Blog

  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

    সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা পিটিআই (প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) প্রাঙ্গণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এ প্রতিযোগিতায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ আসিফ রহমান, পিটিআই সুপারিটেনডেন্ট মোঃ গোলাম মোস্তফা। এ সময় সহ শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কুইজ ও কাবিং বিষয়ে অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতার পরিচয় দেয়। বক্তারা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং সৃজনশীল চিন্তাশক্তি উন্নয়নে সহায়তা করে। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, আজকের এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রতিযোগী নির্বাচন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত প্রতিযোগীরা পরবর্তী পর্যায়ে জেলার প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে আয়োজকরা জানান।

  • সাতক্ষীরায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

    সাতক্ষীরায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

    গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বয়ারবাতান গ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

    ভুক্তভোগী মোঃ আক্তারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তিনি ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং বিদেশ থেকে পুরাতন গাড়ী ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির করে থাকেন।

    জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদরের বয়ারবাতানে আসেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাত ১টার দিকে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী তার বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তিনি বাড়ীর ছাদের উপর থেকে ভিডিও ও ছবি উঠানোর চেষ্টা করেন।

    ব্যবসায়ী আক্তারুল ইসলাম বলেন- হামলাকারীদের মধ্যে একই এলাকার মৃত মাছুম গাজীর ছেলে শাহারুল গাজী, আজাহারুল গাজী, নজরুল ইসলাম, দাউদ গাজী, মাহমুদ আলী, চাপড়া এলাকার কালাম, তমেজউদ্দীনের ছেলে রবিউল ইসলাম ও জিয়ারুলসহ আরও কয়েকজন নেতৃত্বে ছিলেন। হামলাকারীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ দূর থেকে ইটপাটকেল ছুড়ে বাড়ীর যথেষ্ট ক্ষতি করেন।

    তিনি আরো বলেন- বাড়ীতে আসার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত কোনদিন আমার ব্যবহৃত প্রাইভেট কার গ্যারেজে রাখিনি। কিন্তু গতকাল আমি ‌গ্যারেজে রাখছিলাম। হামলাকারীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করা এবং গাড়িটি নষ্ট করে দেয়া। কেননা, বেশ কিছুদিন আগে তারা আমার একটি মৎস্যঘের তারা দখল করে নিয়েছে।

    আক্তারুল ইসলাম বলেন- আমি তাদের হামলা থেকে প্রাণ বাঁচাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে পৌছালে তারা পালিয়ে যায়। তবে আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে আছি। বাড়ীতে আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতা থাকে। যেকোন সময় সন্ত্রাসীরা আবারো হামলা করতে পারে।

    পরে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান বলে জানান।

    মোঃ আক্তারুল ইসলাম আরও বলেন, অভিযুক্ত শাহারুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। অতীতেও একাধিকবার তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    এ ঘটনায় তিনি সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে জানতে শাহারুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে জিয়ারুল ইসলাম বলেন- আমি হামলার সময় ছিলাম।
    জমিটা আমাদের। আক্তারুল জোরপূর্বক দখলে রেখেছে। তাই আমরা দখল নিতে গিয়েছিলাম।

    জানতে চাইলে ব্রহ্মরাজপুর ভূমি অফিসের নায়েব মোস্তফা মনিরুজ্জামান বলেন, মাত্র সাড়ে ১০ শতক জমির বিষয়ে এডিএমকোর্ট থেকে সরেজমিন প্রতিবেদন চেয়েছে। আমি গিয়েছিলাম কিন্তু একপক্ষ সেখানে উপস্থিত থাকলেও অপরপক্ষ উপস্থিত ছিলেন না।

    জমি বিরোধে একজনের বাড়ীতে রাত ১ টার পরে দলবল নিয়ে প্রবেশ করা এক ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম এ বিষয়ে জানতে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

  • আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

    আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

    মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মো. আব্দুর রউফ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক। স্বাধীনতা রক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তাঁর অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    আলোচনা সভা শেষে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিবন্ধী, দৃষ্টিহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান বাদশা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোখলেসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আহসানুল্লাহ, বিএনপি নেতা ফিরোজ হোসেন খোকন, আনিসুর রহমান, মেম্বার আসাদুল ইসলাম, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুল হামিদ, মতিনুর রহমান মাতিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান পল্টু।

  • ৬২ বছর পর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী

    ৬২ বছর পর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার মাওলানা আবু দাউদ, সাবেক শিক্ষক খলিলুর রহমান, আব্দুল গফুর, মাওলানা আব্দুস সামাদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানের ৬২ বছরের ইতিহাসে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন আয়োজন তাঁদের গর্বিত করেছে। তাঁরা এ ধরনের পুনর্মিলনী প্রতি বছর আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তবে তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় সেটি বকচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে করতে হয়েছে, যা তাঁদের কষ্ট দিয়েছে। ভবিষ্যতে নিজ প্রতিষ্ঠানে এ আয়োজন করার আশা প্রকাশ করেন তাঁরা। পুনর্মিলনীতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আড্ডায় অংশ নেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।