Author: news_admin

  • ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ টু ফয়জুল্যাপুর মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা

    ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ টু ফয়জুল্যাপুর মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ফয়জুল্যাপুর মোড় পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে পরিণত হয়ে মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই, সাতক্ষীরার সুযোগ্য সংসদ সদস্য বিষয়টি দেখবেন কি?। ফিংড়ী ইউনিয়নের অত্যন্ত জন গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি প্রায় ১৫ বছর আগে পাকাকরন করা হলেও আজ পর্যন্ত সংস্কার না করায় দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার পথচারীসহ ছোট বড় বিভিন্ন রকম যানবাহনে চলাচল করে থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য গত দেড় দশক আগে তৈরি করা পিচের রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে সাতক্ষীরা শহরসহ ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর বাজার থেকে আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের জিনিসপত্র পরিবহন করে থাকে। সম্প্রতি রাস্তাটির করুন দশার কারণে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। কিছুতেই থামছে না দুর্ঘটনা। রাস্তাটির বেহালদশা দেখতে সরেজমিনে গেলে ফিংড়ী শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইউনুস আলী সরদার জানান- ফিংড়ী ইউনিয়নের সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি প্রায় দেড় দশক আগে পিচ করা হয়। কিন্তু অদ্যবদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন রকম সংস্কার কাজ না করায় প্রায় ৪কিলোমিটার রাস্তার অধিকাংশ জায়গা ছোট বড় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা। ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের বাসিন্দা আল. সাইফুল্লাহ সরদার জানান- এ রাস্তাটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রতিদিন শত শত ছোট-বড় বিভিন্ন রকমের যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু রাস্তাটি এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সচেতন এলাকাবাসীর অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সাতক্ষীরা নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার ইফতার মাহফিল

    রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার ইফতার মাহফিল

    শাহ জাহান আলী মিটন: ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ১৭ রমজান (৭ মার্চ) বিকালে শহরের আল বারাকা শপিং সেন্টারের পিজ্জা মিলানে সিনিয়র সিটিজেন, প্রবীণ ও এতিম মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার সিনিয়র সহ-সভাপতি রোটাঃ পিপি এনসান বাহার বুলবুল এর সভাপতিত্বে ও প্রেসিডেন্ট নমিনি রোটাঃ কামরুজ্জামান রাসেল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ইফতার কমিটি চেয়ারম্যান রোটাঃ মো: নুরুল হক, ক্লাব সেক্রেটারি রোটাঃ ওয়ালী উল্লাহ, প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটাঃ আক্তারুজ্জামান কাজল । ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটাঃ পিপি ডা: সুশান্ত কুমার ঘোষ, রোটাঃ পিপি সৈয়দ হাসান মাহমুদ, রোটাঃ পিপি মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, রোটাঃ পিপি মোঃ আশরাফুল করিম ধনী, রোটাঃ পিপি মাহমুদুল হক সাগর, রোটাঃ পিপি কামরুজ্জামান বুলু, রোটাঃ সি এম নাজমুল ইসলাম, রোটাঃ নাসিমা খাতুন, রোটাঃ শিমুন শামস, রোটাঃ আবদুল কাদের, রোটাঃ সাইফুল ইসলাম, রোটাঃ মিজানুর রহমান, রোটাঃ মাসুদ পারভেজ, রোটাঃ গোলাম রসুল, রোটারী এ্যান বিলকিস আকতার মজুমদার সহ রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরার সদস্যবৃন্দ।

  • রমজান মানুষকে অন্যায়-অবিচার থেকে বিরত রাখে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    রমজান মানুষকে অন্যায়-অবিচার থেকে বিরত রাখে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

    কলারোয়া ব্যুরো: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ধানদিয়ায় পবিত্র রমজান মাসের তাৎপর্য ও আল্লাহর জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে ধানদিয়া বেগম খালেদা জিয়া কলেজ মাঠে জয়নগর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামের উদ্যোগে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জয়নগর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ ওসমান গনী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য প্রভাষক আসাদুজ্জামান ফারুকী, মোস্তফা গাউসুল হক, মাষ্টার আব্দুল মজিদ, ইউনিয়ন জামায়াতের নায়েবে আমীর আতিয়ার রহমান সানা ও সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন ও মানবিক গুণাবলি বিকাশের মাস। এই মাস মানুষকে অন্যায়-অবিচার থেকে বিরত রেখে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের শিক্ষা দেয়।” তিনি আরও বলেন, রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হলো ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা এবং আল্লাহর জমিনে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক ব্যবস্থা কায়েমের জন্য কাজ করা। তিনি সকলকে আহ্বান জানান, সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং রমজানের চেতনা ধারণ করে দ্বীনের আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইফতার মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • হককে গ্রহণ করতে হবে, বাতিল কে পরিহার করতে হবে: এমপি আব্দুল খালেক

    হককে গ্রহণ করতে হবে, বাতিল কে পরিহার করতে হবে: এমপি আব্দুল খালেক

    স্টাফ রিপোটার: সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, হককে গ্রহণ করতে হবে, বাতিল কে পরিহার করতে হবে। পবিত্র রমজান মাসে যিনি বাতিলকে পরিহার করতে পারলো না তার রোজা থাকা আর না থাকার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সত্যের পক্ষে থাকার আহবান জানান তিনি। শুক্রবার (৬ মার্চ) লেকভিউ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ বেতারের জেলা প্রতিনিধি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও বাসসের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যান ব্যানার্জি, সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি মমতাজ আহমেদ বাপী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্যরা। ইফতার মাহফিলে প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ইফতার পূর্ব দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।

  • বদর দিবসে সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল

    বদর দিবসে সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল

    মাসুদ রানা: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার পৌর পূর্ব থানা শাখার উদ্যোগে ১৭ রমজান বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকাল ৫ টায় পুরাতন সাতক্ষীরার আলিয়া মাদ্রাসা পাড়ার আম বাগানে পৌর পূর্ব থানা সভাপতি জুবায়ের আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সাতক্ষীরা শহর ছাত্র শিবিরের শিক্ষা ও ভর্তি কোচিং কার্যক্রম সম্পাদক আল রাজীব, তথ্য ও মিডিয়া সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, সাতক্ষীরা পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মোঃ ইব্রাহিম খলিল, রিসেন্ট সংস্থার পরিচালক মোঃ আবু জাফর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাতক্ষীরা শহর শাখার সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাবেক পৌরপূর্ব থানা সভাপতি এড. আব্দুর রাজ্জাক ও মাস্টার মফিজুল ইসলাম। প্রধান অতিথি মেহেদী হাসান বলেন, বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে মাত্র ৩১৩ জন সাহাবি ঈমানের শক্তি, ধৈর্য এবং আল্লাহর উপর অগাধ বিশ্বাস নিয়ে বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিলেন। এই ঘটনা আমাদের শেখায়-সংখ্যা নয়, বরং সত্যের উপর অবিচল থাকা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসাই প্রকৃত শক্তি। ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ড. মুফতি আক্তারুজ্জামান।

  • বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল জব্দ

    বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল জব্দ

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য জব্দ করেছে ৩৩ বিজিবি’র সদস্যরা। শুক্রবার (৬ মার্চ) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ ব্যাটালিয়ন সদর, তলুইগাছা, গাজীপুর, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও সুলতানপুর বিওপির আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব চোরাচালানী পণ্য জব্দ করে। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার ঔষধ, শাড়ি, কসমেটিকস ও ইমিটেশন সামগ্রী। বিজিবি সূত্র জানায়, ব্যাটালিয়ন সদরের একটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া থানাধীন ঝিকড়া কোল্ড স্টোরেজ মোড় এলাকা থেকে প্রায় ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭০ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস ও ইমিটেশন সামগ্রী জব্দ করে। এদিকে গাজীপুর বিওপির একটি আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ৫/৫ এস এর প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার গাজীপুর এলাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করে। তলুইগাছা বিওপির দুটি পৃথক আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১২/৩ এস এর প্রায় ৮০০ গজ এবং ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী ও বাঁশদহা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ ১ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, ইয়াবা, একটি মোটরসাইকেল ও হেলমেট জব্দ করে। অন্যদিকে মাদরা বিওপির একটি দল কলারোয়া থানার চান্দা এলাকা থেকে ৮৩ হাজার ৯২০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ইমিটেশন সামগ্রী জব্দ করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানিক দল ভাদিয়ালী এলাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে। এছাড়া সুলতানপুর বিওপির একটি দল কুলবাগান এলাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করে। বিজিবি জানায়, পৃথক এসব অভিযানে সর্বমোট ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯০ টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক ও পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, চোরাকারবারিরা শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে এসব পণ্য বাংলাদেশে পাচার করার চেষ্টা করছিল। এ ধরনের চোরাচালানের কারণে একদিকে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • যাকাত আমাদের আর্থিক ইবাদত: এমপি রবিউল বাশার

    যাকাত আমাদের আর্থিক ইবাদত: এমপি রবিউল বাশার

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে আশাশুনি মহিলা কলেজ কনফারেন্স রুমে যাকাত শীর্ষক সেমিনার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা রাখেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি। লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। উপজেলা আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হকের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য এড. আব্দুস সোবহান মুকুল, আশাশুনি সরকারি কলেজের (অবঃ) অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রুহুল আমিন, নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল আবসার মুর্তাজা, আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. আবুল হাসান ও সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা জুবায়েরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ বা খুঁটি রয়েছে- কালেমায়ে শাহাদাৎ, নামাজ কায়েম, যাকাত আদায়, রমজানে রোজা রাখা ও হজ্ব সম্পাদন। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু খুঁটি বা স্তম্ভ যথেষ্ট নয়; ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য ছাদ, বেড়া, দরজা ও জানালা প্রয়োজন। আমাদেরকে ইসলাম কায়েম করতে হবে। তিনি বিভিন্ন হাদীছ ও কোরআনের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, নামাজ ও রোজা হলো দৈহিক ইবাদত, আর যাকাত হলো আর্থিক ইবাদত। যাকাত আদায় না করলে নামাজ-রোজা কবুল হয় না। যারা যাকাত স্বীকার করলেও আদায় করেন না, তারা ফাসেক। যারা সম্পদ সঞ্চয় করে আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেন না, তাদের উপর কঠিন শাস্তি রয়েছে। উৎপাদিত ফসলের ওশরও অবশ্যই আদায় করতে হবে। যেহেতু আমাদের দেশ ইসলামী রাষ্ট্র নয়, তাই ব্যক্তিগতভাবে যাকাত আদায় করা প্রয়োজন। প্রধান অতিথি সকলকে পবিত্র রমজান মাসে মোত্তাকী হওয়ার মানসিকতা নিয়ে রোজা রাখার জন্য আহবান জানান। অপরদিকে, আশাশুনি সদর ইউনিয়নের শীতলপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকাল ৫ টায় শীতলপুর জামে মসজিদ চত্বরে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ান আমির হাফেজ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আঃ হাই এর সঞ্চালনায় মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাসার। এরআগে বিকাল ৩ টায় গোয়ালডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে এ সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বড়দল ইউনিয়ান আমির মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াজেদ এর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সিকান্দার আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংবর্ধিত অতিথি সাতক্ষীরা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাসার। এ সময় তিনি বলেন- সুন্দর ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বড়দল ইউনিয়ন জোয়া, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ মুক্ত করার কথা বলেন। তিনি পবিত্র মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর আলোচনা পেশ করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার,নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল আফসার মুরতাজা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল গফুর সানা, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক, সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান লিপু, সকল ওয়ার্ড সভাপতি-সেক্রেটারিবৃন্দ।

  • দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    ডেস্ক রিপোট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সবসময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার (৬ মার্চ) কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সমৃদ্ধি গড়ে ওঠে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদেশী মিশনের প্রতিনিধিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইফতারের আগে দেয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আজকের এ ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার বিচক্ষণ নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ নীতি অনুসরণ করবে, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরো সহজ করবে এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য আমাদের জনগণ ও বেসরকারি খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা।

    তারেক রহমান বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব’ নীতির আলোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাস্তববাদী ও টেকসই। তিনি আরো বলেন, আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে মূল্যায়ন করি এবং আগামী বছরগুলোতে উন্মুক্ত আলোচনা ও শক্তিশালী সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছি। তিনি বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমাজের সব স্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রসর হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে। তিনি আরো বলেন, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এমন উদার অর্থনৈতিক নীতিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার করা হবে। বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে, উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
    তিনি আরো বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করা, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যায়।
    তিনি বলেন, আমরা স্বীকার করি যে, জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা ও সততার ওপর এবং শাসনের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা ও সংলাপের ধারাবাহিক অঙ্গীকার।

    তারেক রহমান বলেন, সরকারের অঙ্গীকার দৃঢ়— গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও আমরা সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • জ্বালানি তেল পাচার রোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে রেড এর্লাট

    জ্বালানি তেল পাচার রোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে রেড এর্লাট

    আবু সাইদ বিশ্বাস: সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাচারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল পাচার রোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি, টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (৬ মার্চ) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কঠোর বিধি-নিষেধের পাশাপাশি সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। ৫টি গ্রুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। সূত্র মতে বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে। এর আওতায় ভোমরা, ঝাওডাঙ্গা, কাঁকডাঙ্গা, তলুইগাছা, সদর সুলতানপূরসহ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
    এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব রুট দিয়ে অতীতে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছিল, সেসব পয়েন্টে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দর গেট দিয়ে ভারতে প্রবেশকারী দেশীয় ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকেও কড়াকড়িভাবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
    এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহভাজন পরিবহন ও চলাচলের ওপরও কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন সীমান্ত পথে জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এদিকে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ তেল নেওয়া যাবে ২ লিটার ও প্রাইভেটকারে ১০ লিটার তা নির্ধারন করে দিয়েছে সরকার। শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এতে বলা হয়েছে, এখন থেকে মোটরবাইক সর্বোচ্চ ২ লিটার ও প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল/অকটেন কিনতে পারবে। এতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট নিরসণ এবং সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জানানো যাচ্ছে যে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য। দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। এই অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলাররা বিগত সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তাছাড়া কিছু কিছু ভোক্তা ডিলার/ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি সহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিটি বাইক ২ লিটার, প্রাইভেটকার ১০ লিটার, জিপ/মাইক্রোবাস ২০-২৫ লিটার, পিকাপ/লোকাল বাস (ডিজেল) ৭০-৮০ লিটার ও দূরপাল্লার ট্রাক/বাস (ডিজেল) সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল কিনতে পারবে।
    জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাবলী: ১. ফিলিং স্টেশন হতে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। ২. ফিলিং স্টেশন হতে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিলের মূল কপি জমা প্রদান করতে হবে। ৩. ডিলাররা উপরোক্ত বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। ৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। ৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে। কোনভাবেই বরাদ্দের বেশি সরবরাহ করা যাবে না।