ডেস্ক রিপোর্ট: নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারী প্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী প্রধান পরিবার এ কার্ড পাবেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এজন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়। পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্টের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। মন্ত্রী বলেন , প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের ৫ জন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহ প্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পান সেক্ষেত্রে সেই সব বিদ্যমান সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যান্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রাপ্ত হবেন এবং পরবর্তীতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হতে বেতন, ভাতা, অনুদান, পেনশন পেয়ে থাকলে, নারী পরিবার প্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী হিসেবে চাকুরিরত থাকলে উক্ত পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবে না। এছাড়া পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে বা বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন: গাড়ি, এসি) থাকলে বা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলে উক্ত পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না- বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ভাতা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী তার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহকালীন সময়েই উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে করে কোনো প্রকার বিলম্ব, ভুল অ্যাকাউন্টে জমা বা কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়া উপকারভোগীগণ ঘরে বসেই সরাসরি সরকার হতে ভাতা প্রাপ্ত হবেন। মন্ত্রী বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন-২০২৬ সময়ের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬ শতাংশ) সরাসরি নগদ সহায়তা প্রদান এবং ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (৩৩.৯৪ শতাংশ) কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম প্রণয়ন, কার্ড প্রস্তুতি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হবে। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।
Blog
-

ঈদের কেনাকাটায় সরগরম সাতক্ষীরা: ফারসি ও সারারা ড্রেসে তরুণীদের উন্মাদনা
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। শহরের বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণীদের পছন্দের ফারসি ও সারারা ড্রেস ঘিরে তৈরি হয়েছে আলাদা উন্মাদনা। নতুন ডিজাইন ও রঙের সমাহারে সাজানো দোকানগুলোতে তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের বিপণিবিতানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের পদচারণা বাড়ছে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেকে। তীব্র গরম উপেক্ষা করেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেনাকাটায় ব্যস্ত।
রোববার (৮ মার্চ) শহরের আসাদুল চেয়ারম্যান মার্কেটে দেখা গেছে, দোকানজুড়ে সাজানো হয়েছে বাহারি পোশাকের পসরা। তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। পাশাপাশি কসমেটিকস, জুতা ও ফ্যাশন সামগ্রীর দোকানেও ছিল চোখে পড়ার মতো ব্যস্ততা।
ক্রেতা মারিয়াম শান্তা বলেন, “ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মাকে সঙ্গে নিয়ে পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। মার্কেটে অনেক ভিড়, তবে পোশাকের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবুও ঈদের আনন্দের জন্য কিনতেই হচ্ছে।”
শহরের ‘নিউ ফ্যাশন কিং’ দোকানের বিক্রেতা সাব্বির আহমেদ জানান, এবারের ঈদে ফারসি ও সারারা ড্রেসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসব পোশাকের দাম ১,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে। সুতির ড্রেসের দাম ৮০০ থেকে ২,০০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। বিশেষ করে ইফতারের পর ক্রেতাদের সমাগম আরও বেড়ে যায়।”
সাতক্ষীরা জেলা বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জি এম সোহরাব হোসেন জানান, এবারের ঈদকে ঘিরে মার্কেটে ক্রেতার উপস্থিতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। পাকিস্তানি থ্রি-পিস ও দেশীয় শাড়ির বিক্রিও ভালো হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করেছে ‘ফারসি’ নামের নতুন ডিজাইনের পোশাক।
তিনি আরও বলেন, মার্কেটগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে। ফলে ক্রেতারা স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারছেন।
ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সাতক্ষীরার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে মানুষের ঢল। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের শেষ সপ্তাহে বেচাকেনা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাদের মতে, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সাতক্ষীরার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি অনেক বেশি, যা শহরের প্রাণচাঞ্চল্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। -

কালিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে জরিমানা
হারুন উর রশীদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে কালিগঞ্জ উপজেলা মোড়ে মান্দার স্টোরের মালিক ইয়াহিয়া খানকে ৩ হাজার এবং পাউখালি এলাকার একটি মুদিখানা দোকানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাইনুল ইসলাম খান। এ সময় কালিগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযানকে সহায়তা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

আশাশুনিতে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা
এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান: ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু। সভায় বক্তব্য দেন আশাশুনি সেনা ক্যাম্প কমান্ডার ওয়ারেন্ট অফিসার আরিফ, থানার এসআই ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স. ম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান প্রমুখ। সভায় ২৫ মার্চ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চারণ, মসজিদ-মন্দির-গীর্জায় দোয়া, স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ব্ল্যাকআউট এবং ২৬ মার্চ ৩১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, সংবর্ধনা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
-

শ্যামনগরে জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
আবু হাসান, নূরনগর: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরে রামজীবনপুর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ রমজান) বিকেলে রামজীবনপুর পশ্চিমপাড়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, মসজিদ কমিটির সদস্য, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন। ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা মাহে রমজানের ফজিলত, রোজার তাৎপর্য ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, রমজান সংযম, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয় এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আমির ডা. আলহাজ মো. রুহুল আমিন, সেক্রেটারি আলহাজ লিয়াকাত হোসেন বাবু, অফিস সম্পাদক মো. আবুবক্কার, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ, বাইতুল আমান জামে মসজিদের সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা এবং ইউনিয়ন মিডিয়া প্রধান আবু হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। শেষে বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আকবর আলী দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
-

উপকূলের মানুষের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব: এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
হুসাইন বিন আফতাব, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা): উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অভিযোজন অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাটসংলগ্ন পাইকের মোড় বিলে গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বারসিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় ১৩টি স্টলের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, স্থানীয় জ্ঞান ও অভিযোজন কৌশল তুলে ধরা হয়। স্টলগুলোতে উপকূলীয় কৃষি যন্ত্র ও আগাছা ব্যবস্থাপনা, মাছ ধরার ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, স্থানীয় অভিযোজন চর্চা, বিলুপ্তপ্রায় সামগ্রী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও বনজীবীদের ব্যবহার্য উপকরণ, পরিবেশবান্ধব চুলা, স্থানীয় জাতের বীজ, ধান-চাল, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্র, শুকনা খাবার এবং হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে উপকূলের সংকট ও প্রাণবৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। মেলায় জারি-সারি গান, চিত্রাঙ্কন ও দেয়ালিকা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় মানুষ, শিক্ষার্থী, নারী সংগঠক, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বারসিকের পরিচালক ও প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, শংকর ম্রং, শ্যামনগর গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, সদস্য রণজিৎ বর্মন, নেত্রকোনার আল্পনা নাফাক, কামনা হাজং, বনজীবী শেফালী বিবি ও যুব স্বেচ্ছাসেবক সাইদুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে জাতীয় নীতি প্রণয়নে গুরুত্ব দিলে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব। এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় জ্ঞানকে সামনে এনে নীতিনির্ধারক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সংযোগ তৈরি করতে সহায়ক। তাঁরা বলেন, উপকূল ও হাওর অঞ্চলে জলবায়ু সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। দেশীয় বীজ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও স্থানীয় অভিযোজন কৌশল ব্যবহার করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী টিকে থাকার চেষ্টা করছে। স্থানীয় অভিযোজন কৌশলকে শক্তিশালী করতে জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানো এবং স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সবার জন্য জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করার দাবিও জানান বক্তারা।
-

সাতক্ষীরায় বিশিষ্টজনদের নিয়ে জামায়াতের ইফতার মাহফিল মিলন মেলায় পরিণত
স্টাফ রিপোর্টার: বিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, অধ্যাপক, সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক রোজাদার অংশ নেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানেন সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহা: ইজ্জত উল্লাহ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য সাতক্ষীরা- ৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ, জমিয়েতে আহলে হাদীসের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ গজনফর, আহলে হাদীস আন্দোলনের জেলা সভাপতি আলতাফ হোসেনসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রমজান কেবল রোজা রাখার মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। সমাজে নৈতিকতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হলে রমজানের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। ঐক্য ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাতক্ষীরাকে একটি নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। বক্তরা আরো বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদেরকে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের পথে চলার শিক্ষা দেয়। সমাজে ন্যায়বিচার, শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রমজানের শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলমন্ত্র হওয়া উচিত। সমাজের অন্যায় দূর করতে হলে তাকওয়াবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা জরুরি। শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্যবদ্ধ শান্তি ও সমৃদ্ধিসহ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন জামায়াতের অন্যতম নেতা মাওলানা আব্দুল বারী।
-

নলতায় এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বশারকে সংবর্ধনা
হারুন উর রশীদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় আল হেরা প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড মডেল মাদরাসায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বশারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে মাদরাসা ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় ৫ম শ্রেণিতে অংশ নেওয়া ১৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন ট্যালেন্টপুলসহ মোট ১৭ জন এবং ৮ম শ্রেণিতে অংশ নেওয়া ৭ জনের মধ্যে ৪ জন ট্যালেন্টপুলসহ ৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক আবু বকর সাকিব জামানের সঞ্চালনায় এবং আলহাজ মোকসেদ আলী মোড়লের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বশার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন আবু রাসেল আসকারী, আনোয়ারুল ইসলাম, মাওলানা আশারাফ, মাস্টার আকবার হোসাইন, রফিকুল ইসলাম খোকন, নাজমুল ইসলাম ও মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মনিরুজ্জামানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাদ্দিস রবিউল বশার বলেন, কোরআনের আলোকে মানুষ গড়ার শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। তিনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
-

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার
ডেস্ক রিপোর্ট: ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। গতকাল রোববার দেশটির পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যরা বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এরপর আদালতে নিলে আদালত তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠায়। সিআইডি প্রধান জানান, ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা গতকাল রোববার তাদের গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এক সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে এসটিএফ বলেছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর ভারতে পালিয়ে আসা দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন এবং সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন বলে পুলিশের কাছে বিশ্বস্ত তথ্য ছিল। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)। বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন। এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। ২৩ ডিসেম্বর আদালত ব্যাংক ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন। সেদিনই ফয়সালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। প্রাথমিকভাবে পাওয়া এ তথ্যের ভিত্তিতে ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারসংক্রান্ত পৃথক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে সিআইডি।


