Blog

  • সাতক্ষীরায় বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উপলক্ষে ১০ জনকে জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান

    সাতক্ষীরায় বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উপলক্ষে ১০ জনকে জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান

     

    মুহাম্মদ হাফিজ, সাতক্ষীরা : বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জয়িতা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    সোমবার সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে ১০ জনকে জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
    সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শোয়াইব আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ আবুল কালাম বাবলা।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে  স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা অধিদপ্তর সাতক্ষীরার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রনয় বিশ্বাস, নারী নেত্রী খুরশিদ জাহান শিলা, জোস্না দত্ত, লিলি খাতুন, সদর হাসপাতালের ওসিসি প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিকী, সিডোর নির্বাহী পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, শাকিবুর রহমান বাবলা, ফারহা দিবা খান সাথী প্রমুখ। সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ে ৫ জন ও উপজেলা পর্যায়ে ৫ জন জয়িতাকে  সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১০ জন জয়িতারা হলেন, আফরোজা খাতুন, নাহিদাল আরজিন, মমতাজ খাতুন, জুলেখা খাতুন, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস, নুরুন্নাহার, স্বর্ণলতা পাল।

  • সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ অনুষ্ঠিত

    সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ অনুষ্ঠিত

    মুহাম্মদ হাফিজ, সাতক্ষীরা :

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ উপলক্ষে মানববন্ধন,বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৯ই ডিসেম্বর (সোমবার) সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন সজেকা খুলনার আয়োজনে এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা ও দুদক পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনার সহকারি পরিচালক মো. রকিবুল ইসলাম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মো. সজীব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদ ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মাদ ফেরদৌস আরেফিন,  সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রিংকন বিশ্বাস, অজোপাডিকো নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সোয়াইব হোসেন, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি  অফিসের সহকারি পরিচালক মোস্তফা জামান, বি আর টি এর সহকারি পরিচালক মাহবুব কবির, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মুরশিদা আক্তার, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, প্রভাষক আব্দুল ওহাব আজাদ, সাকিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট নাজমুল আরিফ, এনামুল কবির খান, খেজুরডাঙ্গা আর কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস প্রমুখ।

    এসময় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • কালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    কালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    মোঃ হারুন -উর-রশিদ,কলিগঞ্জ

    কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা সুলতানপুর গ্রামে ৮ ডিসেম্বর (রবিবার) সকাল ৭ ঘটিকার দিকে পানিতে ডুবে আয়ান তোহা নামে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সুলতানপুর গ্রামের শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে রাজমিস্ত্রি শেখ আতিকুর রহমানের ২ বছর বয়সের একমাত্র পুত্র আয়ান তোহা।আয়ান তোহার বড় চাচা খালেক মাসুদ বলেন, তোহা প্রতিদিন সকালে তার দাদার সাথে চা-বিস্কুট খেতে বাজারে যেতেন। আজ যখন তোহার দাদা বাজার থেকে বাড়ি ফেরে তখন সাথে কেউ ছিলো না, শোনাবোঝা করলে তিনি বলেন আমি একা গিয়েছিলাম বাজারে। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির উঠান পুকুরের দিকে গেলে তোহাকে সানের পাশে উল্টা হয়ে ভাসতে দেখি। পরে তোহাকে নিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তোহার দাদা শেখ আজিজুর রহমান বলেন, আমার দাদুভাই প্রায়ই আমার সাথে চা-বিস্কুট খেতে বাজারে যেতো। আজও যদি আমার সাথে যেতো তাহলে হয়তো এই দিন দেখতে হতো না।
    আয়ান তোহার পিতা শেখ আতিকুর রহমান কাজের উদ্দেশ্যে শরীয়তপুর অবস্থানকালে এ ঘটনাটি ঘটেছে। পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী এ অকাল মৃত্যুর ঘটনায় মর্মাহত।

  • আশাশুনিতে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    আশাশুনিতে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি প্রতিনিধি।।

    আশাশুনিতে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ বিল্লাল হোসেন শনিবার(৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাটরা গ্রামের মৃত ইমান আলী সরদারের পুত্র গ্রাম পুলিশ মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন-বাটরা গ্রামের মৃত বাবর আলী সরদারের পুত্র আরিফুল ইসলাম গংদের সাথে ৩০/১২/২১ইং তারিখে মৎস্য ঘেরের দ্বন্দ্ব নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে দুই পক্ষের বসাবসি হয়।সেই শালিসে তারা মৎস্য ঘের নিয়ে আমাদের আপত্তি না থাকায় উপস্থিত শালিসকারকরা তাদের দখলে দিয়ে দেয়। সেই থেকে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য ঘের করে আসছিল তারা। পরবর্তীতে তারা আমাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরপর একই মৎস্য ঘের ০১/০১/২০২২ সালে বাটরা গ্রামের শহিদুল ও রিয়াছাত আলীর কাছে ডিড দেয়। ডিড দেওয়ার পর শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য ঘের পরিচালনা করেও কোনো ঘটনা ছাড়াই আমাদের নামে তারা সিআর মামলা নং ৩৮৮/২৪ ও ৪৩০/২৪ নং মিথ্যা ঘের দখলের মামলা এবং দ্রুত বিচার আইনে ৯১/২৪ নং মামলা করেন। আমাদেরকে হয়রানী করতে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা সহ মিথ্যা মামলা দায়েরের চক্রান্ত শুরু করেছে। মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্র থেকে রেহাই পেতে গ্রাম পুলিশ বিল্লাল হোসেন জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার মহোদয়সহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • দেবহাটায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন

    দেবহাটায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন

    আবু বক্কার সিদ্দিক, স্টাফ রিপোর্টার :- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেবহাটা উপজেলা শাখার আয়োজনে সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী এইচ এম ইমদাদুল হক’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোস্তফা আসাদুজ্জামান মুকুল, মহিউদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সোলাইমান হোসেন, আব্দুল গফুর, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল ওয়াহেদ, ইসরাইল আশেকে মাগফুর, জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
    এসময় এ সম্মেলন দেবহাটা উপজেলায় ২০৩ জন পুরুষ/মহিলা সদস্য (রুকন) দের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর নির্বাচিত করতে ভোট গ্রহণ করা হয়।

  • সাতক্ষীরা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কমিটি গঠন : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের দাবী

    সাতক্ষীরা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কমিটি গঠন : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের দাবী

    সাতক্ষীরা সংবাদদাতা: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার দ্বি—বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ডিসেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা মুন্সিপাড়াস্থ কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এই দ্বি—বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে আগামী ২০২৪—২৬ সেশনের জন্য জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী এবং অধ্যাপক মোঃ আব্দুল গফ্ফা কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
    জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ—সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল সভাপতি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর মাষ্টার শফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলার প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা।
    সম্মেলনে অধ্যাপক গাজী সুজায়াত আলী সভাপতি, সহ—সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল জলিল, ও মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল গফফার, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হোরায়রা ও মোঃ ফিরোজ আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল কুদ্দুস নির্বাচিত হন।
    সম্মেলনে নতুন সভাপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ—সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল সভাপতি মাষ্টার শফিকুল আলম। এরপর সব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়াত আলী ।
    সম্মেলনে প্রধান অতিথি মাষ্টার শফিকুল আলম বলেন, দেশে যত পেশা আছে সব পেশায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। কোনে পেশায় যেন শ্রমিকরা হয়রানির শিকার না হয় সেটির প্রতি সজাগ থাকতে ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়ন অনিবার্য। শ্রমিকরা দেশের মূল চালিকা শক্তি। শ্রমিকদের সম্মান দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিপদে আপদে সবাইকে পাশে থাকতে হবে।

     

     

  • সাতক্ষীরায় ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল

    সাতক্ষীরায় ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল

    ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং দেশের কয়েকটি সীমান্তে ভারতীয় উগ্রবাদীদের হামলার প্রতিবাদে ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    আজ ৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মেইন গেটের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

    মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হিন্দু-মুসলিম ঐ’ক্য গড়ো, বাংলাদেশ র’ক্ষা করো’,‘ভারতীয় আধিপত্য-ভেঙে দাও রুখে দাও’,‘আবু সাইদ মুগ্ধ-শেষ হয়নি যুদ্ধ’,‘দিয়েছিতো রক্ত-আরও দেব রক্ত’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দেব আমরা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ জেগেছে’

    দূতাবাসে হামলা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মানবে না।’ ‘সীমান্তে হামলা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মানবে না। ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারিক ইসলামের নেতৃত্বে সমাবেশে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের স্নতক পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইমরান হোসেন, এ.এইচ.রিফাত হোসেন, বখতিয়ার রহমান, জাস্টিস ফর জুলাই সাতক্ষীরার আহব্বায়ক ইখতেয়ার উদ্দীন, যুগ্ম আহব্বায়ক সায়েম রহমান সিয়াম প্রমুখ।

    সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারিক ইসলাম বলেন, ‘ভারত দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ নানা ধরনের আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। ২৪ এর রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে এ দেশের ছাত্র-জনতা শুধুমাত্র হাসিনাকেই লাল কার্ড দেখায়নি, একই সঙ্গে লাল কার্ড দেখিয়েছে ভারতের আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনকেও।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগ হোসেন বলেন, ‘যেভাবে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকদের এতে প্রতিবাদ জানাতে হবে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা একতাবদ্ধ থাকব।’
    সমাবেশে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের আবুহুরায়রা, গণিত বিভাগের, ইব্রাহিম হোসেন, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের রিয়াজ রহমান, অর্থনিতি বিভাগের রায়হান রাফি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সোহাগ হোসেন, ইসলাম শিক্ষা বিভাগের ইমরান বাসার, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের, সাগর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

  • ভারতের পতাকা মাড়ানোর ভাইরাল ছবিটি ‘এআই’ দিয়ে তৈরি : রিউমর স্ক্যানার

    ভারতের পতাকা মাড়ানোর ভাইরাল ছবিটি ‘এআই’ দিয়ে তৈরি : রিউমর স্ক্যানার

    শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনের সমাপ্তি ঘটে। সরকার পতনের পরের দিনগুলোতে দেশে সহিংসতা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এ সময় সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, লুটপাট ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

    এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রভাব ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও পড়ে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের সামনে জাতীয় পতাকা পোড়ানো এবং আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে।

    এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিটিতে দেখা যায়, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে পাঞ্জাবি ও টুপি পরিহিত এক ব্যক্তি ভারতের জাতীয় পতাকা পায়ে মাড়াচ্ছেন। তবে এই ছবি বাস্তব নয়, এটি বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি। বিষয়টি জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেক বা তথ্য যাছাই সংস্থা রিউমর স্ক্যানার।

    রিউমর স্ক্যানার বলছে, টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতের জাতীয় পতাকা পায়ে মাড়ানোর ভাইরাল ছবিটি বাস্তব নয় বরং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।

    তারা আরও জানায়, ছবিটির সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানেও ছবিটি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হতে দেখা গেছে। সাধারণত এমন কোনো ঘটনা ঘটলে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি জাতীয় গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়।

    ভারতের পতাকা মাড়ানোর ভাইরাল ছবিটি ‘এআই’ দিয়ে তৈরি : রিউমর স্ক্যানার

    উদাহরণ দিয়ে ফ্যাক্ট চেকার সংস্থাটি বলে, কিছুদিন আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের ও ইসরায়েলের পতাকা মাটিতে এঁকে তার ওপর হেঁটে প্রতিবাদ করার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে ঘটনার প্রাসঙ্গিক ছবি ও বিস্তারিত তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু এই ছবির ক্ষেত্রে এমনটি দেখা যায়নি।

    দাবি করা ছবির সূত্রপাত অনুসন্ধানে স্ক্যানার টিম দেখে, এটি গত ১ ডিসেম্বর ‘Voice of Bangladeshi Hindus’ নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথম প্রচারিত হয়। এই অ্যাকাউন্ট থেকে আগেও বিভিন্ন গুজব ছড়ানোর নজির পেয়েছে রিউমর স্ক্যানার টিম।

    ভাইরাল ছবিটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছে রিউমর স্ক্যানার টিম। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিতে থাকা ব্যক্তির ডান পায়ের একটি আঙুল অস্বাভাবিকভাবে অর্ধেক দেখা যাচ্ছে। পাজামার একটি ভাঁজ এমনভাবে রয়েছে, যা দেখতে ধুতির মতো মনে হয়। বাংলাদেশের পতাকার লাল বৃত্তের কাপড়ের ভাঁজও স্বাভাবিক নয়। এ ছাড়া ছবির আলোর প্রতিফলন, ছায়া ও ব্যক্তির চোখের অভিব্যক্তিতেও অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। এ ধরনের অসামঞ্জস্য সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি ছবির ক্ষেত্রে দেখা যায়।

    তথ্য যাচাইকরণ সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের অসামঞ্জস্য লক্ষ করার পর ছবিটির বিষয়ে অধিকতর নিশ্চিত হতে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শনাক্তকরণ ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়। এসব ওয়েবসাইটের বিশ্লেষণে ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হওয়ার পক্ষে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া গেছে।

    রিউমর স্ক্যানার জানায়, ডিপফেক শনাক্তকরণ প্ল্যাটফর্ম ট্রুমিডিয়ার পর্যবেক্ষণও বলছে, আলোচিত ছবিতে ম্যানিপুলেশনের উল্লেখযোগ্য প্রমাণ রয়েছে। অর্থাৎ ছবিটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

    সুতরাং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে পাঞ্জাবি ও টুপি পরা এক ব্যক্তি ভারতের জাতীয় পতাকা পায়ে মাড়াচ্ছেন, এমন দাবি করা ও প্রচার করা ছবিটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি; যা মিথ্যা।