Author: news_admin

  • সাতক্ষীরা-২ আসনে সড়ক ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে আব্দুর রউফের উদ্যোগে বিশেষ বরাদ্দ

    সাতক্ষীরা-২ আসনে সড়ক ও শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে আব্দুর রউফের উদ্যোগে বিশেষ বরাদ্দ

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে প্রকল্পের তালিকা পাঠানো হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির নেতা আলহাজ মো. আব্দুর রউফের উদ্যোগে এ উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, ভবন সম্প্রসারণ, সংস্কার এবং মাঠ ও সীমানাপ্রাচীর উন্নয়নের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নে চলাচলের অনুপযোগী ছয়টি নতুন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাঁশদহা ইউনিয়নে একটি, বল্লী ইউনিয়নে একটি, ভোমরা ইউনিয়নে দুটি এবং বৈকারী ইউনিয়নে একটি নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে আলিপুর ইউনিয়নের পাঁচটি সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নে তিনটি এবং পারুলিয়া ইউনিয়নে একটি নতুন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    শিক্ষা খাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও ভবন সম্প্রসারণের কাজ হবে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার ১৭টি স্কুল ও কলেজে সংস্কারকাজের পরিকল্পনা রয়েছে।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, ১০টি প্রতিষ্ঠানে ভবন সম্প্রসারণ এবং ১৫টি প্রতিষ্ঠানের ভবন সংস্কার করা হবে।

    অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলার ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ বা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জরাজীর্ণ ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও সংস্কারও করা হবে। এ ছাড়া অন্যান্য প্রকল্পের আওতায় আরও ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ বা সম্প্রসারণ এবং ২০টি প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের পরিকল্পনা রয়েছে।

    এ বিষয়ে মো. আব্দুর রউফ বলেন, নির্বাচনী এলাকার সড়ক যোগাযোগ ও শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

  • কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

    কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।

  • ‘গরুর স্কুল’ তকমায় কালিগঞ্জের সোনাটিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী এখন ২৪ জন

    ‘গরুর স্কুল’ তকমায় কালিগঞ্জের সোনাটিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী এখন ২৪ জন

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাটিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নিয়মিত গরু-ছাগল বেঁধে রাখা, গোবর ও আবর্জনা ফেলা এবং পয়োনিষ্কাশনের উন্মুক্ত ড্রেন তৈরির কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী কমতে কমতে বর্তমানে মাত্র ২৪ জনে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনিক ও পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর চিঠি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পরিদর্শন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার একাধিক পরিদর্শন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম নিয়মিত বিদ্যালয়ের সামনে গরু-ছাগল বেঁধে রাখেন। পাশাপাশি মাঠে গোবর, খড়কুটা, গাছের পাতা ও পরিত্যক্ত আসবাবপত্র ফেলে রাখেন। এমনকি তাঁর বাড়ির পয়োনিষ্কাশনের জন্য বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে উন্মুক্ত ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নোংরা হয়ে পড়ছে এবং শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষকরা একাধিকবার নিষেধ করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও পরিদর্শনের সময় তাঁকে সতর্ক করলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরেজমিনে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকার অনেক সচেতন অভিভাবক বিদ্যালয়টিকে ‘গরুর স্কুল’ বলে অভিহিত করেন। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে তাঁরা সন্তানদের ওই বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে আগ্রহী নন। এর প্রভাবেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে বর্তমানে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়সংলগ্ন কয়েকজন বাসিন্দার বাঁশঝাড় বিদ্যালয় ভবন ও শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষকরা বাঁশঝাড় অপসারণের অনুরোধ জানালেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাতে সাড়া দেননি। চিঠিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস উল্লেখ করেছেন, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশি সহায়তা প্রয়োজন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামসহ অন্যদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।