Category: সাতক্ষীরা সদর

  • টানা বৃষ্টিপাতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিতঃ জলাবদ্ধতার কবলে ১০ লাখ মানুষ

    টানা বৃষ্টিপাতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিতঃ জলাবদ্ধতার কবলে ১০ লাখ মানুষ

    আবু সাইদ বিশ্বাস, সাতক্ষীরাঃ অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভ্রান্তনীতি, দুর্নীতি, লুটপাট ও ভারতের একতরফা পানি নিয়ন্ত্রণের কারণে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৫০ লাখ মানুষ। টানা তিন দিনের আকাশ পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার নি¤œ অঞ্চল। পানিতে ভেসে গেছে শত শত মাছে ঘের ও পুকুর। প্রতিদিন ডুবছে নতুন নতুন এলাকা। ঘর বাড়ি ছাড়তে শুরু করেছে ভুক্তভোগীরা। সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে রোববার দূপুর পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ১৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাতক্ষীরা শহর ও তার আশেপাশের প্রায় অর্ধেক এলাকা পানিতে নিমজ্জিত। বিশেষ করে কামালনগর, পুরাতন সাতক্ষীরা, বদ্দিপুর কলোনি, ঘুড্ডিরডাঙি, রসুলপুর, পলাশপোল, ইটাগাছা,কুখরালিসহ শহরের অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এমনিতেই মাসের পর মাস এসব এলাকা পানিতে ডুবে ছিল। তারপর ভাদ্র মাসের বৃষ্টি এসব এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে। রোজগার করতে না পারায় অনেকের চুলো পরযন্ত জ্বলছে না। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে যেসব এলাকায়জোয়ার-ভাটার ব্যবস্থা নেই, সেসব এলাকায় দুই থেকে তিন ফুট পরযন্ত পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, এই জনপদকে কেন্দ্র করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড, টেকসই বেড়িবাঁধ সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। ঠিকাদারসহ একটি স্বার্থবাদী চক্রের অবৈধ অর্থ উপার্জনের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। ক্রুগ মিশনের পরামর্শে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পাকিস্থান আমলের পানিনীতি বাংলাদেশ আমলেও অব্যাহত রাখা হয়েছে, যে নীতি এ অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, নদী পানি ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য ও জীবনযাত্রার প্রণালী বিপর্যস্থ করে স্থায়ী সংকট সৃষ্টি করে।

    সাতক্ষীরার বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী এবং যশোরের ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। বছরের ৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা জেলার বেশিরভাগ এলাকা পানি নিচে থাকে। বেতনা নদী কোনোরকমে টিকে রয়েছে। অপরদিকে মরিচ্চাপ নদী মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এছাড়া গোয়ালঘেশিয়া নদীর অকাল মৃত্যু ঘটেছে এবং খোলপেটুয়া নদীও পড়েছে মৃত্যুর মুখে। এরই মধ্যে বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীর মৃত্যু এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার চার বছর মেয়াদি ৪৭৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা ও যশোরের ভবদহ নদী খননে ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, এ প্রকল্প বাস্থবায়ন হলে সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, দেবহাটা, আশাশুনি ও তালা উপজেলার ১৫ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করা হলেও প্রকল্প গ্রহণে আইডব্লিউএমের সুপারিশ উপেক্ষা করে টিআরএম বাদ দেয়া হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্থবায়ন হলেও জলাবদ্ধতা তেমন হ্রাস পাবে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

    এদিকে যশোরের ভবদহ অঞ্চলের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম পদ্ধতি বাস্থবায়ন না করে লাখ লাখ মানুষকে জিম্মি করে এবং তাদের দুর্দশাকে পুঁজি করে লুটপাট চালাতে ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে, যে প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনমতকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
    সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড লুটেরাদের দুর্গে পরিণত হয়েছে। তারা নদী কেটে খাল বানায়, খাল কেটে নালা বানায়। ইতিপূর্বে তারা সাতক্ষীরার বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী খনন করে খাল তৈরি করেছে। একই ভাবে নতুন করে গৃহীত প্রকল্পে আইডব্লিউএম টিআরএম অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করলেও তা বাদ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিণামদর্শিতায় এই প্রকল্প বাস্থবায়ন না হলে জলাবদ্ধতা নিরাসন ও টেকসই ভেঁড়িবাধ সম্ভব নয়বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
    সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ এলাকার রিপন বিশ্বাস বলেন, বৃষ্টিতে কলেজ মাঠসহ অনেক সড়ক তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মানুষ। এমন অবস্থা যে, চলাচল করতে গিয়ে মানুষ দুর্ঘটনায় পড়ছেন। নর্দমার পানি এত নোংরা যে, পানি মাড়িয়ে রাস্থা পার হলে সঙ্গে সঙ্গে পায়ে চুলকানি শুরু হয়।

    বিনেরপোতা এলাকার মামুন হোসেন বলেন, বিনেরপোতা, গোপীনাথপুর, মাগুরা, খেজুরডাঙ্গা ও তালতলা এলাকার নিম্নাঞ্চল ডুবে গেছে। অনেকের বাড়িঘরে পানি উঠে গেছে। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এলাকার কবরস্থান পর্যন্ত

    পানির নিচে ডুবে রয়েছে। রাস্থাও পানির নিচে ডুবে রয়েছে। যাতায়াতে ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মানুষ। ফসলের মাঠ ও পুকুর পানিতে একাকার হয়ে গেছে। রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম ইমরান বলেন, এলাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো পথ নেই। রাস্থার ওপর পানি জমেছে। প্রতিবছরই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। অথছ দেখার কেউ নেই।

    সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি বছরে এ জেলায় সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত। মঙ্গলবার বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে স্বাভাবিক হতে পারে আবহাওয়া, এমনটি জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা।

  • বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে: রবিউল বাশার

    বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে: রবিউল বাশার

    স্টাফ রিপোটার “বিশ্বব্যাপী আলোচনা বা কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য যুবক। তাদেরকে আদর্শচ্যূত করার জন্য চলছে নানা রকম চক্রান্ত। সে ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া যাবেনা। হালাল-হারামের সীমা মেনে চলতে হবে। চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের কর্মসংস্থান করতে হবে। সমস্যায় কাতর না হয়ে যোগ্যতা অর্জন করে তা মোকাবেলা করতে হবে। দ্বীনের পথে চলাকে জীবনের প্রধান মিশন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মীদের নিয়ে শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জামায়াতের আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এসব কথা বলেন।

    সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জিয়ারুল ইসলামের পরিচালনায় গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর জামায়াত কার্যালয়ের কাযী শামসুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মী শিক্ষাশিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক ওমর ফারুক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন ও শহর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আবু হামিমসহ প্রমূখ।

    প্রধান অতিথি মুহাঃ রবিউল বাশার আরো বলেন, যৌবনকাল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যেক মানুষের অন্যতম নিয়ামত। যৌবনকালের দাবি হলো আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দেখানো পথে ও কল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মজবুত কদমে বলিষ্ঠতার সাথে এগিয়ে যাওয়া। এটা ঠিক যে, যুবকদেরকে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, তা উপেক্ষা করে আল্লাহর গোলামিয়াতের পথে থাকতে হবে। জীবন দর্শন হিসাবে ইসলামী আদর্শ আজ বিকশিত হচ্ছে। এ আদর্শকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব যুবকদেরকেই নিতে হবে।

    শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “ইসলামী জীবনবোধে যুবকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্থান দেয়া হয়েছে। নবীগণ যুবক ছিলেন। নবীগণের অধিকাংশ অনুসারীগণও ছিলেন যুবক। তাই ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবকদেরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।”

  • জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে শ্যামনগরের ১২টি ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে প্রায় ২০/৩০ হাজার জামায়াত, যুব ও শিবির নেতা কর্মী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোফাচ্ছেরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সুযোগ্য পুত্র আলহাজ্ব শামীম সাঈদী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের সভাপতি সাইদ হাসান বুলবুল ও মোঃ মহসিন আলমের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর শূরা সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি -জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক মোঃ ওমর ফারুক, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাঈনুদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী গোলাম মোস্তফা, উপজেলা জামায়াতে ইসলাম এর অন্যতম সদস্য সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক,ইটালী প্রবাসী আলহাজ্জ মোস্তফা আবু বকর, ইউনিয়ন আমীরগণ, মাওঃ আঃ মজিদ, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম,সহকারী অধ্যাপক আব্দুল জলিল, সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, ছাত্র শিবিরের তিন শাখা সভাপতি হাফেজ আমিনুর রহমান,রাশিদুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ,ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, যুব বিভাগের কে. এম আবু মুসা, মোঃ আশিকুর রহমান, মোঃ মমিনুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মোঃ রমিজুল ইসলাম, মুহিত মুন্না, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি মাছুম বিল্লাহ সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও যুব বিভাগের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন ভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমাদের সকলে মিলে এই স্বাধীনতা কে রক্ষা করতে হবে। এদেশে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকলেই আমরা বাংলাদেশী। সকল ভেদাভেদ ভুলে এ দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। আমাদের দ্বারা কোন মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সকলের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    অনুষ্ঠানে বিহঙ্গ, আলোর পরশ, প্রগতি শিল্পীদের সমন্বয় গঠিত সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীবৃন্দ বিশেষ সংগীত পরিবেশন করে আগত নেতাকর্মীদের মুগ্ধ করেন।

  • প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    আশাশুনি ব্যুরো।। আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর আবু বক্কার সিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওঃ শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন দূর্নীতির প্রতিকারের দাবীতে ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় প্রতাপনগর তালতলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধন চলাকালে প্রতাপনগর গ্রামের ভুক্তভোগি বিলকিস নাহার বলেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রতাপনগর গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের পুত্র মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বাড়িতে এসে আমার কন্যা দিলরুবা ইয়াসমিনকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমার সরলতার সুযোগে তিনি বিভিন্ন সময় ৫ কিস্তিতে ৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নেয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরবি প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন। তার ইনডেক্স নম্বর ২১১২৪৫২। তিনি চাকরিও দেননি, টাকাও দেননি, ফোন করলে ধরেন না। বর্তমান তিনি পলাতক আছেন। আমি সুদে ও লাভে টাকা নিয়ে তাকে  দিয়েছি। বর্তমান আমার পরিবার নিঃস্ব প্রায়।
    একই গ্রামের মনজুরুল সানা জানান, আমার কন্যা নাতাশা পারভীনকে স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেয়। টাকা চাইলে তালবাহানা করে।
    আব্দুর রহিম ঢালী জানান, শহিদুল্লাহ আমার পুত্র সাকিবকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের জাকিরুল ইসলাম জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে আয়া পদে চাকরি দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ৫ হাজার টাকা নেন। ভুক্তভোগী সাকিব জানায়, শহীদুল্লাহ আমার পিতা আব্দুর রহিম ঢালীর নিকট থেকে আমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। টাকা ফেরত চাইলে আমাকে ১০০ বার সময় দিয়েও ভঙ্গ করেন। গত ৫ আগস্ট এর পর থেকে তিনি পলাতক। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজসহ প্রমাণ আছে। তামিম হোসেন রুবেল জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বোনকে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে টাকা নিয়েছিল কিন্তু টাকাও ফেরত দেননি চাকরিও দেননি। আমরা প্রতারকের বিচার চাই। বিষয়টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদ, তালতলা বাজার ব্যবসায়ী কমিটি ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছিল কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।
    প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ জানান, বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। মাদ্রাসার তৎকালীন সভাপতি ছিলেন চেয়ারম্যান মরহুম জাকির হোসেন। শহিদুল্লাহ এবং চেয়ারম্যান জাকির মিলে লেনদেন করতেন। মাওলানা শহিদুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করতে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার মাওলানা শহীদুল্লাহকে গ্রেফতার পূর্বক শাস্তি ও তাদের টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    আশাশুনি প্রতিনিধি।।আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম ও ক্রাইম বার্তা’র আশাশুনি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান ও রেকসনা পারভীন’এর বড় কন্যা এবং আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা(সাথী)’র ১৪তম জন্মদিন আজ।
    ২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সুন্দর এই পৃথিবীতে তার আবির্ভাব হয়। সাথী’র ভবিষ্যৎ জীবনে বয়ে আনুক পবিত্রময় অনাবিল সুখ ও শান্তি।
    সেই কামনায়- আব্বু-আম্মু, চাচা-চাচি, ফুফু- ফুফা, নানা-নানী, মামা-মামি,ভাই-বোন, বান্ধবীগন ও সকল আত্মীয়স্বজনেরা। জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। (ছবি-১২ বছর আগের)

  • বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রতিনিধি।। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বুধহাটা বাজার (আশাশুনি) আউটলেটে গ্রাহক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় শাখা কার্যালয়ে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
    বুধহাটা আউটলেটের প্রোপাইটার নূরুল আফছার মুর্তজার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এইচওবি সাতক্ষীরা মোঃ সাদেক আলী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বুধহাটা আউটলেট ইনচার্জ ফয়সাল আহমেদ, সাতক্ষীরা শাখার পিও এবং ইনচার্জ বিনিয়োগ মোঃ মাহবুবুল আলম মুতাছির বিল্লাহ, সিনিয়র অফিসার বেলাল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, সহ পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন, গ্রাহকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এ্যাড. শহিদুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসকে হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিভাস দেবনাথ, শিক্ষক আরিফুল ইসলাম, মাওঃ আঃ ওহাব, মাওঃ আঃ ওয়াজেদ, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ বিলাল হোসেন। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করে শিশু শিল্পী তাজরিয়ান আহমদ। সবশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন, বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ রহমত উল্লাহ।

  • প্রতিবন্ধী হত্যা: ঘাতকসহ তার পরিবারের সদস্যদের গণধোলাই

    প্রতিবন্ধী হত্যা: ঘাতকসহ তার পরিবারের সদস্যদের গণধোলাই

    তৃতীয় শ্রেণীর এক শারীরিক প্রতিবন্ধি ছাত্রীকে মাথায় হাতুড়ি মেরে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক, তার বাবা ও মাকে আটক করে করেছে।

    নিহত প্রতিবন্ধির নাম চুমকি খাতুন (২০)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের রেজাউল ইসলামের মেয়ে ও সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী।

    ঘাতকের নাম ইলিয়াস হোসেন। সে একই গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। গণধোলাইয়ের শিকার ইলিয়াসকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের শহীদুল ইসলামের স্ত্রী ছখিনা খাতুন জানান, থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির পাশে তিন রাস্তা মোড়ে শনিবার সকাল ৯টা থেকে মাহফিল শুরুর কথা ছিল। সে কারণে সকাল পৌনে ৯টার দিকে তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধি বোন চুমকি ওই মাহফিল অনুষ্ঠানে খাবার কিনতে যাচ্ছিল।

    ৯টার দিকে সে মাধব স্বর্ণকারের দোকানের সামনে পৌঁছাতেই পিছন দিক থেকে তারে বাড়ির পাশের ইলিয়াস হোসেন হাতুড়ি দিয়ে বোন চুমকির মাথায় সজোরে আঘাত করে।

    স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চুমকি মারা যায়। চুমকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইলিয়াস, তার বাবা আকরাম হোসেন, মা মনোয়ারা খাতুন, বোন নার্গিস ও ভগ্নিপতি লিটন, ভাগ্নে শান্ত ও শাওনকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর র‌্যাব সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।

    ছখিনা খাতুন আরো জানান, ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত যুবক। তার বাবা এক সময় ঢাকাগামি পরিবহনের চালক ছিল। ইলিয়াস সম্প্রতি পরিবহন চালকের সহায়তাকারি হিসেবে কাজ করতো। মাদকাসক্তির কারণে ইলিয়াস ইতিপূর্বে নিজের মাকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে। এমনকি তার (ছখিনা) ভাগ্নে আল আমিনসহ কয়েকজনকে মারপিট করে ইলিয়াস। উৎপাত সহ্য করতে না পেরে পরিবারের লোকজন তাকে ধরে পুলিশের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। সম্প্রত তার মা মনোয়ারা ও বোন নার্গিস তাকে জামিনে মুক্ত করে।

    সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মমতাজ মুজিবর জানান, ভারী জিনিস দিয়ে চুমকির মাথায় আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ জনিত কারণে সে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা গেছে।

    সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, চুমকি তার বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। ঘাতক ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত।

    সাতক্ষীরা সদরন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তারা কাউকে আটক করেননি। তবে র‌্যাব কাউকে আটক করতে পারে।

    খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ ফয়সাল তারভির জানান, থানাঘাটায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি ঘাতকসহ তার পরিবারের কয়েকজনকে ধরে রাখলে র‌্যাব যেয়ে তাদেরকে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

  • সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে জামায়াতে ইসলামী  সহযোগীতা করে যাবে : মুহা, ইজ্জত উল্লাহ

    সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে জামায়াতে ইসলামী সহযোগীতা করে যাবে : মুহা, ইজ্জত উল্লাহ

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে ইসলাম ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জনের কোন বিকল্প নেই। মানব রচিত মতাদর্শের বিপরীতে ইসলামী আদশের্র শ্রেষ্ঠত্ব, সৌন্দর্য মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য নিজেদেরকে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে অন্য সকলের চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত রুকন প্রার্থী ও অগ্রসরকর্মী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এসব কথা বলেন। গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তে দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলে সন্ধা পর্যন্ত।
    জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও তারবিয়াত সেক্রেটারী ডা. মাহমুদুল হকের উদ্বোধনী বক্ত্যবের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া কর্মশালায় অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা, সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, কর্মপরিষদ সদস্য এড আব্দুস সুবহান মুকুল, জামশেদ আলম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, শহর নায়েবে আমীর ফখরুল হাসান লাভলু, সদর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আজাদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, এড আবু তালেব, মাষ্টার বদিউজ্জামানসহ অনেকে।
    কর্মশালায় প্রধান অতিথি মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ আরো বলেন, ইসলামের সোনালী অধ্যায় রচনায় একদল জিন্দাদীল, পরিচ্ছন্ন, সাহসী, আল্লাহ ভীরু ও জান্নাত প্রত্যাশী আসহাবে রাসূলের ভূমিকা বিশ্ববাসীর সামনে সমুজ্জল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের কারণে ইসলাম ও ইসলামী তাহজীব-তামাদ্দুন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে আসহাবে রাসূলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন ও অনুসরণে ব্রতী হয়ে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা পালন করতে হবে।”

  • তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশনের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত

    তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশনের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত

    তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার দিনব্যাপি সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা হল রুমে মুয়াল্লিম (শিক্ষক) প্রক্ষিণ কোর্স ’১৬১২ সমাপনী ২০২৪’ এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আজিজুর রহমান।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মাওলানা ওসমান গণি, ড. মুহাঃ রুহুল আমিন, মুহাদ্দিস সিরাজুল ইসলাম, কারী আনিচুর রহমান, কারী রবিউল ইসলাম প্রমুখ্য।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন কোরআন এসেছে মানুষকে সকল অন্যায় থেকে বিরত রেখে আলোর পথ দেখাতে। দুনিয়াতে শান্তি আখিরাতে মুক্তির জন্য সবাইকে কোরআনের ছায়াতলে আসার আহ্বান জানান।

  • রাসূল (সা.) আমাদের আদর্শঃ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    রাসূল (সা.) আমাদের আদর্শঃ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলার আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন,
    আমাদের সামনে রাসূল (সা.) ও তার সাহাবীরা মডেল হিসেবে রয়েছেন। সে আদর্শের আলোকে আমাদের গড়ে উঠতে হবে । শত জুলুম-নির্যাতনেও আল্লাহর ওপর ভরসা করে নিজ নিজ দায়িত্বের আঞ্জাম দিতে হবে। রাসূল (সা.)-এর দেখানো পথেই আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। যে কোন অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে ঘুনে ধরা সমাজকে পরিবর্তন করতে
    আমাদের মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি গতকাল ৩১ আগষ্ট রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ছাত্রশিশিরের প্রাক্তন দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী খোরশেদ আলমের পরিচালায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে
    বক্তব্য রাখেন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডা মাহমুদুল হক, শিবিরের শহর সভাপতি আল মামুন, জেলা সভাপতি ইমামুল হোসেন, শহর জামায়াতের নায়েবে আমীর ফখরুল হাসান লাভলু, সহকারী সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, এড আবু তালেব প্রমুখ্য। সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত কার্যালয়ে কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে বিকাল সাড়ে ৫টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সমাবেশ চলে রাত ৯টা পর্যন্ত।