরকার গঠন করলে আমাদের তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশাল্লাহ। এজন্য অতীতের আন্তরদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে সকলে মিলে আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মান্নান, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুল হক টিকন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আখতারুজ্জামান মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন, সাবেক কাউন্সিলর ওয়াহেদুল, মমতাজ, খোকন, বিএনপি নেতা তাজ উদ্দীন, রায়হান, সুজন, জেলা যুবদলের সদস্য মিজানুর রহমান তালুকদার জিকো, চপল, যুবদল নেতা মিনহাজুল, সিহাব, মাহমুদুল আলম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রুহুল, রাজ্জাক, মানিক, লিয়ন, ছাত্রদল নেতা শাকিব, জাহিদ, সোহাগ, সোহান, রাহুল, ফাহমিদ প্রমুখ।

  • জামায়াতকে দেশের জনগণ সরকার গঠনের সুযোগ দিলে দুর্নীতি নির্মূলে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে ..প্রতাপনগরের জনসভায় এমপি প্রার্থী রবিউল বাশার

    জামায়াতকে দেশের জনগণ সরকার গঠনের সুযোগ দিলে দুর্নীতি নির্মূলে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে ..প্রতাপনগরের জনসভায় এমপি প্রার্থী রবিউল বাশার

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান।।।সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেছেন-আমরা আল্লাহর আইন চাই,সৎ লোকের শাসন চাই। আল্লাহর আইনের পক্ষে আমরা সর্থন দেব,এর জন্য জান-মাল দেওয়ার জন্য তৈরী থাকবো। সৎ লোকের শাসন ছাড়া আল্লাহর আইন চালু হতে পারে না এবং সমাজ দুর্নীতি মুক্ত হতে পারেনা।
    আমরা দেখেছি ইতিপূর্বের শাসনগুলো ছিল দুর্নীতিপূর্ণ।
    আল্লাহ আমাদেরকে যদি,জামায়াতে ইসলামীকে যদি এদেশের জনগণ সরকার গঠনের পর্যায়ে নিয়ে যায়, তাহলে আমরা দুর্নীতি নির্মূলে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। চাঁদাবাজি,ঘুষ,দখলবাজি বন্ধ করার চেষ্টা করবো। আসুন আমরা দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করি।
    প্রধান অতিথি বলেন,হিন্দু,মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান সবাই সবার অধিকার ধর্মীয়ভাবে,স্বাধীনভাবে পালন করবে। আমরা দেশকে গড়ার কাজে উন্নয়নের কাজে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করবো।
    রবিউল বাশার বলেন,আপনারা আওয়ামীলীগ, বিএনপি জাতীয় পার্টির শাসন দেখেছেন একবার জামায়াতকে দেখুন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ও হ্যাঁ ভোটের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
    বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩ টায় প্রতাপনগর ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে ইউনিয়ন জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। বিকাল ৩ টার আগেই মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।
    ইউনিয়ন আমীর উপাধ্যক্ষ মাওঃ অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওঃ আল-আমীন ও মাওঃ কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওঃ আজিজুর রহমান,জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এড.আব্দুস সোবহান মুকুল,জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মাওঃ আবু বকর সিদ্দিক, সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুল গফফার,উপজেলা আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার,নায়েবে আমীর মাওঃ নুরুল আবছার মুর্তাজা,সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওঃ আনওয়ারুল হক,সহ-সেক্রেটারী ডাঃ রোকনুজ্জামান,সমাজ কল্যান সম্পাদক প্রতাপনগর চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ রিয়াছাত আলী,জেলা ছাত্র শিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান,শহর ছাত্র শিবির সেক্রেটারী মেহেদী হাসান,সাবেক শিবির নেতা মাগফুর রহমান,মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জেল হোসেন,সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ ছাত্র শিবির সভাপতি রফিকুল ইসলাম,গদাইপুর আব্দুল লতিফ কলেজের প্রভাষক ও সনাতন ধর্মের প্রতিনিধি দীপ্র কুমার মন্ডল,শহীদ আনাছ বিল্লাহর পিতা আরেজ আলী প্রমুখ।

  • শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার” — গাজী নজরুল ইসলাম

    শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার” — গাজী নজরুল ইসলাম

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী জনসভা কাশিমাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (৪ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঈদগাহ ময়দানে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা রুহুল কুদ্দুস। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।প্রধান অতিথি সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন,“দেশকে আজ দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে হবে। জনগণ এখন শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়। এ পরিবর্তন আনতে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে হবে।”কাশিমাড়ীর অতীত দুর্যোগ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিগত সময়ে কাশিমাড়ীর ঘোলা ঝাপালী বাঁধ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। সে সময় আমি সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাঁধ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখি। মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকা আমার দায়িত্ব, আর এই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি আজও মাঠে আছি।” তিনি বলেন, “আমি এমপি থাকাকালীন সময়ে কাশিমাড়ীসহ শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করেছি। বরাদ্দ যেন সঠিকভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়—সেটিই ছিল আমার প্রধান লক্ষ্য।”আগামী পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনগণ যদি আবারো আমাকে সংসদে পাঠায়, তাহলে কাশিমাড়ী ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, বাজার ও হাটবাজার উন্নয়ন, কৃষি ও মৎস্যখাতে আধুনিকায়ন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাশিমাড়ীকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
    তিনি আরও বলেন, “এই জনপদের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দখলবাজ-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়াই হবে আমার রাজনীতির মূল অঙ্গীকার।” জনসভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ভোটাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একটি গ্রহণযোগ্য বিকল্প শক্তি প্রয়োজন। তারা বলেন, জামায়াতে ইসলামী জনগণের কল্যাণভিত্তিক রাজনীতি করে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
    বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল, মাওঃ আব্দুল মজিদ শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মঈন উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা নায়েবে আমীর ফজলুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সহকারি সেক্রেটারি সাঈদ হাসান বুলবুল। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত

    দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত

    মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর:
    দিনাজপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় দিনাজপুর জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুলের নেতৃত্বে মিছিলটি পার্টি অফিস থেকে বের হয়ে মডার্ন মোড়, কোতোয়ালি থানা মোড়, মালদাহ পট্টি, নিমতলা, বুটিবাবুর মোড়, বাহাদুরবাজার, স্টেশনরোড ও লিলির মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক আক্তার, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ কচি, পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম।
    আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুজার রহমান সেতু, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরনবী ইসলাম শুভ, কোতোয়ালি থানা বিএনপি, মহিলা দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও পৌর বিএনপির ১২টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
    পথসভায় বক্তব্য রাখেন সদর–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুল।

  • হ্যাঁ ভোট মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। না মানে দিল্লীর বশ্যতা.. ডা. তাহের

    হ্যাঁ ভোট মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। না মানে দিল্লীর বশ্যতা.. ডা. তাহের

    কুমিল্লা অফিস :
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের বলেছেন, এবারের নির্বাচনে একটি সুযোগ আসছে। গত ৫৬ বছরে অত্যাচার, দখলবাজ, লুটতরাজ, চরিত্রহীন কাজ, বাজে সংস্কৃতি এবং বাজে রাজনীতি ছিল সেটার কবর রচনা করে, আমরা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করবো, ইনশাআল্লাহ।এই নতুন বাংলাদেশে কি হবে? ৫৬ বছরে যে দুর্নীতি ছিল, সেটা থাকবে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধেই আমাদের জিহাদ।
    এই নির্বাচনের দিন দুইটি ভোট। একটি দাঁড়িপাল্লায় দিবেন। অপরটি হ্যাঁ ভোট আর না ভোট। আমরা সবাই হ্যাঁতে ভোট দিবো। কারণ, হ্যাঁ মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। না মানে দিল্লীর বশ্যতা। আমরা মাথা উচু করে দাঁড়াবো। আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করবো না।

    ডা.তাহের বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পরপর তিনবার এক নম্বর হয়েছিল। বাংলাদেশের মূল সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। এ দুর্নীতি যদি চলে যায়, তাহলের বাংলাদেশের উন্নয়ন অটোমেটিকভাবে ডাবল হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের মূল টার্গেটই হবে দুর্নীতি বন্ধ করা। সেটা আমরা অতীতে প্রমাণ করেছি। আপনারা জানেন ২০০১-০৬ সালে বিএনপির নেতৃত্বে যে সরকার ছিল, সেখানে জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ছিল। জামায়াতের মন্ত্রীদের কোন দুর্নীতি পাওয়া যায়নি। সুতরাং, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো সেটা আগেই প্রমাণ করেছিলাম।
    ডাঃ তাহের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
    ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর কাজী মোঃ আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর মাহফুজুুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, ওয়াজী উল্লাহ ভুঁইয়া খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংকার আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মাহাদী, জামায়াত নেতা ভিপি জাহাঙ্গীর হোসেন, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী আহসান উল্লাহ, ব্যবসায়ী এরশাদ উল্লাহ মজুমদার, এটিএম খোরশেদ আলম, সমাজসেবক আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন……….মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন……….মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    মোঃ হারুন উর রশীদ,কালিগঞ্জ,সাতক্ষীরা।।
    সাতক্ষীরা ৩ (কালিগঞ্জ – আশাশনি) সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাসারের কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা,চাম্পাফুল ও নলতা ইউনিয়নে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও হিন্দু সমাবেশ এবং নির্বাচনীয় জনসভা, অংশগ্রহণ করেন।

    মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ) সকাল থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা বাস স্ট্যান্ড ও রায়পুর বাস স্ট্যান্ডে সংলগ্ন বাজারে গণসংযোগ, বিকালে চাম্পাফুল ইউনিয়নের শ্মশান ঘাটা নামক স্থানে হিন্দু সমাবেশ ও চম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নির্বাচনীয় জনসভা এবং সন্ধ্যায় নলতা ইউনিয়নে কাশিবাটি টাইগার ক্লাব সংলগ্ন বাজারে গণসংযোগ ও ইছাপুরে হিন্দু সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ সংসদীয় আসন (আশাশুনি–কালিগঞ্জ)বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এসময় তিনি বলেন দেশের সার্বভৌমত্ব, উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে সব দল-মত ভুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিন। তিনি আরও বলেন আপনারা অতীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সরকারের দুইটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে দেখেছেন। সার্চলাইট দিয়ে খুঁজেও ওই মন্ত্রণালয় দুটিতে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি পাওয়া যায়নি।সংসদে যেতে পারলে সাতক্ষীরা জেলাকে বৈষম্যমুক্ত করে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক , সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল গফফার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জুবায়ের হোসেন ও সেক্রেটারি নাজমুল হাসান,কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুর রউফ, কালিগঞ্জ উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আবু ইসলামসহদলটির উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বশীল,কর্মীও নেতৃবৃন্দ,কৃষক,শ্রমিক,এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।গণসংযোগ ও জনসভায় বক্তারা আগামী নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

  • শিবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হাফেজ মনির হোসেনের কবর জিয়ারত করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

    শিবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হাফেজ মনির হোসেনের কবর জিয়ারত করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

    মোঃ তৌফিক আল হাসান:
    সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মোঃ রজব আলী সাহেবের সুযোগ্য সন্তান হাফেজ মনির হোসেনের মর্মান্তিক ইন্তেকালে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। গত কয়েক দিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
    (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
    মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কবর জিয়ারত করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের  সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, জননন্দিত আলেম মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাহেব।
    কবর জিয়ারতের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য  মাওলানা শাহাদাত হুসাইন , আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কবির হোসেন (মিলন) ও শিবপুর ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের মুসল্লি ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। জিয়ারত শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত, জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ধৈর্য ও সান্ত্বনা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
    এ সময় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাহেব বলেন, “হাফেজ মনির হোসেন ছিলেন একজন ভদ্র, দ্বীনদার ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন ব্যক্তি। তাঁর অকাল মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, গোটা এলাকার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।”
    স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
    আল্লাহ তায়ালা মরহুম হাফেজ মনির হোসেনকে জান্নাতবাসী করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এ শোক সইবার তাওফিক দান করুন—আমিন।