Author: news_admin

  • প্রাণসায়ের খাল পাড়ে অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না: জেলা প্রশাসক

    প্রাণসায়ের খাল পাড়ে অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না: জেলা প্রশাসক

    স্টাফ রিপোর্টার: ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে শহরের প্রাণসায়ের খাল ও সুলতানপুর বড় বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে এবং জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানকালে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রাণসায়ের খাল পাড়ে কোনো ময়লার ভাগাড় বা অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ সরেজমিনে দেখে বলে গেলাম, এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী শনিবার আবারও পরিদর্শনে আসবো।” তিনি আরও বলেন, “ব্রিজের ওপর দোকানপাট ও রাস্তার দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাতক্ষীরাকে বাসযোগ্য করতে অভিযান চলমান থাকবে।” অভিযানে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক এবং জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌর প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মেদ, সহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ, উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাব্বাত হোসাইনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা। অন্যদিকে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে জানান, প্রাণসায়ের খালের পাড়ে কসাইখানা (পিলখানা) স্থাপন করা হলে খাল আবারও বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হবে এবং পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। তারা বলেন, “এ জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু তার পরও পৌরসভা টেন্ডার দিয়েছে, যা দুঃখজনক।” এ সময় বক্তব্য রাখেন সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতি এবং মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি। এছাড়া জেলা রেড ক্রিসেন্ট, বিডি ক্লিন, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন।

  • সাতক্ষীরায় তীব্র গরমে শেষ ভরসা বাঁশবাগান

    সাতক্ষীরায় তীব্র গরমে শেষ ভরসা বাঁশবাগান

    এসএম আশরাফুল ইসলাম: সাতক্ষীরায় তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। দুপুরের তীব্র রোদে গ্রামের মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিচ্ছে বাড়ির পাশের বাঁশবাগানে। প্রচণ্ড গরমে ফ্যান-বিদ্যুৎহীন অসহনীয় হয়ে উঠেছে জনজীবন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বকচরা গ্রামের একটি বাঁশ বাগানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করাও পাটি বা চাটাই বিছিয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। বকচরা গ্রামের আলমগীর লস্কর বলেন, দিনে ও রাতে মিলেও ১৪ ঘন্টা কারেন্ট থাকে না। ফলে ইটের দালান বা টিনের ঘরের ভ্যাপসা গরমে থাকাটাই অসহনীয় ব্যাপার, তার চেয়ে দুপুরে কারেন্ট গেলে বাঁশবাগানের ভেতরের পরিবেশ অনেকটাই সহনীয় হয়ে ওঠে। বাঁশঝাড়ের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওয়া একটু তো স্বস্তি দিচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাসিন্দা মুকুল বলেন, “ঘরের ভেতর গরমে থাকা যায় না, লোডশেডিং তো আছেই। তাই বিকেলে বাঁশবাগানে চলে আসি। এখানে বসলে একটু ঠান্ডা হাওয়া পাওয়া যায় কিন্তু বাড়ি ঘরে মহিলাদের এই অসহনীয় গরম সহ্য করতে হচ্ছে। পরিবেশবিদদের মতে, ঘন সবুজ উদ্ভিদ এলাকাভেদে আশপাশের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম অনুভব করাতে পারে, যা তাপদাহের সময় গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি দেয়। চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। দিনের তীব্র তাপদাহ এবং রাতের বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মানুষের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অনেকেই বিকল্প হিসেবে খোলা ও গাছের ছায়াযুক্ত জায়গা বেছে নিচ্ছেন। দেশের চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমাধান চান দেশবাসী। উল্লেখ্য যে, এই প্রতিবেদন তৈরি করতেও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। দুপুর ৩টা ৩৬ মিনিটে সংবাদটি ইমেইলে পাঠানোর সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। দীর্ঘ এক ঘণ্টা পাঁচ মিনিট পর, বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে বিদ্যুৎ ফিরে এলে আবারও সংবাদটি পাঠাতে হয়। লোডশেডিংয়ের এই চক্র শুধু সাধারণ মানুষ নয়, সংবাদকর্মীদের কাজেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    ফিরোজ হোসেন: “পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়ব স্বনির্ভর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধন হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে একই কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং সিভিল সার্জন অফিসের বাস্তবায়নে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। তিনি জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক রওশানারা জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরহাদ জামিল, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান ও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
    জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার বলেন, শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে নতুন প্রজন্মের পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।

  • আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীরগতি, পাঠদান ব্যাহত

    আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীরগতি, পাঠদান ব্যাহত

    জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা
    বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ দীর্ঘসূত্রতায় পড়ায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরম ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। উপজেলার ৯৫নং দক্ষিণ কাদাকাটি কালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া এক আবেদনে এ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, বাকি রয়েছে ৪০ শতাংশ। অভিযোগে বলা হয়, নির্মাণকাজে শ্রমিকসংখ্যা কম এবং কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। অনেক সময় শ্রমিকরা নিয়মিত কাজও করেন না। এদিকে তীব্র দাবদাহ ও লোডশেডিংয়ের মধ্যে টিনশেডের নিচু কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস নিতে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অফিস কক্ষের সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাধ্য হয়ে ২০২৪ সাল থেকে মাসিক দুই হাজার টাকা ভাড়ায় একটি কক্ষ নেওয়া হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। এছাড়া টয়লেট সুবিধা না থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার পাশাপাশি আপাতত শিক্ষার্থীদের স্বার্থে মর্নিং স্কুল চালুর অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “বর্তমান তাপপ্রবাহের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবে মর্নিং স্কুল চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমানো যায়।”

  • সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের বিআরটিএ’র কর্মশালা

    সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের বিআরটিএ’র কর্মশালা

    স্টাফ রিপোর্টার: “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি-কমাবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৫-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ‘২৬) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রিপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুগ্ম সচিব বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের পরিচালক (অডিট ও আইন) রুবাইয়াৎ-ই আশিক। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউর রহমান, বিআরটিএ সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পরিচালক প্রকৌশলী উসমান সরোয়ার আলম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডাঃ জয়ন্ত সরকার, ট্রাফিক পরিদর্শক মশিউর রহমান, মোটরযান পরিদর্শক ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান খোকন, ম্যাকানিকাল এসিসট্যান্ট ওবায়দুর রহমান ও উচ্চমান সহকারি মোঃ নাসিরউদ্দিন। প্রধান অতিথি বলেন, গাড়ি চালানো শুরুর আগে নিজের সন্তানের কথা ভাববেন। কারণ পরিবার প্রধান যদি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় তাহলে সেই পরিবারের সদস্যদের জীবনে যে চরম দুর্বিসহ অবস্থা নেমে আসে তা কেবল ওই পরিবারের সদস্যরাই বলতে পারেন। হর্ণ না বাজিয়ে গাড়ি চালানো কঠিন হলেও তা সম্ভব। দুর্ঘটনা কমানো না গেলে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সারিতে দাঁড়াতে পারবে না। সড়ক দুর্ঘটনা পরবর্তী ৯৯৯ এ ফোন দেওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শিক্ষার অংশ হিসেব চিহ্ন চেনা, লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতা, ভাল সড়ক, আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্য ও আহত হওয়ার ক্ষেত্রে বিআরটিএ এর ফাণ্ড থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উপর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, গাড়িতে যাত্রী ওঠানোর সময় টানা হ্যাঁচড়া, ভোরে বা রাতে গাড়িতে একমাত্র নারী যাত্রী থাকলে হেলপারদের সচেতন করা ও ওভারটেকিং করার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হতে হবে। হাইড্রলিক হর্ণ বাজানো বন্ধ করা, গাড়িতে অগ্নিনির্বাপক গ্যাস সিলিণ্ডার মজুত রাখা, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম রাখা, নেশা না করা, গাড়িতে নিয়ম অনুযায়ি লাইট লাগানো ও ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কর্মশালা শুরুতেই দুর্ঘটনা সম্পর্কিত দুটি ভিডিও ডকুমেন্টারী প্রদর্শণ করা হয়। বিকেল তিনটায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজ মাঠে নিবন্ধিত ৯৩ জন চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ খুলনা শাখার পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউর রহমান।

  • এসএসসির পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে জামায়াত আমির

    এসএসসির পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে জামায়াত আমির

    এফএনএস: এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, কাজীপাড়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনের সময় বিরোধীদলীয় নেতা পরীক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন এবং তাদের সুস্থতা ও ভালোভাবে পরীক্ষা দিয়ে সফলতার জন্য মহান রবের দরবারে দোয়া করেন। এ সময় তিনি কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষাকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা। কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার জন্য যে ছাউনি এবং প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণার্তদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটিও তিনি পরিদর্শন করেন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে কথা বলেন।

  • বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বাইরে বসেই রোগী দেখছেন কলারোয়ার চিকিৎসকরা

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বাইরে বসেই রোগী দেখছেন কলারোয়ার চিকিৎসকরা

    স্টাফ রিপোর্টার: কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ফলে চিকিৎসকরা হাসপাতালের ভেতরের পরিবর্তে বাইরে বসে রোগীদের সেবা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাসপাতালে পর্যাপ্ত আলো ও শীতল পরিবেশ না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় জরুরি সেবা কার্যক্রম কিছুটা চালু থাকলেও রোগী ও চিকিৎসকদের ভোগান্তি বেড়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীরা জানান, গরম ও অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

  • কলারোয়ায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে মরণোত্তর ভাতা প্রদান

    কলারোয়ায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে মরণোত্তর ভাতা প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার: কলারোয়ায় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মৃত শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে মরণোত্তর ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে ভাতা বিতরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি মোঃ আব্দুস সামাদ। তিনি শ্রমিকদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ মামুনুর রশীদ এবং তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শেখ মোঃ সামরুল ইসলাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাছুম বিল্লাহ, সহ-সভাপতি মনিরুল আলম টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শিমুল মোড়ল, সড়ক সম্পাদক মোঃ বদিউজ্জামান বাবু, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ফেরদৌস হোসেন ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম। মরণোত্তর ভাতা পাওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। শেষে মৃত শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি মতিউর রহমান। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক শেখ শাহাজাহান আলী (শাহিন)।

  • কলারোয়ায় বাড়ির গেটে বোমা সদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

    কলারোয়ায় বাড়ির গেটে বোমা সদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

    স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর গ্রামে একটি বাড়ির গেট, রান্নাঘরের দরজা ও উঠানে ঝুলিয়ে রাখা তিনটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে কে বা কারা বাড়ির বিভিন্ন স্থানে এসব বোমা সদৃশ বস্তু বেঁধে রেখে যায়। সকালে বাড়ির সদস্য ও আশপাশের লোকজন বস্তুগুলো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানালে কলারোয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাড়ির সামনে তিনটা সন্দেহজনক বস্তু ঝুলছে। আমরা ভয় পেয়ে যাই, কেউ কাছে যাইনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে তারা কোনো কিছু টের পাননি। সকালে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। কলারোয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলোকে হাতবোমা বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পুরো বাড়ি ঘিরে রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর বোমা নিস্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।