
Author: news_admin
-

মাছখোলায় আব্দুল আজিজ মোড়লের নামাজে জানাজা সম্পন্ন
ব্রহ্মরাজপুর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের ইমামতিতে সদর উপজেলার ৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাছখোলা গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মোড়লের জানাজা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বিকেল ৫টায় হাজী শামসুদ্দিন হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ, মাওলানা আব্দুস সবুর এবং হাফেজ মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় মুসল্লিরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। স্থানীয়রা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মোড়লকে একজন ধার্মিক, সৎ ও সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে স্মরণ করেন। তারা বলেন, তার কর্মময় জীবন এলাকার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন উদাহরণ হয়ে থাকবে।
-

আশাশুনি ইউএনও’র সাথে ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ
এসএম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবির আশাশুনি উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। রবিবার (১ মার্চ) সকালে নির্বাহী অফিসারের সাথে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। সাক্ষাৎকালে উপজেলার সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা,যুবসমাজের নৈতিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন গঠনমূলক কার্যক্রম নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উপজেলা প্রশাসনের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং শিক্ষাবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও আদর্শ সমাজ গঠনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইয়াসিন আরফাত ও মোখলেছুর রহমান, সেক্রেটারি মোমিনুর রহমানসহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।
-

তালায় যুবদল নেতা নুর ইসলামের বিরুদ্ধে সাংবাদিকসহ তিনজনের ওপর হামলার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে সাংবাদিকসহ তিনজনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা নুর ইসলামের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামে বাবু গাজী নামে এক যুবককে মারধর করে আহত করার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে গত ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে কেতন সরদার ও সাংবাদিক জহর হাসান সাগরের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে যুবদল নেতা নুর ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নুর ইসলামের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ায় সাংবাদিক জহর হাসানের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক ২৬ ফেব্রুয়ারি তালা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নুর ইসলাম সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে। তিনি উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নুর ইসলাম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দখল, চাঁদাবাজি, মারপিট ও হত্যার হুমকিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রবের পৈতৃক জমি ও দোকানঘর দখলের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার জেরে তাকে দুই দফায় সেনাবাহিনীর হেফাজতেও নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। আহত বাবু গাজী জানান, তার ছেলেকে ঘিরে একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি চলছিল। এ সময় খলিলনগর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। প্রতিবাদ করলে নুর ইসলাম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সাংবাদিক জহর হাসান বলেন, নুর ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো নানা অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়ায় তিনি হত্যার হুমকি পাচ্ছিলেন। গত বুধবার হাজরাকাটি বাজারে দেখা হলে নুর ইসলাম তর্কের একপর্যায়ে তার ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। খলিলনগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রব অভিযোগ করে বলেন, নুর ইসলাম তার পৈতৃক জমি ও দোকান দখল করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক, হত্যা ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি আদালত, সেনাবাহিনী ক্যাম্প ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত নুর ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বক্তব্য দেওয়ার একপর্যায়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তালা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতিয়ার রহমান বলেন, আহত সাংবাদিককে দেখতে তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। ভুক্তভোগী বা তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজাহারটি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাবু গাজীর ওপর হামলার ঘটনাও তদন্ত করা হচ্ছে।
-

কালিগঞ্জে ইঞ্জি. আইয়ুব হোসেন মুকুলের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
হারুন উর রশীদ: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কালিগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) সকালে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মানবতার ঘর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ইঞ্জি. আইয়ুব হোসেন (মুকুল)-এর সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর, কুশলিয়া, ধলবাড়িয়া, রতনপুর, কৃষ্ণনগর, মৌতলা, বিষ্ণপুর ও দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডা. শফিকুল ইসলাম বাবু, জেলা কমিটির সদস্য ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ নুরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাপ্পি। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
-

খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার সাংবাদিকদের জন্য প্রায় ৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ
সাংবাদিকদের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ: মুহাম্মদ আবদুল্লাহ
খুলনা প্রতিনিধি : সাংবাদিকদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ‘হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য একটি স্থায়ী স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ট্রাস্টের বোর্ড সভায় ‘হেলথ কার্ড’ চালুর নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সহযোগিতায় এবং মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার ব্যবস্থাপনায় খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা ও মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলার সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান আরিফ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন ও কল্যাণে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, সাংবাদিকদের চিকিৎসা ব্যয় একটি বড় সমস্যা। বর্তমানে জটিল রোগে আক্রান্ত সাংবাদিকদের সহায়তা দেওয়া হলেও তা নিয়মিত বা কাঠামোবদ্ধ নয়। এ সমস্যা সমাধানে প্রথমে সাংবাদিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা হবে এবং নিবন্ধনের ভিত্তিতে ‘হেলথ কার্ড’ প্রদান করা হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকায় কার্যক্রম শুরু করে পরে বিভাগীয় ও জেলা শহরে তা বিস্তৃত করা হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের দলীয় লেজুড়বৃত্তি না হয়ে প্রকৃত সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে। সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে ফেলোশিপ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক বাস্তবতা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। মাস শেষে অনেক সাংবাদিক নিয়মিত বেতন পান না, কিন্তু সন্তানদের শিক্ষার খরচ ঠিকই বহন করতে হয়। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাংবাদিকদের মেধাবী সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালু করা হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এবার দ্বিতীয়বারের মতো খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বৃত্তির চেক বিতরণ করা হলো। তিনি জানান, এবারে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার সাংবাদিকদের জন্য প্রায় ৯ লাখ টাকার অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। -

‘ফিশ কালচার অ্যান্ড ব্রিডিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
ফিরোজ হোসেন: সাতক্ষীরায় ‘ফিশ কালচার অ্যান্ড ব্রিডিং’ বিষয়ক ১৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) সকাল ৯টায় চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার, এল্লারচর, সাতক্ষীরার প্রশিক্ষণ হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তত্ত্বাবধানে, অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থায়নে এবং চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার এল্লারচর, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ফেরদৌস আরেফিন। কর্মশালায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চিফ ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক) মো. আনিছুর রহমান। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম, খামার ব্যবস্থাপক মো. আওছাফুর রহমান এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাছ চাষ ও প্রজনন বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।
-

আমরা গতানুগতিক কোনো বিরোধী দল হতে চাই না: জামায়াত আমির
ডেস্ক রিপোর্ট: বর্তমান সরকার ও সংসদের কাছে জনগণের বিপুল প্রত্যাশা রয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা গতানুগতিক কোনো বিরোধী দল হিসেবে সংসদে ভূমিকা রাখতে চাই না। আমরা চাই এ সংসদ হোক অর্থবহ এবং জনগণের সমস্ত চাওয়া-পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু। গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ কখনো এক চাকায় চলে না, এটি সচল রাখতে সরকারি ও বিরোধী দল, উভয় চাকারই প্রয়োজন। সরকারি দল সামনের চাকা হলে বিরোধী দল হবে পেছনের চাকা। আমরা অতীতের মতো ‘ডামি’ বিরোধী দল হতে চাই না। সরকারের সঠিক পদক্ষেপে আমাদের সমর্থন থাকবে, তবে কোনো অসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিলে আমরা গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ দেব। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না সংসদের একটি সেকেন্ডও কারো চরিত্র হননের পেছনে নষ্ট হোক। বরং এটি হওয়া উচিত জাতীয় সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি। সংবিধানে যেসব ‘কালো আইন’ রয়ে গেছে, সেগুলো দূর করে একটি মর্যাদাবান জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে দাঁড়ানোর আইন প্রণয়ন করতে হবে। বক্তব্যের শুরুতে ডা. শফিকুর রহমান ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জাতির জন্য একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আজকের এই দিনে বিশ্বনন্দিত মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে একটি সাজানো রায়ে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এর প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এলে তৎকালীন সরকার নির্বিচারে গুলি চালিয়ে একদিনে ৭০ জন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে ১৬৪ জনকে হত্যা করেছিল। এই ক্ষত আমাদের মন থেকে কোনোদিন মুছবে না। তিনি সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামীসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সম্পর্কে জামায়াত আমির বলেন, ২৪ এর ফ্যাসিবাদ যেভাবে বিদায় নেবে, তা আমরা কল্পনাও করিনি। আমাদের সিংহশাবক ছাত্ররা এবং জুলাই যোদ্ধারা এ অসাধ্য সাধন করেছে। যারা শহীদ হয়েছেন আল্লাহ তাদের কবুল করুন এবং যারা আহত ও পঙ্গু অবস্থায় আছেন, জাতি তাদের চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে। বক্তব্যে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ২০১৩ সালের সেই হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি সিঙ্গাপুরে ছিলেন। ফিরে এসে তিনি এটিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে হরতাল ঘোষণা করেছিলেন। জেলে থেকে আমরা তার সেই সাহসী ভূমিকা দেখেছি। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন। রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রমজান আমাদের তাকওয়া বা খোদাভীতির শিক্ষা দেয়। যার অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকে, তার হাতে কখনো জনগণের আমানতের খেয়ানত হতে পারে না। আমরা যেন এই শিক্ষা ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে ধারণ করতে পারি। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় নেতারা, বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
-

মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)শহরের জনতা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির কার্যালয়ে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক জিএম নূর ইসলাম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল ওহাব আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুফতি আক্তারুজ্জামান, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, মাওলানা মিজানুর রহমান আজমী, সাবেক অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক, অধ্যাপক গাজী আবুল কাশেম, পল্টু বাশার, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি সহীদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ম.জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কবি শুভ্র আহমেদ, মনিরুজ্জামান ছট্টু, কণ্ঠশিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু, মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা শেখ আজিজুল হক, তৃপ্তিমোহন মল্লিক, কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল মজিদ, সহ-সাহিত্য সম্পাদক রফিকুল বারী, সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক হযরত আলী, গুলশানআরা, মনিরুজ্জামান মুন্না প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আনোয়ারুল হাসান।


