Category: জাতীয়

  • বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে: রবিউল বাশার

    বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে: রবিউল বাশার

    স্টাফ রিপোটার “বিশ্বব্যাপী আলোচনা বা কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য যুবক। তাদেরকে আদর্শচ্যূত করার জন্য চলছে নানা রকম চক্রান্ত। সে ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া যাবেনা। হালাল-হারামের সীমা মেনে চলতে হবে। চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের কর্মসংস্থান করতে হবে। সমস্যায় কাতর না হয়ে যোগ্যতা অর্জন করে তা মোকাবেলা করতে হবে। দ্বীনের পথে চলাকে জীবনের প্রধান মিশন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মীদের নিয়ে শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জামায়াতের আমীর মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এসব কথা বলেন।

    সাতক্ষীরা শহর যুব বিভাগের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জিয়ারুল ইসলামের পরিচালনায় গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর জামায়াত কার্যালয়ের কাযী শামসুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মী শিক্ষাশিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক ওমর ফারুক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন ও শহর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আবু হামিমসহ প্রমূখ।

    প্রধান অতিথি মুহাঃ রবিউল বাশার আরো বলেন, যৌবনকাল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যেক মানুষের অন্যতম নিয়ামত। যৌবনকালের দাবি হলো আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দেখানো পথে ও কল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মজবুত কদমে বলিষ্ঠতার সাথে এগিয়ে যাওয়া। এটা ঠিক যে, যুবকদেরকে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, তা উপেক্ষা করে আল্লাহর গোলামিয়াতের পথে থাকতে হবে। জীবন দর্শন হিসাবে ইসলামী আদর্শ আজ বিকশিত হচ্ছে। এ আদর্শকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব যুবকদেরকেই নিতে হবে।

    শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “ইসলামী জীবনবোধে যুবকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্থান দেয়া হয়েছে। নবীগণ যুবক ছিলেন। নবীগণের অধিকাংশ অনুসারীগণও ছিলেন যুবক। তাই ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবকদেরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।”

  • জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে শ্যামনগরের ১২টি ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে প্রায় ২০/৩০ হাজার জামায়াত, যুব ও শিবির নেতা কর্মী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোফাচ্ছেরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সুযোগ্য পুত্র আলহাজ্ব শামীম সাঈদী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের সভাপতি সাইদ হাসান বুলবুল ও মোঃ মহসিন আলমের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর শূরা সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি -জেলা যুব বিভাগের সভাপতি প্রভাষক মোঃ ওমর ফারুক, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাঈনুদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী গোলাম মোস্তফা, উপজেলা জামায়াতে ইসলাম এর অন্যতম সদস্য সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক,ইটালী প্রবাসী আলহাজ্জ মোস্তফা আবু বকর, ইউনিয়ন আমীরগণ, মাওঃ আঃ মজিদ, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম,সহকারী অধ্যাপক আব্দুল জলিল, সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, ছাত্র শিবিরের তিন শাখা সভাপতি হাফেজ আমিনুর রহমান,রাশিদুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ,ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, যুব বিভাগের কে. এম আবু মুসা, মোঃ আশিকুর রহমান, মোঃ মমিনুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মোঃ রমিজুল ইসলাম, মুহিত মুন্না, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি মাছুম বিল্লাহ সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও যুব বিভাগের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন ভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমাদের সকলে মিলে এই স্বাধীনতা কে রক্ষা করতে হবে। এদেশে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকলেই আমরা বাংলাদেশী। সকল ভেদাভেদ ভুলে এ দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। আমাদের দ্বারা কোন মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সকলের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    অনুষ্ঠানে বিহঙ্গ, আলোর পরশ, প্রগতি শিল্পীদের সমন্বয় গঠিত সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীবৃন্দ বিশেষ সংগীত পরিবেশন করে আগত নেতাকর্মীদের মুগ্ধ করেন।

  • প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    আশাশুনি ব্যুরো।। আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর আবু বক্কার সিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওঃ শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার প্রলোভনে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন দূর্নীতির প্রতিকারের দাবীতে ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় প্রতাপনগর তালতলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধন চলাকালে প্রতাপনগর গ্রামের ভুক্তভোগি বিলকিস নাহার বলেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রতাপনগর গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের পুত্র মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বাড়িতে এসে আমার কন্যা দিলরুবা ইয়াসমিনকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমার সরলতার সুযোগে তিনি বিভিন্ন সময় ৫ কিস্তিতে ৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নেয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরবি প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন। তার ইনডেক্স নম্বর ২১১২৪৫২। তিনি চাকরিও দেননি, টাকাও দেননি, ফোন করলে ধরেন না। বর্তমান তিনি পলাতক আছেন। আমি সুদে ও লাভে টাকা নিয়ে তাকে  দিয়েছি। বর্তমান আমার পরিবার নিঃস্ব প্রায়।
    একই গ্রামের মনজুরুল সানা জানান, আমার কন্যা নাতাশা পারভীনকে স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেয়। টাকা চাইলে তালবাহানা করে।
    আব্দুর রহিম ঢালী জানান, শহিদুল্লাহ আমার পুত্র সাকিবকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের জাকিরুল ইসলাম জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে আয়া পদে চাকরি দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ৫ হাজার টাকা নেন। ভুক্তভোগী সাকিব জানায়, শহীদুল্লাহ আমার পিতা আব্দুর রহিম ঢালীর নিকট থেকে আমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। টাকা ফেরত চাইলে আমাকে ১০০ বার সময় দিয়েও ভঙ্গ করেন। গত ৫ আগস্ট এর পর থেকে তিনি পলাতক। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজসহ প্রমাণ আছে। তামিম হোসেন রুবেল জানান, মাওলানা শহিদুল্লাহ আমার বোনকে চাকরি দেওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে টাকা নিয়েছিল কিন্তু টাকাও ফেরত দেননি চাকরিও দেননি। আমরা প্রতারকের বিচার চাই। বিষয়টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদ, তালতলা বাজার ব্যবসায়ী কমিটি ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছিল কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।
    প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ জানান, বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। মাদ্রাসার তৎকালীন সভাপতি ছিলেন চেয়ারম্যান মরহুম জাকির হোসেন। শহিদুল্লাহ এবং চেয়ারম্যান জাকির মিলে লেনদেন করতেন। মাওলানা শহিদুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করতে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার মাওলানা শহীদুল্লাহকে গ্রেফতার পূর্বক শাস্তি ও তাদের টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    সাংবাদিক কন্যা সাদিয়া সুলতানা সাথী’র ১৪ তম জন্মদিন আজ।। সকলের কাছে দোয়া কামনা

    আশাশুনি প্রতিনিধি।।আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম ও ক্রাইম বার্তা’র আশাশুনি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান ও রেকসনা পারভীন’এর বড় কন্যা এবং আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা(সাথী)’র ১৪তম জন্মদিন আজ।
    ২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সুন্দর এই পৃথিবীতে তার আবির্ভাব হয়। সাথী’র ভবিষ্যৎ জীবনে বয়ে আনুক পবিত্রময় অনাবিল সুখ ও শান্তি।
    সেই কামনায়- আব্বু-আম্মু, চাচা-চাচি, ফুফু- ফুফা, নানা-নানী, মামা-মামি,ভাই-বোন, বান্ধবীগন ও সকল আত্মীয়স্বজনেরা। জন্মদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। (ছবি-১২ বছর আগের)

  • বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    বুধহাটা ইসলামী ব্যাংক আউটলেটেগ্রাহক ও সুধী সমাবেশ

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রতিনিধি।। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বুধহাটা বাজার (আশাশুনি) আউটলেটে গ্রাহক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় শাখা কার্যালয়ে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
    বুধহাটা আউটলেটের প্রোপাইটার নূরুল আফছার মুর্তজার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এইচওবি সাতক্ষীরা মোঃ সাদেক আলী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বুধহাটা আউটলেট ইনচার্জ ফয়সাল আহমেদ, সাতক্ষীরা শাখার পিও এবং ইনচার্জ বিনিয়োগ মোঃ মাহবুবুল আলম মুতাছির বিল্লাহ, সিনিয়র অফিসার বেলাল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, সহ পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন, গ্রাহকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এ্যাড. শহিদুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসকে হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিভাস দেবনাথ, শিক্ষক আরিফুল ইসলাম, মাওঃ আঃ ওহাব, মাওঃ আঃ ওয়াজেদ, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ বিলাল হোসেন। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করে শিশু শিল্পী তাজরিয়ান আহমদ। সবশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন, বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ রহমত উল্লাহ।

  • রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনে গুলি করা রুবেল গ্রেপ্তার

    রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনে গুলি করা রুবেল গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণকারী যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম রুবেল গ্রেপ্তার হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে তাকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

    গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ৫ আগস্ট রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণকারী জহিরুল ইসলাম রুবেলকে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে ওইস্থানে আত্মগোপন করে ছিলো বলে তারা জানতে পারে।

    গত ৫ আগস্ট স্থানীয় যুবলীগ নেতা জহিরুল হক রুবেলকে রাজশাহী নগরীর আলুপট্টি মোড়ে দুই হাতে দুটি অস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি করতে দেখা যায়। ওই সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়।

  • প্রতিবন্ধী হত্যা: ঘাতকসহ তার পরিবারের সদস্যদের গণধোলাই

    প্রতিবন্ধী হত্যা: ঘাতকসহ তার পরিবারের সদস্যদের গণধোলাই

    তৃতীয় শ্রেণীর এক শারীরিক প্রতিবন্ধি ছাত্রীকে মাথায় হাতুড়ি মেরে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক, তার বাবা ও মাকে আটক করে করেছে।

    নিহত প্রতিবন্ধির নাম চুমকি খাতুন (২০)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের রেজাউল ইসলামের মেয়ে ও সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী।

    ঘাতকের নাম ইলিয়াস হোসেন। সে একই গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। গণধোলাইয়ের শিকার ইলিয়াসকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের শহীদুল ইসলামের স্ত্রী ছখিনা খাতুন জানান, থানাঘাটা এলাকার মাধব স্বর্ণকারের বাড়ির পাশে তিন রাস্তা মোড়ে শনিবার সকাল ৯টা থেকে মাহফিল শুরুর কথা ছিল। সে কারণে সকাল পৌনে ৯টার দিকে তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধি বোন চুমকি ওই মাহফিল অনুষ্ঠানে খাবার কিনতে যাচ্ছিল।

    ৯টার দিকে সে মাধব স্বর্ণকারের দোকানের সামনে পৌঁছাতেই পিছন দিক থেকে তারে বাড়ির পাশের ইলিয়াস হোসেন হাতুড়ি দিয়ে বোন চুমকির মাথায় সজোরে আঘাত করে।

    স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চুমকি মারা যায়। চুমকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইলিয়াস, তার বাবা আকরাম হোসেন, মা মনোয়ারা খাতুন, বোন নার্গিস ও ভগ্নিপতি লিটন, ভাগ্নে শান্ত ও শাওনকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর র‌্যাব সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।

    ছখিনা খাতুন আরো জানান, ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত যুবক। তার বাবা এক সময় ঢাকাগামি পরিবহনের চালক ছিল। ইলিয়াস সম্প্রতি পরিবহন চালকের সহায়তাকারি হিসেবে কাজ করতো। মাদকাসক্তির কারণে ইলিয়াস ইতিপূর্বে নিজের মাকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে। এমনকি তার (ছখিনা) ভাগ্নে আল আমিনসহ কয়েকজনকে মারপিট করে ইলিয়াস। উৎপাত সহ্য করতে না পেরে পরিবারের লোকজন তাকে ধরে পুলিশের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। সম্প্রত তার মা মনোয়ারা ও বোন নার্গিস তাকে জামিনে মুক্ত করে।

    সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মমতাজ মুজিবর জানান, ভারী জিনিস দিয়ে চুমকির মাথায় আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ জনিত কারণে সে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা গেছে।

    সাতক্ষীরা সুইদ খাদিমুন্নেছা হানিফ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, চুমকি তার বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। ঘাতক ইলিয়াস একজন মাদকাসক্ত।

    সাতক্ষীরা সদরন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তারা কাউকে আটক করেননি। তবে র‌্যাব কাউকে আটক করতে পারে।

    খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ ফয়সাল তারভির জানান, থানাঘাটায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি ঘাতকসহ তার পরিবারের কয়েকজনকে ধরে রাখলে র‌্যাব যেয়ে তাদেরকে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

  • সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে জামায়াতে ইসলামী  সহযোগীতা করে যাবে : মুহা, ইজ্জত উল্লাহ

    সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে জামায়াতে ইসলামী সহযোগীতা করে যাবে : মুহা, ইজ্জত উল্লাহ

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে ইসলাম ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জনের কোন বিকল্প নেই। মানব রচিত মতাদর্শের বিপরীতে ইসলামী আদশের্র শ্রেষ্ঠত্ব, সৌন্দর্য মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য নিজেদেরকে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে অন্য সকলের চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত রুকন প্রার্থী ও অগ্রসরকর্মী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এসব কথা বলেন। গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তে দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলে সন্ধা পর্যন্ত।
    জেলা শাখার আমির মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও তারবিয়াত সেক্রেটারী ডা. মাহমুদুল হকের উদ্বোধনী বক্ত্যবের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া কর্মশালায় অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা, সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, কর্মপরিষদ সদস্য এড আব্দুস সুবহান মুকুল, জামশেদ আলম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, শহর নায়েবে আমীর ফখরুল হাসান লাভলু, সদর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আজাদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, এড আবু তালেব, মাষ্টার বদিউজ্জামানসহ অনেকে।
    কর্মশালায় প্রধান অতিথি মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ আরো বলেন, ইসলামের সোনালী অধ্যায় রচনায় একদল জিন্দাদীল, পরিচ্ছন্ন, সাহসী, আল্লাহ ভীরু ও জান্নাত প্রত্যাশী আসহাবে রাসূলের ভূমিকা বিশ্ববাসীর সামনে সমুজ্জল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের কারণে ইসলাম ও ইসলামী তাহজীব-তামাদ্দুন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে আসহাবে রাসূলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন ও অনুসরণে ব্রতী হয়ে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা পালন করতে হবে।”

  • তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশনের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত

    তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশনের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপ্ত

    তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার দিনব্যাপি সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা হল রুমে মুয়াল্লিম (শিক্ষক) প্রক্ষিণ কোর্স ’১৬১২ সমাপনী ২০২৪’ এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আজিজুর রহমান।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মাওলানা ওসমান গণি, ড. মুহাঃ রুহুল আমিন, মুহাদ্দিস সিরাজুল ইসলাম, কারী আনিচুর রহমান, কারী রবিউল ইসলাম প্রমুখ্য।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন কোরআন এসেছে মানুষকে সকল অন্যায় থেকে বিরত রেখে আলোর পথ দেখাতে। দুনিয়াতে শান্তি আখিরাতে মুক্তির জন্য সবাইকে কোরআনের ছায়াতলে আসার আহ্বান জানান।

  • খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, তবুও কষ্টের অবসান নিয়ে শংকা

    খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, তবুও কষ্টের অবসান নিয়ে শংকা

    শ্যামনগর প্রতিনিধি: ‘তিনটে মাস খুব কষ্টে গেছে, আধ পেটা এক পেটা খেয়ে দিন কেটেছে আমাগো। নৌকা-ডোঙা সব গোছানো, পাশ(অনুমতিপত্র) হাতে পালি বনে ঢোকবো’। কথাগুলো বলেন সুন্দরবন পাড়ের নীলডুমুর গ্রামের পঞ্চান্ন বছর বয়সী ফজলুল হক। এক মুহুর্তের জন্য অন্যমনস্ক হয়েও পুনরায় তিনি বলতে শুরু করেন, ভাগ্যে কি আছে সেখানে না গেলি বুঝতি পারিতিছি নে। তিন মাসের ঋণ দেনা শোধ করতি না পারলি এলাকায় বাস হবে না’।

    পাশে বসা একই গ্রামের হানিফ গাজী(৬৭) বলেন, ‘বাপ-বেটা দু’জনের আয়ে ছ’ডা মুখ চালাতি হয়। বন্ধের তিন মাসে খাইয়ে না খেয়ে দিন গেছে, তবুও ৩২ হাজার টাকা দেনা হইছি। বন খুললি পেট চলবে, তবে ঋণ শোধ নিয়ে চিন্তায় আছি’।

    শুধুমাত্র ফজলুল হক আর হানিফ গাজী না। বরং প্রায় একই অভিব্যক্তি দাতিনাখালীর সফিকুল, মীরগাংয়ের আব্দুল আজিজসহ গোটা উপকুলজুড়ে বসবাসরত শত শত জেলের। তাদের দাবি বন্ধের ৯০দিন পর সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে বিধায় সকলে খুশি। তবে স্বল্প জায়গায় একইসাথে হাজার হাজার জেলের উপস্থিতিতে প্রত্যাশামত মাছ ও কাঁকড়া শিকারের ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারছেনা। তাছাড়া বরাবরের মত বড় বড় কোম্পানীগুলোর আধিপাত্যে পছন্দের জায়গায় জাল ফেলা নিয়েও তারা দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বনকর্মীদের টহল জোরদারসহ অভয়ারণ্যের আয়তন হ্রাসের পাশাপাশি উপকুলজুড়ে বিকল্প কর্মক্ষেত্র গড়ে তোলার দাবি এসব জেলের।

    বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ সুত্র জানায় টানা তিন মাস বন্ধ থাকার পর সেপ্টেম্বরের এক তারিখ থেকে সুন্দরবন উম্মুক্ত হচ্ছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি অফিস থেকে প্রায় দুই হাজার আটশ বিএলসির অনুকুলে প্রায় নয় হাজার জেলে সুন্দরবনে প্রবেশ করবে। বিশ^খ্যাত মানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ ও প্রকৃতি সংরক্ষন কর্মসুচির আওতায় সরকারি নির্দেশে তিন মাস ধরে বনজীবিসহ পর্যটকদের সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে লম্বা বিরতির পর সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে জেলেরা। নৌকা মেরামত আর নুতন রং লাগানোর পাশাপাশি বাজার-সদয় গুছিয়ে নিয়েছে। সহযোগী জেলেদের সাথে চুক্তি পর্ব সম্পন্নের পাশাপাশি শিকারকৃত মাছ ও কাঁকড়া বিক্রির জন্য দর-দাম নিশ্চিত করেছেন মহাজনসহ ব্যবসায়ীদের সাথে। আবার পর্যটকবাহী নৌ-যানগুলোকে মেরামতের পাশাপাশি নুতনভাবে সাঁজিয়ে প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় ট্রলারচালকরা।

    কদমতলা গ্রামের চল্লিশোর্ধ্ব বয়সী গৃহবধু জাহানারা বেগম জানান, বংশ পরম্পরায় তারা সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল। পরিবারের সদস্যদের খাওয়া-পরা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও শিক্ষা খরচও আসে সুন্দরবন থেকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসে বছরে একাধিকবার সুন্দরবন বন্ধের কারনে দিনে দিনে তাদের ঋণের বোঝা ভারী হচ্ছে। এমতাবস্থায় উপকুলজড়ে বিকল্প কর্মক্ষেত্র গড়ার পাশাপাশি সহজশর্তে জেলে পরিবারের জন্য সরকারি ঋণ ব্যবস্থা প্রচলনের দাবি তার।

    সুন্দরবন তীরবর্তী মীরগাং গ্রামের হরশিদ মন্ডলের দাবি, অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় এবার সরকার ঘোষিত অভয়ারণ্যের আয়তন বেশী। আবার বড় কোম্পানীর কারনে সুন্দরবনে যেয়েও নিজের পছন্দের জায়গা মিলবে না। এমন পরিস্থিতিতে সুন্দরবন ঢুকলেও কাংখিত মাছ-কাঁকড়া পাওয়া নিয়েও শংকা তার।
    ষাটোর্ধ্ব বয়সী এ বৃদ্ধ আরও জানায়, অভয়ারন্যের বিস্তৃতি কমানোর পাশাপাশি বনকর্মীরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে তারা সর্বশান্ত হবে। লম্বা বিরতির পর বনে যেয়েও মাছ কাঁকড়া না পেয়ে বরং দাদন ব্যবসায়ী আর মহাজনদের থেকে নেয়া ঋণেল বোঝা নিয়ে এলাকা ছাড়ার শংকা রয়েছে।

    জেলেরা জানায় বন্ধের সময়ে সংসার চালাতে স্থানীয় বিভিন্ন সমিতি, এনজিওসহ মহাজনদের থেকে তারা ঋণ নিয়েছেন। আবার জাল ও নৌকা প্রস্তুতের জন্য শরানাপন্ন হয়েছেন দাদন ব্যবসায়ীসহ মহাজনদের। এমতাবস্থায় বড় কোম্পানীসমুহের সিন্ডিকেটকে বনবিভাগ সহায়তা করলে তাদের না খেয়ে মরার উপক্রম হবে। সুন্দরবনে ঢুকে নিজ নিজ পছন্দের জায়গায় মাছ ও কাঁকড়া শিকারে কতৃপক্ষের সহায়তা চান তারা।

    এসব বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এম কে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন সুন্দরবনকে রক্ষায় সময়ের সাথে সাথে মানুষের প্রবেশাধীকার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকসহ জেলেরা বনে যাওয়ার সুযোগ পাবে। বড় কোম্পানীগুলোর কারনে দরিদ্র জেলেরা যেন সবিধাবঞ্চিত না হয় সেবিষয়ে বনবিভাগ সতর্ক থাকার পাশাপাশি টহল বৃদ্ধি করবে।