Blog

  • কলারোয়ায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    কলারোয়ায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহকে সংবর্ধনা জানিয়ে কলারোয়ার যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার গাজনা-ওফাপুর ফুটবল মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মাঠটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুগিখালী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. আব্দুল মান্নান সানার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল লতিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওসমান গনী, জেলা শুরা সদস্য মাওলানা মো. ওমর আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. কামারুজ্জামান, নায়েবে আমির মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ এবং সেক্রেটারি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম আসাদ, জামায়াত নেতা মাওলানা আমানুল্লাহ আমান, নজরুল ইসলাম, ক্বারী রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাস্তবায়ন করা গেলে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গঠন সম্ভব। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের মধ্যে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

  • তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে পাম্প পরিদর্শনে এমপি বরিউল বাশার

    তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে পাম্প পরিদর্শনে এমপি বরিউল বাশার

    আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে দুটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। তাঁর পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট পাম্পগুলোতে তেল বিক্রি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে তিনি প্রথমে বুধহাটা এলাকার রহমান ফিলিং স্টেশন এবং পরে মহেশ্বরকাটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে এলাকার কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিক্রি সীমিত রাখা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এতে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। মহেশ্বরকাটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনের সময় সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অকটেন মজুত থাকার তথ্য পান সংসদ সদস্য। তবে ক্রেতাদের তেল না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনি পাম্প কর্তৃপক্ষকে ভোক্তাদের হয়রানি না করার নির্দেশ দেন এবং মজুত তেল বিক্রির ব্যবস্থা করতে বলেন। পরে পাম্পে তেল বিক্রি শুরু হলে কয়েক দিন ধরে অপেক্ষায় থাকা ভোক্তারা তেল পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এন এ এম মুরতাজা আলী, বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সাতক্ষীরা জেলা জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম এবং সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

  • গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

    গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার: পাটকেলঘাটা থানার কাশিপুর দাশপাড়া গ্রামে মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলাকে কেন্দ্র করে কারিনার দাশ (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে- এমন অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে মরদেহ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন নিহত গৃহবধূর স্বজন ও এলাকাবাসী। নিহত কারিনার দাশ সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামের সঞ্জয় দাশের মেয়ে এবং পাটকেলঘাটার কাশিপুর দাশপাড়া গ্রামের সুজিত দাশের স্ত্রী। মানববন্ধনে কারিনার মা চপলা দাশ বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়ের ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাতেন। অনেক সময় দুপুরে খাবারও দেওয়া হতো না এবং বাবার বাড়ির কারও সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হতো না। তিনি বলেন, ‘আমরা মেয়েকে বাড়িতে আনতে চাইলে পাঠাত না। অনেক সময় মেয়েটা লুকিয়ে আমাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলত।’ তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে কারিনার লুকিয়ে তাঁর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। পরে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, কারিনার মারা গেছেন। চপলা দাশের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী সুজিত দাশ, শ্বশুর তপন দাশ, শাশুড়ি লিপি দাশ, ভাশুর শ্যামাপদ দাশ, দেবর অজিত দাশ ও মামা মানিক দাস পরিকল্পিতভাবে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়। মানববন্ধনে ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, প্রতিবেশী রবিন সরকার, শঙ্কর কুমার দাশ, অরুনা দাশীসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন। প্রতিবেশী রবিন সরকার বলেন, কারিনার খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তিনি শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা ছিল। তাঁর দাবি, কারিনার আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে নন; তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ। এ বিষয়ে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল কবীর বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কুলিয়ায় এমপি আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল

    কুলিয়ায় এমপি আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল

    দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সাতক্ষীরা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল চারটায় কুলিয়া ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এ গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল গফফারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সাদিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, সেক্রেটারি এইচ এম ইমদাদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি সোলায়মান হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, টিম সদস্য মাওলানা আব্দুল কাদের ও মাসুম খান চৌধুরী। এ ছাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি মাস্টার মনিরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব আলী, মাওলানা মোজাহিদুল আলমসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া পরিচালনা করা হয় এবং উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন সাতক্ষীরার ২৮শ নারী

    প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন সাতক্ষীরার ২৮শ নারী

    আবু সাইদ বিশ্বাস: সমালোচনার মুখে সাতক্ষীরার ৪টি আসনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাচ্ছেন ২ হাজার ৮শ নারী। রোববার (১৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব সংসদীয় এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাবেন। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা ১,২,৩, ও ৪ আসনে পৃথক ভাবে ৭০০ পিস করে সিনথেটিক কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো সাতক্ষীরা জেলাতে এসে পৌঁছালে বন্টন করা হবে বলে সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা জানান। এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ জানিয়ে সাতক্ষীরা ১ তালা কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য মুহা: ইজ্জত উল্লাহ (১৫ মার্চ) তার ফেসবুকে লেখেন, “সমালোচনার পর হলেও বাকি আসনগুলোতেও আসন্ন ঈদ উল ফিতর- ২০২৬ উপলক্ষে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা। তবে পূর্বে ঘোষিত আসনগুলোতে শাড়ি, থ্রি-পিস ও রুমালের কথা থাকলেও বাকি আসনগুলোতে শুধুমাত্র শাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা কিছুটা বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়। আশা করি ভবিষ্যতে সহায়তা কার্যক্রমে সবার প্রয়োজন সমানভাবে বিবেচনা করা হবে।”
    সাতক্ষীরা ৪ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে লেখেন, “প্রিয় শ্যামনগরবাসী! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল হতে তার দলীয় এমপিদের ঈদ উপহারস্বরূপ বস্ত্রসহ প্রায় পাঁচ প্রকারের ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন। এটা অবশ্যই বৈষম্য মূলক আচরণ। বিরোধী এমপিদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ উঠলে তিনি পুনরায় প্রত্যেক বিরোধী দলীয় এমপিদের জন্য শুধু কেবল ৭০০ পিস করে সিনথেটিক কাপড় বরাদ্দ দেন। সে আলোকে আমাদের শ্যামনগরের জন্য ৭শ’ পিস সিন্থেটিক কাপড় বরাদ্দ পাওয়ার কথা। বিষয়টিআমার শ্যামনগরের জনগণের অবগতির জন্য জানানো হলো। ধন্যবাদ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-২ এসএম পারভেজ স্বাক্ষরিত একটি বরাদ্দপত্রে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার ২১৫ নির্বাচনী এলাকায় ৭০০ করে সিনথেটিক শাড়ি, ১০০ করে থ্রি-পিস ও ৫০টি করে হাজী রুমাল বরাদ্দ প্রদান হয়। ২১৫ নির্বাচনী এলাকা ঘেঁটে দেখা যায়, এসব আসন সরকারি দলের (বিএনপি ও জোট) সংসদ সদস্যদের। এখানে জামায়েত ইসলামী-এনসিপি জোটসহ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ রাখা হয়নি। বরাদ্দপত্রের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল- বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রী (শাড়ি, থ্রি-পিস ও হাজী রুমাল) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা থেকে সংগ্রহপূর্বক নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অসহায়, গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে বিতরণ ও হিসাব সংরক্ষণ করবেন; বিশেষ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকদের পক্ষে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে বিলম্বের আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যগণ নিজ দায়িত্বে ত্রাণসামগ্রী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা হতে তা সংগ্রহপূর্বক সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণ করতে পারবেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি রয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে শাড়ি, থ্রি-পিস ও হাজী রুমাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২১৫টি সংসদীয় এলাকায়। এই সহায়তা শুধুমাত্র সরকারি দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোটভুক্ত সংসদ সদস্যদের এলাকায় দেওয়া হয়। সংসদের বাকি আসনগুলোতে থাকা জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোনো বরাদ্দ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।
    শনিবার (১৪ মার্চ) সাতক্ষীরার চার এমপি ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানান। জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন।
    সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য বঅধ্যক্ষ মুহা: ইজ্জত উল্লাহ ফেসবুকে লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে শুধুমাত্র সরকার দলীয় এমপি গণের নির্বাচনী এলাকায় ঈদ উপহার হিসেবে কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধীদলীয় এমপিগণের নির্বাচনী এলাকায় সেই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কেন এই বৈষম্য? সরকার কি দেশের জন্য নাকি দলের জন্য?
    সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র অসহায় মানুষদের জন্য কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র সরকার-দলীয় এমপিদের নির্বাচনী এলাকায়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল মূলত দেশের সকল অসহায় মানুষের জন্য। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তোলে তেমনি দেশের অন্য সব এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষের সাথে তামাশার শামিল। এর মাধ্যমে দেশে আবারও বৈষম্যের একটি চিত্র ফুটে উঠেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছি।
    সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, আমরা কি তাহলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘সবার আগে বিএনপি নীতিতে’ যাচ্ছি। স্লোগান কি শুধু রেটরিক? প্রধানমন্ত্রী কি শুধু ৫০% লোকের? আমাদের এলাকার মানুষ মনে হয় ট্যাক্স ভ্যাট দেয় না? জাতি এই বৈষম্য মনে রাখবে।
    প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনো দলীয় তহবিল নয় মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাতক্ষীরা ৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য কাপড় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই বরাদ্দ শুধুমাত্র সরকার-দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় প্রদান করা হয়েছে; বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনো দলীয় তহবিল নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি মানবিক সহায়তা তহবিল, যা দেশের সকল নাগরিকের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং এ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি করা সমীচীন নয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী সমগ্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়।
    দেশের সব জনগণ সমানভাবে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। তিনি আরও লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন পরিহার করে দেশের সকল নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য সমানভাবে বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। দেশের মানুষ আর এ ধরনের বৈষম্য দেখতে চায় না।

  • বল্লীতে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ইফতার মাহফিল

    বল্লীতে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ইফতার মাহফিল

    ফিরোজ শাহ, বল্লী প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ১নং আমতলা ওয়ার্ড যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) আমতলা বাসাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব বিভাগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি প্রভাষক আশরাফুজ্জামান। প্রধান অতিথি মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন, মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাসে ইবাদত ও দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। তিনি যুব সমাজকে ইসলামের আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রভাষক আশরাফুজ্জামান বলেন, রমজান কেবল রোজার মাস নয়; এটি আত্মসংযম, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের মাস। যুব সমাজ কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠন সম্ভব। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব বিভাগের সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা, সেক্রেটারি আহকামুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যুবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আমতলা ছিদ্দিকিয়া বরকতিয়া এতিমখানা ও হেফজখানার বড় হুজুর হাফেজ আহমাদ আলী।

  • সংসদে ‘বাঘ বিধবা’দের জন্য বিশেষ ভাতার দাবি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের

    সংসদে ‘বাঘ বিধবা’দের জন্য বিশেষ ভাতার দাবি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের

    স্টাফ রিপোর্টার: সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার অসহায় ‘বাঘ বিধবা’দের মানবেতর জীবনের চিত্র তুলে ধরে তাদের জন্য বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা চালুর দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই মানবিক দাবিটি উত্থাপন করেন। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা সুন্দরবন কেন্দ্রিক হওয়ায় বহু মানুষ মধু সংগ্রহ, মাছ ধরা ও কাঠ সংগ্রহের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গভীর জঙ্গলে যান। সেখানে বাঘের আক্রমণে প্রতি বছর অনেক উপার্জনক্ষম মানুষ প্রাণ হারান। সংসদ সদস্য জানান, বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো এই নারীদের স্থানীয়ভাবে ‘বাঘ বিধবা’ বলা হয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এই নারীরা সমাজ ও পরিবারে চরম অবহেলা এবং আর্থিক অনটনের শিকার হন। সন্তানদের পড়াশোনা ও জীবিকা নির্বাহের কোনো পথ না থাকায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই নারীদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন। গাজী নজরুল ইসলাম বিগত দিনের একটি উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন বাঘের আক্রমণে নিহতদের পরিবারের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। ওই প্রকল্পের আওতায় বাঘ বিধবাদের ভাতা প্রদান, তাদের সন্তানদের শিক্ষা এবং পুনর্বাসনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের কাজও প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই মহতী উদ্যোগ আর আলোর মুখ দেখেনি। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, উপকূলীয় এলাকার এই বিশেষ সমস্যাটি বিবেচনায় নিয়ে বাঘ বিধবাদের জন্য দ্রুত আলাদা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বা বিশেষ ভাতা চালু করা হোক। পাশাপাশি স্থগিত হওয়া সেই প্রকল্পটি পুনরায় চালু করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সন্তানদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান তিনি। সংসদ সদস্যের এই প্রস্তাবটি অধিবেশনে উপস্থিত অন্য সদস্যদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উপকূলীয় মানুষের জীবনের ঝুঁকি ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার এই দাবি বিবেচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল

    কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল

    কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে কলারোয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন করা হয়। উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহমাদ আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপু, কলারোয়া পৌরসভা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বারিক, পৌরসভা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকিম বিল্লাহ, কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন ও কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির। এ ছাড়া ছাত্রনেতা হাসান আল বান্না ও ফুয়াদ আল আবরারসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মশিউল আজম।