Category: সাতক্ষীরা সদর

  • চোখের পানি ছাড়া সবই বিষাক্ত, আতঙ্কিত সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬০ লাখ মানুষ

    চোখের পানি ছাড়া সবই বিষাক্ত, আতঙ্কিত সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬০ লাখ মানুষ

    আবু সাইদ বিশ্বোস, সাতক্ষীরাঃ প্রকল্পের পর প্রকল্প, আর কাড়ি কাড়ি টাকা ব্যয় করার পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৬০ লাখ মানুষের পিছু ছাড়ছে না দীর্ঘদিনের পানিবদ্ধতা। ভারি বৃষ্টিতেই পানিবদ্ধতা, প্রায় দুই যুগ ধরে চলা পানিবদ্ধতার দুঃখ স্থায়ী রূপ পেতে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা, তালা, কলারোয়া, যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর, খুলনার ডুমুরিয়া, ফুলতলা ও পাইকগাছার মানুষ প্রতি বছর পানিবন্দী হয়ে পড়ছে। ভারী বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে কপোতাক্ষ, বেতনাপাড়ের ও ভবদহের জনপদ। ২০০০ ও ২০১১ সালে এ অঞ্চলে এমন বড় ধরনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা হয়েছিল। কিন্তু তখন মানুষ এত আতঙ্কিত হয়ে পড়েনি, কেননা ইতোমধ্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার অনেক প্রকল্প শেষ হয়েছে বা চলমান রয়েছে। প্রকল্পের পর প্রকল্প যখন ব্যর্থ, জলাবদ্ধতা নিরসনের তেমন কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় মানুষ বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে, আসলে এরপর কোনও প্রকল্প নেওয়া হবে, তাদের কী হবে?

    চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অসহনীয় জনদুর্ভোগ, এক কথায় মানবিক বিপর্যয়। ফসলের মাঠ, মাছের ঘের, খাল-বিল সবই পানিতে একাকার। শোয়ার ঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে পানি। উঠানে কোমর-সমান পানি। বাজারঘাট, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি। রাস্তাঘাট ডুবে আছে। স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা বা সরকারি ভবনে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। রান্না করার মত শুকনো জায়গাটুকুও নেই। কোন মতে খাবারই যোগাড় করতে পারলেও টয়লেট করা বিশাল ঝামেলার। অনেকে উঁচু স্থানে পলিথিন ব্যাগে টয়লেট করে। ঠিকমত না ফেললে, তা আবার ভাসতে ভাসতে ঘরবাড়িতে চলে আসে। মানুষ নিজেরাই যখন মহাবিপদে তখন তাদের গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে আরও এক ঝামেলায়, কোথায় রাখবে তাদের। বিষাক্ত পানির সঙ্গে বসবাসের ফলে অনেকেই চর্ম রোগসহ পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত। ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর, পেটের পীড়া, আমাশয়ের মতো রোগ নিত্যসঙ্গী। কৃষি জমি পানির নিচে, বিষাক্ত পানিতে মাছও মারা যাচ্ছে, কাজকর্মও নাই, চারদিকে হাহাকার। অনেকে ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে ভিন্ন কোনও স্থানে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বা শহর-বন্দরে। এমন যখন অবস্থা এলাকার মানুষের তখন মরেও শান্তি নেই। সব জায়গায় পানি, মাটি খুঁড়ে মরদেহ দাফন করা বা শ্মশানে তোলার কোনও সুযোগও নেই। মনে হয় শুধু মানুষের চোখের পানিটুকুই বিশুদ্ধ, আর বাকি সব বিষাক্ত। এসব অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

    বিশেজ্ঞরা বলছে, বিগত কয়েক দশক বা তার আগে দেশের এই অঞ্চলে যে বিশেষ প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীবনধারা ছিল, বর্তমানে তা আর নেই। নদী, খালবিল, নৌকা, ম্যানগ্রোভ গাছ, ঝোপঝাড়, কৃষিপণ্য, মাছ, পশুপাখি এবং আরও অনেক কিছুর আর দেখা মেলে না। জোয়ার-ভাটার খেলা, গয়না নৌকা, টাবুরে নৌকা, পাল নৌকা, ভাটিয়ালি সুরে গান আর নেই। একসময় কলকাতাসহ বিভিন্ন স্থান পণ্যবাহী জাহাজ এসে ভিড়ত পাটকেলঘাটা, চৌগাছা জাহাজ বন্দরে। ঘাটে ঘাটে ভিড়ত স্টিমার, লঞ্চ। কিছুটা প্রাকৃতিক কারণে আর অধিকাংশটা মনুষ্যসৃষ্ট কারণে সবই নষ্ট হয়ে গেছে। কপোতাক্ষ, বেতনা, শালতা, মরিচাপ, গোয়ালঘেশিয়া, খোলপেটুয়া ইত্যাদি একসময় প্রবহমান ও গতিশীল ছিল, জনপদের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনত; কিন্তু এখন এগুলো মানুষের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পলি পড়ে নাব্যতা হারিয়েছে। এখন ঠিকমতো পানি নিষ্কাশিত হয় না।

    অন্যদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে এই সরু নদীগুলো দিয়ে সাগরের পানি উপরে উঠে আসছে। উপরের উজান প্রবাহ না থাকায় পলি জমে নদী ভরাট প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

    দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নদী মৃত্যুর পেছনে প্রধান দুটি কারণ দেখছেন পানি বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত, এই অঞ্চলের নদী এবং এর উপনদীগুলো পদ্মা নদী এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য কয়েকটি নদীর সাথে যুক্ত ছিল। পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজ এবং আরও কিছু বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ভারত পানি প্রত্যাহার করায়এ অঞ্চলের নদীগুলো উজানের পানির প্রবাহ ও উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উজানের পানির অভাবে নদীগুলোর তলদেশে পলি জমে গতি হারিয়েছে।
    দ্বিতীয়ত, নদী ও তার পার্শ্বে অপরিকল্পিত বাঁধ ও স্থাপনা নির্মাণ যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বিশেষত, ‘সবুজ বিপ্লব’ নামে ১৯৬০ সালের দিকে শুরু হয় উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ নির্মাণের কাজ। ১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সালের উপর্যুপরি ভয়াবহ বন্যার পর বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সনে জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ক্রগ মিশন’র সুপারিশক্রমে উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়। এই পানি নীতিতে এ অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, নদীর গতি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র ও জীবনযাত্রার প্রণালীর বিষয়টি বিবেচিত হয়নি।

    সম্প্রতি পেপার-পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর মৌজার ৩৩ বিঘা জলমহাল প্রায় সাত বছর ধরে দখল করে আছে। ২০১৭ সালে ঐ ব্যক্তি জাল দলিল ও কাগজপত্র নিয়ে হাজির হয় এবং স্থানীয় প্রশাসন ও জনসাধারণকে বোকা বানিয়ে উক্ত জলমহাল দখল করে নেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কৃষকরা সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত দলিলটি জাল হিসেবে ঘোষণা করে জব্দ করে এবং খাস খাল হিসেবে নতিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। কিন্তু জাল দলিলকারী চক্র বিষয়টি সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে ও হাইকোর্টে আপীল করে। সেখানেও নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। এসব কিছুর পরও প্রভাব খাটিয়ে এই চক্র এই জলমহাল দখল অব্যাহত রেখেছে। জাল দলিল বা কাগজপত্র বানিয়ে নদী-খাল-জলমহাল-খাস জমি দখলের এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে এই এলাকায়।

    স্থানীয়রা জানান, অনেকে রাজনৈতিক প্রভাবে বা টাকার বিনিময়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের অফিস বা সচিবালয় থেকে নদী-খাল-জলমহাল দীর্ঘমেয়াদী ইজারা নিয়ে যায়। আর একবার এগুলো দখলবাজদের হাতে চলে গেলে তারা যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার শুরু করে। বিশেষ করে ঘনঘন বাঁধ দেওয়ার কারণে পানির সাধারণ প্রবাহ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।

  • সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম মুনিরের সাথে সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম মুনিরের সাথে সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
    সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম মুনিরের সাথে সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে পুলিশ লাইন্সের ড্রিল সেটে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম মুনির বলেন,‘‘ সাতক্ষীরার অধিকাংশ মানুষ শান্তিপ্রিয়। বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে এজেলার মানুষকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পুলিশের চ্যালেঞ্জ হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো। যানজট,মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত জেলা গড়তে পুলিশ কাজ করবে। সাংবাদিক-পুলিশ একে অন্যের পরিপুরক। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ ও সাংবাদিক একে অন্যের সহযোগী হিসেবে কাজ করবে। ’’
    মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী,সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আবুল কাসেম,আক্তারুজ্জামান বাচ্চু,মনিরুল ইসলাম মনি,জিল্লুর রহমান,আবু সাইদ বিশ্বাস. প্রমুখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খাঁন,আমিনুর রহমানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • পানিতে ভাসছে তালরা খেশরা ইউনিয়ন

    পানিতে ভাসছে তালরা খেশরা ইউনিয়ন

    স্টাফ রিপোটারঃ পানিতে ভাসছে কপোতাক্ষ নদী দ্বারা বেষ্টিত সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়ন। ৯টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে কপোতাক্ষ নদের তীর ঘেঁসে গড়ে উঠা ইউনিয়নটির ২১টি গ্রামের মধ্যে ১৮টি গ্রামই তলিয়ে গেছে। ইউনিয়নটির উত্তরে জালালপুর, পূর্বে-কপোতাক্ষ, দক্ষিণে- আশাশুনি উপজেলা এবং পশ্চিমে সাতক্ষীরা সদর অবস্থিত। গত ১৫ দিন ধরে ইউনিয়নটির ৪০ হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। ইউনিয়নটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মাদিয়ার খাল, শালিকা খাল, ছোট চর এবং বালিয়ার খাল পলিপড়ে ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়া অবৈধ দখলদারা এসব খালে নেট-পাটা বিছিয়ে মাছ চাষ করায় পানি সরবরাহ সিমীত হয়ে আসায় অল্প বৃষ্টি পাতেই এলাকাটি পানিবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ৩৫ হাজার ১৭০.৮৩ বিঘা জমি দ্বারা বেষ্টিতি ইউনিয়নটির ২৫ হাজার বিঘা জমি এখন পানির তলে। কয়েকশ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসা সমূহে। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সেবা। দেখা দিয়েছে রোগব্যাধি। দ্বিপের উপর প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়নটির স্বাভাবিক কার্যক্রমে এসেছে স্থবিরতা। শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলায় ইউনিয়নটির বিশেষ সূনাম থাকলেও পানি বদ্ধতায় ইউনিয়নটি তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। কালের স্বাক্ষী ৫০০ বিগার পাখিমারা বিল, ঐতিহ্য বাহী বটগাছ, বাবলা গাছের সুসজ্জিত র্দীর্ঘ ৫ কিঃ মিঃ রাস্তা, শাহাজাতপুর গ্রামের মোড়ল পাড়ায় অবস্থিতিত কয়েকশ বছরের একটি পূরনো মসজিদ, শালিখা গ্রামের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ১২ টি গেট সম্বলিত ১২ ফোকড় ব্রিজ সবই যেন তার অস্তিত্ব হারিয়েছে। প্রত্যন্ত এ অঞ্চলটি ঘুরে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ টাকা ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। এসময় থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুফিজুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ওয়াজেদ আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরানো, সাতক্ষীরা পৌরসভাকে পুরোপুরি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করে স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরানো, আন্তঃনদী সংযোগ বিশেষ করে ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষকে খননের আওতায় এনে পানিপ্রবাহ সচল করণ, নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো পুনঃখনন করে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি, অকেজো হয়ে পড়ে থাকা স্লুইসগেটগুলো সংস্কারকরণ, পৌর এলাকার মধ্যে মৎস্য ঘের নিষিদ্ধকরণ, নদীগুলো খননের সঙ্গে সঙ্গে সংলগ্ন বেড়িবাঁধগুলোও টেকসই করে বেড়িবাঁধ বাঙন রোধ, বেড়িবাঁধে বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ, নদী ও খালেরপ্রবাহ বিঘিœত হয় এমন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ না করা, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগেই পানি নিষ্কাশনের পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ এবং লস অ্যান্ড ড্যামেজ নিরুপণের মাধ্যমে জলবায়ু ফান্ডের অর্থ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবী ভুক্ত ভোগীদের।

    খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ কামরুল ইসলাম (লাল্টু) জানান, তার ইউনিয়নের ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এলাকার বেশিরভাগ ঘের ও ফসলি জমি ভেসে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দির এমনকি মানুষের বাড়ি-ঘরে পানিতে তলিয়ে গেছে। ইউনিয়ন যুব বিভাগ সভাপতি শিমুল হোসেন ও সেক্রেটারী আলি হুসাইন জানান, ইউনিয়নের মৎস্য ঘের, আমন ধান এর আবাদ, কাঁচা সবজি, হলুদ ক্ষেত, ঝাল বেগুনসহ বিল অঞ্চল বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কৃষকদের কৃষি ফসল ও মৎস্যঘের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। বহু মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। মানুষের স্বাবাভিক জীবন যাপন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ রাসেল জানান, প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে পানি সরানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিজে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন খাস খাল দখলমুক্ত করে পানি নামানোর ব্যবস্থা করছেন। এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য সকল ইউপি ও সরকারি দফতরে তথ্য চাওয়া হয়েছে। জেলাপ্রশাসকের কাছে দ্রুত সমাধানের জন্য আর্থিক চাহিদা দেয়া হয়েছে। পানি দ্রুত নামানোর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে বিভিন্ন খাল পরিষ্কার করছি। তিনি আরো জানান, পার্শ্ববর্তী জেলা যশোর থেকে আমাদের উপজেলার পানি আসার কারণে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিজুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিত নদী খনন, সংযোগ খাল উন্মুক্ত না থাকা এই উপজেলায় জলাবদ্ধতার মূল কারণ। এখনই যদি পদক্ষেপ না নেয়া হয় তাহলে খেশরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেকাংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, শুধু খেরশা ইউনিয়নটিতে কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধ্যা খা বাবলি জানান, উপজেলায় ৫২০টি মাছের ঘের সম্পূর্ণরুপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৮২৭ দশমিক ৪৫ টন মাছ ভেসে গেছে। মাও ওয়াজেদ আলী জানান, ভয়াবহ পানিবদ্ধতায় এলাকাজুড়ে পানি থাকায় স্যানেটারি ব্যবস্থায় পড়েছে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। সুপ্রিয় পানির অভাবের পাশাপাশি, চর্ম রোগ, পানিবাহিত রোগ, ডায়রিয়া জনিত রোগের আক্রান্ত বেড়ে গেছে।

    সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি আমন মৌসুমে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পাঁচ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমি আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১৪৯ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

  • কোন গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আব্দুল খালেক

    কোন গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আব্দুল খালেক

    ১৬ বছর পর সাতক্ষীরায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন
    কোন গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবেঃ আব্দুল খালেক

    আগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত: আবুল কালাম আজাদ

    ছবি আছে,সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে ১৬ বছর পর প্রকাশ্যে রুকন সম্মেলন ও শিক্ষা বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা।
    শুক্রুবার (২০ সেপ্টেম্বর ) সকাল থেকে সাতক্ষীরা আলামিন ট্রাস্টে সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমান অডিটোরিয়ামে এই শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
    সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
    কর্মশালায় বিষয় ভিত্তিক আলোচনা রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর, উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। রুকন সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর, শেখ নুরুল হুদা,সহকারী সেক্রেটারী প্রফে. ওবায়দুল্লাহ, প্রফে. ওমর ফারুক, মাহবুবল আলম, জেলা কর্মপরিষদ এ্যাড.আব্দুস সুবহান মুকুল, ডা.মাহমুদুল হক, জামশেদ আলম, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, মাওলানা ওসমান গনি, অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেস, শহর আমির জাহিদুল ইসলাম, সেক্রটারী খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, সদর আমীর মাওলানা শাহাদাত হোসেন, শহর ছাত্র শিবিরের সভাপতি আল মামুন, জেলা ছাত্র শিবরের সভাপতি ইমামুল হোসেন প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এ বিজয় টেকসই ও অর্থবহ করতে দল-মত-নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় রুকনদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সকল পর্যায়ে দায়িত্বশীল মানুষ তৈরি করতে হবে।
    তিনি আরো বলেন, এখন দেশটাকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা মানুষের মর্যাদা দেয়নি, বরং আমাদের ক্ষেত্রে সব সময় শূন্য সহনশীলতা দেখানো হয়েছে। আমাদের ওপর অঘোষিতভাবে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ আগে থেকেই ছিল। এমন কোনো জুলুম-নির্যাতন নেই, যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। প্রথমসারির সকল নেতাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই রোধ করতে পারেনি।
    বরং শত শাহাদাত ও জুলুম-নির্যাতনের পথ ধরেই জামায়াত কাক্সিক্ষত গন্তব্যে সফলভাবেই অগ্রসর হচ্ছে। আগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।

  • সাংবাদিক রাহাত রাজার সুস্থতা কামনা করে দোয়া

    সাংবাদিক রাহাত রাজার সুস্থতা কামনা করে দোয়া


    গ্লোবাল টেলিভিশন ও দৈনিক আজকের তথ্যের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রাহাত রাজার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করছেন দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকার প্রকাশক শেখ নুরুল হুদা। এসময় দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার জেলা সংবাদদাতা আবু সাইদ বিশ্বাস, দৈনিক লাখ কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি ফিরোজ হোসেন, গণজাগরণ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহজান উপিস্থিত ছিলেন।
    শেখ নুরুল হুদা রাহাত রাজার দ্রুত সুস্থতার কামনা করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া করে
    রাহাত রাজা গত কয়েক দিন ধরে সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে ধিকিৎসাধীন ছিলেন।

  • আদর্শ ও কল্যান মুখি জেলা গড়তে জামায়াতের সহযোগীতা কামনা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের

    আদর্শ ও কল্যান মুখি জেলা গড়তে জামায়াতের সহযোগীতা কামনা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ নবাগত জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহম্মেদের সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার নের্তৃত্ববৃন্দ। বুধবার দুপুর ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালের এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার সার্বিক বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময়ে অংশ নেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুল, শেখ নুরুল হুদা, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রটারী মাহবুবুর আলম, কর্মপিরষদ সদস্য জামশেদ আলম, জেলা শিবিরের সভাপতি ইমামুল হুসাইন, শহর সভাপতি আল মামুন, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ হাসান। এছাড়া মতবিনিময় করেন দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা সংবাদদাততা আবু সাইদ বিশ্বাস। এসময় জামায়াত নেতারা জেলার পানিবদ্ধতা, মাদক, চলতি পূজায় হিন্দু সনাতন ধর্মাবলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসককে অবহতি করেন। এসময় জেলা প্রশাসক একটি আদর্শ ও কল্যান মুখি জেলা গড়তে জামায়াতের সহযোগীতা কামনা করেন। জেলা প্রশাষক বলেন, আমি নতুন একটি সাতক্ষীরা গড়ার জন্য যা যা করার দরকার তাই করবো। তিনি বলেন, যারা ধর্ম মানে তারা অন্যায় করতে পারে না। তাদের উপর আস্থা রাখা যায়। তিনি আরো বলেন, অন্যায় অপরাধ যিনিই করুক না কেন কাইকে ছাড় নয়। তিনি আরো বলেন আপনারাসহ গোটা জেলা বাসির সহযোগীতা পেলে অল্প দিনের মধ্যে একটি সুন্দর জেলা উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

  • সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ‘গ্রাহক আস্থায় ফিরবে দিন দেশ গড়ায় অংশ নিন’ স্লোগানে ০১-৩০ সেপ্টেম্বর-২৪ গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে ১৮ই সেপ্টম্বর ২০২৪ বিকেল ৫ টায় গ্রাহকদের সাথে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সাতক্ষীরা শাখার কর্মকর্তাদের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত সভায় শাখা প্রধান ও এভিপি মোহাম্মদ সাদেক আলীর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র অফিসার শেখ বেলাল হোসেনর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জোনালের ইভিপি কামরুল বারী ইমামী। অনুষ্ঠটানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার আমানুল্লাহ আল হাদী, আগরদাড়ি কালিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ব্যবসায়ি, মাহবুর আলম, সানি আব্দুল খালেক, শাখা ম্যানেজার অপারেশানস সৈয়েদ শামসুল ইসলাম, ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহক।
    উপস্থিতিদের উদ্দেশ্য ইসলামি ব্যাংকের কর্মরত বক্তারা বলেন, সুদমুক্ত ব্যাংকিংয়ের কল্যাণমুখী অভিযাত্রায় সব সময় আমরা আপনাদের পেয়েছি সহযাত্রী হিসেবে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রতি আপনাদের পাহাড়সম আস্থা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাদের চলার পথকে করেছে সাবলীল এবং গতিময়। আগামীতে সর্বোচ্চ ও দ্রুত গ্রাহক সেবা দেয়ার আশ্বস্ত করেন।

  • শহীদ আসিফের পরিবারের খোজ খবর নিলেন সাতক্ষীরার নবাগত ডিসি ও এসপি

    শহীদ আসিফের পরিবারের খোজ খবর নিলেন সাতক্ষীরার নবাগত ডিসি ও এসপি

    স্টাফ রিপোটারঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানী ঢাকায় নিহত আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ , নবাগত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধায় শহীদ আসিফ হাসানের গ্রামের বাড়ি দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আস্কারপুরে যান। এসময় শহীদ আসিফ হাসানের কবর জিয়ারাত শেষে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং শহীদ পরিবারটির সার্বিক সহযোগীতার আশ^াস দেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সমন্বয়ক নাজমুল হোসেন রনি, সাদ্দাম হোসেন, মোহিনী তাবাসসুম ,ইব্রাহিম খলিললুল্লাহ ,নুহা আনসার, সুহাইল মাহদীন, নাহিদ হাসান শান্তা, মহিউদ্দিন, ওমর ফারুক প্রমুখ্য। উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আসিফ হাসান। আসিফ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আস্কারপুর গ্রামের মাহমুদ আলম গাজীর ছেলে ও নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

  • মোসলেমা আদর্শ একাডেমীর অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মোসলেমা আদর্শ একাডেমীর অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মোসলেমা আদর্শ একাডেমীর উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ এর বিদায় ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফালাফল ঘোষণা উপলক্ষে এ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
    প্রধান অতিথি বিদ্যালয়কে নতুন করে ঢেলে সাজানোর কথা ব্যক্ত করেন। সকলকে আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে কাজ করার আহবান জানান। সাবেক অধ্যক্ষ নুর মোহাম্মদ এর অবদান উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। তার অবদান কবুলের জন্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং আজীবন প্রতিষ্ঠানের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে কাজ করার অনুরোধ জানান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রান করেন বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ও আলহাজ্ব কাজী সিদ্দিকুর রহমান। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটরি মাওঃ আজিজুর রহমান।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম ও মাওঃ মোস্তাাফিজুর রহমান প্রমুখ্য। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মেহেদী হাসান।

  • সাতক্ষীরায় “এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন ২০২৩ বাস্তবায়ন ও স্টেক হোল্ডারদের ভূমিকা” শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত 

    সাতক্ষীরায় “এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন ২০২৩ বাস্তবায়ন ও স্টেক হোল্ডারদের ভূমিকা” শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত 

    সাতক্ষীরায় “এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন -২০২৩ বাস্তবায়ন ও স্টেক হোল্ডারদের ভূমিকা” শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার আয়োজনে রবিবার ১৫/০৯/২৪ বেলা ১১ টায় সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ব্যতীত এন্টিবায়োটিক বিক্রয় সেবন, গ্রহণ এবং ঔষধের ডোজ সম্পূর্ণ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মোঃ আবু হানিফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা পুলক কুমার, সাতক্ষীরার ভেটেনারি সার্জন ডাঃ তাহমিদ হোসেন ইমতিয়াজ, বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগীস্টস্ সমিতি বিসিডিএস সাতক্ষীরার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ দ্বীন আলী। এ সময় বক্তারা বলেন, শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন মোতাবেক এন্টিবায়োটিক বিক্রয়, সেবন বা গ্রহণ করা যাবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রয় করা নিষেধ। এন্টিবায়োটিক সেবন বা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রেসক্রিপশনে উল্লেখিত সময় ও নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। শারীরিকভাবে সুস্থ অনুভব করলেও প্রেসক্রিপশনে নির্দেশিত এন্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। 

    অনুষ্ঠানের সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ঔষধ ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগীস্টস্ সমিতি বিসিডিএস সাতক্ষীরার নেতৃবৃন্দ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।