মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্যামনগর উপজেলা শাখা। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালনের লক্ষ্যে উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় নেতৃবৃন্দ শ্যামনগর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা নীরবতা পালন করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। তাঁদের এই আত্মদান পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে শক্তিশালী করেছে। নেতারা আরও বলেন, ভাষা শহীদদের আদর্শ ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও জাতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মাতৃভাষার সঠিক চর্চা ও সংরক্ষণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
Category: সাতক্ষীরা
-

সাতক্ষীরায় কৃষিক্ষেত্রে সূর্যমুখী চাষ নতুন দিগন্তের সূচনা: আবাদ বেড়েছে দ্বিগুণ
আবু সাইদ বিশ্বাস, সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার লবণাক্ত পতিত জমি ও তালার নিম্ন এলাকার জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষে সফলতা এসেছে। ফলে উৎকৃষ্টমানের তেলের চাহিদা পূরণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কম সময় ও অর্থ ব্যয় করে সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এতে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক। তালা পাটকেলঘাটার কপোতাক্ষ পাড়ে ভারশার মাঠগুলোতে দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বিশাল আকারের হলুদগালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কাছে গেলে চোখে পড়ে হাজারো সূর্যমুখী ফুল। বাতাসে দোল খেয়ে ফুলগুলো যেন আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। চলতি মৌসুমে জেলাতে ২২৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে যা যে কোন বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার ও বীজে প্রণোদনা দেয়ায় সাধারণ কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ২২৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২৭ হেক্টর, কলারোয়ায় উপজেলায় ২২ হেক্টর, তালা উপজেলায় ৬৩ হেক্টর, দেবহাটা উপজেলায় ৭ হেক্টর, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৩৪ হেক্টর, আশাশুনি উপজেলায় ১৫ হেক্টর ও শ্যামনগর উপজেলায় ৬০ হেক্টর। তবে গেল বছর জেলায় এ ফসলটি চাষ হয়েছিল ১০৯ হেক্টর জমিতে। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি মৌসুমে জেলায় সুর্যমুখির আবাদ বেড়েছে ১১৯ হেক্টর পরিমান।
সরুলিয়া ইউনিয়নের ভারশা গ্রামে ও উপজেলার বিভিন্ন সূর্যমুখী চাষ করা জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ফুটে থাকা সূর্যমুখী ফুলের সমাহারে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের মনমাতানো ঘ্রাণ আর মৌমাছিরা ছুটছেন এক ফুল থেকে অন্য ফুলে তাতে মুখরিত হয়ে উঠেছে কৃষকের জমি। এটি যেন ফসলি জমি নয়, এ এক দৃষ্টিনন্দন বাগান।
ভারশা গ্রামের সূর্যমুখি চাষি মো: আকবর হোসেন জানান, সূর্যমুখী ফুল চাষের লক্ষ্য নিছক বিনোদন নয়। মূলত ভোজ্যতেল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা মেটাতে এ চাষ করা হচ্ছে। তাই অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তিনি জানান, সূর্যমুখী ফুলের চাষ করলে ফুল থেকে তেল, খৈল ও জ্বালানি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তৈল উৎপাদন সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ১০ মণ বীজ উৎপাদন হয়। তেল উৎপাদন হবে প্রতি বিঘায় ১৪০ থেকে ২০০ লিটার পর্যন্ত। প্রতি লিটার তেলের সর্বনিম্ন বাজার মূল্য ২৫০ টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে ভোজ্যতেলের আকাশছোঁয়া দাম হওয়ার কারণে চাহিদা বেড়েছে সরিষা ও সূর্যমুখী তেলের।
সাতক্ষীরা সদর কৃষি কর্মকর্তা মনির জানান, সূর্যমুখী চাষের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। ‘কৃষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে সার, বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে সূর্যমুখীর আবাদ ভালো হলে কৃষিক্ষেত্রে তা নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।’
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, উৎপাদন বাড়াতে চলতি রবি মৌসুমে জেলাতে ৬০০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে জন প্রতি এক কেজি করে টিএসএফ জাতের সুর্যমুখি বীজ দেয়া হয়েছে। সঙ্গে দুই প্রকার ১০+১০=২০ কেজি করে সারও দেয়া হয়েছে এসব কৃষককে। বীজ ও সার মিলে মোট ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনা দেয়া হয়েছে এসব সুর্যমুখি চাষীদের।আবু সাইদ বিশ্বাস
সাতক্ষীরা
১৯/২/২৬
০১৭১২৩৩৩২৯৯ -

বাতাসে আমের মুকুলের ঘ্রাণ, ভালো ফলনের আশায় চাষিরা
ফিরোজ শাহ: “আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা / ফুল তুলিতে যাই,
ফুলের মালা গলায় দিয়ে / মামার বাড়ে যাই।
ঝড়ের দিনে মামার দেশে / আম কুড়াতে সুখ,
পাকা জামের মধুর রসে / রঙিন করি মুখ।”
পল্লীকবি জসীম উদ্দিন-এর ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পংক্তিগুলো যেন ধীরে ধীরে বাস্তবে ধরা দিচ্ছে। পাকা আমের সেই দিন এখনও আসেনি, কিন্তু তার আগমনী বার্তা নিয়ে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়েছে এক অনন্য সুবাস- আমের মুকুলের ঘ্রাণ।
সাতক্ষীরা জেলায় এখন ভোরের বাতাসে মিশে থাকে মিষ্টি এক সুগন্ধ। বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে, পুকুরপাড় কিংবা বিস্তীর্ণ বাগান- সবখানেই আমগাছের ডালে ডালে মুকুলের ছড়াছড়ি। ঋতুরাজ বসন্তের বার্তাবাহক হয়ে এই মুকুল যেন জানিয়ে দিচ্ছে, আর কয়েক মাস পরেই পাকা আমে রঙিন হয়ে উঠবে চারদিক।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, গাছের প্রতিটি ডাল হলুদ-সবুজ মুকুলে মোড়া। কোথাও কোথাও পাতাই চোখে পড়ে না। বাতাসে ভেসে আসে মৌ মৌ গন্ধ, যা সহজেই মনকে বিমোহিত করে। স্থানীয়দের মতে, এমন মুকুল আর এমন সুবাস ভালো ফলনেরই ইঙ্গিত।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাতক্ষীরা জেলাও স্থানীয়দের মুখে মুখে ‘আমের রাজ্য’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। বিশেষ করে কলারোয়া উপজেলা এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠছে নতুন নতুন আমবাগান। কৃষকদের ভাষ্য, ছোট ও মাঝারি গাছে এ বছর তুলনামূলক বেশি মুকুল এসেছে, যা আগামী মৌসুমে ভালো ফলনের আশা জাগাচ্ছে।
হিমসাগর, আম্রপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া ও ফজলিসহ বিভিন্ন জাতের আমগাছে ইতোমধ্যে মুকুল দেখা দিয়েছে। পুরোপুরি ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাগান মালিকরা। মুকুল আসার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলছে বাগানের পরিচর্যা—আগাছা পরিষ্কার, সেচ দেওয়া ও গাছের যত্ন নেওয়া। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে রোগবালাই প্রতিরোধে। চাষিদের মতে, মুকুলের সময়টিই সবচেয়ে স্পর্শকাতর। এ সময় ছত্রাক বা পোকার আক্রমণ হলে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। তাই কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে। কলারোয়ার এক বাগান মালিক বলেন, “গাছভর্তি মুকুল দেখলে মন ভরে যায়। এই মুকুলই আমাদের স্বপ্ন, আমাদের আশা। এখন শুধু চাই আবহাওয়া অনুকূলে থাকুক। প্রকৃতি সহায় হলে এবার ভালো ফলনের আশা করছি।” প্রকৃতির এই মুকুলময় রূপ শুধু চাষিদের নয়, সাধারণ মানুষের মনেও এনে দিয়েছে নতুন আশার বার্তা। বসন্তের এই সুবাস যেন আগাম জানিয়ে দিচ্ছে—আর বেশি দিন নয়, খুব শিগগিরই সাতক্ষীরার গাছে গাছে ঝুলবে সোনালি রঙের পাকা আম। -

সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক ‘প্রান্তিক যুব সংঘ’-কে নিবন্ধন সনদ প্রদান
মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা।।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চালতেতলা গ্রামভিত্তিক সামাজিক সংগঠন ‘প্রান্তিক যুব সংঘ’
আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি নিবন্ধন লাভ করেছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় থেকে সংগঠনটিকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। যুব সংগঠন (নিবন্ধন এবং পরিচালনা) আইন, ২০১৫-এর ৪ ধারা এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ২০১৭ অনুযায়ী সংগঠনটিকে নিবন্ধিত করা হয়েছে, যার সরকারি নিবন্ধন নম্বর: যুউ অ/সাতঃ নিঃ-১২৮।গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঙ্গীত কুমার দাস স্বাক্ষরিত সনদটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নিবন্ধন পাওয়ার ফলে সংগঠনটি এখন থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, অনুদান এবং যুব ঋণের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে স্থানীয় বেকারত্ব দূরীকরণে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবে।
দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ, দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ এবং দুস্থদের সহায়তায় কাজ করে আসছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় তাদের কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে। নতুন এই স্বীকৃতি তাদের কাজের পরিধি ও দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিবন্ধন সনদ গ্রহণকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি হৃদয় মন্ডল, সহ-সভাপতি ইফতি জামিল, সাধারণ সম্পাদক নূরজাহান খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া খাতুন, অর্থ সম্পাদক মারুফুজ্জামান সম্রাট, ক্রীড়া সম্পাদক হাসনা আক্তার ইতি এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রেয়া সরদার। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মো. মোকাররাম বিল্লাহ ইমন, ইমতি জামিল, তাপস সরকার, মুছাব্বির রহমান ইমন, বিচিত্র মন্ডল ও আজমিরা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
উপপরিচালক সঙ্গীত কুমার দাস জানান, নিবন্ধিত সংগঠনগুলোকে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘প্রান্তিক যুব সংঘ’ তাদের গঠনতন্ত্র মেনে যুব সমাজের নৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই তারা এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রসারে নতুন প্রকল্প হাতে নেবে। এই অর্জনে চালতেতলা ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
-

হযরত আয়েশা (রা:) মহিলা মাদ্রাসা পুরুষ্কার বিতরন
মো: শামীম হোসেন: ভোমরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ৬ নং ভোমরা ইউনিয়ন ২ নং ওয়াড হাড়দ্দাহ বিশ্বাসপাড়া
হযরত আয়েশা (রা:) আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা ওএতিমখানা পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান হয়েছে।আজ ১৭ ফেব্রুয়ারী রোজ মঙ্গলবার সন্ধা ৬:৩০ মিনিটে পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান শুরু হয়।মাদ্রাসার ছাত্রীদের পরিক্ষার সাপেক্ষে ফলাফলের মাধ্যমে১ ম,২ য়,৩য় (হিফস,নাজেরা,কায়দা)পুরুষ্কার বিতরন হয়।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন ২ নং কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা সাদিকুল ইসলাম।
সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো: সহিদুল ইসলাম।আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা ৬ নং ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী ২ নং ওয়াড সভাপতি আলহাজ্ব মুক্তার আলী গাজী।
জাহিদ হোসেন,সাইফুল ইসলাম, সাবেক মহিলা মিম্বার হামিদা খাতুন,নাঈম হোসেন, মাসুম হোসেন,আলাউদ্দিন শেখ প্রমুখপরিশেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান শেষ হয়।
-

আশাশুনিতে ৪ দোকানে ভয়াবহ আগুন
এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনির ব্রীজের দক্ষিণ পাশে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আগুনে ৪টি দোকান পুড়ে যায়। দোকানগুলো হলো- মুজিবুর রহমানের মুকুল স্টোর, বকুল মোড়ল, রাজু আহমদ ও রজব আলীর দোকান। প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। স্থানীয় ফায়ার ব্রিগেডের ১২ জনের টিম আধা ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
-

কলারোয়ায় অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ
স্টাফ রিপোর্টার: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এর অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর এর বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫–২৬ এর আওতায় সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিস এর আয়োজনে মাসব্যাপী অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে কলারোয়ার সরকারি জিকেএমকে পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, সাবেক ফুটবলার রবিউল ইসলাম, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোচ ও কলারোয়া ফুটবল একাডেমির পরিচালক সাইদ আলী গাজী এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোচ মাসুদুল ইসলামসহ স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক খেলোয়াড়রা। মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ৪০ জন ক্ষুদে ফুটবলার অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়ের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। বক্তারা বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবল প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিতে সহায়ক হবে।
-

বংশীপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ
শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণ এবং সড়কে টায়ারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাতভর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি ব্যানার এবং কয়েকটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ড. ইউনুস ও জামাত বিএনপি’র অবৈধ্য পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল’। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনায় জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
-

শ্যামনগরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হ্যাচারীর জমি দখলের অভিযোগ
শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বিড়ালাক্ষ্মী গ্রামে রেডিয়েন্ট হ্যাচারীর প্রায় দুই বিঘা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা জি. এমন হাবিবুল্লাহ এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার বিকালে হাবিবুল্লাহ নিজ কর্মী-সমর্থক নিয়ে হ্যাচারীর সীমানা প্রাচীর ভেঙে জমি দখল করে এবং বাঁশ ও নাইলন দিয়ে ঘেরা বানিয়ে নেয়। হ্যাচারীর মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। হ্যাচারীর ম্যানেজার জামাল হোসেন জানান, দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত উক্ত জমি রঞ্জিলা খাতুন নামের এক নারীর জন্য বরাদ্দ ছিল। হাবিবুল্লাহর ১২-১৪ জন সহযোগী ওই জমি দখল করার সময় প্রাচীর ভেঙে নারীর যাতায়াতের সুবিধা রেখেছেন। হাবিবুল্লাহ দাবি করেন, হ্যাচারীর মালিক সফিকুর রহমান তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা দেনা রাখায় ওই জমি ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, “টাকা পরিশোধ করলে জমি ফিরিয়ে দেয়া হবে।” উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক সোলায়মান কবির বলেন, “কেউ টাকা পেলে তার জন্য আইন আছে, কিন্তু এভাবে কারও জায়গা-জমি দখল করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।” স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় উত্তেজনা রয়েছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
-

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন
শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দূরমুজখালি এলাকায় সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে নূরনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিস অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রনজিৎ মন্ডল। স্থানীয়রা জানান, দূরমুজখালি ও পার্শ্ববর্তী কৈখালী ইউনিয়নের সীমানাবর্তী সরকারি খালের অংশে গভীর নলকূপ ও খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে বালি উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মোমরেজ গাজীর ছেলে ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ও ড্রেজার মালিক আব্দুস সালাম এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রনজিৎ মন্ডল জানান, “অবৈধ বালি উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এতে ভূমিধস, ফসলি জমির ক্ষতি ও আশপাশের বসতবাড়ির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত নজরদারি চলবে। এলাকাবাসী প্রশাসনের পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
