Author: news_admin

  • জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ন্যায় বিচার পেতে সংবাদ সম্মেলন

    জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ন্যায় বিচার পেতে সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ তুলে সাংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর উপজেলার আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের কাশেমপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর পিতা গোলাম রসুল মোড়লের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের মৃত হামেজউদ্দীন গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান গাজী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। কবির হোসেনের অভিযোগ, তাঁদের পৈত্রিক সম্পত্তির প্রায় সাড়ে পাঁচ শতক জমি দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে প্রতিপক্ষরা। এ বিষয়ে ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে বিভিন্ন সময় তাঁদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনায় তাঁর মা হোসনেয়ারা খাতুন ও ভাবি রেবেকা খাতুন আহত হন। পরে তাঁদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলাও করা হয়েছে। কবির হোসেন জানান, ২০২১ সালে প্রতিপক্ষরা তাঁদের বাড়ির যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিলে স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে সমঝোতা হয়। সে অনুযায়ী জমি বিনিময়ের মাধ্যমে রাস্তার ব্যবস্থা করা হয়। তবে এরপরও বিরোধ থামেনি বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাঁদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া চলমান মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাঁকে ও তাঁর ভাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে কবির হোসেন এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

  • শ্যামনগরে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভা

    শ্যামনগরে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভা

    হুসাইন বিন আফতাব: শ্যামনগরে উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে ফোরামের নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের সহযোগিতায় শ্যামনগর শাখা কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে লিডার্সের কেয়ার (ঈঅজঊ) প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়দেব কুমার জেয়ার্দ্দার শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। সভায় উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সদস্য হুসাইন বিন আফতাব, এম এম আমজাদ হোসেন, নিপা চক্রবর্তী, হিরন্ময়ী রানী, আশিকুর রহমান, মুনজুয়ারা এবং লিডার্সের অ্যাডভোকেসি ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী বক্তব্য দেন। আলোচনা সভায় লিডার্সের চলমান কার্যক্রম, উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের উপবিধি, নতুন কমিটি গঠন এবং আগামী তিন মাসের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ফোরামের সৌজন্য সাক্ষাৎ, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ, বিভিন্ন দিবস পালন, নীতি নির্ধারণী ও বাস্তবায়নকারী পর্যায়ে সমস্যা সমাধানে স্মারকলিপি প্রদান, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সভা শেষে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এতে এম এম আমজাদ হোসেনকে সভাপতি, নুরজাহান ঝরণাকে সহসভাপতি, নিপা চক্রবর্তীকে সম্পাদক, আশিকুর রহমানকে সহসম্পাদক এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটিতে ১২ জন নির্বাহী সদস্য রাখা হয়েছে। সভায় বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • দেবহাটায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    দেবহাটায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    স্টাফ রিপোর্টার: দেবহাটা উপজেলায় জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার বাস্তবায়নে, বেসরকারী সংস্থা সুশীলনের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যুগ্ম-আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওহাব, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আরকে বাপ্পা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ ইদ্রীস আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবয়ন কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের লিডার কলিমউদ্দিন, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার কাজী সিদরাতুল মুনতাহা, ইউপি সদস্য ফতেমা পারভীন, সুশীলনের সিডিও মিজানুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মহিতোষ কর্মকার। বক্তব্যে বক্তারা বলেন, প্রকৃতিক দূর্যোগের বিষয়ে মানুষকে বেশি বেশি সচেতন করতে হবে। দূর্যোগ না হয় সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি, সর্তক থাকতে হবে। বেশি বেশি বনায়ন করা। এছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর অব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয় সভায়।

  • ঈদে নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান

    ঈদে নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান

    স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির (ডিআরসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের আয়োজনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। সভা সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক ওমর ফারুক। সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর চৌধুরী, সাতক্ষীরা পৌরসভার সিইও মো. আসাদুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক) মো. মশিউর রহমান, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মতিয়ার রহমান, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির উজ্জ্বল কুমার সাধু, ঢাকাগামী পরিবহন মালিকদের প্রতিনিধি মো. মশিউর রহমান, নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ পাড়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকর ও জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ক্যাশিয়ার শেখ হুমায়ূন কবির বক্তব্য দেন। সভায় জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। ঢাকাগামী পরিবহনগুলোকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। এ ছাড়া পৌর এলাকার নিবন্ধিত ইজিবাইক চলাচল অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পৌর এলাকায় অবৈধ যান চলাচল বন্ধ, যত্রতত্র পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বাস টার্মিনাল থেকে মিনিবাস ছাড়ার পর সাতক্ষীরা-মুন্সীগঞ্জ রুটের মিনিবাস সঙ্গীতা মোড়ে, সাতক্ষীরা-আশাশুনি রুটের মিনিবাস উপজেলার মোড়ে, সাতক্ষীরা-খুলনা রুটের মিনিবাস নারিকেলতলা মোড়ে এবং সাতক্ষীরা-যশোর রুটের মিনিবাস কদমতলা বাজারে নির্ধারিতভাবে দাঁড়াবে। অনুষ্ঠানে বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের উচ্চমান সহকারী মো. নাছির উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন মঙ্গলবার

    ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন মঙ্গলবার

    ডেস্ক রিপোর্ট: নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারী প্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী প্রধান পরিবার এ কার্ড পাবেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এজন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়। পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্টের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। মন্ত্রী বলেন , প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের ৫ জন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহ প্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পান সেক্ষেত্রে সেই সব বিদ্যমান সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যান্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রাপ্ত হবেন এবং পরবর্তীতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। জাহিদ হোসেন বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হতে বেতন, ভাতা, অনুদান, পেনশন পেয়ে থাকলে, নারী পরিবার প্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী হিসেবে চাকুরিরত থাকলে উক্ত পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবে না। এছাড়া পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে বা বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন: গাড়ি, এসি) থাকলে বা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলে উক্ত পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না- বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ভাতা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী তার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহকালীন সময়েই উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে করে কোনো প্রকার বিলম্ব, ভুল অ্যাকাউন্টে জমা বা কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়া উপকারভোগীগণ ঘরে বসেই সরাসরি সরকার হতে ভাতা প্রাপ্ত হবেন। মন্ত্রী বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন-২০২৬ সময়ের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬ শতাংশ) সরাসরি নগদ সহায়তা প্রদান এবং ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (৩৩.৯৪ শতাংশ) কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম প্রণয়ন, কার্ড প্রস্তুতি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হবে। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

  • ঈদের কেনাকাটায় সরগরম সাতক্ষীরা: ফারসি ও সারারা ড্রেসে তরুণীদের উন্মাদনা

    ঈদের কেনাকাটায় সরগরম সাতক্ষীরা: ফারসি ও সারারা ড্রেসে তরুণীদের উন্মাদনা

    স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। শহরের বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণীদের পছন্দের ফারসি ও সারারা ড্রেস ঘিরে তৈরি হয়েছে আলাদা উন্মাদনা। নতুন ডিজাইন ও রঙের সমাহারে সাজানো দোকানগুলোতে তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের বিপণিবিতানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের পদচারণা বাড়ছে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেকে। তীব্র গরম উপেক্ষা করেও ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেনাকাটায় ব্যস্ত।
    রোববার (৮ মার্চ) শহরের আসাদুল চেয়ারম্যান মার্কেটে দেখা গেছে, দোকানজুড়ে সাজানো হয়েছে বাহারি পোশাকের পসরা। তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। পাশাপাশি কসমেটিকস, জুতা ও ফ্যাশন সামগ্রীর দোকানেও ছিল চোখে পড়ার মতো ব্যস্ততা।
    ক্রেতা মারিয়াম শান্তা বলেন, “ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মাকে সঙ্গে নিয়ে পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। মার্কেটে অনেক ভিড়, তবে পোশাকের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবুও ঈদের আনন্দের জন্য কিনতেই হচ্ছে।”
    শহরের ‘নিউ ফ্যাশন কিং’ দোকানের বিক্রেতা সাব্বির আহমেদ জানান, এবারের ঈদে ফারসি ও সারারা ড্রেসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসব পোশাকের দাম ১,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে। সুতির ড্রেসের দাম ৮০০ থেকে ২,০০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। বিশেষ করে ইফতারের পর ক্রেতাদের সমাগম আরও বেড়ে যায়।”
    সাতক্ষীরা জেলা বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জি এম সোহরাব হোসেন জানান, এবারের ঈদকে ঘিরে মার্কেটে ক্রেতার উপস্থিতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। পাকিস্তানি থ্রি-পিস ও দেশীয় শাড়ির বিক্রিও ভালো হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করেছে ‘ফারসি’ নামের নতুন ডিজাইনের পোশাক।
    তিনি আরও বলেন, মার্কেটগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে। ফলে ক্রেতারা স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারছেন।
    ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সাতক্ষীরার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে মানুষের ঢল। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের শেষ সপ্তাহে বেচাকেনা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাদের মতে, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সাতক্ষীরার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি অনেক বেশি, যা শহরের প্রাণচাঞ্চল্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

  • কালিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে জরিমানা

    কালিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে জরিমানা

    হারুন উর রশীদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে কালিগঞ্জ উপজেলা মোড়ে মান্দার স্টোরের মালিক ইয়াহিয়া খানকে ৩ হাজার এবং পাউখালি এলাকার একটি মুদিখানা দোকানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাইনুল ইসলাম খান। এ সময় কালিগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযানকে সহায়তা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • আশাশুনিতে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা

    আশাশুনিতে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান: ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু। সভায় বক্তব্য দেন আশাশুনি সেনা ক্যাম্প কমান্ডার ওয়ারেন্ট অফিসার আরিফ, থানার এসআই ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স. ম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান প্রমুখ। সভায় ২৫ মার্চ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চারণ, মসজিদ-মন্দির-গীর্জায় দোয়া, স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ব্ল্যাকআউট এবং ২৬ মার্চ ৩১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, সংবর্ধনা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

  • শ্যামনগরে জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

    শ্যামনগরে জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

    আবু হাসান, নূরনগর: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরে রামজীবনপুর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ রমজান) বিকেলে রামজীবনপুর পশ্চিমপাড়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, মসজিদ কমিটির সদস্য, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন। ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা মাহে রমজানের ফজিলত, রোজার তাৎপর্য ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, রমজান সংযম, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয় এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আমির ডা. আলহাজ মো. রুহুল আমিন, সেক্রেটারি আলহাজ লিয়াকাত হোসেন বাবু, অফিস সম্পাদক মো. আবুবক্কার, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ, বাইতুল আমান জামে মসজিদের সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা এবং ইউনিয়ন মিডিয়া প্রধান আবু হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। শেষে বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আকবর আলী দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।