Blog

  • সব ধরনের অন্যায় ও জুলুম থেকে মুক্ত থাকার অনুপ্রেরণা যোগায় রমাদান: এমপি আব্দুল খালেক

    সব ধরনের অন্যায় ও জুলুম থেকে মুক্ত থাকার অনুপ্রেরণা যোগায় রমাদান: এমপি আব্দুল খালেক

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছাত্রদের নিয়ে গণইফতার আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। বৃহষ্পতিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের মেডিকেল শাখা শিবিরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি সাব্বির আহমেদ সাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শাহজালাল সাকিবের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা.কাজী আরিফ আহম্মদে, ডা. গাজী নাসিরউদ্দীন. ডা.ফরহাদ জামিল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি, শহর সভাপতি মেহেদী হোসেন, জেলা সভাপতি জোবায়ের হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা শহর শিবিরের একটি শাখা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কলেজ শাখা। পবিত্র রমজান উপলক্ষে এই প্রথম বারেরমত গণইফতার আয়োজন করে সংগঠনটি। প্রধান অতিথি এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, রমজান কেবল উপবাস নয়, বরং তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনের সুযোগ। তিনি বলেন পবিত্র মাস সমাজের সব ধরনের অন্যায় ও জুলুম থেকে মুক্ত থাকার অনুপ্রেরণা যোগায়। আসুন আমরা রমজান থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি মাসগুলো অতিবাহিত করি। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি বলেন, জাতীয় রাজনীতি যাইহোক ক্যাম্পাসগুলোতে আমরা কেনো বিভাজনের রাজনীতি করব না, আমরা সবাই মিলেমিশে রমজানের তাকওয়ায় বলিয়ান হয়ে স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ে তুলবো।

  • বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্দ্যোগে ইফতার মাহফিল

    বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্দ্যোগে ইফতার মাহফিল

    বুড়িগোয়ালিনী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ০৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে ০৫ মার্চ ( ১৫ ই) রমজান) বৃহস্পতিবার কলবাড়ী বরষা রিসোটে অনুষ্ঠিত হয় ইফতার মাহফিল।

    বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান রানা

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্যামনগর পৌর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, বু্ড়িগোয়ালিনী ইউ/পি সদস্য মোঃ মোঃ রবিউল ইসলাম

    বক্তব্যে কালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি জনাব মোঃ মাষ্টার আব্দুল‍্যাহ আল মামুন ইসলামী ছাত্র শিবিরকে সকল কাজে সঠিক সময়ে সাহসীকতার সাথে এগিয়ে যাওঋআর নিদেশনা দেন আরো বলেন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের সার্থে কাজ করতে হবে।

    সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী ফাহাদ বিন আব্দুর রউফ।

  • দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা প্রয়োজন: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা প্রয়োজন: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তালা উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘যাকাত শীর্ষক সেমিনার ও ইফতার মাহফিল-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা ২টায় তালা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে উপজেলা আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং মাওলানা কবিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম মুকুল এবং জেলা নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহ, নায়েবে আমীর মাস্টার আব্দুল মালেক, সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা মাছুম বিল্লাহসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। ইসলামের একটি বিধান মানা আর অন্যটি উপেক্ষা করা ইসলামের শিক্ষা নয়। দেশে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে ইসলামী জীবনব্যবস্থা ও কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, যাকাত বিত্তশালীদের জন্য ফরজ ইবাদত। যাদের ওপর যাকাত ফরজ হয়েছে তারা যদি তা আদায় না করেন, তবে তাদের কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করতে যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা প্রয়োজন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে যাকাতভিত্তিক অর্থনীতির ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দলীয় কর্মীদের বিত্তশালীদের কাছ থেকে যাকাত ও ফিতরা সংগ্রহ করে দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণের আহ্বান জানান তিনি। বক্তারা বলেন, যাকাত শুধু ধর্মীয় বিধান নয়; এটি সামাজিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পবিত্র রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা। সেমিনার শেষে উপস্থিত সকলের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ তালা উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন। বিকেলে তিনি তালা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মাঝিয়াড়া এলাকায় পথসভা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পরে ইসলামকাটী সুজনশাহা ফুটবল মাঠে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

  • দোয়ার প্রতিদান, কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রবীণ ব্যক্তির দোরগোড়ায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

    দোয়ার প্রতিদান, কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রবীণ ব্যক্তির দোরগোড়ায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

    কৈখালী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

    সাতক্ষীরা-৪ আসনের শ্যামনগর উপজেলার মাননীয় এমপি মহোদয় সম্প্রতি ৫নং কৈখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে এক প্রবীণ ব্যক্তির খোঁজখবর নিতে সৌজন্য সাক্ষাতে যান। তিনি বৃদ্ধ ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন, কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া কামনা করেন।

    এ সময় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এমপি মহোদয় বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি এই প্রবীণ ব্যক্তির কাছেই দোয়া নিতে এসেছিলেন। মোনাজাতের মুহূর্তে বৃদ্ধ ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বারবার বলেছিলেন,

    “আপনি প্রথম বিভাগে জয়ী হবেন, ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার বিজয়ের মূল শক্তি। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের আন্তরিক দোয়ায় আমি জয়লাভ করেছি।”

    এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা এমপি মহোদয়ের এ মানবিক ও কৃতজ্ঞতাপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়নে তাঁর ধারাবাহিক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

  • শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

    শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

    এবিএম কাইয়ুম রাজ :

    “টেকসই জীবিকায়নে নারী বান্ধব বাজার গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকালে শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ-এর প্রগতি প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নারী অধিকার, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং নারী ও কন্যাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী নেত্রী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নারী অধিকার, সমতা ও নারী বান্ধব বাজার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    পরে রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। একশনএইড বাংলাদেশ প্রগতি প্রকল্পের হাব কো-অর্ডিনেটর মো. আছের আলীর সঞ্চালনায় এবং রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আল-মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জামান কনকের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য দিপালী রানী গায়েন, মো. আব্দুস সালাম, মনোরঞ্জন মিস্ত্রি, রুহুল আমিন, আলহাজ শেখ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি শ্রাবণী রানী মণ্ডল, কৃষি কর্মকর্তা নাজমুস সাকিবসহ একশনএইড বাংলাদেশের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় নারী নেত্রী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস. এম. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজ ও অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান শেখ আল-মামুন বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ ও নারী বান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এতে নারীরা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে পারবেন।

    একশনএইড বাংলাদেশ এলআরপি কো-অর্ডিনেটর মো. আব্দুল কায়ুম বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং নারী বান্ধব সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী নেত্রীরাও মতামত তুলে ধরেন এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় প্রগতি নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে রমজাননগর ইউনিয়নের সোনাখালী বাজারে নারী বান্ধব বিপণন কর্নার স্থাপনের অনুমতির জন্য স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নারী বান্ধব বাজার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।

    আলোচনা সভা শেষে জলবায়ু সহনশীল কৃষি চর্চায় অবদান রাখায় এবং সফল উদ্যোক্তা হিসেবে শিরিনা পারভীন ও রাবেয়া খাতুনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • রূপসায় কার্বন কোম্পানির বিষাক্ত ধোয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ৮ গ্রামের মানুষ

    রূপসায় কার্বন কোম্পানির বিষাক্ত ধোয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ৮ গ্রামের মানুষ

    খুলনা ব্যুরো: প্রতিনিয়ত কুণ্ডলি পাঁকানো কালো বিষাক্ত ধোয়ায় আচ্ছন্ন হচ্ছে খুলনা জেলার রূপসার ৮ গ্রামসহ বিশাল পদ্ধবিলের ফসলের ক্ষেত ও মাছের ঘের। জনজীবনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকরা। ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের। গত দুই দশক ধরে কৃষি, মৎস্য ও জনজীবনের ওপর চলছে এই নীরব দুর্যোগ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মিমকো কার্বন কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি কারখানার কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই বদলে গেছে পদ্মবিলসহ এ জনপদের চিত্র। ২০১৩ সালে জামালপুরের ইউসুফ মোল্লা পদ্মবিলের পাশে তিলক গ্রামে ৪৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন মিমকো কার্বন কোম্পানি। ওই বছরের মার্চ মাসে এর উদ্বোধন করেন তৎকালীন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান। ঋণ খেলাপির দায়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বেসিক ব্যাংক থেকে লিজ নিয়ে পরিচালনা করছেন ওই এলাকার শাহজাহান শিকারি ও তার ভাতিজা মাসুম বিল্লাহ শিকারি। ওই কোম্পানিতে ৪২টি চুলায় পাটকাঠি পুড়িয়ে কালি তৈরি করা হচ্ছে। আরও ১৮টি চুলা নির্মাণাধীন রয়েছে। এখানকার কালি রফতানি করা হয় চীনে। কিন্তু কালি তৈরি করতে গিয়ে পাটকাঠি পোড়ানোর কারণে কালো ধোয়ায় ঢেকে যাচ্ছে পদ্মবিল। এই ধোয়া বিস্তার লাভ করে তিলক, আমদাবাদ, মাছুয়াডাঙ্গা, নৈহাটী, দেবীপুর, সামন্তসেনা, পাথরঘাটা, গদাইখালি গ্রামে। এখান থেকে যে নির্গমন ধোঁয়া আধুনিক যন্ত্রপাতি বা ফিল্টার করার কেন ব্যবস্থা নেই। রূপসা পদ্মবিলের আয়তন প্রায় ১৪০ হেক্টর। এর মধ্যে প্রায় ১১০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়। একসময় এই বিল থেকেই রূপসা উপজেলার কৃষি ও মৎস্যপণ্যের বড় অংশের জোগান আসত। কিন্তু এখন কার্বন কোম্পানির ধোয়ায় ফলন কমে যাওয়ায় কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় অর্ধশতাধিক চুল্লি থেকে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও ছাইয়ে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে আশপাশের কৃষিজমি, মাছের ঘের ও বসতভিটা। কারখানাটি উপজেলা পরিষদ থেকে মাত্র দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে, সম্পূর্ণ কৃষিপ্রধান এলাকায় অবস্থিত। এক কিলোমিটারের মধ্যে অন্তত দশটির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেও তারা কোনো সমাধান পাননি। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রতিষ্ঠানটি টিকে আছে বলেও অভিযোগ ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর। তিলক গ্রামের মরিয়ম বলেন- ‘হাঁপানি, কাশি ও হার্টের রোগীরা এই বিষাক্ত ধোয়ায় সীমাহীন কষ্টের মধ্যে রয়েছে। শিশুরা আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সন্ধ্যা হলে ওনারা ধোঁয়া ছেড়ে দেয়, সব চুলা জ¦ালিয়ে দেয়। কাশতে কাশতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে যায়।’ স্থানীয় কৃষক গফফার শেখ বলেন- ‘কার্বন ফ্যাক্টরির কারণে আমাদের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আগের মত ফলন পাচ্ছিনা। ধানগাছ মারা যাচ্ছে। টমেটো ও লাউসহ অন্যান্য ফলন কমে গেছে। ফুলগুলো ঝরে যাচ্ছে শুধু ওই ধোঁয়ার কালির কারণে। এই ছাই ঘেরেও পড়ে যে কারণে মাছ অক্সিজেন পায় না এবং বড়ো হতে পারেনা।’ কৃষক জুলফিকার আলী বলেন- ‘ধানের বাইল বের হওয়ার সময় ফুলগুলো ধোঁয়ায় নষ্ট হয়ে যায়। এলাকায় কেউ সুস্থ নেই, সব সর্দি-কাশি, জ্বর ও অ্যাজমায় ভুগছে। এই কোম্পানি অবৈধভাবে প্রশাসনকে অর্থ দিয়ে চালিয়ে আসছে।’ কৃষক আব্দুল বারিক বলেন- ‘মন্নুজান এসে উদ্বোধন করে গেলেন, কাগজপত্র নেই, তাহলে কীভাবে উদ্বোধন করলেন? আমরা গরিব মানুষ, আমাদেরই ভোগ করতে হচ্ছে।’ কৃষক মো. হাবিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন- ‘কার্বনের ছাইয়ের কারণে পানির ওপর আবরণ পড়ে গেছে। আমরা মাছ চাষ করতে পারছি না। সব কালো হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যায় এমন ধোঁয়া আসে থাকা যায় না। আমরা আন্দোলন করেছি, কিন্তু ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।’
    গৃহিণী সাজেদা বেগম বলেন- ‘ধোঁয়ায় খুব সমস্যা। রাতে ঘুমাতে পারি না। সব দিক থেকেই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত।’ দিনমজুর রমেশ বলেন- ‘ধানের ফলন, গাছের ফলন সব কমে গেছে। বিশ্রী গন্ধে অধিকাংশ মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগছে।’ আমদাবাদ এলাকার শিক্ষক শাহজাহান বলেন- ‘স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও লোকালয়ের পাশে এ ধরনের কারখানা পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন করেছি, কিন্তু কোনো সুরাহা পাইনি।’
    কারখানার নিকটে অবস্থিত আশরাফুল মাদারিস কওমি মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ ছানি বলেন- ‘কারখানার ধোঁয়া আমাদের হেফজখানা, কেরাতখানা, জামাতখানা সব জায়গায় ঢুকে পড়ে।’ কেরাত বিভাগের ছাত্র সাজিদ বলেন- ‘মাঝে মাঝে ধোঁয়ার পরিমাণ এত বেড়ে যায় যে সবাই কষ্ট পায়, কাশতে থাকে।’ মিমকো কার্বন ফ্যাক্টরির শেয়ার হোল্ডার মাসুম বিল্লাহ শিকারি বলেন- ‘এই ফ্যাক্টরির আদলে সারা দেশে ৫০টির ও বেশি ফ্যাক্টরি হচ্ছে। আমরাই প্রথম শুরু করি। এটা বাংলাদেশের কোনো প্রোডাক্ট না। এখান থেকে সম্পূর্ণটা চায়নায় রফতানি করা হয়। ধোয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন- ‘চিমনিতে কানেকশন দিলে আগুনের সমস্যা হয়। তাই চুল্লির মুখ খুলে জ¦ালানো হয়। এটা ফাঁকা জায়গা তাই পরিবেশের ক্ষতি হয় না। বিশেষ করে আশেপাশের যত গাছগাছালি ও ধানের কোন ধরনের ক্ষতি বা সমস্যা নেই।’ রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসার তরুণ কুমার বালা বলেন, ‘অতিরিক্ত ধোঁয়া ও ফ্লাই অ্যাশের কারণে পলিনেশনে সমস্যা হচ্ছে, উপকারী পোকামাকড় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার অভিযোগ করছেন।’ পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা জেলার সহকারী পরিচালক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩-১৪ সালে ছাড়পত্র পেলেও পরবর্তীতে পরিবেশগত শর্ত পূরণ না করায় পরবর্তীতে নবায়ন করা হয়নি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা, তা সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জমশেদ খোন্দকার বলেন, ‘উপযুক্ত ফিল্টারিং ব্যবস্থা না থাকলে নির্গত ধোঁয়া বায়ু দূষণ ঘটাতে পারে এবং মৎস্য, কৃষি উৎপাদনসহ জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্যারামিটারটি অবশ্যই গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’

  • সাতক্ষীরায় টিসিবি পণ্য বিতরণে অনিয়ম ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ

    সাতক্ষীরায় টিসিবি পণ্য বিতরণে অনিয়ম ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র রমজান মাসে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিতরণকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পণ্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন ক্রেতারা। সরেজমিনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও কালিগঞ্জ উপজেলা-র বিভিন্ন টিসিবি ডিলারের দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইন। ইফতারের ঠিক আগে বা আজানের পূর্বমুহূর্তে পণ্য বিতরণ করায় ক্রেতাদের মধ্যে হুড়োহুড়ি দেখা দেয়। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ায় অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরছেন।
    টিসিবি ট্রাকে সীমিত পরিমাণে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে। পাঁচ ধরনের পণ্য সমন্বয়ে একটি প্যাকেজের মূল্য ৫৯০ টাকা, যা বাজারদরের তুলনায় কম। এই সাশ্রয়ের জন্য মানুষ রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ডিলাররা পণ্য সঠিক সময়ে বিতরণ না করে পরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। শহরের কয়েকজন ডিলার গ্রাহকদের নম্বরযুক্ত কার্ড দিয়েছেন, যার ফটোকপি ডিলারের কাছে সংরক্ষিত থাকে। অভিযোগ রয়েছে, যারা নির্ধারিত দিনে পণ্য নিতে আসেন না, তাদের বরাদ্দকৃত পণ্য অন্যত্র বিক্রি করা হয়। এছাড়া কালিগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় স্মার্ট কার্ড স্ক্যান করে পণ্য দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কিছু ডিলারের কাছে গ্রাহকদের কার্ডের স্ক্যানকপি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংরক্ষিত থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই কপি ব্যবহার করে অনুপস্থিত গ্রাহকদের পণ্য অন্যত্র বিক্রির অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। রাশিদা খাতুন নামে এক নারী জানান, দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তিনি পণ্য পাননি। পণ্য কম থাকায় সবাই দ্রুত নিতে চাওয়ায় হুড়োহুড়ি পরিস্থিতি তৈরি হয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ। মো. বায়েজীদ হাসান অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে টিসিবি পণ্য পরে কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। বিকাল ৫টার পর পণ্য বিতরণ শুরু হলেও অধিকাংশ মানুষ তা সংগ্রহ করতে পারছেন না। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে দায়িত্বপ্রাপ্ত টিসিবি ডিলার শেখ সাদিকুর রহমান বলেন, মূল স্মার্ট কার্ড স্ক্যান ছাড়া কাউকে পণ্য দেওয়ার সুযোগ নেই। যে কার্ড স্ক্যান হয় না, সেই পণ্য জমা রাখা হয় এবং পরবর্তী মাসে ওই পরিমাণ পণ্য কম বরাদ্দ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়েই পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল বলেন, বিষয়টি জানা হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ৬ মাসের কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন যুবকদের মাঝে সনদ বিতরণ

    ৬ মাসের কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন যুবকদের মাঝে সনদ বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় ৬ মাস মেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ৮০ জন যুবকের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডিজিটাল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত। অনুষ্ঠানটি কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি) বাস্তবায়িত, নেদারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা কার্ক ইন এক্টি-এর অর্থায়নে এবং খ্রীষ্টিয়ান প্রটেকশন প্রকল্প-এর তৃতীয় বর্ষের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ পার্থ প্রতিম সেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুর রহমান এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। বক্তারা বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সমাজে দিন দিন বেকারত্ব বাড়ছে, তাই দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে হবে। শেখার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণগ্রহণকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাদের মধ্যে অনেকে ইতোমধ্যে ওয়াল্টন ও সিঙ্গার বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছেন বলে জানান। এসময় প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার একরামুল কবীর, হিসাবরক্ষণ অফিসার রিচার্ড অধিকারী, ফিল্ড অর্গানাইজার রিপন বারৈ, সুদীপ্ত বিশ্বাস ও সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সমাজের সকল শ্রেণির সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রকল্পটি সদর ও কলারোয়া উপজেলা-র দরিদ্র বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করে আসছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণার্থীরাও ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ বিতরণ সম্পন্ন হয়।

  • অবৈধ বালু উত্তোলনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ বালু উত্তোলনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    আবু সুফিয়ান: সাতক্ষীরা জেলার গাবুরা ইউনিয়ন-এর লেবুবুনিয়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাশেদ হোসাইন এবং শ্যামনগর থানা-র অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় একটি বালু উত্তোলনকারী কার্গো ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ৬ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় কয়রা উপজেলার বাসিন্দা বাবু পিং সিরাজুল ইসলাম-কে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাশেদ হোসাইন জানান, বৈধ বালুমহাল ছাড়া অন্য যে কোনো স্থান থেকে বালু উত্তোলন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শ্যামনগর উপজেলায় বর্তমানে কোনো ইজারাকৃত বৈধ বালুমহাল নেই। তাই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।